Kerberbd Vehicle Seller

Kerberbd Vehicle Seller It is vehicle selling page.

31/07/2026
21/07/2026

ট্রেড লাইসেন্স এ যে প্রতি বছর রিনিউ করার সময় উৎস কর নেয় এই উৎস কর জিনিসটা কি?

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার সময় ট্রেড লাইসেন্স ফি-এর সাথে সরকারের রাজস্ব হিসেবে নির্দিষ্ট পরিমাণের যে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়, সেটিই হলো উৎস কর বা TDS (Tax Deducted at Source)।
​সহজ কথায় বিষয়টি নিচে ভেঙে আলোচনা করা হলো:
​উৎস কর (TDS) কী?
​উৎস কর হলো আপনার অর্জিত আয়ের ওপর অগ্রিম আয়কর (Advance Income Tax)। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে বছর শেষে একবারে আয়কর না নিয়ে, কিছু কিছু ক্ষেত্র থেকে লেনদেন বা ফি সংগ্রহের সময়ই এই করটি অগ্রিম কেটে নেওয়া হয়।
​ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা আপনার হয়ে এই আয়করটি সংগ্রহ করে সরকারি কোষাাগারে জমা দিয়ে দেয়।
​ট্রেড লাইসেন্সে উৎস কর কেন নেওয়া হয়?
​১. অগ্রিম আয়কর সমন্বয়: আপনি যে ব্যবসা করছেন, সেই আয় থেকে সরকারকে যে বাৎসরিক আয়কর (Income Tax) দেওয়ার কথা, উৎস কর হিসেবে কেটে নেওয়া টাকাটি সেই আয়করের অগ্রিম জমা হিসেবে গণ্য হয়।
২. কর ফাঁকি রোধ: অনেক ক্ষুদ্র বা মাঝারি ব্যবসায়ী বছর শেষে আয়কর রিটার্ন জমা দেন না। ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময়ে উৎস কর কেটে নিলে সরকারের রাজস্ব নিশ্চিত হয়।
​আপনার জন্য এর ব্যবহারিক অর্থ কী?
​রিটার্ন জমার সময় সমন্বয়: আপনি যখন বছর শেষে আপনার আয়কর রিটার্ন (Tax Return) জমা দেবেন, তখন এই উৎস করের টাকাটি আপনার মোট প্রদেয় আয়কর থেকে বাদ (Adjust) করে নিতে পারবেন।
​উদাহরণ: বছর শেষে যদি আপনার মোট আয়কর আসে ১০,০০০ টাকা, আর ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করার সময় যদি ৩,০০০ টাকা উৎস কর দিয়ে থাকেন, তবে আপনাকে রিটার্ন জমার সময় বাকি ৭,০০০ টাকা দিতে হবে।
​চালান বা চালান রসিদ সংরক্ষণ: ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের পর যে অফিশিয়াল চালান/রসিদ পান, তা যত্ন করে রাখবেন। সেখানে উৎস করের বিষয়টি লেখা থাকে, যা আয়কর জমা দেওয়ার সময় প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।
​একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
​ব্যবসার এলাকা (যেমন: ঢাকা/চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন, জেলা শহর বা ইউনিয়ন পরিষদ) এবং ব্যবসার ধরণ অনুযায়ী এই উৎস করের পরিমাণ নির্ধারিত হয়।

16/07/2026

Without Car life is rejectable

13/07/2026

আমার এক কাকার কাছ থেকে একটা নতুন প্রবাদ শিখলাম যাহা অতি মূল্যবান এবং শিক্ষনীয়।

'মা জানে আমার বাপকে
মন জানে আমার পাপকে '৷
কেউ কি এটা অর্থ আমাকে বুঝাতে পারবা?

09/07/2026

ব্যাংকিং লোন কনসালটেন্সি কি

ব্যাংকিং লোন কনসালটেন্সি (Banking Loan Consultancy) হলো ব্যাংকিং কনসালটেন্সির একটি নির্দিষ্ট শাখা, যা সাধারণ মানুষ বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে (Corporate/SME) ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহজে, দ্রুত এবং সঠিক নিয়মে ঋণ পেতে সাহায্য করে।

​সহজ ভাষায়, ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া একটি জটিল প্রক্রিয়া—কাগজপত্র প্রস্তুত করা, ব্যবসার প্রোফাইল তৈরি করা, ঋণের পরিমাণ ও সুদের হার নির্ধারণ করা—এসব কাজে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংক পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার সেতু হিসেবে কাজ করে লোন কনসালটেন্সি।

​নিচে এদের কাজের ধরন, ক্ষেত্র এবং আয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

​১. ব্যাংকিং লোন কনসালটেন্সি কী? (What is Loan Consultancy?)

​যখন কোনো ব্যক্তি (বাড়ি, গাড়ি, ব্যক্তিগত ঋণ) বা প্রতিষ্ঠান (ব্যবসা বড় করা, চলতি মূলধন বা প্রজেক্টের জন্য) ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে যায়, তখন ব্যাংক অসংখ্য নথিপত্র এবং প্রমাণ চায়। অনেক সময় সাধারণ মানুষ বা ব্যবসায়ীরা এসব জটিল হিসাব-নিকাশ বা কাগজপত্র ঠিকমতো গুছিয়ে দিতে পারেন না, ফলে ঋণ বাতিল হয়ে যায়।

​লোন কনসালটেন্টরা ক্লায়েন্টের হয়ে পুরো ফাইলটি এমনভাবে প্রস্তুত করেন, যাতে ব্যাংকের নিয়মানুযায়ী তা শতভাগ নির্ভুল হয় এবং দ্রুত ঋণ অনুমোদন (Loan Sanction) হয়ে যায়।

​২. এরা কীভাবে কাজ করে? (How they work)

​লোন কনসালটেন্টরা সাধারণত ক্লায়েন্ট এবং ব্যাংকের মাঝখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন। তাদের কাজের প্রক্রিয়া নিচে দেওয়া হলো:

​ক্লায়েন্টের প্রোফাইল যাচাই: প্রথমে তারা ক্লায়েন্টের আয়, ব্যবসার অবস্থা, সিআইবি (CIB) রিপোর্ট বা আগের কোনো ঋণের রেকর্ড আছে কি না, তা যাচাই করেন।

​সঠিক ব্যাংক নির্বাচন: সব ব্যাংকের ঋণের শর্ত বা সুদের হার এক নয়। ক্লায়েন্টের প্রয়োজন অনুযায়ী কোন ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে সুবিধা বেশি হবে, কনসালটেন্ট সেই পরামর্শ দেন।

​ফাইল বা ডকুমেন্ট প্রস্তুত করা (Documentation): এটি তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ট্রেড লাইসেন্স, টিন (TIN), ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইনভেন্টরি রিপোর্ট এবং ব্যবসার আগামী কয়েক বছরের প্রজেক্টেড ফিনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট (Projected Financial Statement) তৈরি করে তারা একটি পূর্ণাঙ্গ লোন প্রপোজাল (Loan Proposal) তৈরি করেন।

​ব্যাংকের সাথে নেগোসিয়েশন: ক্লায়েন্টের হয়ে ব্যাংকের ম্যানেজার বা ঋণ প্রদানকারী বিভাগের সাথে তারা আলোচনা করেন, ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা করেন বা সুদের হার কমানোর পক্ষে যুক্তি দেন।

​ঋণ ছাড়করণ (Disbursement): ঋণ পাস হওয়া থেকে শুরু করে ক্লায়েন্টের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় তারা সহায়তা করেন।

​৩. এদের কাজের ক্ষেত্র কোথায়? (Areas of Operation)

​লোন কনসালটেন্টরা মূলত কয়েক ধরনের ঋণ নিয়ে কাজ করেন:

​করপোরেট এবং প্রজেক্ট লোন (Corporate & Project Loan): বড় বড় ফ্যাক্টরি, রিয়েল এস্টেট কোম্পানি বা মেগা প্রজেক্টের জন্য হাজার কোটি টাকার ঋণ। এটি সবচেয়ে লাভজনক এবং জটিল কাজ।

​এসএমই লোন (SME Loan): ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ। যেমন: বুটিক শপ, ছোট কারখানা বা ডিলারশিপের জন্য মূলধন।

​রিটেইল বা ব্যক্তিগত ঋণ (Retail/Personal Loan): সাধারণ মানুষের হোম লোন (বাড়ি তৈরি বা ফ্ল্যাট কেনা), কার লোন বা পার্সোনাল লোন।

​ডেট রিস্ট্রাকচারিং (Debt Restructuring): যখন কোনো কোম্পানি ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তখন সেই ঋণ কীভাবে পুনরায় সাজিয়ে কিস্তি ছোট করা যায়, তার পরামর্শও এরা দেন।

​৪. কাজের মূল জায়গা বা প্রতিষ্ঠানসমূহ

​লোন ব্রোকারেজ বা কনসালটেন্সি ফার্ম: অনেক ছোট ও মাঝারি ফার্ম শুধু লোন প্রসেসিংয়ের কাজ করে।

​অ্যাকাউন্টিং এবং সিএ ফার্ম (CA Firms): চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মগুলো বড় বড় করপোরেট ক্লায়েন্টদের লোন প্রসেসিং ও ফিনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট তৈরির কাজ করে।

​স্বাধীন লোন এজেন্ট/ফ্রিল্যান্স কনসালটেন্ট: অনেক ব্যাংকার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর বা এক্স-ব্যাংকার হিসেবে স্বাধীনভাবে ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট বা কোম্পানির ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেন।

​৫. এদের আয় কেমন? (Earnings and Revenue Model)

​লোন কনসালটেন্টদের আয়ের মডেল সাধারণ চাকরির মতো ফিক্সড বেতনের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। এদের আয় মূলত কমিশন বা সাকসেস ফি (Success Fee)-এর ওপর নির্ভর করে।

​কমিশন ভিত্তিক আয়: সাধারণত অনুমোদিত বা ছাড়কৃত (Disbursed) ঋণের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ তারা ফি হিসেবে নিয়ে থাকেন। এটি হতে পারে ঋণের মোট অঙ্কের ০.৫% থেকে ২% পর্যন্ত।

​উদাহরণ: কেউ যদি কনসালটেন্টের মাধ্যমে ১ কোটি টাকার ঋণ পান এবং চুক্তি যদি ১% হয়, তবে কনসালটেন্টের আয় হবে ১ লক্ষ টাকা।

​ফিক্সড কনসালটেন্সি ফি: বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় প্রজেক্ট প্রোফাইল তৈরি বা সিএমএ (Credit Risk Grading) রিপোর্ট বানানোর জন্য ফিক্সড অঙ্কের ফি দেয়, যা প্রজেক্টের সাইজ অনুযায়ী ৫০,০০০ থেকে ৫,০০,০০০ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে।

04/07/2026

ইলেকট্রিক গাড়িতে সর্বোচ্চ ৯০%, হাইব্রিড গাড়িতে সর্বোচ্চ ৮০% এবং ডিজেল বা পেট্রোল গাড়িতে সর্বোচ্চ ৬০% লোন প্রসেসিং করা হয় । যাদের দরকার তারা সরাসরি কল করুন : ০১৬৮৫২৯৩৭৬৯

26/05/2026

জীবন এর কাহিনি

আমি 5 বছর খালার পা*য়খা*না সা*ফ করছি, আর খালা ম*ইরা উইলে আমার নাম লিখলো না। শুধু একটা টিফিন বাটি ধরায় দিলো।
কামরাঙ্গীরচর বস্তিতে থাকি। রিকশা চালাই।
মা নাই, বাপ নাই। দুনিয়ায় আপন বলতে একজন - রাবেয়া খালা। আমার নাম জয়। বয়স 22।
খালার বয়স 78। তিনতলা বাড়ির মালিক। কেউ নাই।
স্বামী ম*রা, পোলা লন্ডন থাকে। 20 বছর খোঁজ নেয় না।
খালা আমারে রাস্তা থেইকা তুইলা আনছিল 5 বছর আগে।
জ্বরে ম*রতে বসছিলাম। খালা সারারাত মাথায় পানি দিছে।
এরপর থেইকা আমি খালার ছায়া।
বাজার করা, ওষুধ আনা, ডাক্তার দেখানো, রাতে পাহারা দেওয়া - সব আমি।
পুরা মহল্লা জানে, "রাবেয়া খালার পোলা জয়"।

খালা খালি একটা কথাই কইতো, "জয়রে, আমি ম*রলে এই বাড়ি, এই সব কিছু তোর। তুই ছাড়া আমার কেউ নাই।"
আমি হাসতাম, "খালা, 100 বছর বাঁচবা। এসব কইও না।"

গত শুক্রবার ফজরের আজানের পর খালা চইলা গেলো।
আমার কোলের মধ্যে। শেষ কথা, "বাপ, টিফিন বাটিটা দেখিস।"
আমি বুঝি নাই। কান্নায় ভাইসা গেছি।

আজকে খালার কুলখানি।
বাদ আসর উকিল সাব আসলো। বাড়ি ভর্তি মানুষ।
খালার লন্ডনী পোলা আসছে। নাম সাদিক। স্যুট-টাই পরা।
আমার দিকে তাকায়ও নাই।

উকিল সাব কাশি দিয়া উইল পড়া শুরু করলো।
"আমি রাবেয়া বেগম, সুস্থ মস্তিষ্কে... আমার মিরপুরের তিনতলা বাড়ি 'আলো' এতিমখানাকে দান করিলাম..."

আমার কলিজা ছিঁড়া গেলো।
"...ব্যাংকের 17 লাখ টাকা ঢাকা মেডিকেলের গরিব রোগীদের ফান্ডে যাইবে..."
"...আমার একমাত্র পুত্র সাদিক আহমেদকে আমি ক্ষমা করিলাম। তাহার জন্য দোয়া রইলো।"

পুরা ঘর চুপ। সাদিকের মুখ কালা হইয়া গেছে।
আমি শুধু আমার নাম শোনার লাইগা বইসা আছি।
কিন্তু উকিল সাব ফাইল বন্ধ করলো। "এইটুকুই।"

আমি লাফ দিয়া উঠলাম, "আমার নাম? জয়? খালা যে কইছিল..."
সাদিক ঠোঁট বাঁকায় হাসলো, "কাজের পোলাপানরে বুড়া মানুষ আদর কইরা কত কিছুই কয়। তাই বইলা সব লিখে দিবে নাকি? জমিদারি পাইছো?"

মহল্লার মুরুব্বিরাও মাথা নাড়ে। "আহারে, পোলাটা কত করলো। কিন্তু উইলে নাম না থাকলে কী আর করা।"

উকিল সাব সবার শেষে আমার হাতে একটা পুরান, তালি মারা স্টিলের টিফিন বাটি দিলো।
"রাবেয়া বেগম আপনারে এইটা দিতে কইছেন। কইছেন, বাড়ির কেউ যেন না জানে।"

আমি বাটিটা হাতে নিয়া ঘর থেইকা বাইর হইয়া গেলাম।
বাইরে তখন ঝুম বৃষ্টি।
বুকের ভিতর আগুন, চোখে পানি, হাতে খালার শেষ স্মৃতি।

বস্তির ঘর

Address

3-D Kawranbazer
Maghbazar
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kerberbd Vehicle Seller posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kerberbd Vehicle Seller:

Shortcuts

Share