RAISA CAR

RAISA CAR Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RAISA CAR, Car dealership, Gazipur.

28/08/2022

জার্নিতে বা লং ড্রাইভে যাওয়ার পূর্বে কি করবেন??
আমরা মাঝে মাঝে বিভিন্ন কাজে কিংবা ঘুরতে যেতে হলে আমাদের প্রিয় গাড়িটাকে সাথে নিয়ে যাই বাহন হিসেবে কিন্তু আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার আনন্দ করার মূহুর্তে যদি আপনার এই প্রিয় বাহনটির কোনো সমস্যা হয়!

লং ড্রাইভে যাওয়ার পূর্বে যা যা করা উচিতঃ
১। গাড়ির তেল যেমনঃ ইঞ্জিন অয়েল,গিয়ার অয়েল,স্টিয়ারিং অয়েল,ক্লাচ অয়েল সব ভালোভাবে চেক করা । তবে চেক করতে হলে অবশ্যি গাড়ির ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকতে হবে তা নয়া হলে আপনি সঠিক তথ্য পাবেন না।
২। রেডিয়েটরের পানি চেক করা অত্যন্ত গুরুত্তপূর্ন কারন একটি গাড়ির ইঞ্জিন ঠান্ডা রাখার জন্য রেডিয়েটরের পানি প্রয়োজন । এছাড়া গাড়িতে সবসময় ১-২ লিটার পানি রেখে দিবেন তা অবশ্য মিনারেল ওয়াটার দেয়া ভালো। সাথে ওয়াইপার ট্যাংকের পানিও চেক করতে ভুলবেন না।
৩। গাড়ির প্রতিটি লাইট ভালোভাবে চেক করুন কারন রাতের বেলায় লাইটের আলো ঠিক না থাকলে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। আর সিগ্ন্যাল লাইট অর্থাৎ ইন্ডিকেটর লাইট হাইওয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্তপূর্ন।
৪। ৪টি চাকার প্রেশার মেপে চেক করা কারন চাকার প্রেশার ঠিক না থাকলে গাড়ির মাইলেজ কম পাবেন এবং গাড়ি স্মুথলি চলবে না। চাকায় কোনো লিক আছে কিনা তাও চেক করে নিবেন । সাথে একটি এক্সট্রা চাকা থাকলে তাও ভালো।
৫। জার্নিতে বের হবার আগেই গাড়ির ফুয়েল ট্যাংক পূর্ন করে নিন কারন হাইওয়েতে আপনি ভালো ফুয়েল নাও পেতে পারেন ।
৬। গাড়ির ভিতরে থাকা ক্লাস্টার মিটারে কোনো ওয়ার্নিং সাইন আছে কিনা তাও চেক করে নিবেন ।যদি থাকে তা কেনো এসেছে জেনে নিবেন প্রয়োজনে অনলাইনে সার্চ করবেন।
৭। গাড়ির প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং গাড়ি যিনি চালাবেন তার আইডি কার্ড এবং লাইসেন্স সাথে রাখবেন.

21/08/2022

গাড়ি কালার পেইন্ট করার সময় যে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন,

১.তাদেরকে আপনার ডোরের দরকারি যেসব স্টিকার আছে যেমন টায়ার প্রেশার, রিকল স্টিকার ইত্যাদি স্টিকার তুলে ফেলে দিতে দিবেন না। এগুলোতে অনেক দরকারি ইনফো থাকে যা লোকাল গ্যারেজ বোঝে না।

২. অবশ্যই আগে প্রাইমার দিয়ে শুরু করতে হবে। প্রাইমার মানে প্রাইমারি কোট, যেটা দিয়ে পেইন্ট জব শুরু করা হয়। দেশি মিস্ত্রিরা অনেকসময় স্প্রে করে শুকিয়ে ওটার উপর পেইন্ট করে দেয়। এবং প্রাইমার ইউজ করার পর ভালোমতো শুকানোর টাইম দিতে হবে।

৩. Dust Proof বুথ যাদের আছে তাদের কাছ থেকে কাজ করানোর ট্রাই করবেন। কারণ পেইন্ট করার সময় একটাও ময়লা পড়ুক এটা কেউ চাই না! এবং খেয়াল করবেন পেইন্টের উপর যেন কোন ওয়েব বা ঢেউ না হয়। হলে ওটা আগে ফিক্স করে নিতে হবে। একটা প্লেইন পেইন্ট যে কি সুন্দর লাগে বলে বোঝানো যাবেনা!

৪. সবশেষ কাজ নিজে দাড়িয়ে করবেন। আগে থেকেই কথা বলে নিবেন এই এই ব্যাপারগুলো যদি আমার কথামত না হয় আমি টাকা দিবো না। এবং চেষ্টা করবেন ভালো কালার ইউজ করতে। যেখান থেকে কাজ করবেন তারা প্রফেশনাল হলে খুব ভালো হয় কারণ ঠিকমতো পেইন্ট করা একটা আর্ট।

20/08/2022

গ্রীষ্মের তাপে গাড়ির এসি বন্ধ করে জানালা খোলা রেখে আপনি সামান্য গ্যাসই বাঁচাতে পারেন, কিন্তু সত্যিকারের আরামের জন্য, আপনাকে এসি চালু করতে হবে এবং আর্দ্রতা কমিয়ে দিতে চাইবেন। যে কেউ কেবল রেগুলেটর ঘুরিয়ে তাপমাত্রা নির্ধারণ করতে পারে। কিন্তু সত্যই গাড়ি দ্রুত ঠাণ্ডা করার মাঝে একটি শিল্প আছে। আজ আপনাদের জানাবো আপনার গাড়ির এয়ার কন্ডিশনিং থেকে সর্বাধিক শীতল হাওয়া পাওয়ার টিপস:

১. গাড়ি চলা অবস্থায় গাড়ির শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে ভালো কাজ করে। কারণ ইঞ্জিন যত দ্রুত চলে, তত দ্রুত এসি কম্প্রেসার চলে। যা সিস্টেমকে আরও কার্যকরভাবে ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। তাই যাত্রার আগে আপনার গাড়ির ইঞ্জিন চালু করে দিয়ে সময় এবং গ্যাস অপচয় করবেন না।

২. যখন আপনি গাড়ি চালানো শুরু করবেন, তখন এয়ার কন্ডিশনার চালু করুন এবং 10-20 সেকেন্ডের জন্য সমস্ত জানালা খুলে দিন। এমনকি গরমের দিনেও গাড়ির ভেতরের বাতাস বাইরের বাতাসের চেয়ে অনেক বেশি গরম হতে পারে। আপনি মনে করতে পারেন যে আপনি এয়ার কন্ডিশনার থেকে ঠান্ডা হাওয়া নষ্ট করছেন। কিন্তু এসি ঠান্ডা হতে শুরু করতে সময় লাগবে, তাই আপনি আসলে এটিকে অভ্যন্তর ঠান্ডা করতে সাহায্য করছেন।

৩. সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় সেট করে এবং ফ্যান অ্যাডজাস্ট করার মাধ্যমে গাড়ির শীতাতপ নিয়ন্ত্রণকে আরও এফিশিয়েন্ট করে তোলা যায়। এতে বাতাস কম শুকিয়ে যায় এবং এভাবে কিছু জ্বালানিও সাশ্রয় হতে পারে। কিন্তু তা কিভাবে? কারণ একটি সাধারণ এসি সিস্টেমে, বায়ু ৩৮ ডিগ্রি পর্যন্ত ঠান্ডা হয়। যদি আপনি তাপমাত্রা বেশি রাখেন, আপনি আসলে সিস্টেমটিকে ঠান্ডা বাতাসকে পুনরায় গরম করতে বাধ্য করছেন, যা আরও বেশি চেষ্টা এবং আরও জ্বালানি ব্যয় করে।

৪. যদি আপনার পিছনের সিটে যাত্রী থাকে, তাহলে রিসার্কুলেশন মোড বন্ধ করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। কারণ এটি কেবিনের সামনের দিক থেকে বাতাস নেয় এবং সিস্টেমের মাধ্যমে এটিকে পিছনে টেনে নেয়। তাই সামনের সবাই ঠান্ডা থাকলেও পিছনের বাতাস পুরনো এবং গরম হতে পারে।

৫. আপনার গাড়িটি যদি নতুন হয়ে থাকে যেটিতে অটো স্টার্ট/স্টপ সিস্টেম আছে, তাহলে এটি বন্ধ করতে পারেন। যদিও ফিচারটি জ্বালানী সাশ্রয় করে, কিন্তু অনেক গাড়ির ক্ষেত্রে ইঞ্জিন বন্ধ করার সময় এটি গাড়ির এয়ার কন্ডিশনার কমপ্রেসারকে চালু রাখতে বাধা দিতে পারে। খুব গরম আবহাওয়ায়, আপনি খুব দ্রুত ঠান্ডা হাওয়ার অভাব লক্ষ্য করতে করতে পারেন, বিশেষত যদি আপনি দীর্ঘ জ্যামে আটকে থাকেন।

৬. গাড়ির কেবিন এয়ার ফিল্টারটি পরীক্ষা করে দেখুন যে এটি পরিষ্কার। নোংরা ফিল্টার সচল বায়ুপ্রবাহ রোধ করে। নতুন গাড়িতে, এই ফিল্টারগুলি চেক করা অপেক্ষাকৃত সহজ। যদি আপনি দেখেন যে এতে প্রচুর ময়লা জমে আছে, তবে এটি পরিবর্তন করার সময় এসেছে। আপনি যদি ফিল্টারটি নিজেই প্রতিস্থাপন করতে পারেন তবে অর্থও সাশ্রয় হবে। অনেক আধুনিক গাড়িতে, গ্লোভ কম্পার্টমেন্ট এর পিছনে ফিল্টার হওয়ায় এটি সহজেই পরিষ্কার করা যায়।

19/08/2022

গাড়ি স্টার্ট না হলে কি কি চেক করবেন❓❓

১। সর্ব প্রথম দেখবেন ক্লাস্টার মিটার বা ডিসপ্লেতে কোনো Warning সাইন আছে কিনা।
২।গাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুয়েল আছে কিনা তা চেক করুন।
৩। ইঞ্জিন হুডটি খুলে সবকিছুর উপর একবার নজর দিয়ে দেখবেন সব সংযোগ ঠিক আছে কিনা।
৪।ফিউজ বক্স খুলে সবগুলো ফিউজ ভালোভাবে লাগানো আছে কিনা চেক করুন।
৫।প্রয়োজনে রিলে টি খুলে আবার লাগান।
৬। যদি ব্যাটারির ডাউন হয়ে যায় তবে জাম্প স্টার্ট দিতে হবে। বর্তমানে কিছু পাওয়ার ব্যাংক পাওয়া যায় তা কিনে গাড়িতে রাখতে পারেন।
৭। যেসব গাড়িতে সেল্ফ স্টার্টার আছে সেটির উপর গাড়িতে থাকা হুইল লিভার দিয়ে হালকা বাড়ি দিয়ে দেখতে পারেন। প্রধানত শীতকালে সেল্ফ স্টার্টার বসে যায় বা অনেক দিন গাড়ি স্টার্ট না দিলে হয়।
৮। সর্বদা গাড়ির চেক-আপ করুন যাতে রাস্তায় আপনাকে সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়।

ধন্যাবাদ
রাইসা কার

09/08/2022

#গাড়ির জ্বালানি সম্পর্কিত টিপস

আপনি যদি একটি গাড়ি কেনার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আমাদের এই টিপস গুলো আপনার জন্য খুবই উপকারী হতে পারে।

টিপস ১ - গাড়ির জ্বালানি সম্পর্কিত টিপস
নিজের বা আপনার পরিবারের জন্য একটি গাড়ি কেনার সময়, সঠিক গাড়ির বডি টাইপ নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে আরেকটি বিষয় যা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ, তা হল আপনার গাড়ির জন্য সঠিক জ্বালানি বা পাওয়ার টাইপ। এখানে জ্বালানির ধরন গাড়ি চালানোর জন্য যে ধরনের জ্বালানি বা শক্তি ব্যবহার করে তার সাথে সম্পর্কিত। পেট্রোল এবং ডিজেলের মতো ঐতিহ্যবাহী জ্বালানি থেকে বৈদ্যুতিক এবং হাইব্রিডের মতো বিকল্প পাওয়ারট্রেন পর্যন্ত, আপনার ড্রাইভিং প্রয়োজনের জন্য উপযুক্ত জ্বালানী বা পাওয়ার প্রকার বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ৷

টিপস ২ - পেট্রোল
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানিগুলোর মধ্যে একটি হলো, পেট্রোল। এবং তা বিক্রি হওয়া সমস্ত গাড়ির মধ্যেও সংখ্যাগরিষ্ঠ, বিশেষ করে যাত্রীবাহী যান।

খুব মৌলিক স্তরে, পেট্রোলকে তরল জ্বালানী হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে যা পেট্রোলিয়াম থেকে তৈরি করা হয়। প্রথাগত যানবাহনের জ্বালানিতে প্রধানত ব্যবহৃত হয় পেট্রোল জ্বালানী। একটি স্পার্কের মাধ্যমে জ্বালানো হয় যাতে শক্তি উৎপন্ন হয় যা চাকাগুলিকে সঞ্চালিত করে এবং যানটিকে গতিশীল করে।

পেট্রোল জ্বালানির সুবিধা-

*পেট্রোল গাড়ির দাম ডিজেলের তুলনায় সস্তা, কারণ ডিজেলের তুলনায় পেট্রোল তৈরিতে সস্তা।

*একটি দ্রুত ইঞ্জিন স্টার্ট নেয়, যেহেতু পেট্রোল অত্যন্ত দাহ্য
*ফাস্টএক্সেলারেশন

*ডিজেলের মতো অন্যান্য জ্বালানির তুলনায় শান্ত দহন এবং অপারেশন।

পেট্রোল জ্বালানির অসুবিধা

*পেট্রোল ইঞ্জিনগুলি ডিজেল ইঞ্জিনগুলির তুলনায় কম জ্বালানী দক্ষতা সরবরাহ করে।

*পেট্রোলের খুচরা দামও বেশি, এবং ক্রমাগত ওঠানামা করছে, যা পেট্রোল গাড়ি চালানোকে ব্যয়বহুল করে তোলে।

*পেট্রোল গাড়িগুলি ব্যবহৃত গাড়ির বাজারে তাদের ডিজেল সমকক্ষের তুলনায় ভাল মূল্য নির্দেশ করে না।

*বড় গাড়ি এবং উচ্চ ক্ষমতার ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে এমন গাড়িতে জ্বালানী হিসাবে পেট্রোল পছন্দনীয় নয়৷

*ডিজেলের তুলনায় পেট্রোল বেশি দূষণকারী বলে মনে করা হয়।
ডক্টর অটোজ কার টিপস (Doctor Autoz Car Tips)
আপনি যদি একটি গাড়ি কেনার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আমাদের এই টিপস গুলো আপনার জন্য খুবই উপকারী হতে পারে।

টিপস ৩ - গাড়ির জ্বালানি সম্পর্কিত টিপস - বৈদ্যুতিক শক্তি
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানিগুলোর মধ্যে ৩য় অবস্থানে আছে বৈদ্যুতিক শক্তি। বিশেষ করে হাল্কা গারিগুলোতে বৈদ্যুতিক শক্তি বেশি ব্যাবহার হয়।

গাড়িতে বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যাবহারের সুবিধা-

* অন্য যেকোন জ্বালানির তুলনায় চালানোর সর্বনিম্ন খরচ।

* হালকা যানবাহন যা ভাল চালনাযোগ্যতা এবং গতিশীলতার দিকে পরিচালিত করে

* রক্ষণাবেক্ষণের সর্বনিম্ন খরচ

* কোনো ধরনের কার্বন নিঃসরণ হয় না

* শান্ততম ড্রাইভ এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য মাইলেজ।

গাড়িতে বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যাবহারের অসুবিধা

* দীর্ঘ চার্জিং সময়: একটি সাধারণ EV 0 থেকে ১০০ পর্যন্ত চার্জ হতে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় নেয়।

* বিদ্যুতের কোনো বিকল্প উৎস নেই: যেহেতু EV গুলি সম্পূর্ণরূপে বিদ্যুতে চলছে, তাই আপনার যদি কখনও ব্যাটারি চার্জ ফুরিয়ে যায় তাহলে বিকল্প কোনো উৎস নেই।

* পেট্রোল এবং ডিজেল উভয় গাড়ির তুলনায় ইভি, প্রযুক্তি তুলনামূলকভাবে নতুন হওয়ার কারণে কেনার জন্য অনেক বেশি ব্যয়বহুল

টিপস ৪ - হাইব্রিড শক্তি

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানিগুলোর মধ্যে ৪র্থ অবস্থানে আছে হাইব্রিড শক্তি।হাইব্রিড হল অটোমোবাইলের আরেকটি নতুন শক্তির উৎস। হাইব্রিড নামটি জ্বালানি প্রযুক্তিকে দেওয়া হয়েছে যা বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি প্রচলিত দহনের সাথে মিশে যায়। একটি হাইব্রিড সিস্টেম কীভাবে কাজ করে তার বেশ কয়েকটি ধরণ রয়েছে, সবচেয়ে সাধারণ হচ্ছে:

সম্পূর্ণ হাইব্রিড: — সম্পুর্ণ হাইব্রিড গাড়ির সবচেয়ে সাধারণ ধরন। সম্পূর্ণ হাইব্রিড হল এমন যান যা গাড়িকে চালিত করার জন্য একটি জ্বলন ইঞ্জিন এবং একটি বৈদ্যুতিক মোটর উভয়ই ব্যবহার করে।

আংশিক হাইব্রিড — অনেকটা সম্পূর্ণ হাইব্রিডের মতো, একটি আংশিক হাইব্রিডও একসঙ্গে একটি দহন-ইলেকট্রিক সমন্বয় ব্যবহার করে। তবে একমাত্র পার্থক্য হল, সমন্বয়টি স্বাধীনভাবে ব্যবহার করা হয় না। বৈদ্যুতিক মোটর শুধুমাত্র ইঞ্জিনকে টর্ক প্রদান করতে এবং মাইলেজ উন্নত করতে সহায়তা করে।

প্লাগ-ইন হাইব্রিড (PHEVs) — প্লাগ-ইন হাইব্রিড তার নামের মতই কাজ করে। অর্থাৎ আপনি ইলেকট্রিক ব্যাটারি রিচার্জ করতে এগুলিকে প্লাগ ইন করতে পারেন।

গাড়িতে হাইব্রিড শক্তি ব্যাবহারের সুবিধা-

*কার্বন কম নির্গমন হিসাবে আরো পরিবেশগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ।

*শহরের ড্রাইভিং ট্র্যাফিকের জন্য উপযুক্ত।

*পেট্রোল এবং ডিজেল উভয় সমকক্ষের চেয়ে বেশি দক্ষ।

*স্মার্ট প্রযুক্তি।

গাড়িতে হাইব্রিড শক্তি ব্যাবহারের অসুবিধা

*হাইব্রিড যানবাহনগুলি ভারী হয় কারণ গাড়িতে একটি ব্যাটারি এবং একটি জ্বলন ইঞ্জিন উভয়ই থাকে৷

*জিনিসগুলি গোলমাল হলে মেরামত করা ব্যয়বহুল।

*পেট্রোল প্রতিপক্ষের তুলনায় কিনতে ব্যয়বহুল।

*খাঁটি পেট্রোল বা ডিজেল গাড়ির মতো দ্রুত নয়।

COLLECTED

09/08/2022

‼️আপনার গাড়ির স্টিয়ারিং কাপছে??‼️

কি কি কারণে গাড়ির স্টিয়ারিং কাপতে পারে-

১.হুইল এলাইনমেন্ট ঠিক না থাকলে।

২.টায়ারের কিছু অংশ যদি ফুলে যায়। অর্থাৎ কিছুটা টিউমারের মতো।

৩.ডিস্ক / ড্রাম বাঁকা থাকলে (ওয়ার্কশপে বলে টাল থাকলে)।

৪.সিভি জয়েন্টের সমস্যা হলে।

৫.স্টিয়ারিং র‍্যাক খারাপ হলে বা র‍্যাকে থাকা বুশগুলো ছিড়ে গেলে।

৬.এক্সেলের বিয়ারিং নষ্ট হলে বা এক্সেল খারাপ হলে।

৭.চাকা যদি ভালো করে না লাগানো হয়।

৮.সাসপেনশন খারাপ হলে।

৯.গিয়ার বক্স/ইঞ্জিন মাউন্টিং ছিড়ে গেলেও গাড়ি কাপতে পারে।

১০.এছাড়া বিভিন্ন বুশ থাকে সেগুলো ছিড়ে গেলেও গাড়ি কাপতে পারে।
মোটামুটি এসব কমন সমস্যার কারনে স্টিয়ারিং কাপতে পারে।

আমার টয়োটা এলিয়েন ২০০৩ গাড়িটি ৬০কিঃমিঃ স্পিড তুললে স্টিয়ারিং অনেক কাপে আবার ৭০ + হলে স্বাভাবিক হয়ে যায়। মূলত আমার গাড়ির এক্সেল খারাপ হয়ে গিয়েছিলো। পরে রিকন্ডিশন এক্সেল লাগিয়ে নিলাম। (৭০০০ টাকা দিয়ে কিনেছিলাম)। এখন গাড়ি অনেক স্মুথ😁😁।

একেক ওয়ার্কশপে আমাকে একেক কথা বলেছিলো পরে আমি খুব ভালো একজন মেকানিকের কাছে গেলাম তিনি আমাকে ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বললেন এটা এক্সেলের সমস্যা। তাই গাড়ি কাজ করানোর পূর্বে কোন ওয়ার্কশপটি ভালো আগে খবর নিন।নাহলে আপনার টাকা নষ্ট হবে কিন্তু কোনো কাজ হবে না।

© COLLECTED

03/06/2022

▪️গাড়িতে স্টিল বাম্পার কতটুকু কার্যকরী?

▪️বাংলাদেশে শতকরা বেশিরভাগ গাড়িতেই মানুষ স্টিল/এ্যালুমিনিয়ামের বাম্পার লাগিয়ে থাকেন। অনেকেই হয়তো চিন্তা করেন, এই বাম্পার গাড়িকে এক্সিডেন্ট এর ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে। কথাটা কিছুটা সঠিক, তবে পুরোপুরি সঠিক না।
▪️এবার আসি আসল কথায়, স্টিল বাম্পার গাড়ি লাগানো একেবারেই উচিত না। কারণ, প্রত্যেকটা গাড়িতেই সামনে কিছু সেন্সর থাকে, যেইগুলা গাড়িতে কখনো বড় ধাক্কা আসলে এবং সেন্সর ডিটেক্ট করতে পারলে, যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য যে এয়ারব্যাগ গাড়িতে থাকে, সেইগুলো ফুলে বেরিয়ে আসে। যেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা সেইফটি ফিচার্স। শুধুমাত্র গাড়ির এয়ার ব্যাগ একটা এক্সিডেন্ট থেকে মানুষকে বড় আঘাত এমনকি মৃত্যু ঝুঁকি থেকেও রক্ষা করতে পারে। কিন্তু, গাড়ির সামনে যদি বাম্পার লাগানো থাকে, তাহলে এক্সিডেন্ট করলে অনেকসময় গাড়ির সেন্সরগুলো বুঝতে পারে না যে গাড়ি বড় কোনও ধাক্কার সম্মুখীন হচ্ছে! যার কারণে অনেকসময় এয়ারব্যাগ বের হয় না। যেইটা অনেক বড় ঝুঁকি। কিছুদিন আগেও একটা প্রিমিও ২০১৬/১৭ মডেলের গাড়ির এক্সিডেন্ট এর ছবি দেখছিলাম, যেটায় বেশ জোরেশোরেই একটা পিলার এর সাথে ধাক্কা খাইছিলো। কিন্তু এয়ারব্যাগ ডিপ্লয় হয় নাই। সেই গাড়িতেও সামনে স্টিল বাম্পার ছিলো।

▪️একটা বাম্পার শুধুমাত্র আপনার গাড়িকে ছোটখাটো স্ক্র‍্যাচ, জ্যামের মধ্যে রিকশা/সিএনজির ছোটখাটো খোঁচা থেকে হয়তো রক্ষা করতে পারবে। তবে, বড় এক্সিডেন্ট এ স্টিল বাম্বার বিন্দুমাত্রও আপনার গাড়ির কোনও সুরক্ষার কাজে আসবে না। তবে মনেরাখবেন, সামান্য স্ক্র‍্যাচ থেকে নিরাপদ রাখতে, আপনি এবং আপনার পরিবার গাড়িতে অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছেন না তোহ?

▪️একটা গাড়ি বছরের পর বছর রিসার্চ করে কোম্পানি বাজারে ছাড়ে। সাথে এমনভাবে গাড়িটা বানায়, যাতে গাড়িতে বাড়তি আর কিছুর প্রয়োজন না হয়। বাম্পার যদি এতোই প্রয়োজন হয়ে যেতো, তাহলে কোম্পানিই গাড়ির সাথে স্টিল বাম্বার লাগায় দিতো। বাংলাদেশের মতো হাতেগোনা কয়েকটা দেশ ছাড়া, পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই কেও গাড়ির সাথে স্টিল বাম্বার ব্যবহার করে না। এছাড়াও স্টিল বাম্পার গাড়ির সৌন্দর্য ও নষ্ট করে।

▪️আরেকটা কথা, গাড়ি ড্রাইভ করার সময় অবশ্যই অবশ্যই সিটবেল্ট ব্যাবহার করবেন। সিট বেল্ট বাঁধা না থাকলেও অনেকসময় গাড়ির এয়ারব্যাগ বের হয় না। সিটবেল্ট ও আপনার নিরাপত্তার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গাড়িতে যতজন যাত্রী থাকবে, একদম প্রত্যেকেরই সিট বেল্ট বাঁধা উচিত। গাড়ির ড্রাইভার যদি সিটবেল্ট না বাধে, তাহলে গাড়ি থেকে একটা এলার্ট সিগনাল আসে, অনেক ড্রাইভার গাড়ির সেই এলার্ট সিগনাল বন্ধ করার জন্য অর্থাৎ এককথায় গাড়িকে বোকা বানানোর জন্য, সিটের উপরে শরীরের পেছন দিয়ে সিটবেল্ট লক করে রাখে। যেই কাজ কখনোই করবেন না।

▪️মনে রাখবেন, নিজের এবং নিজ পরিবারের জীবন, নিরাপত্তা সবার আগে.

Safe Drive💝

19/05/2022
PREMIO PEARL FL-2018
25/04/2022

PREMIO PEARL FL-2018

ALLION-G MODEL-2019 COLOUR MICA BLUE ( 01811-111-681)
20/04/2022

ALLION-G MODEL-2019 COLOUR MICA BLUE ( 01811-111-681)

Address

Gazipur

Telephone

+8801811111681

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RAISA CAR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RAISA CAR:

Share

Category