03/06/2022
ইঞ্জিন চালানোর জন্য যেমন তেলের প্রয়োজন হয়, তেমনি ইঞ্জিনের ভেতরের ছোট ছোট পার্টসকে সচল রাখতে ব্যবহার করা হয় ইঞ্জিন ওয়েল।
ইঞ্জিন ওয়েল কী:
ইঞ্জিন ওয়েল মূলত এক ধরনের তরল লুব্রিকেন্ট, যা ইঞ্জিনের ভেতরের বিভিন্ন ছোট ছোট পার্টসকে চলতে সহায়তা করে। ইঞ্জিন যখন চলে, তখন এর ভেতরে থাকা বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মধ্যে অতিমাত্রায় ঘর্ষণ হয়। ঘর্ষণের ফলে ইঞ্জিনের পার্টসগুলো ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই ক্ষয় রোধের জন্যই ব্যবহার করা হয় ইঞ্জিন ওয়েল। পাশাপাশি ইঞ্জিনকে বিভিন্ন অক্সিডেশন এবং ক্ষতিকর পার্টিকেল বা রাসায়নিক কণার হাত থেকে রক্ষা করে। বাইকের ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখে। ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতাও অনেকটা নির্ভর করে ইঞ্জিন ওয়েলের ওপর। সে জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর ইঞ্জিন ওয়েল পরিবর্তন করতে হয়।
ইঞ্জিন ওয়েলের প্রকারভেদ
বাজারে বিভিন্ন কোম্পানিভেদে নানা ধরন ও গ্রেডের ইঞ্জিন ওয়েল পাওয়া যায়।
মিনারেল ইঞ্জিন ওয়েল
খনিজ থেকে প্রাপ্ত পেট্রোলিয়াম তেল পরিশোধন করে এই ইঞ্জিন ওয়েল পাওয়া যায়। ভূ-গর্ভ থেকে যে তেল আমরা পাই, সেটিই মূলত মিনারেল ওয়েল। পরিশোধনের সময় এই তেল থেকে ক্ষতিকর হাইড্রোকার্বন সরিয়ে ফেলা হয়। সাধারণত মোটরসাইকেল কোম্পানিগুলো মিনারেল ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহারের পরামর্শই দিয়ে থাকে। তবে এর ব্যবহারে ইঞ্জিনের জ্বালানি চাহিদা কিছুটা বেড়ে যায়।
সিনথেটিক ওয়েল
পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে তৈরি তেল এটি। অন্য যৌগ থেকে (সিনথেসিস প্রক্রিয়া) বিক্রিয়ার মাধ্যমে এ ধরনের তেল তৈরি করা হয় বলে এই তেলকে সিনথেটিক তেল বলে। এই ইঞ্জিন ওয়েল ইঞ্জিনের শক্তি বাড়ায়, পাশাপাশি অনেক দিন ধরে ব্যবহার করা যায়।
সেমি-সিনথেটিক ইঞ্জিন ওয়েল
মিনারেল ও সিনথেটিক ওয়েলের মিশ্রণকে সেমি-সিনথেটিক ওয়েল বলে।
মোটরসাইকেল ইঞ্জিন ওয়েল বিভিন্ন গ্রেডের হয়ে থাকে। যেমন 20 W-40,10 W-40, 10 W-30,20 W-50 ইত্যাদি। তবে মোটরসাইকেল কোম্পানির নির্দিষ্ট করে দেওয়া গ্রেড অনুযায়ী ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। আপনার মোটরসাইকেলের ভালো পারফরম্যান্স অনেকটাই নির্ভর করে এই গ্রেডের ওপর। আপনি যদি অন্য কোনো গ্রেডের ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করেন, তাহলেও মোটরসাইকেল চলবে। তবে সে ক্ষেত্রে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হবে। পাশাপাশি ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
EGO 4T
আল্লার দান অটো
পুড়াপাড়া বাজার