Dr Sabrina Mishti Community

Dr Sabrina Mishti Community This is an unofficial page.

নিজের পায়ের পাতার দিকে তাকিয়ে পিলে চমকে গেল ! আংগুল ফুলে কলাগাছ হয় - পা ফুলে কাঠাল গাছ হয়েছে! আমি তখন জেনারেল সার্জারি ...
23/08/2026

নিজের পায়ের পাতার দিকে তাকিয়ে পিলে চমকে গেল ! আংগুল ফুলে কলাগাছ হয় - পা ফুলে কাঠাল গাছ হয়েছে! আমি তখন জেনারেল সার্জারি তে ট্রেনিং করছি। pancreatic cancer এর একজন রোগীর Whipple procedure (pancreaticoduodenectomy ) অ্যাসিস্ট করে সার্জন রুমে এসে মাত্র বসেছি! লোনাধরা দেয়ালে ঝোলানো ঔষধ কোমপানীর দেয়া কমদামী ঘড়িটা নষ্ট!
তবুও বুঝি, পাক্কা পাঁচ ঘন্টা লেগেছে অপারেশন এ! এজন্যই এত ফুলেছে পা। আমি তখন প্রেগন্যান্ট!
এটা মনে পড়ার সাথে সাথেই মনে হলো, সর্বনাশ ! আমার ডেলিভারির ডেট পেরিয়ে গেছে। সাত দিন !
বেশিরভাগ মেয়ে তার প্রেগন্যান্সির সময়টা উপলব্ধি ও উপভোগ করে! তার ভেতরে বেড়ে উঠছে তুলতুলে এক নতুন জীবন। এই অভূতপূর্ব অসামান্য অভিজ্ঞতা অনুভব করার তকদির সৃষ্টিকর্তা পুরুষকে দেননি- এ কেবলই নারীর অর্জন! শুধু কিছু অভাগী নারী এই মুহূর্তগুলো অনুভব করার সময় আর সুযোগ পায় না - তার মধ্যে আমি একজন !
আমার মাথার মধ্যে সার্বক্ষণিক চিন্তা ট্রেনিং ঠিক মতো করতে হবে - এতে পাশ করা সহজ হবে ! আবার কাজে দক্ষ হলে স‍্যারেরা প্রাইভেট ক্লিনিকের অপারেশনও অ্যাসিস্ট করতে ডাকবেন -সেক্ষেত্রে টাকা ইনকাম হবে! এখন টাকার খুব দরকার! খুব!
তাছাড়া, আল্ট্রাসনোগ্রাম করে জেনেছি মেয়ে হবে - কাজেই, আগ্রহ বা উচ্ছ্বাস কোনটাই নেই !
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরতে সাড়ে আটটা! রাত এগারোটায় আমার বুবলী( নানী) আর ছোটখালাকে নিয়ে ক্লিনিকে ভর্তি হলাম ! আম্মা সাথে গেলেন না - শৈশব থেকে দেখছি, তিনি আমার অসুখ বিসুখে পালিয়ে থাকেন ! মেয়ের কষ্ট সহ্য করতে পারেন না!
ডেট পেরিয়ে গেছে , বাচ্চার হার্টবিট কম - মিটফোর্ডের তৎকালীন অধ্যাপক ম‍্যাডাম বললেন, পেথিডিন দিয়ে রাখো - আমি কাল সকালে এসে সিজার করবো!
আমার নানী মহা সেয়ানা- তিনি বলেন খবরদার আমার নাতিনকে কেউ পেথিডিন দিবেন না- তার বাচ্চা নরমাল হবে!
সকাল আটটায় ম‍্যাডাম এসে পৌঁছানোর আগেই নার্সের হাতে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে কন‍্যা ভূমিষ্ঠ হলো ! তীক্ষ্ণ তির ব‍্যথা। ঐ মুহূর্তে আমি বুঝিনি ঐটাই আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তির মুহূর্ত ছিলো! আমার ভাংগা ঘরে চান্দের আলো ঝলসে উঠলো!
আসমানের পরী এলো যে আমার কষ্ট বোঝে, অসহায়ত্ব বোঝে, অভাব বোঝে!
কন্যার চেয়ে বড় বন্ধু একজন মায়ের বাকী জীবনে আর কেউ কোনদিন হয়না।
আজ সেই দিন- ২৩শে অগাস্ট!
আমার মেয়ের জন্মদিন আমি কখনোই পালন করিনা- সেও কখোনোই এমন আবদার করেনি!
আমি অতি সন্তর্পণে নিজে নিজে কন‍্যা সন্তানের মা হিসেবে আমার জন্মক্ষণটি উদযাপন করি ! কখোনো চোখের জলে ভাসি- কখোনো আপনমনে হাসি !!!
(পুনশ্চ- ডেলিভারির তিন ঘন্টা পর বেলা এগারোটায় মেয়ে কোলে নিয়ে আমি শ‍্যামলী বাবার বাড়ির চারতলায় উঠি!
অষ্টম দিনে একটা বেবিকটে তাকে নিয়ে পুনরায় অপারেশন শুরু করি ! )
©️ Sabrina Husain

আত্ম -হ-ত্যা ও একজন বন্দিনী এবং অভিনেত্রী রিধিকা একথা স্বীকার না করলে সত্যের অপলাপ হবে যে কারাগারে প্রথম প্রথম বহুবার আম...
16/08/2026

আত্ম -হ-ত্যা ও একজন বন্দিনী এবং অভিনেত্রী রিধিকা

একথা স্বীকার না করলে সত্যের অপলাপ হবে যে কারাগারে প্রথম প্রথম বহুবার আমার আত্ম হননের ইচ্ছে জেগেছে ! এত অপমান , গ্লানি আর অপবাদের অচলায়তন পাড়ি দেবার মতো মনোবল আমার ছিলনা! কিন্তু কারাগার এমন জায়গা যেখানে চাইলেও এই ফন্দি বাস্তবায়ন করা মোটামুটি অসম্ভব ! কারা কতৃপক্ষের ও কয়েদী পাহারাদের সার্বক্ষণিক নজরদারী তো রয়েছেই ! কামরাগুলোর ছাঁদ এত উঁচু যে নাগালের বাইরে - ফ্যানের সংখ্যা কম ও সেগুলো স্বাভাবিকভাবেই বহুত উচুতে ! তাছাড়া, ফ‍্যানগুলোও এমন মান্ধাতা আমলের যে সেটার সাথে ঝুলতে গেলে ফ‍্যানসহ ধপাস করে মেঝেতে পড়তে হবে।
কোনপ্রকার ধারালো জিনিসের ব্যবহার একেবারে নিষিদ্ধ ! এমনকি চামচ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবেনা! দু’দিন পর পরই ব্যপক তল্লাসির মাধ্যমে বন্দীদের কাছ থেকে রশি,দড়ি ,চামচ ,আয়না এমনকি গাছের ডাল ইত্যাদি লুক্কায়িত থাকলে সেগুলো নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হতো!
টয়লেট, চৌবাচচা পরিষ্কার করার জন‍্য কোন প্রকার ফিনাইল বা ব্লিচিং পাউডার ব‍্যবহার করা যেত না- বালু দিয়ে ঘষতে ঘষতে বন্দিনীদের হাতের চামড়া ছিলে রক্তাক্ত হতো - তবু না!
বাথরুমের দরজা অর্ধেক কাটা! পয়তাল্লিশ জন - বাথরুম একটা ! বাথরুমে কোন আয়না বা বেসিনের অস্থিত্ব নেই! তারপরও, কেউ যদি সন্দেহজনক ভাবে সামান্য কিছু সময় সেখানে অতিরিক্ত অতিবাহিত করে তাহলেও রুমের পাহাড়া মুখ দিয়ে অশ্রাব্য গালি বর্ষণ করতে করতে নির্দ্বিধায় কাটা দরজার উপর দিয়ে দেখে ভেতরের মানুষটি কি করছে ! মানুষটি যতটাই লজ্জাজনক অবস্থায় থাকুক না কেন পাহারার বিন্দুমাত্র সংকোচ হতো না!
উল্টো গালাগালির মাত্রা এমনভাবে বেড়ে যেত যে মনে হতো, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার ব্যাপারটি যদি চিরতরে বন্ধ হয়ে যেত তবেই বুঝি ভালো হতো !
এতকিছুর পরও নিতান্ত অসম্ভব জেনেও নিজেকে শেষ করে দেবার ইচ্ছে জেগেছে - একবার, দুবার নয়-অসংখ্যবার !
উপায় খুঁজেছি- পাইনি!
হঠাৎ একদিন কারাগারের একজন নারী বন্দীনি জমিলা বুজি তিব্র বুক ব‍্যথায় অসুস্থ হলেন ! জমিলা বুজি ষাট ঊর্ধ্ব নারী যিনি পুত্র বধূর দেয়া যৌতুক মামলায় জেল খাটছিলেন।মেডিকেল সেন্টার থেকে আমাকে ডাকার পর পরীক্ষা করে ও তাৎক্ষণিক ECG দেখে আমার মনে হলো MI বা সাধারন ভাবে যাকে হার্ট এটাক বলে সেটা ! দ্রুত তাজউদ্দিন মেডিকেলে পাঠানো হলো- চারদিন পর খবর আসলো মারা গেছে ! ময়না তদন্ত করার পর লাশ পরে আছে মর্গেই- কেউ নিতে আসেনি ! কারন, বিধবা এই নারীটির একমাত্র সন্তানও একই মামলায় পুরুষ কারাগারে জেল খাটছিলেন!
জমিলা বুজি’র মুখটা চোখের সামনে ভেসে উঠলো!

সামান্য একটু নিশ্বাস নেবার জন্য কি ভীষন আকুতি ছিলো জমিলা বুজি’র !! শেষ ক্ষণটুকুতে বারবার সে ইশারা করে জানাচ্ছিলো - বাড়ি যেতে চায় ! আগেও সে বারবার বলতো, স্বামীর ভিটেয় গিয়ে মরতে চায় ! যখন বাড়ির কথা ভাবতো, উদাস হয়ে কারাগারের উঁচু প্রাচীরের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকতো- কী দুর্ভেদ্য , কী নিদারুন দুরতিক্রম্য ! তোবড়ানো গাল বেয়ে জল গড়িয়ে পরতো ! পাখির খাঁচার মতো হাড় জিরজিরে বুকটা হাপরের মতো ওঠানামা করতো !
তার মৃত্যুর খবরটা জানার পর শিউরে উঠলাম- !!! না, আল্লাহ যেন এখানে আমাকে মৃত্যু না দেন !
অনন্তর পথে যাত্রা করার সময় অন্তত একটা প্রিয় মুখের চোখভরা পানি যেন আমি দেখতে দেখতে যেতে পারি ! আজরাইল যখন তার নির্মম ভয়াল রূপে আমার সামনে আবির্ভূত হবে তখন আমার হাতের মুঠিতে কোন আপনজনের উৎকন্ঠিত ঘর্মাক্ত হাতের তালু যেন লেপটে থাকে!
আত্মহত্যার চিন্তা সেদিনই আমার মাথা থেকে একেবারে দূর হয়ে গেল ! নারীটি চিরতরে ঘুমিয়ে গিয়ে আমাকে চিরতরে জাগিয়ে দিয়ে গেলেন !

বুঝে গেলাম-বাঁচার চেষ্টা করতে হবে! কি লাভ হবে আত্মহত্যা করে ? পৃথিবী তার নিজের নিয়মে চলবে, সূর্য উঠবে- বৃষ্টি পড়বে- ষড়যন্ত্রকারীরা সমাজ দাপিয়ে বেড়াবে ! কেবল আমাকেই অপরাধীর তকমা নিয়ে চুপিচুপি চলে যেতে হবে !
জীবিত থাকা অবস্থায় মিথ্যা অপপ্রচার আমার চরিত্রকে যেমন ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে, জেলখানায় অপমৃত্যুর পর আমার শরীরটা তেমনিভাবে কাটা ছেঁড়া করে ময়না তদন্ত করা হবে !!! আমি কখনও তা হতে দিবনা ! কখোনো না! আমাকে বাঁচতে হবে - নিজের জন্য না হলেও -আরও অনেক সাবরিনার জন্য !
আর কখনও কোন সাবরিনা যেন স্বেচ্ছায় মরার কথা ভাবতে বাধ্য না হয় !!!
রিধিকা এক বুক অভিমান নিয়ে চিরতরে চলে গেছে॥ প্রচন্ড কষ্ট ছিলো মানি - কারও কষ্ট কারও চেয়ে কম না তাও মানি - কিন্তু তুমি কি আমার মতো সবটুকু হারিয়েছিলে? তিল তিল করে গড়া তোমার ক‍্যারিয়ার কি এক নিমিষেই ধূলায় লুটিয়েছে? তোমার সন্তানেরা কি তোমাকে ছাড়া এতিমের মতো তিনটি বছর কাটিয়েছে ? তোমার বাবা মা কি চোখের পানিতে জায়নামায ভিজিয়েছে ? দেশের অত‍্যনত মেধাবী মেয়েটিকে কেউ কি দেশের মানুষের সামনে ভিলেন বানিয়েছে ????
তোমার চেয়েও বেশি কষ্ট আর যন্ত্রণা বুকে নিয়ে বহু মানুষ বেঁচে আছে রিধিকা? তুমি নেই কেন ???
©️ Sabrina Husain

12/08/2026

আম্মাকে কোন উৎসব পার্বনে কোন উপহার দিলে যারপরনাই বিরক্ত হন !
তবে কেন জানি, এইবার শাড়িটা পছন্দ করেছেন !!!
©️

এসএসসির তেলেসমাতিশুনেছি, আব্বাজানদের জমানায় মেট্রিক পরীক্ষা পাশ করার আগে ফুল প্যান্ট পরা নেহাতই ইচড়ে পাকামির লক্ষন হিসে...
11/08/2026

এসএসসির তেলেসমাতি

শুনেছি, আব্বাজানদের জমানায় মেট্রিক পরীক্ষা পাশ করার আগে ফুল প্যান্ট পরা নেহাতই ইচড়ে পাকামির লক্ষন হিসেবে বিবেচিত হতো! হাফ প্যান্ট পরেই স্কুলের গন্ডি পেরুতে হবে!

আমি বাপের হাতঘড়ি পরে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি! আমার সরু হাতে আব্বাজানের বেঢপ সাইজের ঘড়ি ঢলঢল করতো ! তবে এই নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র লজ্জা বা সংকোচ ছিল না।
এমন নয় যে, নতুন ঘড়ি কেনার সামর্থ্য ছিলো না! বিষয়টি সামর্থের নয় - পারিবারিক সংবিধানের! এসএসসি পাশের আগে হাতঘড়ি??? নাহ! অসম্ভব!
এসএসসি পরীক্ষা পাশের পর মেয়েরা অন্তর্বাস বা ব্রা পরার অনুমতি পাবে! এর আগে ফ্রকের নিচে সেমিজ পরতে হতো!

এসএসসি পরীক্ষা পাশের পর হুমায়ুন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলন পড়ার অনুমতি মিলবে- এর আগে শুধু সত‍্যজিৎ রায়ের ফেলুদা আর কিশোর ক্লাসিক!
পড়া এবং লেখা দুটোই এসএসসির আগে পরে ভীষণ জরুরি! এসময় লেখাপড়া করে যে - গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে! অনেকে হয়তো বলবেন, আজকাল লেখাপড়া না করেও দামি গাড়ি মেইনটেইন করা যায়, ঘোড়া কেন চিতাবাঘও পোষা যায় ! কিন্তু, এটি সবার বেলায় হয়না!
লেখাপড়া করলে শতভাগ গ্যারান্টি যে, কোন কিছুর উপর না চড়ে এবং কারও ওপর না চড়াও হয়েও নিজের পায়ে শক্তভাবে দাঁড়ানো যায়!
এসএসসি ও এইচএসসি পর্যন্ত শুধু পড়াশোনা আর পড়াশোনা করো ! ভীষণভাবে পড়ো- সব বাদ দিয়ে পড়ো!
রং ঢং ভং করার জন‍্য পুরো জীবন পরে আছে! এই যেমন আমি এখন করি !😛😛😛
জোয়ান বয়সে ভিমরতি ধরলে কোন গতি হবে না ! এর চেয়ে বুড়া বয়সে ভিমরতি বরং ঢের নিরাপদ! বড় জোর কেউ চোখ বাঁকাবে , কেউ মুখ বাঁকাবে কিন্তু জীবনের চলার পথটি বাঁকা হবে না!

যারা এসএসসিতে ভালো রেজাল্ট করেছ, দোয়া আর শুভকামনা! যারা করোনি, তাদের প্রতি - সত্যি বলছি এক বিন্দু সমবেদনা নেই !
এসএসসি তে মানুষ কেমনে রেজাল্ট খারাপ করে ???

আবার, যারা খুব ভালো রেজাল্ট করেছ হ‍্যাডম বেড়ে গিয়ে যেন লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ো না !
এই সময় বিপথে গেলে মতিগতি
হয়ে যাবে বিরাট ক্ষতি !
©️Sabrina Husain

ডাইনি রা শুধু রূপকথার গল্পে থাকে না, আমাদের আশেপাশেও থাকে! জানোয়ার শুধু চিড়িয়াখানায় থাকেনা- মনুষ্য সমাজেও বিচরণ করে॥অপ...
10/08/2026

ডাইনি রা শুধু রূপকথার গল্পে থাকে না, আমাদের আশেপাশেও থাকে! জানোয়ার শুধু চিড়িয়াখানায় থাকেনা- মনুষ্য সমাজেও বিচরণ করে॥
অপরাধী শুধু জেলখানায় থাকে না- ভালো মানুষের মুখোশ পরে অনেকে মুক্ত পরিবেশে আজাদ ঘুরে বেড়ায়!
আমি কারও গুনাহ র হিসাব কষি না- সেই যোগ্যতা আমার নেই! শুধু বন্দিনীদের জেল থেকে বের হবার পর মর্যাদা চাই, কর্ম সংস্থানের সুযোগ চাই!
তাদের বৃদ্ধ বাবা মায়ের পাশে দাঁড়াতে চাই! তাদের সন্তান যেন ছন্নছাড়া না হয়ে যায় সেই সামাজিক নিরাপত্তা চাই!
বন্দিনী ফাউন্ডেশন থাকবে অসহায় বন্দীদের পাশে!
সমাজের নির্ভেজাল নিরপরাধ নিষ্পাপ সুশীল লোকেরা অন‍্য কেউ জেলে গেলে খুশিতে বগল বাজান - সমস্যা নেই কিন্তু বন্দীদের পরিবারকে কষ্ট দেবার অধিকার কারও নেই !
©️Sabrina Husain

06/08/2026

Address

Cyberjaya

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Sabrina Mishti Community posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share