18/03/2026
এই বাচ্চা মেয়েটাকে পু°ড়ি°য়ে মে`রে ফেলা হয়েছে। মেয়েটার বয়স ১০ বছর। হ্যাঁ, মাত্র ১০ বছর।
মেয়েটার অ`প`র|ধ ছিল- তাকে খারাপ কাজ করতে বলেছিল কিন্তু সে শুনে নাই। এজন্যে রাগে ক্ষো°ভে তার শরীরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।
সিফাত নামের যেই ছেলে বাচ্চা মেয়েটার গায়ে আগুন দিয়েছে সে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। এর আগেও বহুবার এই মেয়েটাকে উত্ত্যক্ত করেছে, পথ আটকিয়েছে।
অনেকবার নির্জন রাস্তায় নিয়ে ধ*র্ষ°ণ করতেও চেয়েছিল কিন্তু মানুষ থাকায় এতদিন পারেনি।
গতকালও রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মেয়েটাকে টেনে নির্জন জায়গায় নিয়ে গেছে সিফাত। তারপর বাচ্চা মেয়েটাকে খারাপ কাজ করার কথা বলেছে।
মেয়েটা রাজি হয়নি তাই মেয়েটাকে চড় থাপ্পড় দিয়েছে, মেরেছে। মেয়েটা চিৎকার করায় সবশেষে রাগে ক্ষোভে মেয়েটার পুরো শরীরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।
বাচ্চা মেয়েটা আগুনের উত্তাপ সইতে না পেরে কতক্ষণ রাস্তাতেই দৌঁড়েছে, কেঁদেছে। পরে গ্রামের মানুষজন দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে গেছে।
কিন্তু ততক্ষণে মেয়েটার শরীরে থার্ড ডিগ্রি পুরে গেছে। মানে শরীরের বেশিরভাগ অংশই পুড়ে ঝলসে গেছে।
ডাক্তারদের মতে- জ্যান্ত মাছকে গরম তেলে ছাড়লে যেমন ছটফট করে, কষ্ট পায় তেমনি থার্ড ডিগ্রি বার্নে মেয়েটাও ঠিক তেমন কষ্টই পাচ্ছিল।
মেয়েটার শরীরের কাপড় পুড়ে চামড়ার সাথে লেগে গিয়েছিল, ডাক্তাররা সেগুলো তোলার মতো সময়টুকুও পায়নি। তার আগেই মেয়েটা যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে মারা গেছে।
ঘটনাটা বরিশালের বাবুগঞ্জের। একদিন পার হয়ে গেছে অথচ বড় কোন মিডিয়াতে নিউজ হয় নাই, পুলিশ-প্রশাসনেরও হদিস নাই।
এই যে মাত্র ১০ বছরের একটা মেয়ে ধ*র্ষণে রাজি না হওয়ায় তাকে পুড়িয়ে মারা হলো কোন শাহবাগীকে আওয়াজ তুলতে দেখেছেন? বিচার চাইতে দেখেছেন? দেখেননি, দেখবেনও না।
এদেরকে দেখবেন মেয়েদের ওপেনলি সিগারেট খাওয়ার স্বাধীনতার বেলায়, এদেরকে দেখবেন পোষাকের নামে নোংরামির স্বাধীনতা চাওয়ার বেলায়।
অথচ একটা বাচ্চা মেয়ে ধ*র্ষিত হয়ে কাপড় পুড়ে মারা যাক তাতে তাদের কিচ্ছু যায় আসে না।
কিছুদিন আগেই নারী দিবস ছিল। সেই দিবস উপলক্ষে শাহবাগীরা কয়েকটা জায়গায় বড় বড় অনুষ্ঠান করেছে, আলোচনা সভার নাম করে লাখ লাখ টাকার মতো খরচ করেছে।
অথচ উত্তরবঙ্গের একজন দরিদ্র মহিলা স্বামী মারা যাওয়ার পর অভাবের সংসারে একটা সেলাই মেশিন কিনার জন্যে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে। তখন শাহবাগীদেরকে এই মহিলাটার পাশে পাওয়া যায়নি।
এখন রাইসা নামের এই মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করে পুড়িয়ে মারা হলো তার বিচারের দাবিতেও এদেরকে পাওয়া যাবে না। এদেরকে পাওয়া যাবে শুধু নিজেদের সুবিধার বেলায়।
শাহবাগীরা কথা না বলুক, আওয়াজ না তুলুক। আমাকে আপনাকে বলতে হবে, আওয়াজ তুলতে হবে। প্রতিবাদ করুন এবং বাচ্চাটার বিচারের দাবিতে তার অসহায় বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়ান।
মারা যাওয়ার আগে এই বাচ্চা মেয়েটার মাত্র কয়েক মিনিটের জবানবন্দি নেয়া হয়েছিল। মেয়েটা অসহায়ের মতো ছলছল করা চোখে বাবা-মাকে বলছিল- আমি বাঁচি কিংবা মরি তোমরা সিফাতের বিচারটা কইরো।
এই অসহায় বাবা-মাকে এখন কে বুঝাবে- এদেশে সবকিছুই হয়, ধ*র্ষকের বিচায়টাই হয় না শুধু।😭😭