James Uncle

Call Directions Website Contact the business

James Uncle Interior Decoration | AC Repair & Service | Plumbing | Electrical | Trusted Home Services in Kolkata

JamesUncle – Trusted Technician Platform 🔧
আপনার ঘরের plumbing, electrical, flooring, painting থেকে শুরু করে interior decoration – সব expert service এক জায়গায়।
🏠 Mission: “Trusted Hands, Better Homes.”
👉 Follow us for reliable service, quick booking & hassle‑free experience.

নবমী মানেই সাজে একটু আভিজাত্য, পোশাকে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া আর খাওয়াদাওয়ায় জমকালো আয়োজন!  নতুন জামা, পছন্দের গয়না, দু...
20/10/2026

নবমী মানেই সাজে একটু আভিজাত্য, পোশাকে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া আর খাওয়াদাওয়ায় জমকালো আয়োজন! নতুন জামা, পছন্দের গয়না, দুপুরের পাতে মাটনের বিশেষ পদ—বাঙালির নবমী যেন এই সবকিছু ছাড়া ঠিক জমেই না। আর সন্ধে নামলেই শুরু রাত জেগে ঠাকুর দেখা, আলোর রোশনাই আর প্রিয়জনদের সঙ্গে প্যান্ডেল হপিং।

নবমীর সাজগোজ, পরিবারের সবার তৈরি হওয়ার ব্যস্ততা, পছন্দের পোশাকে সেজে একসঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়া—সব মিলিয়ে বাড়িতেও তখন উৎসবের এক আলাদা আমেজ। বাড়ির এই চেনা পরিবেশ আর আপনজনদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলোই উৎসবের আনন্দকে আরও রঙিন করে তোলে।

এই নবমীতে আপনার বাড়ি আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটুক আনন্দে ভরা মুহূর্ত। JamesUncle-এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই শুভ নবমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা! 🌺

অষ্টমীর সকাল মানেই নতুন জামা পরে অঞ্জলি দিতে যাওয়া, বাড়ি ফিরে গরম ফুলকো ফুলকো লুচি-ছোলার ডাল আর দুপুরে পাড়ার মণ্ডপে ম...
19/10/2026

অষ্টমীর সকাল মানেই নতুন জামা পরে অঞ্জলি দিতে যাওয়া, বাড়ি ফিরে গরম ফুলকো ফুলকো লুচি-ছোলার ডাল আর দুপুরে পাড়ার মণ্ডপে মায়ের মালসাভোগ। ❤️

এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই বছরের পর বছর আমাদের মনে থেকে যায়, হয়ে ওঠে পরিবারের সঙ্গে কাটানো অমূল্য স্মৃতি। আর সেই স্মৃতিগুলোর সবচেয়ে আপন ঠিকানা—নিজের বাড়ি, যেখানে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মানুষগুলো একসঙ্গে থাকে।

এই অষ্টমীতে প্রতিটি বাড়ি ভরে উঠুক হাসি, ভালোবাসা আর একসঙ্গে থাকার আনন্দে। শুভ মহাষ্টমী, JamesUncle-এর পক্ষ থেকে। 🌸

মহাসপ্তমীর সকাল মানেই ঢাকের আওয়াজ, পুজোর মন্ত্র আর ঐতিহ্য মেনে কলাবউ স্নান! 🌿 ভোরের আলো ফুটতেই গঙ্গার ঘাটে কলাবউকে স্না...
17/10/2026

মহাসপ্তমীর সকাল মানেই ঢাকের আওয়াজ, পুজোর মন্ত্র আর ঐতিহ্য মেনে কলাবউ স্নান! 🌿 ভোরের আলো ফুটতেই গঙ্গার ঘাটে কলাবউকে স্নান করিয়ে নতুন শাড়িতে সাজিয়ে মণ্ডপে নিয়ে আসার এই রীতি বাঙালির দুর্গাপুজোর এক বিশেষ অঙ্গ।

ঢাকের আওয়াজ আর পাড়ার মণ্ডপে পুজোর ব্যস্ততা! কোথাও মণ্ডপ সাজানোর কিছু বাকি টুকিটাকি কাজ করার ধুম, কোথাও প্রতিমার সামনে ভিড়—চারপাশে তখন উৎসবের আমেজ। আর নিজেরাও নতুন পোশাকে, পছন্দের সাজে তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়ি এলাকার ঠাকুর দেখতে। চেনা গলির আলো, মণ্ডপের অপূর্ব সাজ আর পরিচিত মানুষদের সঙ্গে দেখা—সব মিলিয়ে সপ্তমীর আনন্দটাই আলাদা।

JamesUncle-এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই শুভ মহাসপ্তমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা। মায়ের আশীর্বাদে প্রতিটি বাড়ি ভরে উঠুক সুখ ও সমৃদ্ধিতে। ❤️

পুজোর আনন্দটা থাকুক অটুট, আর প্রতিটি পদক্ষেপ হোক একটু সচেতন! ✨ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে রাস্তার নিরাপত্তা থেকে শুরু করে পরিবার...
16/10/2026

পুজোর আনন্দটা থাকুক অটুট, আর প্রতিটি পদক্ষেপ হোক একটু সচেতন! ✨

ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে রাস্তার নিরাপত্তা থেকে শুরু করে পরিবারের ছোটখাটো প্রয়োজন—সবকিছুর দিকেই রাখুন নজর। আর বাইরে বেরোলে সঙ্গে রাখুন জলের বোতল, বিশেষ করে বাড়ির ছোটদের জন্য।

যাঁরা বাইরে যেতে পারছেন না, তাঁরাও টিভি আর YouTube-এর মাধ্যমে উপভোগ করুন পুজোর রঙিন মুহূর্তগুলো।

আপনার পুজো হোক আনন্দের, পথচলা হোক নিরাপদ।

🌼 শুভ ষষ্ঠী 🌼


Youtube এ হঠাৎ করেই একটা Shorts আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে সেদিনকে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্স এ ড্রোন উড়িয়ে মা দুর্গার মুখ,...
14/10/2026

Youtube এ হঠাৎ করেই একটা Shorts আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে সেদিনকে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্স এ ড্রোন উড়িয়ে মা দুর্গার মুখ, বেশ ভালো লাগছিল ব্যাপারটা। আর কার কাছে যেন শুনছিলাম Red Road এ খুব সুন্দর সাজানো হয়েছে- ফেসবুকে তার ও কিছু ছবি দেখে খুব ইচ্ছে করছিলো যে একটু রাতের কলকাতা দেখে আসি। কিন্তু সব জায়গাতেই দেখছিলাম, এখনও পর্যন্ত সেরকম কোনো ঠাকুর প্যান্ডেলে ঢোকার ব্যবস্থা শুরু হয়নি, এরই মধ্যে দেখলাম সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার তাদের প্যান্ডেল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে, সেখানে যাওয়া যাচ্ছে। ব্যাস আর দেরি করিনি। সপরিবার নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম।

গতকাল রাতের কলকাতাটা যেন একটু অন্যরকম ছিল। আলোয় মোড়া রাস্তা, উৎসবের আমেজ, মানুষের চোখেমুখে পুজো দেখার আনন্দ আর শহরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এক অদ্ভুত মায়া। বাতাসে হালকা ঠান্ডার আভাস এবং তাতে গাড়ি করে প্রথম গন্তব্য সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার।

পরিকল্পনা ছিল বেশ গোছানো। প্রথমে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের 'বন্দেমাতরম ' থিমের প্যান্ডেল, তারপর রেড রোড হয়ে বাড়ি ফেরা।

যেমন ভাবনা, তেমনই কাজ।

গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম কলকাতার পথে। সঙ্গে বউ-মেয়েদের নিয়ে শুরু হলো আমাদের রাতের প্যান্ডেল Hopping। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের সামনে গাড়ি পার্ক করতেই বুঝলাম, লেবুতলা পার্কের পুজোর টানটা এখনও সবার কাছে কতটা গভীর! তখন প্রায় রাত একটা। তবুও মানুষের ঢল, লম্বা লাইন, আর প্রত্যেকের চোখে সেই বহু প্রতীক্ষিত দর্শনের আনন্দ। আমাদেরও প্রায় তিরিশ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হলো।

কিন্তু জানো তো, কিছু কিছু অপেক্ষার শেষে যে প্রাপ্তি থাকে, তা সত্যিই অন্যরকম!

প্যান্ডেলের ভিতরে ঢুকেই যেন মুহূর্তের জন্য চারপাশের সবকিছু ভুলে গেলাম। বন্দেমাতরম—শুধু একটা থিম নয়, যেন একটা ইতিহাস, একটা আবেগ, একটা জাতির আত্মপরিচয়ের গল্প। যে স্বাধীনতাকে আজ আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক অধিকার বলে জানি, সেই স্বাধীনতার পিছনে রয়েছে কত মানুষের আত্মত্যাগ, কত বিপ্লবীর রক্ত, কত মায়ের চোখের জল আর কত পরিবারের না-পাওয়ার ইতিহাস!

আজকের এই আধুনিক জীবন, নিজের মতো করে বাঁচার অধিকার, স্বাধীনভাবে নিজের স্বপ্ন বেছে নেওয়ার সুযোগ—এসবের মূল্য যে কতখানি, তা সম্পূর্ণভাবে অনুভব করাও কঠিন।

প্যান্ডেলের পরিকল্পনা, তার উপস্থাপনা আর প্রতিটি দৃশ্যের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস সত্যিই মন ভরিয়ে দিলো আর তার সঙ্গে মায়ের অপরূপ রূপ! থিমের গাম্ভীর্য আর দেবীর সৌন্দর্য যেন একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছিল। কিছুক্ষণ শুধু তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করছিল। মনে হচ্ছিল, শিল্প যখন আবেগের সঙ্গে মিশে যায়, তখন তা শুধু চোখকে মুগ্ধ করে না, মনেও গভীর ছাপ রেখে যায়।

এই তো আমাদের ঐতিহ্যবাহী কলকাতার পুজো! এখানে একটা প্যান্ডেল দেখতে এসে কখন যে ইতিহাসের পাতায় ডুবে যাই, কখন যে শিল্পের প্রেমে পড়ে যাই, নিজেরাও বুঝতে পারি না।

প্যান্ডেল ঘোরা শেষ করে বাইরে বেরিয়ে দেখি, রাতের শহর তখনও নিজের ছন্দে মেতে রয়েছে। আর আমাদের ছোট্ট মেয়ের তখন একটাই আবদার—আইসক্রিম খেতেই হবে!

অগত্যা, এত রাতেও ছোট্ট মেয়ের আবদারকে গুরুত্ব দিয়ে সবাই মিলে একটা করে Hocco আইসক্রিম নিলাম। আইসক্রিম খেতে খেতেই গাড়ি বের করলাম। এবার গন্তব্য রেড রোড।

সকালের Shorts-এ যে সৌন্দর্যের ঝলক দেখেছিলাম, রাতের অন্ধকারে আলোর সাজে সেই পথকে সামনে থেকে দেখার অপেক্ষা ছিল অনেকক্ষণ ধরেই। বিড়লা প্লানেটোরিয়াম কে বাঁ-হাতে রেখে গাড়ি যখন আমাদের ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের উত্তরের দরজার দিকে এগোচ্ছে, হঠাৎ করে দেখলাম মাথার ওপর যেন আলোর শামিয়ানা টানানো রয়েছে। সেখানেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে অনেক্ষন ছবি তুললাম, অপূর্ব! দুপাশে গাছগুলোর মাঝখান থেকে যেভাবে আলোগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে তাতে আমার শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি গাছের কথা মনে পড়ছিলো, যেন প্রত্যেকটা গাছ থেকে সোনার অলংকার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তারপর সেখান থেকে ড্রাইভার বললো, দাদা অনেক প্যান্ডেল তো দেখা হলো না, আজকে চলুন Red Road এর ওখানে গিয়ে দাঁড়ান। তার কথা মতো ফোর্ট উলিয়ামকে বাঁ হাতে রেখে Red Road এর দক্ষিণ দিকের রাস্তাটাতে গিয়ে নামলাম।

ড্রাইভার গাড়িতেই রইলো, গাড়ি পার্ক করে আমরা Red Road এ হাঁটতে শুরু করলাম। এটা আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা। রাতের কলকাতায় ঠাকুর দেখা আমার খুব একটা আগের অভিজ্ঞতার মধ্যে নেই। কিন্তু এবছর প্রথম Red Road -এ যে সাজানো গোছানো,যে শৈল্পিক ছোঁয়া- রাবীন্দ্রিক, আধ্যাত্বিক এবং আমাদের সারা পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজো যেভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এগোতে এগোতেই দেখলাম আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, বীরভুম, তারপর হুগলী - এরকম প্রত্যেকটা জেলার একটা করে স্টেজ বানানো এবং রাস্তাটাকে অপূর্ব সুন্দর সাজে আলোকিত করা। ভালো লাগছিলো যে না আসলে বোধহয় ভুল হয়ে যেত।

দীর্ঘ রাস্তার দু'পাশে ঐতিহ্যের ছোঁয়া, আলোর নিখুঁত বিন্যাস, বাংলার সংস্কৃতিকে মনে করিয়ে দেওয়া সাজসজ্জা আর গোটা পরিবেশজুড়ে এক রাজকীয় আবহ—সব মিলিয়ে রাতের রেড রোড যেন এক জীবন্ত ক্যানভাস। আলো আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে রাস্তার পরিচিত চেহারাটাও যেন নতুন রূপ পেয়েছে। কোথাও উৎসবের জৌলুস, কোথাও বাঙালিয়ানার গর্ব, আবার কোথাও এমন এক স্নিগ্ধ সৌন্দর্য। রাতের তিলোত্তমা নগরী কলকাতা যেন নিজের ইতিহাস, সংস্কৃতি আর সৌন্দর্যকে সবার সামনে মেলে ধরেছিলো।

আমরা যারা সৌন্দর্যের কাঙাল, তাদের কাছে এমন রাতের আলাদা একটা মানে আছে। সৌন্দর্য আমাদের টানে। কখনও তা মাটির প্রতিমায়, কখনও শিল্পীর নিখুঁত পরিকল্পনায়, কখনও আলোকসজ্জায়, আবার কখনও একটা চেনা রাস্তার নতুন সাজে। সেই টানেই তো এত রাতে বেরিয়ে পড়া, সেই টানেই ভিড় পেরিয়ে প্যান্ডেলে পৌঁছনো, সেই টানেই ক্লান্তি ভুলে আরও একটু পথ এগিয়ে যাওয়া।

কারণ, সুন্দরকে ভালোবাসার কোনও নির্দিষ্ট সময় হয় না। রাত একটা হোক কিংবা ভোরের আলো, রাস্তায় মানুষের ভিড় হোক কিংবা দীর্ঘ পথ পেরিয়ে কোনও শিল্পকর্মের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা—সৌন্দর্য তার নিজের আকর্ষণে আমাদের কাছে টেনে নেবেই।

আমরা যেমন শহরের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হই, তেমনই নিজের বাড়িটাকেও সুন্দর দেখতে ভালোবাসি। দিনের শেষে যে বাড়িতে ফিরে আসি, যেখানে পরিবারের সঙ্গে গল্প জমে, উৎসবের প্রস্তুতি চলে, প্রিয় মানুষদের নিয়ে তৈরি হয় অসংখ্য স্মৃতি—সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেও তো একটু সৌন্দর্য, একটু যত্ন আর একটু ভালো লাগা থাকা চাই।

বাড়ি মানে শুধু চারটে দেওয়াল আর একটা ছাদ নয়। বাড়ি হলো আমাদের অনুভূতির জায়গা, আমাদের শান্তির ঠিকানা, আমাদের প্রতিদিনের জীবনের সবচেয়ে আপন ক্যানভাস।

তাই উৎসবের আলোয় কলকাতাকে নতুন করে সাজতে দেখলে নিজের বাড়িটাকেও নতুন করে ভালোবাসতে ইচ্ছে করে। কখনও ছোট্ট একটা পরিবর্তন, কখনও প্রয়োজনীয় কোনও মেরামতি, কখনও বাড়ির কোনও অংশকে আরও সুন্দর ও ব্যবহারযোগ্য করে তোলা—এই ছোট ছোট যত্নেই তো ঘর হয়ে ওঠে আরও আপন।

JamesUncle Home Solution—আপনার বাড়ির প্রয়োজনীয় কাজগুলোকে যত্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ করে আপনার আপন ঠিকানাটাকে আরও সুন্দর, আরও আরামদায়ক করে তুলতে পাশে থাকে।

কলকাতার আলোয় ভরা একটা রাত আমাদের শিখিয়ে গেল, সৌন্দর্যকে উপভোগ করতে জানতে হয়, আর নিজের চারপাশকেও সুন্দর করে তুলতে হয় ভালোবাসা দিয়ে।

সৌন্দর্যের টানে বেরিয়ে পড়া, আর ভালোবাসার টানে ঘরে ফেরা—এই নিয়েই তো আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলো তৈরি হয়। ❤️

JamesUncle Home Solution — আপনার বাড়ির যত্নে, আপনার আপন ঠিকানার পাশে।

আর মাত্র ক’টা দিনের অপেক্ষা 🌺❤️চারপাশে এখন পুজো আসার ব্যস্ততা। পাড়ার গলি গলি আলোয় সেজে উঠছে, ক্লাবের প্যান্ডেলে দিনরাত...
12/10/2026

আর মাত্র ক’টা দিনের অপেক্ষা 🌺❤️

চারপাশে এখন পুজো আসার ব্যস্ততা। পাড়ার গলি গলি আলোয় সেজে উঠছে, ক্লাবের প্যান্ডেলে দিনরাত চলছে কাজ, আর বড় বড় মণ্ডপে তো একে একে আসতে শুরু করেছে মায়ের প্রতিমা। সন্ধ্যেবেলা অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্যান্ডেলের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পা দুটো যেন আপনা থেকেই থমকে যায়। মনে হয়, আর কতক্ষণ! কবে যে মণ্ডপে মায়ের প্রতিমা ঢুকবে, কবে যে ঢাকের আওয়াজে চারপাশ মুখর হয়ে উঠবে!

মহালয়া পেরোলেই যেন সময়ের আর তর সয় না। অফিসের কাজের ফাঁকে পুজোর কেনাকাটার হিসেব, পড়ার টেবিলে বসেও প্যান্ডেলের কথা মনে পড়া, আর রাতের দিকে একবার হলেও টুক করে একবার পাড়ার পুজোর প্রস্তুতি দেখতে বেরিয়ে পড়া—মন জুড়ে তখন একটাই অপেক্ষা, পুজো আর কত দেরি!

এই অপেক্ষার মধ্যেই বাড়িতেও শুরু হয় অন্যরকম ব্যস্ততা। আলমারিতে তাকে তাকে গুছিয়ে আলাদা করে রাখা হয় পুজো তে পড়ার নতুন জামাকাপড়, ফ্রিজের কভার টা বদলানো, দরজা জানলায় নতুন রঙিন পর্দা লাগানো, বসার ঘরটা যদি একটু নতুনভাবে সাজানো! দেওয়ালের রং, ঘরের আলো, আসবাবের সাজ—সবকিছুতেই যেন উৎসবের একটা নতুন ছোঁয়া আনার ইচ্ছে জাগে।

কারণ, বাইরে যখন গোটা পাড়া নতুন সাজে সেজে উঠছে, তখন নিজের ঘরটাকেও নতুন রূপে দেখতে কার না ভালো লাগে! পুজোর কটা দিন বাড়িতে আত্মীয়স্বজন আসবেন, বন্ধুরা আড্ডা দিতে বসবেন, পরিবারের সবাই মিলে কাটবে আনন্দের সময়। সেই চেনা ঘরটায় যদি থাকে একটু নতুন সাজের ছোঁয়া, তাহলে উৎসবের আনন্দও যেন আরও বেড়ে যায়।

তাই পুজোর অপেক্ষার পাশাপাশি নিজের ঘরটাকেও সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হোক এখন থেকেই। অন্দরসজ্জা, ডেকোরেশন কিংবা বাড়ির প্রয়োজনীয় হোম সলিউশনের পরিকল্পনায় আপনার পাশে রয়েছে JamesUncle।

প্যান্ডেলের আলো জ্বলার অপেক্ষা, ঢাকের আওয়াজ শোনার অপেক্ষা, নতুন জামা পরে বেরিয়ে পড়ার অপেক্ষা—সব অপেক্ষার শেষে যখন মা আসবেন, তখন আপনার ঘরও থাকুক উৎসবকে আপন করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

মা আসছেন! আর সেই আনন্দকে স্বাগত জানাতে সাজুক আপনার প্রিয় ঘরটাও, আপনার মনের মতো করে। 🏡✨

শুভ মহাদ্বিতীয়া! 🌼

মহালয়ার সেই ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ শুনে গায়ে কাঁটা দেয়নি এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া ভার। শিউলি ফুলের গন্ধ, ...
10/10/2026

মহালয়ার সেই ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ শুনে গায়ে কাঁটা দেয়নি এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া ভার। শিউলি ফুলের গন্ধ, কুয়াশাঘেরা আলো আর পাড়ার মাইকে ভেসে আসা সেই চিরন্তন সুর—আমাদের বড় হয়ে ওঠার প্রতিটি শারদপ্রাতে এই স্মৃতি একদম স্থায়ী ছাপ ফেলে গেছে।

কিন্তু আজ যখন আমরা জীবনের মধ্যগগনে এসে দাঁড়াই—যেখানে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একরাশ মানসিক ক্লান্তি, অদৃশ্য শূন্যতা আর আত্মদ্বন্দ্ব এসে ভিড় করে—তখন মনে হয়, সংস্কৃতে বলা সেই স্তোত্রগুলোর শব্দ হয়তো কানে পৌঁছেছিল, কিন্তু অন্তরের আসল অর্থটা আমাদের অনেকের কাছেই অধরা থেকে গিয়েছিল। একদিকে সংস্কৃত ভাষার প্রচলন থেমে যাওয়া, আর তার সাথে সাথে সেই বরেণ্য শিক্ষকগণের হারিয়ে যাওয়া—ফলে গীতা বা চণ্ডীর মর্মার্থ অনেকের কাছেই অধরা থেকে যায়। সেদিন এক জ্ঞানী পণ্ডিত মশাইয়ের কাছে শুনছিলাম এক অতীব সুন্দর ব্যাখ্যা। তিনি বলছিলেন:

> *"চণ্ডীর সেই অসুর নিধন কোনো অলৌকিক রূপকথা নয়; তা আসলে আমাদের প্রতিদিনের মানসিক অস্তিত্ব রক্ষার এক গভীর পথনির্দেশ।"*

চল্লিশ পেরোনো এক মধ্যবয়সী মানুষের চব্বিশ ঘণ্টার রোজনামচায় চণ্ডীর সেই অসুরেরা কীভাবে নিঃশব্দে বাসা বাঁধে এবং কীভাবে তাদের অতিক্রম করা যায়, তারই এক প্রাণবন্ত জীবনগাথা:

---

# # # ১. ভোর ৫:৩০ — মহাবিষ্ণুর নিদ্রাভঙ্গ (মধু ও কৈটভ নিধন)

অ্যালার্ম বাজতেই মনটা বলে উঠল, *"আর দশ মিনিট শুয়ে থাকি, কাল রাতে ঘুমটা ভালো হয়নি।"* মোবাইলটা হাতে নিয়ে স্ক্রোল করতে করতে আরও আধঘণ্টা পার। তখনই মনে ভেসে উঠল আজকের কাজের পাহাড়, বাজারের ফর্দ আর সংসারের দায়িত্ব—ভেতরটা এক গভীর বিতৃষ্ণায় ভরে গেল।

এই যে বিছানা না ছাড়ার অলস আরাম, এ-ই হলো **‘মধু’** (তমোগুণের আসক্তি)। আর দিন শুরু হওয়ার আগেই কাজের ভয়ে অবচেতন বিরক্তি—এ-ই হলো **‘কৈটভ’** (বিদ্বেষ)।

* **যুদ্ধে উত্তরণ:** বিছানায় গা এলিয়ে না থেকে সোজা উঠে বসা। বারান্দায় গিয়ে ভোরের খোলা বাতাসে কয়েকটা গভীর শ্বাস নেওয়া। মনকে স্পষ্ট বলা—*"অতীতের ক্লান্তি কালকের দিনেই শেষ, আজকের সকালটা নতুন চেতনার।"* এই এক দৃঢ় পদক্ষেপে বিছানা ছাড়াটাই হলো মহাবিষ্ণুর যোগনিদ্রা ভাঙা।

---

# # # ২. সকাল ১১:০০ — ডেস্কে ও বৈঠকে (মহিষাসুর দমন)

অফিসের জরুরি মিটিংয়ে অথবা পারিবারিক কোনো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় একটা মতবিরোধ তৈরি হলো। সহকর্মী বা পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য এমন একটা প্রস্তাব দিল যা আপনার ভাবনার সঙ্গে মিলছে না। সঙ্গে সঙ্গে ভেতর থেকে একটা অন্ধ কর্তৃত্ব চাগাড় দিয়ে উঠল—*"আমি এই ক্ষেত্রে বিশ বছর ধরে কাজ করছি, আমি যা বলছি সেটাই ঠিক!"* আওয়াজ চড়ল, যুক্তি থামিয়ে গায়ের জোরে নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার তাগিদ এলো।

এটাই সেই **‘মহিষাসুর’**—অন্ধ পেশিশক্তি, কর্তৃত্বের দম্ভ আর যুক্তিহীন একরোখা মনোভাব।

* **যুদ্ধে উত্তরণ:** কথা বলার ঠিক আগে মুখ বন্ধ রাখা। মনে মনে প্রশ্ন করা—*"আমি কি যুক্তির খাতিরে কথা বলছি, নাকি কেবল ‘আমি বড়’ এই অহংকারে?"* নিজের মতামত চূড়ান্ত না ভেবে অন্যের যুক্তি শান্তভাবে শোনার নামই দেবীর সম্মিলিত দেবতেজ—যেখানে অন্ধ জোরকে পরাস্ত করে প্রজ্ঞা।

---

# # # ৩. বিকেল ৪:০০ — অভিজ্ঞতার চশমা (ধূম্রলোচন দমন)

নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কোনো নতুন কর্মপদ্ধতি বা জীবনধারা দেখে ভেতর থেকে হঠাৎ ভেসে এলো—*"এরা তো কিছুই জানে না! আমাদের সময় আমরা খেটে শিখেছি, এসব শর্টকাট কোনো কাজের নয়।"* নিজের জমে থাকা অভিজ্ঞতাই একটা চশমা হয়ে চোখের সামনে ধোঁয়া তৈরি করল।

এটাই **‘ধূম্রলোচন’**—যার দৃষ্টি স্পষ্ট নয়, যে অতীত অভিজ্ঞতার সংস্কার দিয়ে বর্তমানের সত্যকে আড়াল করে রাখে।

* **যুদ্ধে উত্তরণ:** একটি সচেতন হুঙ্কারে সেই ধোঁয়া উড়িয়ে দেওয়া। নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া—*"আমার অভিজ্ঞতা মূল্যবান, কিন্তু তা একমাত্র ধ্রুবসত্য নয়।"* নতুন প্রজন্মও অনেক নতুন কিছু শিখে এসে আমাদের কর্ম জগতকে সমৃদ্ধ করতে চাইছে । নিজে জেনে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া - নিজেকে সবসময় শিক্ষার্থীর জায়গায় রেখে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বাগত জানানোই ধূম্রলোচনের দৃষ্টিবিভ্রম নাশ করা।

---

# # # ৪. সন্ধ্যা ৭:৩০ — ট্রাফিক ও ফোনকল (চণ্ড ও মুণ্ড বধ)

দিনের শেষে বাড়ি ফেরার পথে তীব্র ট্রাফিক জ্যাম, চারদিকে লাগামহীন হর্ন। তার ওপর ফোনে কারও একটা কটু মন্তব্য বা পরিবারের কোনো অপ্রীতিকর খবর। মাথায় রক্ত চড়ে গেল, স্টিয়ারিং বা হ্যান্ডেলে হাত চেপে চিৎকার করে প্রতিক্রিয়া জানানোর তীব্র ইচ্ছা হলো। মনে বিঁধল—*"আমাকে এই কথা বলার সাহস ওর হলো কী করে?"*

উন্মত্ত অন্ধ ক্রোধ হলো **‘চণ্ড’**, আর মেকি আত্মসম্মান বা ইগোর আঘাত হলো **‘মুণ্ড’**।

* **যুদ্ধে উত্তরণ:** তাৎক্ষণিক বিস্ফোরণ না ঘটিয়ে ঠিক তিনটি গভীর শ্বাস নেওয়া। প্রতিক্রিয়া (Reaction) না দেখিয়ে সময় নিয়ে সংযত উত্তর (Response) দেওয়া। তুচ্ছ বিষয়ে ইগোতে ঘা না লাগিয়ে চামুণ্ডার খড়্গে অপ্রয়োজনীয় মর্যাদাবোধ ছেঁটে ফেলাই স্নায়ুর শান্তি ফেরায়।

---

# # # ৫. রাত ৯:৩০ — ফিডের আলো (রক্তবীজ বিনাশ)

খাবার টেবিলে বা বিশ্রামের ফাঁকে সমাজমাধ্যমে চোখ। সহপাঠী হয়তো নতুন বিলাসবহুল গাড়ি কিনেছে, কেউ ইউরোপ ভ্রমণের ছবি দিয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে নিজের সাজানো জীবনের মাঝেও এক তীব্র অভাববোধ জেগে উঠল—*"আমি কি তবে পিছিয়ে পড়লাম? আমার ফ্ল্যাটটা আরও বড় হওয়া উচিত ছিল।"* একটি অতৃপ্তি থেকে নিমেষে জন্ম নিল দশটি দুশ্চিন্তা।

এ-ই হলো **‘রক্তবীজ’**—তুলনা ও অন্তহীন বাসনার এক ফোঁটা রক্ত মাটিতে পড়া মাত্র হাজারটা নতুন অশান্তির জন্ম হওয়া।

* **যুদ্ধে উত্তরণ:** মা কালীর মতো সেই তুলনার রক্তবিন্দুকে মনের মাটিতে ছড়াতে না দিয়ে অন্তরেই গ্রাস করে নেওয়া। ফোনটা নামিয়ে রেখে শান্তভাবে বলা—*"ওর দৌড় ওর, আমার যাত্রা আমার। আমার যা আছে, তাতেই আমার তৃপ্তি।"* সামাজিক তুলনা থামিয়ে দিলেই রক্তবীজের বংশবৃদ্ধি বন্ধ হয়।

---

# # # ৬. রাত ১১:১৫ — বালিশে মাথা রাখা (শুম্ভ ও নিশুম্ভের অবসান)

সব আলো নিভে গেছে। কিন্তু মাথায় ঘুরছে—*"আমি না থাকলে এই সংসারের কী হবে? সন্তান আমার দেখানো ছকে না চললে সব শেষ হয়ে যাবে। অফিসটা আমাকে ছাড়া এক পা-ও নড়তে পারে না।"*

এই যে তীব্র মমত্ববোধ—এ হলো **‘নিশুম্ভ’**। আর ‘আমি ছাড়া জগৎ অচল’—এই সূক্ষ্ম অহংকার হলো **‘শুম্ভ’**।

* **যুদ্ধে উত্তরণ:** দুই হাত আলগা করে চিৎ হয়ে শুয়ে বুকভরে শ্বাস নেওয়া। অন্তরের গভীরে বলা—*"আমি এই মহাবিশ্বের চালক নই। আজকের কর্তব্য আমি নিষ্ঠা দিয়ে করেছি, বাকিটা সময়ের হাতে সমর্পিত। , আমি কেবল মা মহামায়ার স্মরণ নিতে পারি "*
* সমস্ত আসক্তি ও কর্তৃত্ববোধকে ,মা মহামায়ার পায়ে সঁপে দিয়ে নির্ভার হওয়া—তবেই আসে শিশুর মতো গভীর ও শান্ত ঘুম।

---

মহালয়ার সেই পুণ্যলগ্নে যে অসুরবধের মহাকাব্য সুর হয়ে পাড়ার আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে, তা কোনো সুদূর অতীতের যুদ্ধ নয়। মধ্যবয়সে প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত এই আত্মসচেতনতার অনুশীলনই হলো আমাদের প্রাত্যহিক চণ্ডীপাঠ—যেখানে একজন মানুষ দিনশেষে নিজেরই সমস্ত ক্লেশ ও অন্ধকার জয় করে প্রকৃত অর্থে আত্মবিজয়ী হয়ে ওঠেন।

সেদিন দুজনে গাড়ি করে বেরিয়েছিলাম ঠাকুর বানানো দেখতে, কুমোরপাড়ার উদ্দেশ্যে। গন্তব্য শ্যামনগরের পালপাড়া।  অনেকদিন ধরেই ইচ্...
09/10/2026

সেদিন দুজনে গাড়ি করে বেরিয়েছিলাম ঠাকুর বানানো দেখতে, কুমোরপাড়ার উদ্দেশ্যে। গন্তব্য শ্যামনগরের পালপাড়া।
অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে হচ্ছিলো, পুজোর কয়েকদিন আগে গিয়ে একবার নিজের চোখে দেখে আসবো - দূর্গা প্রতিমার সাজ কিভাবে পরিপূর্ণতা পায়।
মাটির প্রতিমা গড়া তৈরী - মা দুর্গার হাত- মুখ গোলাপি বা হলুদ রঙ করা আর শাড়ি পড়ানোর জায়গাটা সাদা। টানা টানা চোখের অংশ তখনও সাদা। এবার শুধু - যে প্রতিমার যে রকম পোশাক , সেই রকম পোশাক পড়ানো হবে, মাথায় মুকুট পড়ানো হবে - তারপর চোখ আঁকার সেই মুহূর্ত - সবকিছু কাছ থেকে দেখার একটা আলাদা টান আছে। এই সময় বেশী কাছে যেতে বারণ করেন শিল্পীদের বাড়ির লোকজন - স্বাভাবিক এতো যত্নে তৈরি মূর্তি - একদম আসলের মতো, অনেকে আবার সিংহের গায়ে তোয়ালে দিয়ে তার ওপর রং করে দেন। তখন মনে হয় - দূরে পালাই। ছোটবেলায় পুজো মানেই ছিল নতুন জামা, ঠাকুর দেখা, ঢাকের আওয়াজ, পাড়ার মণ্ডপে গিয়ে বসা - বড়ো হয়ে বুঝেছি, সেই পুজোর পেছনে কত মানুষের কত দিনের পরিশ্রম লুকিয়ে আছে।

এসব ভাবনা নিয়েই গাড়ি ছুটে চলছিল কল্যাণী হাইওয়ে ধরে। কখনও পুজোর পরিকল্পনা, কখনও পুরোনো দিনের স্মৃতি, আবার কখনও নিছক দুজনের খুনসুটি - এইভাবেই পথ চলছিল আমাদের।

টোল প্লাজা যেটা এখনো চালু হয় নি, সেটা পেরোতেই যেন অবাক হবার পালা। সামনে এক অপূর্ব দৃশ্য। রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে ঘন সবুজ কচুরিপানার মাঝে অজস্র বেগুনি রঙের ফুল আর তার ওপর থেকে একটা করে বক উড়ে যাচ্ছে আর যেদিকে উড়ে যাচ্ছে - যতদূর চোখ যায়, শুধু কাশফুল আর কাশফুল!

সাদা, নরম, তুলোর মতো কাশের ঝোপগুলো হালকা বাতাসে দুলছে। মনে হচ্ছিলো, দূরের দিগন্তরেখায় সেই ঝকঝকে সাদা কাশফুলের সমারোহ গিয়ে মিশেছে আকাশের সাদা পেঁজা তুলোর মেঘের সঙ্গে। কোথায় যে আকাশ শেষ হয়েছে আর কাশবন শুরু হয়েছে, বোঝাই দায়।

শরতের আকাশটাও সেদিন যেন একটু বেশি নীল।
আর তার নিচে সারি সারি সাদা কাশফুল।
মনে হলো, প্রকৃতি নিজেই বুঝি পুজোর আগমনী সাজে সেজে বসে আছে।

দুজনেই একবার পরস্পরের দিকে তাকিয়ে হেসে ফেললাম। কুমারপাড়ায় পৌঁছানোর তাড়া তখন কিছুক্ষনের জন্য ভুলে গেছি। লোভ সামলাতে না পেরে গাড়িটা রাস্তার ধারে সাইড করে নেমে পড়লাম।

রাস্তার পাশেই ছিল একটা ছোট্ট চায়ের দোকান। গাড়ি থেকে নেমে বললাম, "দাদা, দুটো চা দিন তো ! "মাটির ভাঁড়ে দেবেন - আর দুটো মুচমুচে গোল বিস্কুট।

দুজনের হাতে দু-কাপ চা, মাটির ভাঁড়ে ধোঁয়া ওঠা গরম - আর সামনে দিগন্তজোড়া সাদা কাশফুলের মাঠ। এমন মুহূর্তে খুব দামি কোনো রেস্তোরাঁ কিংবা সাজানো কোনও জায়গার প্রয়োজন হয়না। শরতের ঝকঝকে রঙিন আকাশ, এমন সুন্দর প্রকৃতি আর পাশে প্রিয় মানুষ - সাধারণ একটা সময়ও অসাধারণ করে দেয়!

চায়ে চুমুক দিতে দিতে কখনও দুজনে গল্প করছিলাম, কখনও আবার দুজনেই চুপ করে তাকিয়ে থাকছিলাম কাশবনের দিকে - দূরে কোথাও একটা পাখি ডাকছে, রাস্তা দিয়ে দু -একটা গাড়ি চলে যাচ্ছে, আর তার মাঝেই হালকা বাতাস এসে কাশফুলের মাথাগুলোকে একসঙ্গে দুলিয়ে দিয়ে যাচ্ছে।
সে কী নৃত্য!
একবার এদিকে ঝুঁকছে, আবার ওদিকে।
দূরে বোধহয় কোনো প্যান্ডেলের থেকে বিজ্ঞাপনী রেকর্ডিংয়ে মাঝে মাঝে ভেসে আসছিলো - "বাজলো তোমার আলোর বেণু..."
কি যে মনোমুগ্ধকর পরিবেশ - শরতের এই সাদা কাশফুল, নীল আকাশ, মিঠে রোদ আর বাতাসের সেই ছন্দ - সব মিলিয়ে প্রকৃতির যেন নিজের আসর নিজেই সাজিয়ে নিয়েছে।
আর সেই সুরের মধ্যে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা দুটো মানুষ, হাতে দু-ভাঁড় চা আর একরাশ ভালোলাগা।

কথা বলতে বলতে চায়ের ভাঁড় প্রায় খালি হয়ে এসেছে, খেয়ালই করিনি। তারপর স্বাভাবিকভাবেই বেরিয়ে এলো ফোনটা। নিজে দেখে তৃপ্ত হয়ে বাড়ির সবাইকে দেখানোর আগ্রহে শুরু হলো ছবি তোলা। কখনও পাশাপাশি দাঁড়িয়ে, কখনও কাশফুলের দিকে তাকিয়ে, আবার কখনও নিজেদের অজ্ঞাতেই কোনো Candid moment - কিছু মুহূর্ত ক্যামেরায় ধরা পড়লো, আর কিছু মুহূর্ত থেকে গেলো শুধু আমাদের দুজনের মধ্যে।

আমাদের দেখাদেখি অনেকেই দেখলাম গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়েছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ পরিবার নিয়ে ঘুরছেন, কেউ আবার কাশফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।

সেদিন একটা অদ্ভুত ব্যাপার হয়েছিল।
কুমারপাড়ায় পৌঁছে ঠাকুর তৈরী হওয়ার গল্প দেখার আগেই, প্রকৃতি আমাদের অন্য একটা গল্প দেখিয়ে দিলো।
কোনও শিল্পীর হাতে তৈরী নয়, কোনও রঙের তুলির টান নেই, কোনও decoration নেই - তবু কী অপূর্ব সাজ!
শুধু কাশফুল, আকাশ, বাতাস আর একটু শরতের রোদ - সেদিনের সেই পথটুকু যেন হঠাৎ করেই পুজোর আগমনের এক সুন্দর ছবি হয়ে উঠেছিল।
কুমোরপাড়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলাম, অথচ পথেই পেয়ে গেলাম এমন এক সৌন্দর্য, যার কোনও পরিকল্পনা ছিল না।
দু-ভাঁড় চা- বিস্কুট,কাশফুলের দোলা আর শরতের নীল আকাশ - দুজনের একসঙ্গে কাটানো সময় - কত সহজেই যে মনে রাখার মতো হয়ে উঠতে পারে, সেদিন আবার বুঝলাম।

গাড়িতে উঠে এগিয়ে যাবার সময়ও ফিরে দেখছিলাম- ফুলগুলো তখনও হাওয়ার সঙ্গে দুলছে। মনে হলো, পুজোর আগমনী সুরটা বোধহয় কুমোরপাড়ার আগেই এই পথের ধরে বাজতে শুরু করেছে।

পুজোর আনন্দ শুধু নতুন জামা, ঠাকুর দেখা কিংবা প্যান্ডেল ঘোরার মধ্যেই থাকে না। কখনও তা ধরা দেয় কোনও অচেনা রাস্তার ধারে, এক ভাঁড় চায়ের ধোঁয়ায়, কিংবা দিগন্তজোড়া সাদা কাশফুলের মায়ায়।

জীবনের ব্যস্ততায় আমরা কত জায়গায় যাই, কত পরিকল্পনা করি। অথচ কখনও কখনও কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই কাটানো কয়েকটা মুহূর্ত আমাদের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি হয়ে ওঠে। রাস্তার পাশের কচুরিপানার ফুল, কয়েকটা উড়ে যাওয়া বক, হাওয়ায় ঢেউয়ের মতো কাশফুলের সৌন্দর্য - বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় এগুলো কি পরিকল্পনার মধ্যে থাকে ? কিন্তু এই সবকিছু নিয়েই এই মুহূর্তগুলোই আরও বিশেষ হয়ে ওঠে, আর পাশে যদি কেউ থাকে তাহলে তো কথাই নেই - তখন শুধু চুপ করে প্রকৃতি দেখাটাও একরকম গল্প করার মত।

পুজোর এখনও বেশ কিছুদিন বাকি, অথচ বাড়ির মধ্যে তখন থেকেই একটা আলাদা ব্যস্ততা।মা রবিবার সকাল থেকেই বলতেন,“এই পর্দাগুলো এবার...
07/10/2026

পুজোর এখনও বেশ কিছুদিন বাকি, অথচ বাড়ির মধ্যে তখন থেকেই একটা আলাদা ব্যস্ততা।

মা রবিবার সকাল থেকেই বলতেন,
“এই পর্দাগুলো এবার ধুতে হবে।”

জেঠিমাও সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠতেন,
“আর sofa-র cover-গুলোও বদলাব, পুরোনো হয়ে গেছে। বছরে একবার পুজো আসে, ঘরটা একটু রঙিন না লাগলে কি হয়!”

তারপর শুরু হয়ে যেত ঘর ঝাড়ার পালা।

ঘরের কোথায় ঝুল পড়ে আছে, কোথায় কতদিনের পুরোনো জিনিস জমে আছে, কোন আলমারির মাথায় ধুলো, কোন জানালার কোণে মাকড়সার জাল—সব যেন হঠাৎ করেই চোখে পড়তে শুরু করত।

বাবাও এতদিন যে দেওয়ালটার দিকে কোনওদিন সেভাবে তাকাননি, পুজোর আগে সেটার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ বলতেন,

“এই দেওয়ালটায় একটা নতুন রং করলে কেমন হয়?”

ব্যস!

শুরু হয়ে যেত বাড়ির সবার সঙ্গে বসে আলোচনা।

কোন রং ভালো হবে, পুরো ঘরটা রং হবে নাকি শুধু একটা দেওয়াল, পুরোনো ছবিগুলো কোথায় থাকবে—সব নিয়ে বাড়িতে ছোটখাটো meeting বসে যেত।

আর আমরা?

আমাদের তখন একটাই চিন্তা— “নতুন জামাগুলো কবে আসবে?” কোনদিন কোন জামাটা পড়ব, কোন জামাটা পরে অষ্টমীতে অঞ্জলি দিতে যাব, নবমীতে কোন জামাটা পরে ঠাকুর দেখতে যাব!

পুজোর বাজারের সঙ্গে সঙ্গে বাড়িটাও যেন নতুন সাজে সেজে উঠত।

সব ঘরে নতুন bedcover, নতুন বালিশের cover, ঘরের সব জানলা-দরজায় নতুন curtain, জানালার পাশে নতুন একটা ফুলের টব, dining table-এ নতুন টেবিল cover —আরো কত কিছু, সারা বাড়িটা যেন শরতের আকাশের মতো রঙিন চকচকে হয়ে উঠতো।

সব নতুন জিনিসের গন্ধে মনে হতো, “হ্যাঁ, পুজো আসছে।”

আজও পুজোর আগে বাড়ি গোছানো রেওয়াজটা একইরকম রয়ে গেছে।

তবে সময়ের সাথে সাথে মানুষের চাহিদাও পরিবর্তনশীল। তাই এখন বাড়িকে সাজিয়ে তোলার process ও একটু অন্যরকম।

এখন শুধু ঘর রং করা বা পর্দা বদলানো নয়—বরং কোনও পুরোনো wall-কে সম্পূর্ণ নতুন look দেওয়া, balcony-টা একটু সুন্দর করে সাজানো, TV panel-টা নতুনভাবে Decoration করা, lighting বদলে একটা ঘরের পুরো mood বদলে দেওয়া—যা পুরো বাড়িটাকেই একটা নতুনত্বের ছোঁয়ায় আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে।

কারণ বাড়িকে নতুন করে সাজানোর মানে হলো, পুরোনো বাড়িটার মধ্যেই একটু নতুন করে বাঁচার জায়গা তৈরি করা, একটু অগোছালো ঘরটাকেই পুজোয় সবার প্রিয় একটা জায়গা করে নেওয়া।

কারণ উৎসব শুধু বাইরে আলো জ্বালায় না—আমরা চাই উৎসবের ছোঁয়ায় আমাদের নিজের বাড়িটাও যেন আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে। উৎসবের আলোয় আমাদের মনের ভিতরের সমস্ত অন্ধকারও দূর হোক, আমাদের মনও আলোয় আলোকিত হয়ে উঠুক।

"আসছে বছর আবার হবে!"

সারা বছরের জন্য নিজেদের মনকে সমৃদ্ধ করার জন্য, এই পুজোয় তাই নতুন জামার সঙ্গে বাড়িটার জন্যও একটু নতুন কিছু ভাবুন।

বাড়িটা হয়তো একই থাকবে, কিন্তু সেই বাড়ির চারপাশ আপনাকে আরো আপন স্নেহে কাছে টেনে নেবে।

১৯৮৭-৮৮ সাল।তখনও সবার বাড়িতে টিভি আসেনি, সারা পাড়া খুঁজলে হয়তো একটা বাড়িতেই টিভি পাওয়া যেত।আর কোনো বাড়িতে নতুন টিভি আসা ...
05/10/2026

১৯৮৭-৮৮ সাল।
তখনও সবার বাড়িতে টিভি আসেনি, সারা পাড়া খুঁজলে হয়তো একটা বাড়িতেই টিভি পাওয়া যেত।
আর কোনো বাড়িতে নতুন টিভি আসা মানে তো সে এক বিশাল ব্যাপার।
সব বাচ্চাদের মনে হতো, আমাদের পাড়াতেই একটা টিভি আছে।
রবিবার হলেই সকাল থেকে অপেক্ষা। তারপর ৯ টা বাজলেই একে একে সবাই ছুটত সেই বাড়ির দিকে। কেউ বারান্দায়, কেউ উঠোনে, কেউ পিঁড়িতে, এ ওর পাশে ঠেসাঠেসি করে সব বসে পড়ত। চোখ তখন একেবারে টিভির পর্দায়।
রামায়ণ, মহাভারত - টিভির পর্দায় যা আসত, সবাই মিলে সেটাই দেখা।

আর এরকম মহালয়ার দিনগুলো তো ছিল পুরোই নস্টালজিয়া। ভোর ৪ টের আগে ঘুম থেকে উঠে, চোখেমুখে ঘুম নিয়েই সবাই মিলে ছুটে যাওয়া। চারপাশ তখনও অন্ধকার, হালকা একটা ঠান্ডা বাতাস - অথচ টিভির সামনে জায়গা করে নেওয়ার মধ্যেই তখন ছিল এক আনন্দ।
সেইদিন আর নেই।
সময়ের সাথে সাথে বদলেছে টিভিও।
সেই সাদা-কালো অ্যান্টেনা লাগানো টিভি থেকে এলো Box এর সাদা-কালো টিভি, তারপর Colour TV। জায়গা save করার জন্য এলো দেওয়ালে ঝোলানো LED, LCD এলো। আর এখন তো Smart TV, 4K TV, AI-enabled Smart TV- নামও কত বদলে গেছে।
তবে এতো Changes এর মধ্যেও একটা জিনিস একই রয়ে গেছে।
সন্ধ্যে হলেই এখনও বাড়ির সবাই একসাথে টিভির সামনে এসে বসে।
তাই আজ যখন একটা নতুন TV কেনা হয়, তখন শুধু TV-টা কোথায় রাখব, সেটাই ভাবলেই তো হয় না।

যে জায়গাটার সামনে বাড়ির মানুষ দিনের শেষে এসে বসবেন, সেই জায়গাটাও একটু সুন্দর করে ভাবা দরকার।

TV-র চারপাশটা যেন অগোছালো না লাগে, প্রয়োজনের জিনিসগুলো যেন সুন্দর করে রাখা যায়, আলোটা যেন চোখে আরাম দেয়, আর পুরো দেওয়ালটা যেন TV-কে সুন্দরভাবে ঘরের সঙ্গে মিলিয়ে দেয়।

কাঠের কাজ হোক, হালকা backlight হোক, কিছু storage বা ছোট display space—সবটাই হতে পারে আপনার প্রয়োজন আর পছন্দ অনুযায়ী।

আজও ঠিক একইভাবে কোনও এক মহালয়ার ভোরে, ভোর ৪টের অ্যালার্মে ঘুম ভাঙে বাড়ির সবার। ঘুমচোখে একে একে সবাই এসে বসে সেই সুন্দর করে সাজানো TV panel-এর সামনে। পাশে থাকা balcony- দরজা খোলা থাকলে এখনও শিউলী ফুলের গন্ধ ভেসে আসে, পূব আকাশে রক্তিম আভা ফুটে উঠতে শুরু করে।

মহালয়া শুরু হওয়ার আগে দাদু হয়তো একবার বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ান। চারপাশ তখনও অন্ধকার, কিন্তু নিস্তব্ধ নয়—দূরের কোনও বাড়ি থেকে, কোনও জানলা পেরিয়ে, কোথা থেকে যেন ভেসে আসছে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের সেই চিরচেনা মহালয়ার সুর। মনে হয়, চারপাশ, পুরো আকাশ-বাতাসটাই যেন শরতের আগমনীতে মুখরিত হয়ে উঠেছে।

তারপর দাদু ফিরে এসে সবার পাশে বসেন। ছোটরা হয়তো মায়ের গায়ে হেলান দিয়ে, কেউ হাতে এক কাপ গরম চা নিয়ে—সবাই মিলে সেই পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনতে শুনতে শুরু করে মহালয়ার সকাল।

সময় বদলেছে, TV বদলেছে, ঘরের সাজও বদলেছে। কিন্তু একটা জিনিস বদলায়নি—একসঙ্গে বসে সবাই মিলে মহালয়া দেখার আনন্দটা।

তাই আপনার TV wall-টা শুধু TV রাখার জায়গা নয়, হয়ে উঠুক এমন কিছু Family Moments-এর সুন্দর ঠিকানা—যেখানে কোনও এক ভোরে মহালয়ার সুরে ঘুম ভাঙবে, আর কোনও এক সন্ধ্যায় পরিবারের সবাই আবার একসঙ্গে এসে বসবে।

আপনার ঘরের TV wall-টাও আপনার পরিবারের গল্পের একটা অংশ হয়ে উঠুক। 🤎

Address

James Uncle, P. C. Road, Sankatapally, P. O./P. S. Ghola Bazar
Kolkata
700111

Opening Hours

Monday 9:30am - 6pm
Tuesday 9:30am - 6pm
Wednesday 9:30am - 6pm
Thursday 9:30am - 6pm
Friday 9:30am - 6pm
Saturday 9:30am - 6pm

Telephone

+918448440131

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when James Uncle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to James Uncle:

Shortcuts

Share