Arson Lubricants Ltd.

Arson Lubricants Ltd. Arson lubricants now has 21 categories and more than 100 types of products, including internal combu

ARSON ব্র্যান্ডের গাড়ির সকল প্রোডাক্ট আরও অত্যাধুনিক করা হয়েছে। গাড়ির বডি, ড্যাশবোর্ড, টায়ার, প্লাস্টিক, লেদার, গ্লাস বা...
11/12/2025

ARSON ব্র্যান্ডের গাড়ির সকল প্রোডাক্ট আরও অত্যাধুনিক করা হয়েছে। গাড়ির বডি, ড্যাশবোর্ড, টায়ার, প্লাস্টিক, লেদার, গ্লাস বা ইঞ্জিন – প্রতিদিন কিংবা উইকেন্ড ড্রাইভের আগে মাত্র 10-15 মিনিটে ইন্সট্যান্ট পরিষ্কার ও শাইন দিতে ARSON এর উপর ভরসা করছেন হাজারো গাড়ি ইউজার।
________________________________________
Products Include
• Arson Wonder (Wash & Wax)
পানি ছাড়াই গাড়ি পরিষ্কার করার আধুনিক সমাধান, যা ধুলো ও গ্রীস দূর করে সঙ্গে সঙ্গে ওয়াটার রেপেলেন্ট শাইন তৈরি করে। স্প্রে করুন, ভেজা টাওয়েল দিয়ে মুছুন, তারপর শুকনো টাওয়েল দিয়ে ঘষলেই গাড়ি হয়ে উঠবে ঝকঝকে।
• Arson Wonder (EV Solution)
ইলেকট্রিক গাড়ির জন্য বিশেষভাবে তৈরি ওয়াশ সলিউশন, যা ইকুইপমেন্ট ও সার্কিট সুরক্ষিত রেখে বাইরের সারফেস ক্লিন করে।
• Arson Wonder (Car Shampoo)
বর্ষা বা কাদা জমলে অল্প পানির সাথে সামান্য জেল মিশিয়ে ধুয়ে নিন। কঠিন ময়লা দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
• Arson Wonder (Dashboard Polish)
ড্যাশবোর্ড ও ইন্টেরিয়রকে সাথে সাথে চকচকে করে তোলে। ওয়াশ শেষে স্প্রে করে পরিষ্কার টাওয়েল দিয়ে মুছে নিলেই পেইন্ট ও সারফেস সুরক্ষা পায়।
• Arson Wonder (Tyre, Plastic & Leather Polish)
টায়ার, প্লাস্টিক বা লেদার পার্টসকে নতুনের মতো চকচকে করে তোলে। লং লাস্টিং শাইন ধরে রাখে।
• Arson Cream Polish
গাড়ির পেইন্টকে UV রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয় এবং দীর্ঘস্থায়ী গ্লস তৈরি করে। অল্প ব্যবহারেই পুরো গাড়ি হয়ে ওঠে শোরুম লুকের মতো।
• Arson Scratch Remover
মাইনর স্ক্র্যাচ দ্রুত দূর করে গাড়ির আসল উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।
• Arson Wonder Coolant & Windshield Washer
ইঞ্জিন ও উইন্ডশিল্ড কেয়ারে পরীক্ষিত সমাধান। গাড়ি সবসময় থাকে ফ্রেশ ও রোড-রেডি।
• Arson Wonder Perfume Spray / Air Freshener
গাড়ির ইন্টেরিয়র সবসময় রাখে সতেজ ও ফ্রেশ।
এছাড়াও সকল প্রকার টায়ার সিলেন্ট, অকটেন বুস্টার, গ্লাস ক্লিনার সহ গাড়ি ইউজারদের প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ রয়েছে।
________________________________________

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• ব্যবহারের মেয়াদ: উৎপাদনের তারিখ থেকে ২ বছর, খোলার পর ৬ মাস।
• ব্যবহারযোগ্য সময়কাল: গড়ে ১–৪ মাস (ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল)।
• পেইন্ট সুরক্ষা: নিয়মিত ব্যবহারে পেইন্টের ক্ষতি হয় না, বরং সুরক্ষা দেয়।
• ব্র্যান্ড: Arson নিবন্ধিত ব্র্যান্ড। কাঁচামাল ইমপোর্ট করা হয়, ফর্মুলেশন Germany & Malaysia ভিত্তিক, স্থানীয়ভাবে প্যাকেজিং।

যারা সুলভ মূল্যে নিয়ে পাইকারি বিক্রি করতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন। চাইলে আপনাদের নামে ব্রান্ডিং করে নিতে পারবেন ।
বিস্তারিত জানতে
What's app : 01716-199947
What's app : 01759-258081
Ramnagar, Rajarhat, Jashore

আমাদের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত products.❤সারা বাংলাদেশে ডিলার নিয়োগ চলছে❤যারা সুলভ মূল্যে নিয়ে পাইকারি বিক্রি করতে চান ত...
05/12/2025

আমাদের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত products.
❤সারা বাংলাদেশে ডিলার নিয়োগ চলছে❤

যারা সুলভ মূল্যে নিয়ে পাইকারি বিক্রি করতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন। চাইলে আপনাদের নামে ব্রান্ডিং করে নিতে পারবেন ।
বিস্তারিত জানতে
What's app : 01716-199947
What's app : 01759-258081
Ramnagar, Rajarhat, Jashore
#100%working, #100%color guarantee
ঢাকার বাইরে কুরিয়ার এ মাল পাঠানো হয় ।

Arson Lubricants Ltd. থেকে আপনারা পাচ্ছেন

Arson tyre gel 500 ml green
Arson tyre gel 500 ml blue
Arson tyre gel 500 ml red
Arson tyre gel 500 ml silver
Arson tyre gel 500 ml
Arson tyre gel 800 ml
Arson tyre gel 1000 ml white
Arson tyre gel 1000 ml black
Arson tyre gel 1000 ml golden
Arson tyre gel 1000 ml silver
Arson tyre gel 1100 ml (total)
Arson car foam wash 500 ml
Arson car foam wash 5 liter
Arson car & bike polish 250 ml
Arson car & bike polish 1000 ml
Arson car & bike polish 5 liter
Arson octane booster 30 ml
Arson octane booster 40 ml
Arson radiator coolant 1 liter
Arson radiator coolant 2 liter
Arson coolant 4 liter
Arson brake fluid 100 ml




# shampoo

আপনার গাড়ির শক্তি ও স্মুথনেসের গোপন রহস্য – Arson Octen Booster  দ্রুত স্টার্ট, শক্তিশালী মাইলেজ আর সেরা পারফরম্যান্স – ...
04/12/2025

আপনার গাড়ির শক্তি ও স্মুথনেসের গোপন রহস্য – Arson Octen Booster
দ্রুত স্টার্ট, শক্তিশালী মাইলেজ আর সেরা পারফরম্যান্স – সব একসাথে Arson Octen Booster -এ।
আজই ব্যবহার করুন, পার্থক্য নিজেই টের পাবেন
কেনার আগে অবশ্যই Arson Octen Booster লিখা দেখে কিনবেন
# #মাত্র ৫০ টাকায় পেয়ে যাচ্ছেন 40 ml Arson Octen Booster
# now WWW.arsonbd.com
# : 01759-258081
# # WhatsApp’s 01716-199947

আপনার শখের গাড়িটির পারফরমেন্স ড্রপ করেছে?গাড়িতে মাইলেজ ⛽ আগের মতন পাচ্ছেন না?গাড়িতে অতিরিক্ত ভাইব্রেশন করছে?গাড়ির স্...
04/12/2025

আপনার শখের গাড়িটির পারফরমেন্স ড্রপ করেছে?
গাড়িতে মাইলেজ ⛽ আগের মতন পাচ্ছেন না?
গাড়িতে অতিরিক্ত ভাইব্রেশন করছে?
গাড়ির স্কেলেরেশন আগের তুলনায় কমে গেছে?
ভেজাল তেল নিয়ে চিন্তিত?
ড্যাশবোর্ডে বিভিন্ন ধরনের সাইন শো করছে?

🎯সব সমস্যার সমাধান দিবে আমাদের Arson Booster
👉 এছাড়াও সুবিধা সমূহ
✅গাড়ির তেলের রণ নাম্বার বৃদ্ধি করবে।
✅গাড়ির তেলে থাকা ময়লা পরিষ্কার করবে।
✅ পারফর্মেন্স পাবেন নতুন গাড়ির মতন।
✅ গাড়িতে নতুন করে কার্বন জমতে বাধা দিবে।
✅ইন্জিন নয়েজ কমে যাবে ১০০%
✅ স্কেলেরেশন স্মুথ করবে যার কারণে কম আরপিএমে অধিক স্পিড পাবেন
🔴 যেকোন প্রয়োজনে কাষ্টমার কেয়ার আপনাদের সেবায় নিয়োজিত
🏣 Oғғɪᴄᴇ Tɪᴍᴇ Oɴʟʏ
📞 +8801716199947 (ᗯᕼᗩTՏᗩᑭᑭ)
✅FUEL ⛽ SOLUTION

আপনার গাড়ির শক্তি ও স্মুথনেসের গোপন রহস্য – Arson Octane Boosterদ্রুত স্টার্ট, শক্তিশালী মাইলেজ আর সেরা পারফরম্যান্স – স...
04/12/2025

আপনার গাড়ির শক্তি ও স্মুথনেসের গোপন রহস্য – Arson Octane Booster
দ্রুত স্টার্ট, শক্তিশালী মাইলেজ আর সেরা পারফরম্যান্স – সব একসাথে Arson Octane Booster -এ।
আজই ব্যবহার করুন, পার্থক্য নিজেই টের পাবেন
কেনার আগে অবশ্যই Arson Octane Booster লিখা দেখে কিনবেন
# #মাত্র ৫০ টাকায় পেয়ে যাচ্ছেন 40ml Arson Octane Booster
# now www.arsonbd.com
# : 01759-258081
# # WhatsApp’s 01716-199947

আমাদের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত products.❤সারা বাংলাদেশে ডিলার নিয়োগ চলছে❤যারা সুলভ মূল্যে নিয়ে পাইকারি বিক্রি করতে চান ত...
25/07/2025

আমাদের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত products.
❤সারা বাংলাদেশে ডিলার নিয়োগ চলছে❤

যারা সুলভ মূল্যে নিয়ে পাইকারি বিক্রি করতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন। চাইলে আপনাদের নামে ব্রান্ডিং করে নিতে পারবেন ।
বিস্তারিত জানতে
What's app : 01716-199947
What's app : 01759-258081
Ramnagar, Rajarhst, Jashore
#100%working, #100%color guarantee
ঢাকার বাইরে কুরিয়ার এ মাল পাঠানো হয় ।

Arson Lubricants Ltd. থেকে আপনারা পাচ্ছেন

Arson tyre gel 500 ml green
Arson tyre gel 500 ml blue
Arson tyre gel 500 ml red
Arson tyre gel 500 ml silver
Arson tyre gel 500 ml
Arson tyre gel 800 ml
Arson tyre gel 1000 ml white
Arson tyre gel 1000 ml black
Arson tyre gel 1000 ml golden
Arson tyre gel 1000 ml silver
Arson tyre gel 1100 ml (total)
Arson car foam wash 500 ml
Arson car foam wash 5 liter
Arson car & bike polish 250 ml
Arson car & bike polish 1000 ml
Arson car & bike polish 5 liter
Arson octane booster 30 ml
Arson octane booster 40 ml
Arson radiator coolant 1 liter
Arson radiator coolant 2 liter
Arson coolant 4 liter
Arson brake fluid 100 ml




# shampoo

17/06/2024
Arson Engine oil
13/12/2023

Arson Engine oil

ডিজেল চালিত ইঞ্জিন এবং পেট্রোল চালিত ইঞ্জিনের গাড়ির মধ্যে পার্থক্যঃ-ডিজেল চালিত ইঞ্জিন এবং পেট্রোল চালিত ইঞ্জিনের গাড়ির ...
20/05/2023

ডিজেল চালিত ইঞ্জিন এবং পেট্রোল চালিত ইঞ্জিনের গাড়ির মধ্যে পার্থক্যঃ-

ডিজেল চালিত ইঞ্জিন এবং পেট্রোল চালিত ইঞ্জিনের গাড়ির মধ্যে পার্থক্য কী? এর জন্য কি গাড়ির সর্বোচ্চ গতি/ইঞ্জিনের শক্তির কোনো তারতম্য ঘটে?
সোজা কথায় বলতে গেলে পেট্রল ইঞ্জিন এ স্পার্ক প্লাগ ব্যবহার করা হয় সিলিন্ডার এর মধ্যে পেট্রল বাস্প কে জ্বালানোর জন্য। কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে স্পার্ক প্লাগ থাকে না. সেখানে চাপের মাধ্যমে সিলিন্ডারের মধ্যেকার তাপ বাড়িয়ে ডিজেল বাস্প কে জ্বালানো হয়. এবার ছোটবেলায় পড়া মজার একটি জিনিস মনে পড়ে গেলো। "চার্লসের চাপ আর বয়েলের তাপ"। চার্লসের সূত্র বলে স্থির চাপে একটি আদর্শ গ্যাস এর আয়তন গ্যাসের তাপমাত্রার সমানুপাতিক (চার্লসের সূত্রে চাপ স্থির). তার মানে স্থির চাপে একটি গ্যাসের ওপর তাপ প্রয়োগে তার আয়তন বেড়ে যাবে। ঠিক তেমনি বয়েলের সূত্র বলে স্থির তাপে একটি আদর্শ গ্যাসের আয়তন তার ওপর প্রদত্ত চাপের ব্যাস্তানুপাতিক। তার মানে স্থির তাপে একটি গ্যাসের ওপর চাপ বাড়ালে আয়তন কমে যাবে।

এবার দেখা যাক একটি অন্তরীণ দাহন (internal combustion) ইঞ্জিনের (cylinder) মধ্যে কি হয়. সেখানে একটি সিলিন্ডার মধ্যে একটি পিস্টন ওঠা নামা করতে থাকে। তাহলে যখন পিস্টন ওপরে ওঠে তখন ভেতরের গ্যাস সংকুচিত হয় তার মানে তার মধ্যেকার তাপ বেড়ে যায়. এবার যদি কোনো ভাবে ওখানকার তাপ আরো বাড়ানো যায়, তাহলে গ্যাস প্রসারিত হবে ও পিস্টন কে নিচে ঠেলে নামাবে। তাই তেল কে জ্বালিয়ে সিলিন্ডার এর মধ্যেকার তাপমাত্রা বাড়ানো হয় যাতে করে পিস্টন কে ঠেলে নিচে নামানো যায়. তাহলে বোঝা যাচ্ছে সিলিন্ডার এর মধ্যে তেল তখন ঢালতে হবে যখন পিস্টন চোঙের উপরি ভাগে আছে. সেই সময় তেল ঢুকিয়ে সেটা জ্বেলে তাপমাত্রা বাড়িয়ে আবার পিস্টন কে নিচে নামানো হয়. এই পিস্টনের ওপর নিচে চলন কে (liner motion) একটি পিস্টন রড ও ক্র্যাংক শ্যাফ্ট এর মাধ্যমে ঘূর্ণনে (rotation) পরিবর্তিত করা হয়.

পেট্রল ২৪৭ থেকে ২৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ জ্বলে ওঠে. সেখানে ডিজেল মাত্র ২১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ জ্বলে ওঠে. তাই ডিজেল ইঞ্জিনে বাতাস-ডিজেল মিশ্রিত বাস্প কে জ্বালানোর জন্য আলাদা করে কোনো স্পার্ক প্লাগ লাগে না. কিন্তু পেট্রল ডিজেলের থেকে অনেক বেশি উদ্বায়ী। তাই চোঙের মধ্যে যখন পেট্রল দেওয়া হয় সেটা সমসত্ব মিশ্রণ বাস্প হিসাবে সব জায়গায় ছড়িয়ে থাকে। তাই সবসময় দেখা হয় যেন পেট্রল ইঞ্জিনে চাপ খুব বেশি না থাকে যাতে করে পেট্রল নিজে নিজেই জ্বলে যায়. তাই আলাদা করে স্পার্ক প্লাগের সাহায্যে পেট্রল কে জ্বালানো হয়. সেইজন্য পেট্রল ইঞ্জিনে বেশি কম্প্রেশন রেশিও রাখা যায় না. পেট্রল কে যদি নিজে নিজেই জ্বলতে দেওয়া হয় তাহলে এটা সব দিক থেকেই জ্বলতে শুরু করবে। এটা কেই আমাদের ভাষায় ইঞ্জিন নকিং বলে থাকে।

কম্প্রেশন রেশিও বলতে বোঝায় পিস্টন যখন সিলিন্ডার এর সবথেকে নীচে থাকে তখনকার বাতাসের আয়তন এবং পিস্টন যখন শীর্ষে থাকে তখনকার আয়তনের অনুপাত। এই অনুপাত যত বেশি হয় একটি ইঞ্জিনের কার্যদক্ষতা ততো বেশি। কিন্তু পেট্রল খুব বেশি মাত্রায় উদ্বায়ী হওয়ার জন্য কম্প্রেশন রেশিও কে কম রেখে স্পার্ক প্লাগের সাহায্যে পেট্রল কে জ্বালানো হয়. আবার কম্প্রেশন রেশিও বেশি হওয়া মানে চোঙের মধ্যে পিস্টন অনেক বেশি পথ অতিক্রম করছে। সুতরাং ইঞ্জিনের টর্ক বেশি হচ্ছে। তাই ডিজেল ইঞ্জিনের ক্ষমতা ও কার্য দক্ষতা বেশি। উল্টোদিকে পেট্রল ইঞ্জিনের ত্বরণ বেশি। তাই সাধারণত ট্রাক জাতীয় ভারী কাজের গাড়ি তে ডিজেল ব্যবহার হয়।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির টায়ার ফেটে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। গাড়ির ছবি দেখার পরে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ নিশ্চয়ই বুঝতে পারছি।সড়...
01/05/2023

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির টায়ার ফেটে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। গাড়ির ছবি দেখার পরে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ নিশ্চয়ই বুঝতে পারছি।

সড়কপথে গাড়ীর টায়ার ফেটে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েছি বা শুনেছি এমন সংখ্যা নেহায়েৎ কম না। হয়তো আমাদের পরিচিত অনেকের জীবনেই এমনটা ঘটেছে। কেউ হয়তো ভাগ্যজোরে বেচে গেছেন, কাউকে কাউকে হয়তো চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।

ছবির গাড়ির যাত্রিরাও প্রাইভেট কারে যাচ্ছিল। সামনের বামদিকের টায়ার ফেটে গেলে ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বা-পাশে পার্ক করে রাখা এক লরীতে গিয়ে আঘাত করে। সাথে সাথেই ঝরে পড়ে একটি অমূল্য প্রাণ।
এই দূর্ঘটনার কারন কি? নিচে বলছি

১। টায়ার প্রেশার
ভারতে যখন নতুন এক্সপ্রেস হাইওয়ে তৈরী হল, ওখানেও একটার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটতে থাকল। অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারন একটাই- টায়ার ফেটে যাওয়া। নিন্দুকেরা চালকের দোষ দিল। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলল রাস্তা নির্মাণ নিয়ে। কিন্তু একজন ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি ভাবলেন, দেশের আধুনিকতম সড়কে বারবার এ-ধরণের দুর্ঘটনা ঘটছে কেন! এর অন্য কোন কারণ নেই তো? তিনি ব্যাপারটা নিয়ে গবেষণা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।

কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তিনি গাড়ী নিয়ে নেমে পড়লেন এক্সপ্রেস হাইওয়েতে। সবগুলো চাকার এয়ার প্রেশার নিলেন ২৫ পি এস আই। এটাই আন্তর্জাতিক মান। (প্রত্যেক টায়ারে স্ট্যান্ডার্ড প্রেশার লেখা থাকে।পৃথিবীর সব উন্নত দেশে চালকেরা এভাবেই প্রেশার মেইন্টেইন করে।তাছাড়া গুগলেও চেক করে নেয়া যায়) এরপর গাড়ী ছোটালেন ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার স্পীডে। গাড়ী চলল প্রায় দু-ঘন্টা। থামলেন। টায়ারের প্রেশার চেক করলেন।
সর্বনাশ! প্রেশার ৫২ পি এস আই! ঠান্ডা অবস্থায়, গাড়ী স্টার্ট নেয়ার আগে টায়ারের যে প্রেশার ছিল তাঁর দ্বিগুণেরও বেশী!! আর তাপমাত্রা? ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস! তাপমাত্রা আর মোটে ৭.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লেই বয়েলিং টেম্পারেচারে পৌছে যেত; অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, আর কিছুদূর ওই স্পীডে ছুটলেই হয়ত তাকেও দুর্ঘটনার শিকার হতে হত।
কেন এমন হল? এটা হলো পদার্থ বিজ্ঞানের তিনটি সূত্র অনুসরণ করে।

ক। পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র বলে friction generates heat, অর্থাৎ ঘর্ষণে তাপ উৎপন্ন হয়। ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার বেগে দু-ঘন্টা রাস্তায় ছুটতে গিয়ে গাড়ীর চাকাগুলোর সাথে রাস্তার কি পরিমাণ friction (ঘর্ষণ) হয়েছে তা আমরা কল্পনা করতে পারি। আর, এর মধ্যে যতবার আমরা ব্রেক চাপব, ততোবার হুইল ড্রামের সাথে ব্রেক প্যাডের ফ্রিকশন হবে। এই ফ্রিকশনের কারনে টায়ারের ভেতরে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যায়।

খ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র হল, Heat lost equals to heat gained, অর্থাৎ একজন যতটুকু তাপ হারায়, অন্যজন ঠিক ততোটুকু তাপ অর্জন করে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহে রাস্তাগুলো আগুনের মত গরম হয়ে থাকে। রাস্তা তার এই তাপ গাড়ীর চাকার সাথে শেয়ার করে। চলার পথে রাস্তা যতটা তাপ ছেড়ে দিয়েছে, গাড়ীর চাকা ঠিক ততোটুকু তাপ শুষে নিয়েছে।
এই এতো এতো সোর্স থেকে তাপ নিতে নিতে ওর ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসে।

গ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র- তাপে যে কোন জিনিষ আয়তনে বাড়ে। সেই অনুযায়ী টায়ারের তাপে, টায়ারের ভিতরের বাতাসের আয়তন বাড়ে। কিন্তু টায়ার কিম্বা টিউবের আয়তন সহজে বাড়েনা। কারণ, ওগুলো সলিড, ওদের ‘ইলাস্টিক লিমিট’ সীমিত। ঐ লিমিট ক্রস করলেই ওরা ফেটে যায়। ওদিকে ভেতরের বাতাসের আয়তন তো বেড়েই চলেছে। ফলে বাড়ছে টায়ারের ভেতরে বাতাসের চাপ। একসময় টায়ার আর এই চাপটা নিতে পারে না। তখনই- বুমমম। এখন দেখা যাক আমরা কি করছি। বেশীরভাগ প্রাইভেটকার চালকরাই চাকার এয়ার প্রেশার ৩৫ থেকে ৪৫ এ রাখে। কারণ, চাকায় হাওয়া বেশী থাকলে তেল খরচ কম হয়। একবার ভাবুন, ভারতের ঐ ভদ্রলোকের গাড়ী দু-ঘন্টা চলার পর যদি এয়ার প্রেশার ২৫ থেকে বেড়ে ৫২ তে গিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আপনার ৪০ পি এস আই কত তে গিয়ে দাঁড়াবে? ৮০ বা ৮৪? ঐ পর্যন্ত প্রেশার নেয়ার ক্ষমতা পৃথিবীর কোনো টায়ারের নাই। এখন সিদ্ধান্ত আমাদের, তেলের মূল্য বেশী, না আমার এবং প্রিয়জনদের জীবনের মূল্য বেশি?

২। টায়ারের মেয়াদ।
আমরা ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখব প্রতিটা টায়ারের গায়ে সেটার প্রস্তুতকাল লেখা থাকে। এটা একটা চার ডিজিটের নাম্বার। প্রথম দু-টো ডিজিট প্রস্তুতের সপ্তাহ এবং শেষ দু-টো ডিজিট সাল নির্দেশ করে। ধরা যাক ডিজিট চারটা যদি ১৮১৯ হয়, তাহলে টায়ারটি তৈরী করা হয়েছিল ২০১৯ সালের ১৮ তম সপ্তাহে, অর্থাৎ ২০১৯ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। সাধারণত একটা টায়ারের মেয়াদকাল সেটার প্রস্তুতকাল থেকে ৪ বছর (অথবা মতান্তরে ৫ বছর)। সে-ক্ষেত্রে এই টায়ারটির মেয়াদ ২০২৩ (অথবা বড়জোড় ২০২৪) সালের মে মাস পর্যন্ত। আজই চেক করে নেই টায়ারের মেয়াদ পার হয়ে গেছে কি না। মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে টায়ার বদলে নিন। নয়তো টায়ার ফেটে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থেকেই যাবে।
আমরা অধিকাংশ সময়েই টায়ার যতদিন যায় ব্যাবহার করি। তারপর তাকে রিসোল করে চালাই। আবার বদলানোর সময় সামান্য টাকা বাচাতে পুরাতন মেরামত টায়ার কিনে লাগাই। অনেক সময় ড্রাইভাররা চুরি করে রিসোল টায়ার লাগাই। কম দামে নিম্নমানের টায়ার লাগাই। আর ফলাফল?.....

৩। গাড়ির গতি। গাড়ীর গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। জোরে চালানো নয়, নিরাপদের চালানোই একজন ভাল ড্রাইভারের বৈশিষ্ট্য। একটি জরিপে দেখা গেছে, নিরাপদে চালিয়ে একজন চালক যে সময়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পৌছাবে, বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে আমি তারচে বড়জোড় আধঘন্টা আগে পৌছাব। ঢাকা চট্টগ্রাম দূরত্ব ২৪৫ কিলোমিটার। অর্থাৎ প্রায় আড়াইশ কিলো চালিয়ে ত্রিশ মিনিট বাচাচ্ছি। আর যদি ১০০ কিলো হয়? ১৫ মিনিটও বাচে না। সাবধান হই, সতর্ক হই।

১। টায়ার প্রেশার নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখি।
২। মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে টায়ার পাল্টে ফেলি।
৩। অধিক গতিতে গাড়ী চালাবেন না, গতি নিয়ন্ত্রণে রাখি।
৪। দূরপাল্লার ভ্রমনে অন্তত দু-ঘন্টা পর পর ড্রাইভারকে রেস্ট দেই, গাড়ীকে রেস্ট দেই, নিজেরা রেস্ট নেই। সবাই নিরাপদে থাকি।

বন্ধুদের নিরাপত্তার স্বার্থে পোষ্টটি শেয়ার করি।
পুনশ্চঃ আর উপরের লেখাটি সংগৃহীত পোস্ট থেকে পরিমার্জন করা।

Address

Jessore
7400

Opening Hours

09:00 - 17:00

Telephone

+8801716199947

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arson Lubricants Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arson Lubricants Ltd.:

Share