Mr Shahid Automobiles Parts.

Mr Shahid Automobiles  Parts. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mr Shahid Automobiles Parts., Car dealership, salwa Road, oposite DHL, Beside AL fawaj, Doha.

Brake set for car
08/12/2025

Brake set for car

All sensor
08/12/2025

All sensor

23/09/2025

Brake lathe professional brake center…

Eid Mubarak
05/06/2025

Eid Mubarak

গাড়ির গিয়ার বক্স সার্ভিসিং কী, কেন এবং কীভাবে করবেন: একটি বিস্তারিত গাইডগাড়ির যত্ন নিতে গিয়ে আমরা অনেক সময় ইঞ্জিন, টায়ার...
25/05/2025

গাড়ির গিয়ার বক্স সার্ভিসিং কী, কেন এবং কীভাবে করবেন: একটি বিস্তারিত গাইড

গাড়ির যত্ন নিতে গিয়ে আমরা অনেক সময় ইঞ্জিন, টায়ার বা ব্যাটারির দিকে বেশি মনোযোগ দিই, অথচ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো গিয়ার বক্স (Gearbox)। এটি গাড়ির গতি, ক্ষমতা এবং জ্বালানি দক্ষতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। গিয়ার বক্স সঠিকভাবে কাজ না করলে গাড়ির পারফরম্যান্স মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়।


গিয়ার বক্স সার্ভিসিং কী?
গিয়ার বক্স সার্ভিসিং বলতে গিয়ার সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ যেমন গিয়ার অয়েল, সিল, বিয়ারিং, সিনক্রোনাইজার ইত্যাদি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, পরিষ্কার ও প্রয়োজনে প্রতিস্থাপন করাকে বোঝায়। গিয়ার বক্স দুই ধরনের হতে পারে:

● ম্যানুয়াল গিয়ার বক্স (Manual Transmission)
● অটোমেটিক গিয়ার বক্স (Automatic Transmission)

উভয় ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সময় পরপর সার্ভিসিং করা প্রয়োজন।


গিয়ার বক্স সার্ভিসিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১. মসৃণ গিয়ার পরিবর্তন: যখন গিয়ার বক্স পরিষ্কার ও ঠিকঠাক থাকে, তখন গিয়ার পরিবর্তন মসৃণ হয়। এতে গাড়ি চালানো আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়।

২. জ্বালানি সাশ্রয়: সঠিকভাবে কাজ করা গিয়ার বক্স ইঞ্জিনের ওপর চাপ কমায় এবং জ্বালানির দক্ষতা বাড়ায়।

৩. দীর্ঘস্থায়ী গিয়ার সিস্টেম: নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ গিয়ার বক্সের আয়ু বাড়ায় এবং ব্যয়বহুল রিপ্লেসমেন্ট থেকে মুক্ত রাখে।

৪. গাড়ির নিরাপত্তা: ত্রুটিপূর্ণ গিয়ার বক্স দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই এটি নিয়মিত পরীক্ষা করা নিরাপত্তার জন্য জরুরি।

গিয়ার বক্সে সমস্যা বোঝার উপায়
● গিয়ার চেঞ্জে দেরি হওয়া বা আটকে যাওয়া
● গিয়ার বক্স থেকে অস্বাভাবিক শব্দ (ঘর্ষণ, গুঞ্জন)
● গিয়ার নিজে নিজে নিউট্রালে চলে আসা
● গিয়ার অয়েল লিক হওয়া
● অটোমেটিক গিয়ারে স্লিপ হওয়া
উপরের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ সার্ভিসিং প্রয়োজন।


কখন গিয়ার বক্স সার্ভিসিং করবেন?
প্রতিটি গাড়ির ইউজার ম্যানুয়ালে নির্দিষ্ট ইন্টারভ্যাল উল্লেখ থাকে। সাধারণত:
● ম্যানুয়াল গিয়ারে: প্রতি ৪০,০০০ - ৬০,০০০ কিলোমিটার পর
● অটোমেটিক গিয়ারে: প্রতি ৬০,০০০ - ৮০,০০০ কিলোমিটার পর
তবে যদি আগে থেকেই সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে অপেক্ষা না করে দ্রুত একজন দক্ষ মেকানিকের পরামর্শ নিন।


কীভাবে গিয়ার বক্স সার্ভিসিং করবেন?
গাড়ির মডেল এবং গিয়ার বক্সের ধরন অনুযায়ী সার্ভিসিংয়ের ধাপ ভিন্ন হতে পারে। তবে নিচে সাধারণ কিছু ধাপ তুলে ধরা হলো:

ধাপ ১: গাড়ি নিরাপদ স্থানে পার্ক করুন: গাড়িটি সমতল জায়গায় পার্ক করুন। হ্যান্ড ব্রেক টেনে দিন এবং ইঞ্জিন বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন।

ধাপ ২: গিয়ার অয়েল পরীক্ষা করুন: অটোমেটিক গিয়ারে ডিপস্টিক থাকে, যেটা দিয়ে তেলের পরিমাণ ও রঙ পরীক্ষা করা যায়। তেল যদি:

● খুব কালো হয়
● পোড়া গন্ধ থাকে
● খুব ঘন বা খুব পাতলা হয়
● তবে অয়েল চেঞ্জ দরকার।


ধাপ ৩: গিয়ার অয়েল ড্রেন ও রিফিল
১. গিয়ার বক্সের নিচের দিকে থাকা ড্রেন প্লাগ খুলে তেল বের করে নিন
২. ফিলার প্লাগ খুলে নতুন মানসম্মত গিয়ার অয়েল দিন (সঠিক গ্রেড অনুযায়ী)

নির্দেশনা: কোম্পানির ইউজার ম্যানুয়াল অনুযায়ী নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড ও গ্রেডের তেল ব্যবহার করুন।

ধাপ ৪: গিয়ার ফিল্টার চেক করুন (অটোমেটিক ট্রান্সমিশনে: অনেক অটোমেটিক ট্রান্সমিশনে একটি ফিল্টার থাকে যা গিয়ার তেলকে পরিষ্কার রাখে। এটি পরিষ্কার বা পরিবর্তন করতে হবে।

ধাপ ৫: গিয়ার বক্স পরিষ্কার করুন: অতিরিক্ত তেল, ধুলো ও কাদা পরিষ্কার করতে একটি শুকনো কাপড় ও উপযুক্ত ক্লিনার ব্যবহার করুন।

ধাপ ৬: টেস্ট ড্রাইভ: সব কাজ শেষে গাড়ি চালিয়ে দেখে নিন গিয়ার পরিবর্তন স্বাভাবিক আছে কিনা। কোনো শব্দ বা সমস্যা থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে মেকানিকের সাহায্য নিন।


গিয়ার বক্স সার্ভিসিংয়ে বাড়তি কিছু পরামর্শ
● গিয়ার চেঞ্জ করার সময় ক্লাচ পুরোপুরি চেপে ধরুন (ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন)
● অটোমেটিক গিয়ারে “P” মোডে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকুন
● নিয়মিত গাড়ির ক্লাচ প্যাডেল এবং ট্রান্সমিশন কেবল পরীক্ষা করুন
● অতিরিক্ত লোড বা রুক্ষ রাস্তা এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে গিয়ার বক্সে অতিরিক্ত চাপ পড়ে



গিয়ার বক্স সার্ভিসিং গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি শুধু গাড়ির কার্যকারিতা বজায় রাখে না, বরং গাড়ির নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের সাথেও সরাসরি যুক্ত। আপনি যদি গাড়ির প্রতি যত্নবান হন, তাহলে গিয়ার বক্সের সঠিক সার্ভিসিংকে কখনোই অবহেলা করবেন না।

New parts
24/05/2025

New parts

গাড়ির ইঞ্জিন পার্টস এর নাম ও কাজ – একদম বিস্তারিত জানুনগাড়ির ইঞ্জিন হলো একটি জটিল যন্ত্রাংশের সমষ্টি যা একসাথে কাজ করে এ...
24/05/2025

গাড়ির ইঞ্জিন পার্টস এর নাম ও কাজ – একদম বিস্তারিত জানুন

গাড়ির ইঞ্জিন হলো একটি জটিল যন্ত্রাংশের সমষ্টি যা একসাথে কাজ করে একটি গাড়িকে চালনা করার শক্তি সরবরাহ করে। অনেকেই গাড়ি ব্যবহার করলেও ইঞ্জিনের ভেতরে কোন কোন পার্টস আছে এবং সেগুলো কী কাজ করে, তা জানেন না। আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব গাড়ির ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ পার্টস, তাদের কাজ এবং কেন এসব জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।


🔹 ইঞ্জিন পার্টস এর তালিকা ও তাদের কাজ

১. সিলিন্ডার (Cylinder)= সিলিন্ডার হচ্ছে ইঞ্জিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে জ্বালানি ও বায়ু মিশ্রণ পুড়ে শক্তি তৈরি হয়। চার সিলিন্ডার, ছয় সিলিন্ডার বা আট সিলিন্ডার যুক্ত ইঞ্জিন হতে পারে।

২. পিস্টন (Piston)= পিস্টন হলো সিলিন্ডারের ভেতরে চলমান একটি ধাতব বস্তু, যা জ্বালানি দহন থেকে উৎপন্ন শক্তিকে নিচে ঠেলে দেয়। এটি ক্র্যাংকশ্যাফট ঘোরাতে সহায়তা করে।

৩. ক্র্যাংকশ্যাফট (Crankshaft)= ক্র্যাংকশ্যাফট পিস্টনের উপরে নিচে চলাচলকে ঘূর্ণনশীল গতিতে রূপান্তর করে, যা গাড়ির চাকার ঘূর্ণনে কাজে লাগে।

৪. ক্যামশ্যাফট (Camshaft)= ক্যামশ্যাফট ভালভ খোলার ও বন্ধ করার কাজ করে। এটি নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী ইনটেক এবং এক্সহস্ট ভালভ নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. ভালভ (Valves)= ভালভ দুটি ধরণের হয়: ইনটেক ও এক্সহস্ট। ইনটেক ভালভ জ্বালানি ও বায়ুকে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে দেয়, এবং এক্সহস্ট ভালভ দহন শেষে গ্যাস নির্গত করে।

৬. স্পার্ক প্লাগ (Spark Plug)= পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক প্লাগ থাকে, যা বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণে আগুন ধরায় এবং দহন শুরু করে।

৭. ফুয়েল ইনজেক্টর (Fuel Injector)= ফুয়েল ইনজেক্টর জ্বালানিকে সঠিক পরিমাণে এবং নিখুঁতভাবে সিলিন্ডারে প্রবেশ করায়। এটি আধুনিক গাড়িতে কার্বুরেটরের বিকল্প।

৮. কার্বুরেটর (Carburetor)= পুরাতন গাড়িতে ব্যবহৃত হয়। এটি বায়ু ও জ্বালানির সঠিক অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করে ইঞ্জিনে পাঠায়।

৯. রেডিয়েটর (Radiator)= ইঞ্জিন ঠান্ডা রাখার জন্য রেডিয়েটর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি কুল্যান্টের সাহায্যে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ বাইরে বের করে দেয়।

১০. ওয়াটার পাম্প (Water Pump)= ওয়াটার পাম্প কুল্যান্টকে ইঞ্জিনের ভেতরে প্রবাহিত করে, যাতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

১১. টাইমিং বেল্ট / চেইন (Timing Belt / Chain)=ক্যামশ্যাফট ও ক্র্যাংকশ্যাফটকে সঠিক সময়ে ঘোরানোর দায়িত্ব পালন করে টাইমিং বেল্ট বা চেইন। যদি এটি ছিঁড়ে যায়, তাহলে ইঞ্জিনের বড় ক্ষতি হতে পারে।

১২. অয়েল পাম্প (Oil Pump)=ইঞ্জিন অয়েলকে প্রতিটি চলমান অংশে সরবরাহ করে। এটি ইঞ্জিনকে লুব্রিকেট করে ঘর্ষণ কমায় ও তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

১৩. এয়ার ফিল্টার (Air Filter)= বাইরের বাতাসে থাকা ধুলো ও ময়লা পরিশোধন করে ইঞ্জিনে পরিষ্কার বাতাস সরবরাহ করে।

১৪. এক্সহস্ট ম্যানিফোল্ড (Exhaust Manifold)= দাহ্য গ্যাসগুলোকে একত্র করে এগুলো এক্সহস্ট পাইপে পাঠায় এবং বাইরে বের করে দেয়।

১৫. ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট (ECU)= এটি একটি কম্পিউটার ইউনিট যা ইঞ্জিনের বিভিন্ন সেন্সর থেকে ডেটা নিয়ে পুরো ইঞ্জিন পরিচালনা করে।


কেন এইসব পার্টস সম্পর্কে জানা জরুরি?
অনেক সময় ইঞ্জিনে সামান্য সমস্যা দেখা দিলেও আমরা গুরুত্ব দেই না। কিন্তু যদি আপনি জানেন কোন পার্টস কী কাজ করে, তাহলে প্রাথমিক সমস্যা আপনি নিজেই চিহ্নিত করতে পারবেন। এতে সময় ও খরচ দুই-ই বাঁচে।


গাড়ির ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণের টিপস:
প্রতি ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ কিমি পর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন।নিয়মিত এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন। কুল্যান্টের স্তর পর্যবেক্ষণ করুন। টাইমিং বেল্ট বা চেইনের অবস্থা চেক করুন। ECU ত্রুটি দেখালে অবহেলা না করে মেকানিক দেখান।


উপসংহার= গাড়ির ইঞ্জিন হলো যেকোনো গাড়ির প্রাণ। এর প্রতিটি যন্ত্রাংশ একে অপরের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে। আপনি যদি চালক হন বা নতুন গাড়ি কিনতে আগ্রহী, তাহলে ইঞ্জিন পার্টসের নাম ও কাজ জানা আপনার জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনি নিজের গাড়ির যত্ন নিতে পারবেন আরও সচেতনভাবে এবং ত্রুটি চিহ্নিত করতে পারবেন প্রাথমিক পর্যায়েই।

Throttle Position Sensor (TPS)আপনি যতটুকু অ্যাক্সিলারেটর চাপলেন, ইঞ্জিন জানলো ঠিক ততটাই – কিভাবে?গাড়ি চালানোর সময় আপনি য...
22/05/2025

Throttle Position Sensor (TPS)

আপনি যতটুকু অ্যাক্সিলারেটর চাপলেন, ইঞ্জিন জানলো ঠিক ততটাই – কিভাবে?

গাড়ি চালানোর সময় আপনি যখন অ্যাক্সিলারেটর প্যাডেলে চাপ দেন, তখন আপনার ইচ্ছে মতো গতি পাওয়া নির্ভর করে ইঞ্জিন কতটা বুঝতে পারছে আপনি কী চান।
আপনার সেই ইচ্ছেটা ইঞ্জিনের কাছে পৌঁছায় Throttle Position Sensor-এর মাধ্যমে।

Throttle Position Sensor (TPS) কী?

TPS হচ্ছে একটা সেন্সর যেটা থ্রটল বডির সাথে লাগানো থাকে। থ্রটল বডি এমন একটা অংশ যেটা দিয়ে ইঞ্জিনে বায়ু ঢোকে। আপনি অ্যাক্সিলারেটর চাপলে এই বডির ভেতরের কপাট (butterfly valve) খোলে। TPS সেই কপাট কতটুকু খোলা হয়েছে সেটা মাপে।

TPS কীভাবে কাজ করে?

* আপনি অ্যাক্সিলারেটর চাপলে থ্রটল বডির কপাট খুলে যায়
* TPS সেটা রেকর্ড করে এবং ECU-তে পাঠিয়ে দেয়
* ECU বুঝে যায় কতটুকু বায়ু ঢুকবে, আর তার সাথে কতটুকু জ্বালানি দরকার
* এই হিসেবে ইঞ্জিন ঠিকমতো পাওয়ার দেয়

TPS খারাপ হলে কী হতে পারে?

* গাড়ি স্পিড নিতে চায় না
* অ্যাক্সিলারেটর চাপলেও গতি বাড়ে না বা হঠাৎ বেড়ে যায়
* ইঞ্জিন কেপে কেপে চলে বা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়
* চেক ইঞ্জিন লাইট জ্বলে (কোড হতে পারে: P0120 – P0124)
* গাড়ির গতি বাড়লে বা কমলে ঝাঁকুনি দেয়, বিশেষ করে কম স্পিডে

TPS কেন নষ্ট হয়?

* ভিতরের যান্ত্রিক পার্ট ক্ষয়ে যায়
* ডাস্ট বা তেল জমে সঠিক রিডিং দেয় না
* সংযোগ বা ওয়ারিং লুজ হয়ে যায়
* সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেন্সরের সেন্সিভিটি কমে যায়

চেক করার উপায়:

* গাড়ি চালাতে গেলে যদি মনে হয় গতি একরকম থাকছে না
* অ্যাক্সিলারেটর চাপেও রেসপন্স দেরিতে আসছে
* প্রশিক্ষিত মেকানিক দিয়ে মাল্টিমিটার বা স্ক্যানার দিয়ে TPS রিডিং চেক করিয়ে নিন

আপনাদের লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার আমাদের কে উৎসাহিত করে। ভালো থাকুক সবার গাড়ি।

নিছে শীর্ষ  ইঞ্জিন সেন্সর এর ছবি দেওয়া আছে   প্রতিটি গাড়ির মালিকের জানা উচিত! ইঞ্জিন সেন্সর হল ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা একট...
22/05/2025

নিছে শীর্ষ ইঞ্জিন সেন্সর এর ছবি দেওয়া আছে প্রতিটি গাড়ির মালিকের জানা উচিত!

ইঞ্জিন সেন্সর হল ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা একটি ইঞ্জিনের অপারেশনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। তারা ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট (ইসিইউ) কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে, যা তারপর সেই অনুযায়ী ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা প্যারামিটারগুলি সমন্বয় করে।

এখানে একটি গাড়ির সবচেয়ে দরকারী 10 সেন্সর এবং তাদের ফাংশন:
১. ম্যাস এয়ারফ্লো সেন্সর (এমএএফ): উপযুক্ত জ্বালানী ইনজেকশন গণনা করার জন্য ইঞ্জিনে প্রবেশের পরিমাণ পরিমাপ করে।
- একটি ত্রুটিপূর্ণ সেন্সর প্রভাব: দুর্বল জ্বালানী দক্ষতা, রুক্ষ অলসতা, ক্ষমতা হারান।
- ডিটিসি কোড: পি০১০০-পি০১০৪, পি১১০০-পি১১০৬।

২। অক্সিজেন সেন্সর (O2): নিষ্কাশন গ্যাসের অক্সিজেন স্তর পর্যবেক্ষণ করে, ইসিইউকে কার্যকর দহন এবং হ্রাসের জন্য জ্বালানী ইনজেকশন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম করে।

৩। থ্রটল অবস্থান সেন্সর (টিপিএস): থ্রটল ভালভের অবস্থান ট্র্যাক করে, ইসিইউকে ইঞ্জিন পাওয়ার এবং ত্বরণ নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়।

৪. ক্র্যাঙ্কশফট অবস্থান সেন্সর (সিকেপি): ক্র্যাঙ্কশফট এর অবস্থান এবং গতি সনাক্ত করে, ইগনিশন টাইমিং এবং জ্বালানী ইনজেকশন সিঙ্ক্রোনাইজেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫। ক্যামশাফ্ট অবস্থান সেন্সর (সিএমপি): ক্যামশাফ্টের অবস্থান এবং গতি নিরীক্ষণ করে, ইঞ্জিনের ভালভের সঠিক সময়ে সহায়তা করে।

৬. ইঞ্জিন কুল্যান্ট তাপমাত্রা সেন্সর (ইসিটি): শীতল তাপমাত্রা পরিমাপ করে, ইসিইউকে জ্বালানি সরবরাহ পরিচালনা করতে এবং অতিরিক্ত গরম প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৭. নক সেন্সর: ডিটোনেশনের কারণে ইঞ্জিন নক বা পিং সনাক্ত করে, ইসিইউকে ইঞ্জিনের ক্ষতি প্রতিরোধ করার জন্য ইগনিশন টাইমিং নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়।

৮. বহুগুন উচ্চ চাপ সেন্সর (এমএপি): বহুগুন চাপ গ্রহণ পরিমাপ করে, বায়ু-জ্বালানী মিশ্রণ এবং টার্বোচার্জার নিয়ন্ত্রণ অপ্টিমাইজ করতে সাহায্য করে।

৯। ইনটেক এয়ার টেম্পারেচার সেন্সর (আইএটি): ইনকামিং বায়ুর তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করে, বিভিন্ন অবস্থার জন্য বায়ু-জ্বালানী অনুপাত খাপ খাইয়ে নিতে ইসিইউকে সহায়তা করে।

১০। তেলের চাপ সেন্সর: ইঞ্জিন তেলের চাপ মনিটর করে, সতর্কতা প্রদান করে যদি ইঞ্জিনকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে চাপ খুব কম পড়ে।

Address

Salwa Road, Oposite DHL, Beside AL Fawaj
Doha

Opening Hours

Monday 07:00 - 23:59
Tuesday 07:00 - 23:59
Wednesday 07:00 - 23:59
Thursday 07:00 - 23:59
Friday 07:00 - 22:00
Saturday 07:00 - 23:59
Sunday 07:00 - 23:59

Telephone

+97466882090

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr Shahid Automobiles Parts. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mr Shahid Automobiles Parts.:

Share

Category