09/01/2026
-:LPG সংকটের প্রকৃত সম্যসা:-
তুলে ধরেছেন একজন এই সেক্টরের বৃহৎ ব্যাবসায়ী Supper Lpg Gas এর স্বত্বাধিকরী। জনাব মাশরুর ববি। অথচ প্রকৃত এসমস্যা কে পাশ কাটিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা ব্যাবসয়ীদের কারসাজি বলে চালিয়ে দিয়ে খুচরা বিক্রতা দের পিছনে বাংলাদেশর সকল প্রশাসন কে লেলিয়ে দিলেন।ফলে যেটুক পাওয়া যাচ্ছিল সেটাও খুচরা পর্যায়ে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়লো। আগামীতে এই একই সমস্যায় পড়তে যাচ্ছে অনেক ভোগ্য পন্য তখনও ঠিক আবার ব্যাবসয়ীদের সিন্ডিকেট/কারসাজি বলেই চালিয়ে দেওয়ার এই প্রক্রিয়া প্রশাসনের অব্যাহত থাকবে। আমরা আসলে একটি দূরর্ভাগা জাতি"
লেখক মাশরুর ববি Supper Lpg Ltd.
এলপি গ্যাস সংকটের মুল সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে দোষ দেয়া হচ্ছে তথাকথিত সেই পুরাতন নিয়মে সিন্ডিকেটের কারসাজি বলে।আদতে প্রাইভেট এলপি গ্যাস সেক্টরে কোন সিন্ডিকেট নেই। এটি ১০০% আমদানি নির্ভর। যা তেল সমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে আমদানি করতে হয়। এখানে যে বিষয়টিকে আড়াল করা হচ্ছে তা হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সরাসরি আমাদের দেশের উপর না পড়লেও পরোক্ষভাবে এটি পড়েছে। বর্তমানে বিশ্বে পন্য পরিবহনকারী জাহাজ যেমন কন্টেইনার কিংবা কার্গো জাহাজ গুলো সহজে পাওয়া যায়, কিন্তু এলপি গ্যাস পরিবহনকারী জাহাজ গুলোর সংখ্যায় সীমিত, যা আছে তা বিভিন্ন দেশ কিংবা কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ। আমাদের দেশের কোম্পানিগুলোর সাথে যেসব জাহাজ (মাদার ভেসেল) এলপি গ্যাস পরিবহনে চুক্তিবদ্ধ ছিলো, সে গুলো ইরান কিংবা রাশিয়ান এলপি গ্যাস থার্ড পার্টির মাধ্যমে ক্রয় করে ট্রান্সশিপমেন্ট হয়ে তারপর বাংলাদেশে আসতো। যেটি আমদানিকারক কোম্পানি গুলো দাম ও খরচ কমানোর জন্য করে আসতো। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইরান, রাশিয়ার পন্য পরিবহন ও মালিকানায় থাকা জাহাজ গুলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়ে, যার কারনে বাংলাদেশের কোম্পানি গুলো সহসায় আর এলপি গ্যাস আমদানি করতে পারছে না। মুলত সমস্যা এই জায়গায়। দুই তিনটি ছাড়া বাকি সব কোম্পানি বর্তমানে বন্ধ, তাদের স্টোরেজে আমদানি করা গ্যাস লিকুইড শেষ হয়ে যাওয়ার কারনে এই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আর বাকি কোম্পানি গুলোতে যা আছে তা ডিস্ট্রিবিউটররা সহসায় পাচ্ছে না, যা পাচ্ছে তা রেশনিং আকারে। এই রেশনিং গ্যাস গুলো পেতে একটি এলপি গ্যাস পরিবহনকারী গাড়িকে কয়েকদিন কোম্পানির প্লান্টে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে, যার কারণে পরিবহন খরচ কয়েকগুন বেড়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব সরাসরি পন্যের দামে পড়ছে। তার চেয়েও বড় কথা খুচরা ব্যবসায়ীরা ঠিক মতো গ্যাস না পাওয়ার কারনে দাম অতিরিক্ত বাড়িয়ে দিচ্ছে।
কিন্তু কোন মিডিয়া কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান এই সংকটের মুল কারনটি সম্পর্কে সাধারন মানুষকে অবহিত করছে না। অথচ দোহায় দিচ্ছে তথাকথিত সিন্ডিকেটের। বাংলাদেশে এলপি গ্যাস সেক্টর একটি চরম প্রতিযোগিতামুলক ব্যবসা, যেখানে কোম্পানির এজেন্ডা/টার্গেট পুরন করতে গিয়ে মাস শেষে এসে সকল ব্যবসায়ী দিশেহারা হয়ে যায়।সেখানে সিন্ডিকেটের প্রশ্নই আসে না।
Post Courtesy :- Sajjad Karim