CAR BUDDY

CAR BUDDY Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CAR BUDDY, Motor Vehicle Company, 406,Alauddin bhuiya market(2nd floor) ashkona,bazar,dakhshinkhan,Dhaka, Dhaka.

NOW ON SHIP_ BOOK NOW!!Mitsubishi Outlander 2016 PHEV with original Auction sheet. Mileage : 40k Point: 4.5Contact : 016...
09/06/2021

NOW ON SHIP_ BOOK NOW!!

Mitsubishi Outlander 2016 PHEV with original Auction sheet.
Mileage : 40k
Point: 4.5
Contact : 01680220009

Engine oilআমরা সবাই আমাদের গাড়িতে কোন গ্রেডের ইন্জিন ওয়েল ব্যবহার করবো সেটা নিয়ে চিন্তিত থাকি।আপনি কোন গ্রেডের ইন্জিন ও...
05/05/2021

Engine oil
আমরা সবাই আমাদের গাড়িতে কোন গ্রেডের ইন্জিন ওয়েল ব্যবহার করবো সেটা নিয়ে চিন্তিত থাকি।আপনি কোন গ্রেডের ইন্জিন ওয়েল ব্যবহার করবেন সেটা নির্ভর করে আপনার ফুয়েল সিস্টেম এর ওপর।

যদি অকটেন চালিত হয় তাহলে 5w-30

যদি গ্যাস/এলপিজি চালিত হয় এবং মাইলেজ ১ লাখ এর কম হয় তাহলে 10W-40

যদি গ্যাস/এলপিজি চালিত হয় এবং মাইলেজ ১ লাখ এর বেশি হয় তাহলে 20w-50

যদি হাইব্রিড গাড়ি হয় তাহলে 0W-20 ব্যবহার করতে পারেন।




Toyota Harrier 2016 (Advance Premium)  is on board. Mileage: 20k BOOK now before anyone grab it.
04/04/2021

Toyota Harrier 2016 (Advance Premium) is on board.
Mileage: 20k
BOOK now before anyone grab it.




2017 Toyota Harrier (Progress metal Leather package) is on board. Mileage : 30kContact NOW to grab this unique Machine. ...
04/04/2021

2017 Toyota Harrier (Progress metal Leather package) is on board.
Mileage : 30k
Contact NOW to grab this unique Machine.




হাইব্রিড গাড়ী ব্যবহার এ কিছু টিপস্ ঃমোটামুটি যে গাড়ীর হাইব্রিড ভার্সন আছে তার শুধু তেলের ভার্সন ও আছে। তাই মানুষ হাইব্রি...
15/02/2021

হাইব্রিড গাড়ী ব্যবহার এ কিছু টিপস্ ঃ

মোটামুটি যে গাড়ীর হাইব্রিড ভার্সন আছে তার শুধু তেলের ভার্সন ও আছে। তাই মানুষ হাইব্রিড গাড়ী কেনেই তেল সাশ্রয় এর জন্য। আমার হাইব্রিড চালিয়ে আমার কিছু পয়েন্ট অফ ভিউ তুলে ধরব।

গাড়িতে সর্বোচ্চ ফুয়েল ইকোনমি পেতে-

১. আপনি আপনার টায়ার প্রেসার মাসে অন্তত ২ বার চেক করান এবং প্রেসার সঠিক রাখুন।

২. চেষ্টা করবেন RPM ২ এর নিচে চালাতে। এতে করে ফুয়েল কনসাম্পশন কম হয়।

৩. EV Mode ব্যবহার করতে শিখুন। চালাতে চালাতে যখন দেখবেন আপনার ব্যাটেরিতে ৬০ ভাগের মত চার্জ আছে, হ্যান্ড ব্রেক এর ওখানে EV বাটন চেপে গাড়িটি ফুল ব্যাটেরি তে নিন। তাইলে ব্যাটেরির চার্জ ২০ % হওয়া না পর্যন্ত আপনার ইঞ্জিন চালু হবে না। তবে ইমার্জেন্সি যদি আপনার অত্যধিক এক্সিলারেশন এর প্রয়োজন হয়, এক্সিলারেটর জোরে চাপুন। EV অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে। গাড়ি নরমাল মুড এ ফিরে আসবে।

৪. জেন্টেল ব্রেকিং আর সফট এক্সিলারেশন এর অভ্যাস করুন শহর এর মধ্যে। জেন্টেল ব্রেক মানে, আস্তে আস্তে ব্রেক করা, খুব জোরে ব্রেক না করা। এতে করে চাকার এনার্জি গুলো ব্যাটেরিতে রিস্টোর হওয়ার সু্যোগ পায়। নাহলে চাকায় জমা এনার্জি যা আপনার ব্যাটেরি চার্জ করবে তা নষ্ট হয়ে যায়।

৫. গাড়িতে সব সময় AC চালাবেন। আপনার ইন্টেরিওর আর ব্যাটেরি ভালো থাকবে।

৬. ECO মুড এ চালাবেন না। এতে করে থ্রোটেল রেস্পন্স কমে যায়। স্টিয়ারিং তুলনামূলক হার্ড হয়ে যায়, তেল সাশ্রয় করার জন্য। কিন্তু খুব একটা তেল সাশ্রয় হতে দেখিনি আমি। আর চালিয়ে কম্ফোর্ট পাওয়া যায় না। আমি আমার গাড়িতে ECO মুড আর Normal মুডের তুলনা করে দেখেছি।

১০ কি.মি রাস্তা আমি চালিয়ে গেছি ECO তে, ফিরেছি নরমাল মুড এ। আমার চালানোর ধরন, এসি দুই সময় এই একই রেখেছি এবং দেখেছি আমি ECO তে ২০ কিমি/লি. আর Normal এ ২২ কিমি/লি পেয়েছি। ডিফারেন্স বেশি না হলেও, ECO এর থেকে Normal মুড এ চালিয়ে যখন কম্ফোর্ট, তাহলে কেন চালাব না Normal এ? আর তেল ও সাশ্রয় হচ্ছে।


#হাইব্রিড_গাড়ির_মেইন্টেইনেন্স



(সংগ্রহীত)

পর্ব-১আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ি ঢোকা শুরু হয়েছে বেশ আগে নয়,কিন্তু এর মধ্যেই এটি আমাদের দেশে বহুল জনপ্রিয় এবং বর্তমানে আম...
14/01/2021

পর্ব-১

আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ি ঢোকা শুরু হয়েছে বেশ আগে নয়,কিন্তু এর মধ্যেই এটি আমাদের দেশে বহুল জনপ্রিয় এবং বর্তমানে আমাদের দেশে ইম্পোর্ট হওয়া গাড়িগুলোর একটা বিরাট অংশ দখল করে নিয়েছে।আজকে আলোচনা হবে হাইব্রিড গাড়ির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে।
# হাইব্রিড গাড়ির সূচনা ও আমাদের দেশে হাইব্রিড কারঃ
হাইব্রিড আমাদের দেশে তূলনামুলক নতুন হলেও এটি কিন্তু মোটামুটি অনেক আগের টেকনোলোজি।১৮৯৯ সালে ফার্দিন্যান্ড পোর্শা প্রথম হাইব্রিড গাড়ির ধারণা দেন যাকে লোনার পোর্শে মিক্সটে বলা হতো।কিন্তু তখন উন্নতমানের ব্যাটারি ও ইলেক্ট্রিক মোটর ছিলো না বলে,তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি।১৯৬০ এর দশকে আমেরিকার গভর্মেন্ট এয়ার পলিউশন কমানোর জন্য হাইব্রিড গাড়ির প্রতি সবাইকে মনোযোগ দেওয়ার কথা বললে সারা বিশ্বে সব ম্যানুফ্রাকচার এর হাইব্রিড গাড়ির দিকে চোখ যায়।হাইব্রিড গাড়ির বিপ্লব শুরু হয় মূলত ৯০ এর দশকে।তখন টয়োটা লঞ্চ করে তাদের মোস্ট এফিসিয়েন্ট হাইব্রিড কার প্রিয়াস,১৯৯৭ সালে। টয়োটাকে ফলো করে হোন্ডা লঞ্চ করে তাদের ইনসাইট হাইব্রিড,১৯৯৯ সালে।তখনকার এই হাইব্রিড গাড়িগুলো তাদের ফিউল এফিসিয়েন্সি এর জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।২০০৩ সালে আমাদের দেশে আনা হয় ৩০ টির মতো হাইব্রিড কার,কিন্তু আফটার সেলস সার্ভিস এর অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো হাইব্রিড গাড়ির ইম্পোর্ট।এইতো কয়েকবছর আগেই আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ির ট্যাক্স কমানোর পরেই ইম্পোর্টার রা আনতে থাকেন প্রচুর হাইব্রিড কার,দেশেই গড়ে ওঠে হাইব্রিড গাড়ির মানসম্মত ওয়ার্কশপ।
# হাইব্রিড গাড়ি কিভাবে কাজ করেঃ
হাইব্রিড গাড়ির কাজের ব্যাপারে ডেপথ এ যাওয়ার আগে প্রিন্সিপাল গুলো জানা প্রয়োজন।হাইব্রীড গাড়িতে নিকেল মেটাল অথবা লিথিয়াম আয়ন হাইব্রিড ব্যাটারি থাকে যা ইঞ্জিনের পরিত্যক্ত কর্মশক্তি ও রিজেনারেটিভ ব্রেকিং এর মাধ্যমে চার্জ হয়। রিজেনারেটিভ ব্রেকিং এ ব্রেক করার পর চাকার ফ্রিকশন থেকে যে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় তার মোটামুটি ৪০℅ শক্তিকে স্পেশাল মোটরকে উল্টা ডিরেকশনে ঘোরানোর মাধ্যমে ইলেক্ট্রিকাল এমপাথপাটিক এম্পেল এনার্জি হিসাবে ব্যাটারিতে জমা করে।অন্যদিকে ইঞ্জিনের পরিত্যক্ত কর্মশক্তিকে জেনারেটর ইলেক্ট্রিক এনার্জিতে কনভার্ট করে ব্যাটারিকে চার্জ করে।হাইব্রিড গাড়ি মূলত ৩ টি মোড এ চলে।একটিতে ইঞ্জিন শুধু চলে ব্যাটারি চার্জ হয়,আরেকটিতে ব্যাটারি শুধু চলে ইঞ্জিন বন্ধ থাকে (Ev Mode), অন্যটিতে ব্যাটারি ও ইঞ্জিন কম্বাইন্ডলি পাওয়ার দিয়ে গাড়িকে চালায়।
হাইব্রিড গাড়িকে মোট ৬ ভাগে ভাগ করা যায়।এগুলো হলো- (১) সিরিজ হাইব্রিড (২) প্যারালাল হাইব্রিড (৩) সিরিজ প্যারালাল হাইব্রিড (৪) মাইল্ড হাইব্রিড (৫) মাইক্রো হাইব্রিড ও (৬) প্লাগ ইন হাইব্রিড।
সিরিজ হাইব্রিডে ইঞ্জিনের সাথে লাগানো থাকে জেনারেটর,জেনারেটর এর সাথে লাগানো থাকে কন্ট্রোলার ডিভাইস,কন্ট্রোলার ডিভাইস এর সাথে সংযুক্ত থাকে হাইব্রিড ব্যাটারি এবং একটি মোটর যা এক্সেলের ফাইনাল ড্রাইভের সাথে যুক্ত থাকে।
সিরিজ হাইব্রিডে EV (Electronic Vehicle) মোড এ ব্যাটারি কন্ট্রোলার এর মাধ্যমে ইঞ্জিনের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে মোটরকে ঘোরায় যা এক্সেলের ফাইনাল ড্রাইভকে ঘোরানোর মাধ্যমে গাড়িকে চালায়।ইঞ্জিন চালু হলে এর সাথে লেগে থাকা জেনারেটর ইঞ্জিনের পরিত্যক্ত শক্তিকে ইলেক্ট্রিক এনার্জিতে কনভার্ট করে যা হাইব্রিড ব্যাটারিকে চার্জ করে (উদাহরণ -Fisker Karma)।অন্যদিকে প্যারালাল হাইব্রিডে ইলেক্ট্রিক মোটরই জেনারেটর হিসাবে কাজ করে এবং প্যারালাল হাইব্রিডে ইঞ্জিন সরাসরি ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে ড্রাইভ ট্রেইনের সাথে যুক্ত থাকে,কিন্তু আমরা দেখেছি সিরিজ হাইব্রিডে ইঞ্জিন সরাসরি চাকায় পাওয়ার দেয় না,এতে তাকে ইনভার্টার হয়ে ফাইনাল ড্রাইভে যেতে হয়।অর্থাৎ প্যারালাল হাইব্রিডে Ev মোডে ব্যাটারি ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে চাকায় পাওয়ার দেয়,অন্যদিকে ইঞ্জিন চালু থাকলে পাওয়ার ইঞ্জিন থেকে সাধারণ গাড়ির মতোই ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে গাড়িকে চালায়,আর এর সাথে লেগে থাকা জেনারেটর ব্যাটারি চার্জ করে(উদাহরণ-আমাদের দেশের বেশিরভাগ হাইব্রিড কার- এক্সিও,প্রিয়াস,আকুয়া,এক্স ট্রেইল,ভেজেল,নোয়াহ)।সিরিজ প্যারালাল হাইব্রীড সিরিজ ও প্যারালাল হাইব্রিডের সমন্বিত একটি রূপ।অন্যদিকে মাইল্ড হাইব্রিডে শুধুমাত্র রিজেনারেটিভ ব্রেকিং এর মাধ্যমে ব্যাটারি চার্জ হয় পাশাপাশি যা গাড়ি চালু করতে স্টার্টার মোটরকে পাওয়ার দেয়। মাইক্রো হাইব্রিডকে মূলত হাইব্রিড গাড়ি বলা যায় না,কারণ এই গাড়িগুলোতে রিজেনারেটিভ ব্রেকিং এর মাধ্যমে একটি স্পেশাল ব্যাটারি চার্জ হয় যা গাড়িতে পাওয়ার দেয় শুধুমাত্র গাড়ির পাওয়ার বাড়ানোর জন্য। অন্যদিকে প্লাগ ইন হাইব্রিড এ আলাদাভাবে হাইব্রিড ব্যাটারিকে চার্জ দিয়ে তারপর অনেক্ষণ তা Ev মোডে চালানো যায়। (উদাহরণ -Prius PHv,Outlander PHv).
অন্যদিকে হাইব্রিড গাড়ির এই জটিল সিস্টেম এর কোনটি কখন কাজ করবে তা নির্ধারণ করে PCU (POWER CONTROL UNIT).অনেকেই বলে "হাইব্রিড গাড়ির ব্যাটারি ৪০ kph এর পরে চলে না,এটা নেহাত ভুল কথা- বিবিসি"


 আমরা সবাই আমাদের গাড়িতে কোন গ্রেডের ইন্জিন ওয়েল ব্যবহার করবো সেটা নিয়ে চিন্তিত থাকি।আপনি কোন গ্রেডের ইন্জিন ওয়েল ব্যবহ...
28/11/2020


আমরা সবাই আমাদের গাড়িতে কোন গ্রেডের ইন্জিন ওয়েল ব্যবহার করবো সেটা নিয়ে চিন্তিত থাকি।আপনি কোন গ্রেডের ইন্জিন ওয়েল ব্যবহার করবেন সেটা নির্ভর করে আপনার ফুয়েল সিস্টেম এর ওপর।

যদি অকটেন চালিত হয় তাহলে 5w-30

যদি গ্যাস/এলপিজি চালিত হয় এবং মাইলেজ ১ লাখ এর কম হয় তাহলে 10W-40

যদি গ্যাস/এলপিজি চালিত হয় এবং মাইলেজ ১ লাখ এর বেশি হয় তাহলে 20w-50

যদি হাইব্রিড গাড়ি হয় তাহলে 0W-20

(সংগ্রহীত)

1.গিয়ার লিভারে L/2 এই দুইটা গিয়ারের কাজ কি জানেন?অনেকগুলো গাড়িতে দেখা যায় গিয়ার লিভারে সবগুলো গিয়ারের সাথে এক্সট্রা আরো ...
14/11/2020

1.গিয়ার লিভারে L/2 এই দুইটা গিয়ারের কাজ কি জানেন?

অনেকগুলো গাড়িতে দেখা যায় গিয়ার লিভারে সবগুলো গিয়ারের সাথে এক্সট্রা আরো দুইটা অপশন দেখা যায় L এবং 2। এগুলার কাজ কি?

ওয়েল L মানে হচ্ছে লো গিয়ার অর্থ্যাৎ 1st গিয়ার। L সিলেক্ট করলে গিয়ারবক্স ফাস্ট গিয়ারে ফিক্সড হয়ে যাবে অন্য কোন গিয়ারে শিফট হবেনা। এই গিয়ারে টর্ক বেশী পাওয়া যায় আর হর্সপাওয়ার কম হয়। এটা ইউজ করবেন যেখানে আপনার হাই টর্কের দরকার বেশী হবে স্পীড থেকে যেমন কোন গাড়িকে "টো" করতে অথবা গাড়ি গর্তে পড়ে গেছে গর্ত থেকে টেনে তুলতে।

2 মানে হচ্ছে সেকেন্ড গিয়ার।সেকন্ড গিয়ার নাম হলেও এটাতে গাড়ি প্রথম দুইটা গিয়ার ইউজ করবে। এটাও অনেকটা L এর মতো কাজ করে কারন ফাস্ট গিয়ার আর সেকেন্ড গিয়ারের মাঝে ডিফারেন্স খুব একটা নাই। তবে এটারও ইউজ আছে যখন আপনি আপহিলে উঠেন বা ডাউনহিলে যান তখন। ধরুন আপনি বান্দারবান নীলগিরিতে উঠছেন বা নামছেন তখন 2 গিয়ার সিলেক্ট করলে গাড়ীর স্পিড কমে যাবে গাড়ি স্লোলি আস্তে আস্তে মুভ করবে। আপনি ভুলে হাই এক্সেলেরেট করে ফেললেও গাড়ি দৌড় দিবেনা।



https://www.facebook.com/290094144492659/posts/1788488727986519/
28/10/2020

https://www.facebook.com/290094144492659/posts/1788488727986519/

পুড়ে যাওয়া কিংবা অযত্নে পড়ে থাকা পুরনো গাড়ি কিনে নেয় তারা। এরপর গাড়িটা চলে যায় নির্ধারিত গ্যারেজে। খুলে নিয়ে ঠিক.....

Address

406,Alauddin Bhuiya Market(2nd Floor) Ashkona,bazar,dakhshinkhan,Dhaka
Dhaka
1230

Telephone

+8801680220009

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CAR BUDDY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share