Driver Care BD

Driver Care BD গাড়ীর জন্য পার্সোনাল ড্রাইভার পেতে ফ?

26/12/2025

আজকের সর্বশেষ আপডেট
26/12/2025 Total-11

আপনি যদি শতভাগ দায়িত্বশীল ড্রাইভার হয়ে থাকেন তবে নিচের যেকোন দায়িত্বের জন্য আবেদন করুন।আবেদনের নিয়ম শেষে দেয়া আছে।

📍জিগাতলা,ধানমন্ডি
ইউনিভার্সিটি,অফিস ও ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: আউট লেন্ডার PHEV ২০২৩
🔹 সময়: যখন যখন বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হয়
🔹সম্মানী: ২১,০০০ টাকা

✨ যেসব পাবেন:
★এক ঈদে ফুল বোনাস এবং অন্য ঈদে হাফ বোনাস (তবে সেটা এক বছর কাজ করার পর)
★অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★ঢাকার বাইরে বাড়িতে যেতে হয় সেই ক্ষেত্রে ড্রাইভারের থাকা-খাওয়া এবং হাত খরচ মালিক বহন করবেন। যতদিন মালিক ঢাকার বাইরে থাকবেন ততদিনই ড্রাইভারকে থাকতে হবে,পরবর্তীতে এগুলো নিয়ে সমস্যা করা যাবে না।
★ড্রাইভার এর বয়স ৩৫-৪০ এর ভেতর, কমপক্ষে ৮-১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাবে, ড্রাইভারকে প্রতিটি জায়গা ভালোভাবে চিনতে হবে।
★ধূমপানমুক্ত এবং ধৈর্যশীল ড্রাইভার হতে হবে,অবশ্যই সততার সাথে কাজ করতে হবে।
★কাছাকাছি লোকেশনের ড্রাইভাররা অগ্রাধিকার পাবে।
★গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা: *ড্রাইভার যদি চাকরি ছাড়তে চায় অবশ্যই ১৫ দিন বা ১ মাস আগে জানিয়ে রাখতে হবে,পরবর্তীতে হঠাৎ করে চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়া গ্রহণযোগ্য হবে না।*এছাড়াও কোনো ধরনের অনৈতিক কাজ করলে, বা এরকম কিছু উপলব্ধি করতে পারলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জয়েনিং: জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে, ২০২৬

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1386

📍মিরপুর ১১
স্কুল, অফিস ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: টয়োটা প্রাডো ও টয়োটা প্রিমিও
🔹 সময়: সকাল ৭.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টা পর্যন্ত
🔹সম্মানী: ২৬,০০০ টাকা

✨ যেসব পাবেন:
★ঈদ বোনাস বেতনের হাফ
★সাপ্তাহিক ছুটি একদিন
★বাৎসরিক ছুটি মোট ২০ দিন

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা, লাইসেন্স রিনিউ
★ঢাকা শহরের রাস্তাঘাট চেনা জানা থাকতে হবে এবং ঢাকায় কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, প্রাডো গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
★গাড়ির প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ও দায়িত্ববান হতে হবে
★মিরপুর এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকা ড্রাইভাররা অগ্রাধিকার পাবেন

জয়েনিং: পহেলা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1385

📍বনশ্রী
ব্যাক্তিগত ও উবার ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: এক্স করোল্লা
🔹 সময়: যখন যখন প্রয়োজন হবে যেহেতু ড্রাইভার ওখানেই থাকবে (নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই)
🔹সম্মানী: ১৭,০০০ টাকা + থাকা-খাওয়া ফ্রী

✨ যেসব পাবেন:
★থাকা এবং খাওয়া ফ্রি (গাড়ির ওউনার যখন যেখানে থাকবে)
★যেদিন উবার পাঠাও বা কোন ট্রিপ থাকবে সেদিন ২০০ টাকা করে পাবে
★সাপ্তাহিক ছুটি একদিন, সেটা যে কোনদিন হতে পারে
★ঈদ বোনাস আছে তবে সেটা ৬ মাস কাজ করার পর

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★সততার সাথে কাজ করতে পারবে এমন ড্রাইভার লাগবে
★লাইসেন্সের বয়স কমপক্ষে তিন বছর এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1384

📍উত্তরা, সেক্টর ১৮
কলেজ, অফিস ও ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: টয়টা করোলা ক্রস
🔹 সময়: সকাল ৭.০০ টা থেকে সাধারণত ডিউটি শুরু হবে, তবে কোন কোন দিন ব্যতিক্রম হতে পারে এর কমবেশি হতে পারে
🔹সম্মানী: ২৫,০০০ টাকা

✨ যেসব পাবেন:
★দুপুরের লাঞ্চ দেওয়া হবে
★শুক্রবার সাধারণত ছুটি পাবেন কিন্তু যখন প্রয়োজন হবে তখন শুক্রবার ডিউটি করার ও মানসিকতা থাকতে হবে, মাঝে মাঝে শুক্রবার এর বদলে অন্য কোনদিনও ছুটি দেওয়া হতে পারে যদি না লাগে
★ঈদ বোনাস বেতনের হাফ

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★ড্রাইভারকে অবশ্যই আদব কায়দা সম্পন্ন হতে হবে, অবাধ্য ড্রাইভার গ্রহণযোগ্য নয়
★ড্রাইভার কে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে লাইসেন্স রিনিউ করা হলে অগ্রাধিকার পাবে
★লোকেশনের আশেপাশে বাসা হলে অগ্রাধিকার পাবে (এখন গাড়ির মালিকরা মিরপুরে বসবাসরত আছেন কিন্তু জানুয়ারিতে উত্তরা শিফট করবেন)

জয়েনিং : পহেলা জানুয়ারি, ২০২৫

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1383

📍আগারগাঁও
স্কুল, অফিস ও টুকটাক ফ্যামিলি ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: এক্সিও ২০১০ (নতুন গাড়ি)
🔹 সময়: সকাল ৮.০০ থেকে রাত ৮ বা ৯.০০ টা পর্যন্ত
(সকাল আটটায় গাড়ির মালিক কে আগারগাঁও থেকে হেমায়েতপুর,সাভার নিয়ে যেতে হবে, তারপর আবার চলে আসতে হবে।দুপুর বারোটার দিকে বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে যেতে হবে, তারপর আবার চলে আসবে। তিনটার দিকে আবার বাচ্চাকে আনতে যাবে।সাড়ে চারটা বা পাঁচটার দিকে আবার গাড়ির মালিক কে হেমায়েতপুর থেকে নিয়ে আসতে হবে।

🔹সম্মানী: ২০,০০০ টাকা + প্রতিদিন ১০০ টাকা

✨ যেসব পাবেন:
★প্রতিদিন ১০০ টাকা করে পাবে
★ঈদ বোনাস বেতনের অর্ধেক (এই রোজার ঈদে কোনো বোনাস পাবে না কিন্তু মালিক খুশি হয়ে যতটুকু দিবে ততটুকুই পাবে।কিন্তু কোরবানির ঈদে বেতনের অর্ধেক বোনাস পাবে)
★শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★ড্রাইভার এর বয়স ৩২/৩৫ থেকে ৪০ এর ভিতর ভদ্র ও বিনয়ী হতে হবে, লাইসেন্স কমপক্ষে দুইবার রিনিউ করা হলে অগ্রাধিকার পাবে।
★ড্রাইভারের বাসা অবশ্যই গাড়ির মালিকের বাসায় আশেপাশে হতে হবে

জয়েনিং তারিখ: পহেলা জানুয়ারি, ২০২৬

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1382

📍ব্লক-ডি,বনশ্রী,রামপুরা
ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: Suzuki Alto 2020 (manual)
🔹 সময়: সকাল ৭.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০
🔹সম্মানী: ১৮০০০ টাকা + দৈনিক ভাতা ১০০ টাকা তবে শুধুমাত্র যেদিন ডিউটি থাকবে

✨ যেসব পাবেন:
★দৈনিক ভাতা ১০০ টাকা তবে শুধুমাত্র যেদিন ডিউটি থাকবে
★সপ্তাহিক ছুটি ১-২ দিন (শুক্রবার যদি আসতে হয় সম্মানি‌ থাকবে)
★ঈদ বোনাস বেতনের অর্ধেক (ঈদের ২টা বোনাস...প্রথমটা যেকোনো এক ঈদের সময় আর আর দ্বিতীয় টা চলতি এক বছরের যে কোন সময় শেষের দিকে দেয়া হবে)

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★৫-৭ বছর অভিজ্ঞতা
★ম্যানুয়াল গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা
★নূন্যতম ক্লাশ ৮ পাশ

জয়েনিং তারিখ: পহেলা জানুয়ারি, ২০২৬

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1381

📍আফতাব নগর
ফ্যামিলি,ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: প্রিমিও ২০১৭
🔹 সময়: সকাল ৭ টা -সন্ধ্যা ৭টা
🔹সম্মানী: ২১০০০ টাকা

✨ যেসব পাবেন:
★ঈদ বোনাস দুইটা বেতনের অর্ধেক
★সাপ্তাহিক ছুটি একদিন শুক্রবার

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★এসএসসি বা এইচএসসি পাশ হতে হবে,বাচ্চাদের ডিউটি আছে কিছু সেজন্য একটু শিক্ষিত হলে ভালো হয়
★৫-৭ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ও হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর সক্ষমতা থাকতে হবে
★বয়স ২৬/২৭ থেকে ৩৫ এর মধ্যে হতে হবে

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1337

📍ইস্ট কাজীপাড়া,ঢাকা-১২১৬
উবার এবং ব্যক্তিগত-(উবার চালাবে আর দরকার হলে তখন সে ব্যক্তিগত করবে) ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: এক্স করল্লা ২০০১
🔹 সময়: সাধারণত সকাল ৮.০০/৯.০০ টা থেকে শুরু হবে (সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘন্টা)
🔹সম্মানী: ১৮,০০০-২০,০০০ এর মধ্যে (অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আলোচনা সাপেক্ষে)

✨ যেসব পাবেন:
★ঈদ বোনাস বেতনের হাফ
★সাপ্তাহিক ছুটি একদিন শুক্রবার

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★কমপক্ষে চার বছরের অভিজ্ঞতা

জয়েনিং: পহেলা জানুয়ারি, ২০২৬

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1380

📍উত্তরা,সেক্টর-৫
অফিস ও ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: করোল্লা ক্রস ২০২২
🔹 সময়: সকাল ৮.০০টা থেকে রাত ৯.০০টা
🔹সম্মানী: সর্বমোট ২৩,০০০ লাঞ্চ সহ

✨ যেসব পাবেন:
★দুই ঈদ বোনাস বেতনের অর্ধেক
★ সাপ্তাহিক ছুটি ১দিন

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★কমপক্ষে পাঁচ বছর এসইউবি (SUV) গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
★লোকেশন এর কাছাকাছি হলে ভালো হয়

জয়েনিং তারিখ: পহেলা জানুয়ারি, ২০২৬

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1377

📍ধানমন্ডি ১২/এ
অফিস ও স্কুল (ধানমন্ডি -মুগধা) ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: ফিল্ডার
🔹 সময়:সকাল ৭.১৫ থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০
🔹সম্মানী:২১,০০০ + প্রতিদিন ১০০ টাকা লাঞ্চ

✨ যেসব পাবেন:
★ঈদ বোনাস হাফ হাফ
★মাসে ২ দিন ফুল ছুটি, ২ দিন বিকাল ডিউটি করতে হবে।

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★কাজের প্রতি সৎ, সময়নিষ্ঠতা,অধুমপায়ী
★লোকেশনের আশেপাশে বাসা হতে হবে
★লাইসেন্সের বয়স কমপক্ষে পাঁচ বছর ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
★আর্জেন্ট, পারলে আজকেই জয়েন করতে হবে

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1376

📍তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল, নিউ ইসকাটন, বাংলামোটর
কোম্পানির ব্যবহারের জন্য একজন ড্রাইভার প্রয়োজন।

🔹 গাড়ির ধরন: সেডান (অ্যাক্সিও)
🔹 সময়: সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত,
🔹সম্মানী: ১৮,০০০ ,

✨ যেসব পাবেন:
★প্রভিডেন্ট ফান্ড আছে(৬ মাস পর)
★দুই ঈদে হাফ করে বোনাস প্রদান করা হবে(৬ মাস পর)
★সপ্তাহে ১দিন (শুক্রবার বাদে অন্য দিন)

✅ যা যা চাচ্ছেন :
★কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা
★ভদ্র ও ধূমপানমুক্ত হতে হবে,বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে

জয়েনিং: পহেলা ডিসেম্বর

আবেদন করতে এই পেইজের ইনবক্সে আপনার সিভি ও কোড সহ মেসেজ দিন।
আবেদনের জন্য অযথা ফোন না করার জন্য ধন্যবাদ।
কোড নাম্বার-1348

ড্রাইভিং চাকরির জন্য নিয়মাবলী (Driver Provider BD):

✅ পেইজে পোস্টকৃত জব দেখে পছন্দ হলে আপনার গোছানো সিভি শুধুমাত্র মেসেঞ্জারে পাঠান।

✅ সিভির সঙ্গে অবশ্যই দিন:

★ড্রাইভিং লাইসেন্সের দুই পাশের ছবি
★ ফোন নাম্বার
★ আবেদনকৃত চাকরির সিরিয়াল নম্বর

আপনি চাইলে আগাম সিভিও দিয়ে রাখতে পারেন, ভবিষ্যতের চাকরির জন্য।

সার্ভিস চার্জ:
চাকরি কনফার্ম হলে, শুধুমাত্র প্রথম মাসের বেতনের ২৫% মালিকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়। অর্থাৎ আপনি প্রথম মাসে ৭৫% বেতন পাবেন। দ্বিতীয় মাস থেকে সম্পূর্ণ আপনার।

সতর্কতা:
🔸 জব কনফার্ম না করে কোনো অগ্রিম লেনদেন করবেন না।
🔸 এই পেইজের বাইরে লেনদেন করবেন না।
🔸 কমেন্টে সিভি বা ব্যক্তিগত তথ্য দিবেন না।

#ড্রাইভার #ড্রাইভার #ড্রাইভার_চাকরি

12/08/2025

শুভ সকাল
আপনার সারাটা দিন সুন্দর হোক

26/07/2025

গ্রীনরোড, কলাবাগান,ঢাকা
ডিউটি: ব্যক্তিগত(মালিকের দেখাশুনা ডিউটি আর মাঝে মধ্যে গাড়ি চালানো)
গাড়ীর মডেল:Noah হাইব্রিড ২০১৪
সময়:ডিউটির কোনো ফিক্সড টাইম নাই মালিক কল করে বলে দিবে
মাসিক বেতন:১৮,০০০ টাকা
সুবিধা:
*দুই ঈদ এ ৫০০০+৫০০০ মোট ১০,০০০ টাকা বোনাস কিন্তু এই কুরবানী ঈদে বোনাস দেওয়া হবে না
যোগ্যতা:
*ড্রাইভার এর গাড়ি চালানো জানতে হবে
আবেদন করতে মেসেঞ্জার এ পূর্ণাঙ্গ সিভি দিন (1150)

25/07/2025

দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া, রামমালা রোড,কুমিল্লা
ডিউটি:ব্যক্তিগত
গাড়ীর মডেল:*ম্যানুয়াল---ইসুজু ট্রুপার,*অটো---নিশান এক্সটাইল
সময়:সকাল ৭:৩০ - রাত ১০:০০
মাসিক বেতন :২৫,০০০ টাকা
সুবিধা:
*ব্যাচেলর হলে থাকা-খাওয়া ফ্রি(ফ্যামিলি নিয়ে এলে ড্রাইভারের নিজের দায়িত্বে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে)
*ঈদ বোনাস ৫০%
*জরুরি প্রয়োজনে ছুটি দেয়া হবে(ঈদের দিন ছুটি থাকবে, তবে ঈদের পরদিন কাজ থাকলে করতে হবে)
যোগ্যতা :
*বয়স ৩৫+ বছরের বেশি হতে হবে
*ম্যানুয়াল এবং অটো গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
*কুমিল্লার রাস্তা-ঘাট চেনা থাকলে ভালো, না চিনলেও সমস্যা নেই — চিনিয়ে দেয়া হবে।
তবে ঢাকার সব রাস্তা-ঘাট জানা থাকতে হবে, কারণ মাসে ৪/৫ বার ঢাকায় যেতে হবে।
*লাইসেন্স নবায়ন করা থাকতে হবে (স্লিপ থাকলেও চলবে না)
আবেদন করতে মেসেঞ্জার এ পূর্ণাঙ্গ সিভি দিন (1135)

বিআরটিএ যখন কোন গাড়িকে অনুমোদন দিয়ে থাকে, তখন গাড়ির ধরণ অনুসারে গাড়িকে একটি ক্যাটাগরিতে স্থান দেয়া হয়ে। কোন গাড়ি কোন ক্য...
07/10/2022

বিআরটিএ যখন কোন গাড়িকে অনুমোদন দিয়ে থাকে, তখন গাড়ির ধরণ অনুসারে গাড়িকে একটি ক্যাটাগরিতে স্থান দেয়া হয়ে। কোন গাড়ি কোন ক্যাটাগরিতে পড়ছে, সেই ক্যাটাগরি অনুসারে গাড়ির জন্য একটি বর্ণ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। নাম্বারপ্লেট প্রদানের ক্ষেত্রে বিআরটিএ’র নিয়ম অনুসারে মোট ১৯টি ক্যাটাগরি রয়েছে। এর মধ্যে একটি ক্যাটাগরি হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়ি, বাকি ১৮টি ক্যাটাগরিই জনসাধারণের গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

তাহলে জেনে নেয়া যাক ১৯টি ক্যাটাগরি সম্বন্ধে-

ক –
প্রাইভেটকার, ৮০০ সিসি’র প্রাইভেট কারের নাম্বারপ্লেটে ব্যবহার করা হয়ে থাকে বাংলা ব্যাঞ্জন বর্ণের প্রথম বর্ণটি।

খ –
প্রাইভেটকার, ১০০০-১৩০০ সিসি’র প্রাইভেট কার বুঝাতে নাম্বারপ্লেটে ‘খ’ লেখা থাকে।

গ –
প্রাইভেটকার, ১৫০০-১৮০০ সিসি’র যেসব প্রাইভেটকার রয়েছে সেগুলোর নাম্বারপ্লেটে খেয়াল করলে দেখা যাবে ‘গ’ বর্ণ দেয়া আছে।

ঘ –
জীপগাড়ি, জীপগাড়ির ক্যাটাগরি নির্ধারণের জন্য ‘ঘ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

চ –
মাইক্রোবাস, মাইক্রোবাসের নাম্বার প্লেটে ব্যবহার করা হয় বাংলা বর্ণমালার ৫ম বর্ণ ‘চ’।

ছ –
আবার ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস যেগুলো, সেগুলোর নাম্বার প্লেটে থাকে ‘ছ’। লেগুনার জন্যও এই বর্ণটি নির্ধারিত।

জ –
মিনিবাসের ক্যাটাগরি বুঝানোর জন্য নাম্বার প্লেটে ‘জ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ঝ –
বড় বাস বা কোস্টার বাসের ক্যাটাগরি বুঝাতে ব্যবহার করা হয় ‘ঝ’ বর্ণটি।

ট –
কোন গাড়ির নাম্বার প্লেটে যদি ‘ট’ বর্ণটি লেখা থাকে তাহলে বুঝতে হবে, এটা বড় ট্রাকের নাম্বার প্লেট।

ঠ –
নাম্বার প্লেটে ‘ঠ’ থাকলে বুঝতে হবে, নাম্বার প্লেটটি কোন ডাবল কেবিন পিক-আপ এর নাম্বার প্লেট।।

ড –
মাঝারি ট্রাকের নাম্বার প্লেটের দিকে খেয়াল করলে দেখবেন সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ‘ড’ বর্ণটি।

ন –
কোন গাড়ি যদি ছোট পিক আপ ক্যাটাগরির হয়ে থাকে তাহলে নাম্বার প্লেটে ‘ন’ বর্ণ ব্যবহার করে ক্যাটাগরি নির্দিষ্ট করা হয়ে থাকে।

প –
ট্যাক্সি ক্যাবের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরি। সাধারণত ট্যাক্সি ক্যাবের নাম্বার প্লেটে ‘প’ বর্ণটি থাকে।

ভ –
২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার বুঝাতে গাড়ির নাম্বার প্লেটে শহরের নামের পর ‘ভ’ বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ম –
পণ্য পরিবহন এবং ডেলিভারির জন্য ব্যবহৃত পিক-আপ বুঝানোর জন্য বাংলা বর্ণমালার ‘ম’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

দ –
প্রাইভেট বা নিজস্ব পরিবহনের জন্য যেসব প্রাইভেট সিএনজি চলাচল করে থাকে সেগুলোর নাম্বার প্লেটে ‘দ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়।

থ –
ভাড়ায় চলিত সিএনজির ক্ষেত্রে ‘থ’ বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

হ –
৮০-১২৫ সিসি’র মোটরবাইক হয়ে থাকলে সেই বাইকের নাম্বারপ্লেটে ‘হ’ বর্ণ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।

ল –
যদি কোন মোটরবাইক ১৩৫-২০০ সিসি’র হয়ে থাকে তাহলে সেই বাইকের নাম্বারপ্লেটে ‘ল’ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।

ই –
ভটভটি টাইপের ট্রাকের নাম্বারপ্লেট অনুমোদন দেয়ার সময় তাতে ‘ই’ বর্ণটি দিয়ে ক্যাটাগরি ঠিক করে দেয়া হয়।

য-
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়িগুলো চিহ্নিত করতে নাম্বার প্লেটে ‘য’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এখন, কোন বর্ণ দিয়ে কোন ধরণের গাড়ি বুঝানো হয় তা জানা থাকলে শুধু নাম্বার প্লেট দেখেই ধারণা পাওয়া যায় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, শহর, ইঞ্জিন প্রকৃতি সম্পর্কে। অনেক সময় গাড়ি ট্রেস করার জন্যও গাড়ির নাম্বার ব্যবহার করা হয়।

সতর্কতামূলক পোষ্ট......... বিশেষ করে যারা ঈদে বাড়ি যাবেন। আপনারা রাতে যারা গাড়ী চালান এবং হঠাৎ যদি দেখেন আপনার সামনের ...
08/05/2021

সতর্কতামূলক পোষ্ট......... বিশেষ করে যারা ঈদে বাড়ি যাবেন।

আপনারা রাতে যারা গাড়ী চালান এবং হঠাৎ যদি দেখেন আপনার সামনের কাঁচের উপর কেউ ডিম ছুড়ে মেরেছে, দয়া করে গাড়ী থামিয়ে দেখতে যাবেন না কিংবা ওয়াইপার দিয়ে পরিস্কার করতে যাবেন না। পানি স্প্রে করে ওয়াইপার দিয়ে একদমই পরিস্কার করতে যাবেন না।

ডিম মিশ্রিত পানি দিয়ে পরিস্কার করতে গেলে অনেকটা দুধের মত ঘোলাটে হয়ে কাচের উপর আটকে যায়, এতে সামনে কিছু দেখার সম্ভাবনা কমে যায়, এতে সামনে রাস্তার পাশে আপনি গাড়ী থামাতে বাধ্য হবেন।

ফলাফল হলো যারা ছিনতাই করতে ডিম ছুড়ে মেরেছিলো, তাদের দলের লোক সামনে ওঁত পেতে বসে আছে, আপনার জীবননাশের হুমকি রয়েছে। এই টেকনিক কিছু গ্যাং শুরু করেছে। আপনার বন্ধু, আত্মীয়স্বজন (এমনকি শত্রু) এবং বিশেষত আপনার ড্রাইভারকে জানিয়ে রাখুন যেনো এই ফাঁদে পা না দেয়।

(সংগৃহীত)

03/11/2020
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাচ্ছেন ?ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এ...
19/09/2020

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাচ্ছেন ?
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন।
=====================================
০১. প্রশ্ন : মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ মোটরযান আইনে মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে।
০২. প্রশ্ন : গাড়ি চালনার আগে করণীয় কাজ কী কী ?
উত্তরঃ ক. গাড়ির হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্সটোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইনসিওরেন্স (বিমা) সার্টিফিকেট, রুট পারমিট ইত্যাদি) গাড়ির সঙ্গে রাখা।
খ. গাড়িতে জ্বালানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
গ. রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
ঘ. ব্যাটারি কানেকশন পরীক্ষা করা।
ঙ. লুব/ইঞ্জিন অয়েলের লেবেল ও ঘনত্ব পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
চ. মাস্টার সিলিন্ডারের ব্রেকফ্লুইড, ব্রেকঅয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।
ছ. গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, নাট-বোল্ট টাইট আছে কি না অর্থাৎ সার্বিকভাবে মোটরযানটি ত্র“টিমুক্ত আছে কি না পরীক্ষা করা।
জ. ব্রেক ও ক্লাচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।
ঝ. অগ্নিনির্বাপকযন্ত্র এবং ফাস্টএইড বক্স গাড়িতে রাখা।
ঞ. গাড়ির বাইরের এবং ভিতরের বাতির অবস্থা, চাকা (টায়ার কন্ডিশন/হাওয়া/নাট/এলাইমেন্ট/রোটেশন/স্পেয়ার চাকা) পরীক্ষা করা।
০৩. প্রশ্ন : মোটরযানের মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি হতে দীর্ঘদিন সার্ভিস পাওয়ার জন্য প্রতিদিন গাড়িতে যে-সমস্ত মেরামত কাজ করা হয়, তাকে মোটরযানের মেইনটেনেন্স বলে।
০৪. প্রশ্ন : একটি মোটরযানে প্রতিদিন কী কী মেইনটেনেন্স করতে হয় ?
উত্তরঃ ২ নং প্রশ্নের উত্তরের খ থেকে ঞ পর্যন্ত।
০৫. প্রশ্ন : সার্ভিসিং বলতে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে-কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে।
০৬. প্রশ্ন : গাড়ি সার্ভিসিংয়ে কী কী কাজ করা হয় ?
উত্তরঃ ক. ইঞ্জিনের পুরাতন লুবঅয়েল (মবিল) ফেলে দিয়ে নতুন লুবঅয়েল দেওয়া। নতুন লুবঅয়েল দেওয়ার আগে ফ্লাশিং অয়েল দ্বারা ফ্লাশ করা।
খ. ইঞ্জিন ও রেডিয়েটরের পানি ড্রেন আউট করে ডিটারজেন্ট ও ফ্লাশিংগান দিয়ে পরিষ্কার করা, অতঃপর পরিষ্কার পানি দিয়ে পূর্ণ করা।
গ. ভারী মোটরযানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজগান দিয়ে নতুন গ্রিজ দেওয়া।
ঘ. গাড়ির স্পেয়ার হুইলসহ প্রতিটি চাকাতে পরিমাণমতো হাওয়া দেওয়া।
ঙ. লুবঅয়েল (মবিল) ফিল্টার, ফুয়েল ফিল্টার ও এয়ারক্লিনার পরিবর্তন করা।
০৭. প্রশ্ন : গাড়ি চালনাকালে কী কী কাগজপত্র গাড়ির সঙ্গে রাখতে হয় ?
উত্তরঃ ক. ড্রাইভিং লাইসেন্স, খ. রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ব্লু-বুক), গ. ট্যাক্সটোকেন, ঘ. ইনসিওরেন্স সার্টিফিকেট, ঙ.ফিটনেস সার্টিফিকেট (মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) এবং চ. রুটপারমিট (মোটরসাইকেল এবং চালক ব্যতীত সর্বোচ্চ ৭ আসন বিশিষ্ট ব্যক্তিগত যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।
০৮. প্রশ্ন : রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারেন/কোন কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণকে গাড়ির কাগজ দেখাতে বাধ্য ?
উত্তরঃ সার্জেন্ট বা সাব-ইনসপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএর কর্মকর্তা এবং মোবাইলকোর্টের কর্মকর্তা।
০৯. প্রশ্ন : মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী ?
উত্তরঃ মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১০০)।
১০. প্রশ্ন : সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?
উত্তরঃ ক. অত্যধিক আত্মবিশ্বাস, খ. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, গ. অননুমোদিত ওভারটেকিং এবং ঘ. অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।
১১. প্রশ্ন : গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করনীয় কী ?
উত্তরঃ আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় দুর্ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট করা।
১২. প্রশ্ন : আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত ?
উত্তরঃ হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ মাইল, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ মাইল এবং মাঝারি বা ভারী মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ মাইল।
১৩. প্রশ্ন : মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী ?
উত্তরঃ সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।
১৪. প্রশ্নঃ অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে-লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক কারো বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটর সাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পরিবহনযান ব্যতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।
১৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত ?
উত্তরঃ পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।
১৬. প্রশ্ন : কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে?
উত্তরঃ মৃগীরোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানারোগী, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপব্যক্তি, বধিরব্যক্তি এবং বাহু বা পা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হয় এমন ব্যক্তি।
১৭. প্রশ্ন : হালকা মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।
১৮. প্রশ্ন : মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাইওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।
১৯. প্রশ্ন : ভারী মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক, তাকে ভারী মোটরযান বলে।
২০. প্রশ্ন : প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ ড্রাইভার ব্যতীত আটজনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যে-মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং বিনা ভাড়ায় যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে।
২১. প্র্রশ্নঃ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন (চিহ্ন) প্রধানত কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তরঃ ট্রাফিক সাইন বা চিহ্ন প্রধানত তিন প্রকার। ক. বাধ্যতামূলক, যা প্রধানত বৃত্তাকৃতির হয়,
খ. সতর্কতামূলক, যা প্রধানত ত্রিভুজাকৃতির হয় এবং গ. তথ্যমূলক, যা প্রধানত আয়তক্ষেত্রাকার হয়।
২২. প্রশ্ন : লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?
উত্তরঃ নিষেধ বা করা যাবে না বা অবশ্যবর্জনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৩. প্রশ্ন : নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?
উত্তরঃ করতে হবে বা অবশ্যপালনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৪. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কী নিদের্শনা প্রদর্শন করে ?
উত্তরঃ সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৫. প্রশ্ন : নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন ?
উত্তরঃ সাধারণ তথ্যমূলক সাইন।
২৬. প্রশ্ন : সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।
২৭. প্রশ্ন : কালো বর্ডারের সাদা রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ এটিও পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা মহাসড়ক ব্যতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।
২৮. প্রশ্ন : ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তরঃ ৩ (তিন) প্রকার। যেমন- ক. বাহুর সংকেত, খ. আলোর সংকেত ও গ. শব্দ সংকেত।
২৯. প্রশ্ন : ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের চক্র বা অনুক্রমগুলি কী কী ?
উত্তরঃ লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।
৩০. প্রশ্ন : লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কী নির্দেশনা প্রদশন করে ?
উত্তরঃ লালবাতি জ্বললে গাড়িকে ‘থামুনলাইন’এর পেছনে থামায়ে অপেক্ষা করতে হবে, সুবজবাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদবাতি জ্বললে গাড়িকে থামানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
৩১. প্রশ্নঃ নিরাপদ দূরত্ব বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে পেছনের গাড়িকে নিরাপদে থামানোর জন্য যে পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হয় সেই পরিমাণ নিরাপদ দূরত্ব বলে।
৩২. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে?
উত্তরঃ ২৫ মিটার।
৩৩. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ মাইল গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে ?
উত্তরঃ ৫০ গজ বা ১৫০ ফুট।
৩৪. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
৩৫. প্রশ্ন : নীল বৃত্তে ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ সর্বনিম্ন গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের কম গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
৩৬. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের মধ্যে হর্ন আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ হর্ন বাজানো নিষেধ।
৩৭. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতরে একটি বড় বাসের ছবি থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ বড় বাস প্রবেশ নিষেধ।
৩৮. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ পথচারী পারাপার নিষেধ।
৩৯. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ সামনে পথচারী পারাপার, তাই সাবধান হতে হবে।
৪০. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতর একটি লাল ও একটি কালো গাড়ি থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ ওভারটেকিং নিষেধ।
৪১. প্রশ্ন : আয়তক্ষেত্রে ‘চ’ লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান।
৪২. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ ?
উত্তরঃ নীরব এলাকায় গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহের চতুর্দিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকা নীরব এলাকা হিসাবে চিহ্নিত।
৪৩. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে ওভারটেক করা নিষেধ ?
উত্তরঃ ক. ওয়ারটেকিং নিষেধ সম্বলিত সাইন থাকে এমন স্থানে, খ. জাংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্ট ও তার আগে পরে নির্দিষ্ট দূরত্ব, ঘ. সরু রাস্তায়, ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়।
৪৪. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ি পার্ক করা নিষেধ ?
উত্তরঃ ক. যেখানে পার্কিং নিষেধ বোর্ড আছে এমন স্থানে, খ. জাংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্টের ওপর, ঘ. সরু রাস্তায়,
ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়, চ. পাহাড়ের ঢালে ও ঢালু রাস্তায়, ফুটপাত, পথচারী পারাপার এবং তার আশেপাশে, ছ. বাস স্টপেজ ও তার আশেপাশে এবং জ. রেলক্রসিং ও তার আশেপাশে।
৪৫. প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তার কোনপাশ দিয়ে চলাচল করবে ?
উত্তরঃ গাড়ি রাস্তার বামপাশ দিয়ে চলাচল করবে। যে-রাস্তায় একাধিক লেন থাকবে সেখানে বামপাশের লেনে ধীর গতির গাড়ি, আর ডানপাশের লেনে দ্রুত গাতির গাড়ি চলাচল করবে।
৪৬. প্রশ্ন : কখন বামদিক দিয়ে ওভারটেক করা যায় ?
উত্তরঃ যখন সামনের গাড়ি চালক ডানদিকে মোড় নেওয়ার ইচ্ছায় যথাযথ সংকেত দিয়ে রাস্তার মাঝামাঝি স্থানে যেতে থাকবেন তখনই পেছনের গাড়ির চালক বামদিক দিয়ে ওভারটেক করবেন।
৪৭. প্রশ্ন : চলন্ত অবস্থায় সামনের গাড়িকে অনুসরণ করার সময় কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত ?
উত্তরঃ (ক) সামনের গাড়ির গতি (স্পিড) ও গতিবিধি, (খ) সামনের গাড়ি থামার সংকেত দিচ্ছে কি না, (গ) সামনের গাড়ি ডানে/বামে ঘুরার সংকেত দিচ্ছে কি না, (ঘ) সামনের গাড়ি হতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকছে কি না।
৪৮. প্রশ্ন : রাস্তারপাশে সতর্কতামূলক ‘‘স্কুল/শিশু” সাইন বোর্ড থাকলে চালকের করণীয় কী ?
উত্তরঃ (ক) গাড়ির গতি কমিয়ে রাস্তার দু-পাশে ভালোভাবে দেখে-শুনে সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতে হবে।
(খ) রাস্তা পারাপারের অপেক্ষায় কোনো শিশু থাকলে তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
৪৯. প্রশ্ন : গাড়ির গতি কমানোর জন্য চালক হাত দিয়ে কীভাবে সংকেত দিবেন ?
উত্তরঃ চালক তার ডানহাত গাড়ির জানালা দিয়ে সোজাসুজি বের করে ধীরে ধীরে উপরে-নীচে উঠানামা করাতে থাকবেন।
৫০. প্রশ্ন : লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তরঃ লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং ২ প্রকার। ক. রক্ষিত রেলক্রসিং বা পাহারাদার নিয়ন্ত্রিত রেলক্রসিং, খ. অরক্ষিত রেলক্রসিং বা পাহারাদারবিহীন রেলক্রসিং।
৫১. প্রশ্নঃ রক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তরঃ গাড়ির গতি কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে। যদি রাস্তা বন্ধ থাকে তাহলে গাড়ি থামাতে হবে, আর খোলা থাকলে ডানেবামে ভালোভাবে দেখে অতিক্রম করতে হবে।
৫২. প্রশ্নঃ অরক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তরঃ গাড়ির গতি একদম কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে, প্রয়োজনে লেভেলক্রসিংয়ের নিকট থামাতে হবে। এরপর ডানেবামে দেখে নিরাপদ মনে হলে অতিক্রম করতে হবে।
৫৩. প্রশ্ন : বিমানবন্দরের কাছে চালককে সতর্ক থাকতে হবে কেন ?
উত্তরঃ (ক) বিমানের প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির চালক হঠাৎ বিচলিত হতে পারেন, (খ) সাধারণ শ্রবণ ক্ষমতার ব্যাঘাত ঘটতে পারে, (গ) বিমানবন্দরে ভিভিআইপি/ভিআইপি বেশি চলাচল করে বিধায় এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়।
৫৪. প্রশ্নঃ মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর হেলমেট ব্যবহার করা উচিত কেন ?
উত্তরঃ মানুষের মাথা শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এখানে সামান্য আঘাত লাগলেই মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে।
তাই দুর্ঘটনায় মানুষের মাথাকে রক্ষা করার জন্য হেলমেট ব্যবহার করা উচিত।
৫৫. প্রশ্ন : গাড়ির পেছনের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কতক্ষণ পর পর লুকিং গ্লাস দেখতে হবে ?
উত্তরঃ প্রতিমিনিটে ৬ থেকে ৮ বার।
৫৬. প্রশ্নঃ পাহাড়ি রাস্তায় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
উত্তরঃ সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ১ নং গিয়ারে বা ফার্স্ট গিয়ারে সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে হবে। পাহাড়ের চূড়ার কাছে গিয়ে আরো ধীরে উঠতে হবে, কারণ চূড়ায় দৃষ্টিসীমা অত্যন্ত সীমিত। নিচে নামার সময় গাড়ির গতি ক্রমে বাড়তে থাকে বিধায় সামনের গাড়ি থেকে বাড়তি দূরত্ব বজায় রেখে নামতে হবে। ওঠা-নামার সময় কোনোক্রমেই ওভারটেকিং করা যাবে না।
৫৭. প্রশ্নঃ বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালনার বিষয়ে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়?
উত্তরঃ বৃষ্টির সময় রাস্তা পিচ্ছিল থাকায় ব্রেক কম কাজ করে। এই কারণে বাড়তি সতর্কতা হিসাবে ধীর গতিতে (সাধারণ গতির চেয়ে অর্ধেক গতিতে) গাড়ি চালাতে হবে, যাতে ব্রেক প্রয়োগ করে অতি সহজেই গাড়ি থামানো যায়। অর্থাৎ ব্রেক প্রয়োগ করে গাড়ি যাতে অতি সহজেই থামানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেইরূপ ধীর গতিতে বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে।
৫৮. প্রশ্ন : ব্রিজে ওঠার পূর্বে একজন চালকের করণীয় কী ?
উত্তরঃ ব্রিজ বিশেষকরে উঁচু ব্রিজের অপরপ্রান্ত থেকে আগত গাড়ি সহজে দৃষ্টিগোচর হয় না বিধায় ব্রিজে ওঠার পূর্বে সতর্কতার সাথে গাড়ির গতি কমিয়ে উঠতে হবে। তাছাড়া, রাস্তার তুলনায় ব্রিজের প্রস্থ অনেক কম হয় বিধায় ব্রিজে কখনো ওভারটেকিং করা যাবে না।
৫৯. প্রশ্ন : পার্শ্বরাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
উত্তরঃ পার্শ্বরাস্তা বা ছোট রাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার আগে গাড়ির গতি কমায়ে, প্রয়োজনে থামায়ে, প্রধান রাস্তার গাড়িকে নির্বিঘেœ আগে যেতে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধান সড়কে গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সুযোগমত সতর্কতার সাথে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করতে হবে।
৬০. প্রশ্ন : রাস্তার ওপর প্রধানত কী কী ধরনের রোডমার্কিং অঙ্কিত থাকে ?
উত্তরঃ রাস্তার ওপর প্রধানত ০৩ ধরনের রোডমাকিং অঙ্কিত থাকে।
ক. ভাঙালাইন, যা অতিক্রম করা যায়।
খ. একক অখন্ডলাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ, তবে প্রয়োজনবিশেষ অতিক্রম করা যায়।
গ. দ্বৈত অখন্ডলাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ এবং আইনত দণ্ডনীয়। এই ধরনের লাইন দিয়ে ট্রাফিকআইল্যান্ড বা রাস্তার বিভক্তি বুঝায়।
৬১. প্রশ্ন : জেব্রাক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তরঃ জেব্রাক্রসিংয়ে পথচারীদের অবশ্যই আগে যেতে দিতে হবে এবং পথচারী যখন জেব্রাক্রসিং দিয়ে পারাপার হবে তখন গাড়িকে অবশ্যই তার আগে থামাতে হবে। জেব্রাক্রসিংয়ের ওপর গাড়িকে থামানো যাবে না বা রাখা যাবে না।
৬২. প্রশ্ন : কোন কোন গাড়িকে ওভারটেক করার সুযোগ দিতে হবে ?
উত্তরঃ যে-গাড়ির গতি বেশি, এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি জরুরি সার্ভিস, ভিভিআইপি গাড়ি ইত্যাদিকে।
৬৩. প্রশ্ন : হেড লাইট ফ্ল্যাশিং বা আপার ডিপার ব্যবহারের নিয়ম কী ?
উত্তরঃ শহরের মধ্যে সাধারণত ‘লো-বিম বা ডিপার বা মৃদুবিম’ ব্যবহার করা হয়। রাতে কাছাকাছি গাড়ি না থাকলে অর্থাৎ বেশিদূর পর্যন্ত দেখার জন্য হাইওয়ে ও শহরের বাইরের রাস্তায় ‘হাই বা আপার বা তীক্ষ্ম বিম’ ব্যবহার করা হয়। তবে, বিপরীতদিক থেকে আগত গাড়ি ১৫০ মিটারের মধ্যে চলে আসলে হাইবিম নিভিয়ে লো-বিম জ্বালাতে হবে। অর্থাৎ বিপরীতদিক হতে আগত কোনো গাড়িকে পাস/পার হওয়ার সময় লো-বিম জ্বালাতে হবে।
৬৪. প্রশ্ন : গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কী ?
উত্তরঃ গাড়ির ব্রেক ফেল করলে প্রথমে অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিতে হবে। ম্যানুয়াল গিয়ার গাড়ির ক্ষেত্রে গিয়ার পরিবর্তন করে প্রথমে দ্বিতীয় গিয়ার ও পরে প্রথম গিয়ার ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে গাড়ির গতি অনেক কমে যাবে। এই পদ্ধতিতে গাড়ি থামানো সম্ভব না হলে রাস্তার আইল্যান্ড, ডিভাইডার, ফুটপাত বা সুবিধামত অন্যকিছুর সাথে ঠেকিয়ে গাড়ি থামাতে হবে। ঠেকানোর সময় যানমালের ক্ষয়ক্ষতি যেনো না হয় বা কম হয় সেইদিকে সজাগ থাকতে হবে।
৬৫. প্রশ্ন : গাড়ির চাকা ফেটে গেলে করণীয় কী ?
উত্তরঃ গাড়ির চাকা ফেটে গেলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। এই সময় গাড়ির চালককে স্টিয়ারিং দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে হবে এবং অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে ক্রমান্বয়ে গতি কমিয়ে আস্তে আস্তে ব্রেক করে গাড়ি থামাতে হবে। চলন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকা ফেটে গেলে সাথে সাথে ব্রেক করবেন না। এতে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।
৬৬. প্রশ্ন : হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি কী ?
উত্তরঃ প্রতিটি গাড়ির সামনে ও পিছনে উভয়পাশের কর্ণারে একজোড়া করে মোট দু-জোড়া ইন্ডিকেটর বাতি থাকে। এই চারটি ইন্ডিকেটর বাতি সবগুলো একসাথে জ্বললে এবং নিভলে তাকে হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি বলে। বিপজ্জনক মুহূর্তে, গাড়ি বিকল হলে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এই বাতিগুলো ব্যবহার করা হয়।
৬৭. প্রশ্ন : গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কী কী ইন্সট্রুমেন্ট থাকে ?
উত্তরঃ ক. স্পিডোমিটার- গাড়ি কত বেগে চলছে তা দেখায়।
খ. ওডোমিটার – তৈরির প্রথম থেকে গাড়ি কত কিলোমিটার বা মাইল চলছে তা দেখায়।
গ. ট্রিপমিটার- এক ট্রিপে গাড়ি কত কিলোমিটার/মাইল চলে তা দেখায়।
ঘ. টেম্পারেচার গেজ- ইঞ্জিনের তাপমাত্রা দেখায়।
ঙ. ফুয়েল গেজ- গাড়ির তেলের পরিমাণ দেখায়।
৬৮. প্রশ্ন : গাড়িতে কী কী লাইট থাকে ?
উত্তরঃ ক. হেডলাইট, খ. পার্কলাইট, গ. ব্রেকলাইট, ঘ. রিভার্সলাইট ঙ. ইন্ডিকেটরলাইট, চ. ফগলাইট এবং ছ. নাম্বারপ্লেট লাইট।
৬৯. প্রশ্ন : পাহাড়ি ও ঢাল/চূড়ায় রাস্তায় গাড়ি কোন গিয়ারে চালাতে হয় ?
উত্তরঃ ফার্স্ট গিয়ারে। কারণ ফার্স্ট গিয়ারে গাড়ি চালানোর জন্য ইঞ্জিনের শক্তি বেশি প্রয়োজন হয়।
৭০. প্রশ্ন : গাড়ির সামনে ও পিছনে লাল রঙের ইংরেজি “খ” অক্ষরটি বড় আকারে লেখা থাকলে এরদ্বারা কী বুঝায় ?
উত্তরঃ এটি একটি শিক্ষানবিশ ড্রাইভারচালিত গাড়ি। এই গাড়ি হতে সাবধান থাকতে হবে।
৭১. প্রশ্ন : শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো বৈধ কী ?
উত্তরঃ ইনসট্রাক্টরের উপস্থিতিতে ডুয়েল সিস্টেম (ডাবল স্টিয়ারিং ও ব্রেক) সম্বলিত গাড়ি নিয়ে সামনে ও পিছনে “খ” লেখা প্রদর্শন করে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।
৭২. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ গাড়ি বলতে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ সাধারণত ইঞ্জিন হতে গাড়ির পেছনের দু-চাকায় পাওয়ার (ক্ষমতা) সরবরাহ হয়ে থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে যে-গাড়ির চারটি চাকায় (সামনের ও পিছনের) পাওয়ার সরবরাহ করা হয়, তাকে ফোরহুইলড্রাইভ গাড়ি বলে।
৭৩. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ কখন প্রয়োগ করতে হয় ?
উত্তরঃ ভালো রাস্তাতে চলার সময় শুধুমাত্র পেছনের দু-চাকাতে ড্রাইভ দেওয়া হয়। কিন্তু পিচ্ছিল, কর্দমাক্ত রাস্তায় চলার সময় চার চাকাতে ড্রাইভ দিতে হয়।
৭৪. প্রশ্ন : টুলবক্স কী ?
উত্তরঃ টুলবক্স হচ্ছে যন্ত্রপাতির বাক্স, যা গাড়ির সঙ্গে রাখা হয়। মোটরযান জরুরি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল টুলবক্সে রাখা হয়।
৭৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৪ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৮ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।
৭৬. প্রশ্ন : গাড়িতে গাড়িতে নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা উচ্চশব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন ও তা ব্যবহার করলে শাস্তি কী ?
উত্তরঃ ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৯ ধারা)।
৭৭. প্রশ্ন : রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুটপারমিট ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী?
উত্তরঃ প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী সময়ের জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৫২ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।
৭৮. প্রশ্ন : মদ্যপ বা মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তী সময়ে প্রতিবারের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৪ ধারা)।
৭৯. প্রশ্ন : নির্ধারিত গতির চেয়ে অধিক বা দ্রুত গতিতে গাড়ি চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ দিন কারাদণ্ড বা ৩০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তীতে একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা ১ মাসের জন্য স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪২ ধারা)।
৮০. প্রশ্ন : বেপরোয়া ও বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং যে-কোনো মেয়াদের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৩ ধারা)।
৮১. প্রশ্ন : ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তরঃ ২০০ টাকা জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫০)।
৮২. প্রশ্ন : নির্ধারিত ওজন সীমার অধিক ওজন বহন করে গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তরঃ প্রথমবার ১,০০০ পর্যন্ত জরিমানা এবং পরবর্তী সময়ে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (ধারা-১৫৪)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন ।
৮৩. প্রশ্ন : ইনসিওরেন্স বিহীন অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তরঃ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫৫)।
৮৪. প্রশ্ন : প্রকাশ্য সড়কে অথবা প্রকাশ্য স্থানে মোটরযান রেখে মেরামত করলে বা কোনো যন্ত্রাংশ বা দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য সড়কে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে শাস্তি কী ?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা। অনুরূপ মোটরযান অথবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা যাবে (ধারা-১৫৭)।
৮৫. প্রশ্ন : ফুয়েল গেজের কাজ কী ?
উত্তরঃ ফুয়েল বা জ্বালানি ট্যাংকে কী পরিমাণ জ্বালনি আছে তা ফুয়েল গেজের মাধ্যমে জানা যায়।

Address

Kalabaga

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Driver Care BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category