28/05/2024
এটা একটা টেসলা ইলেক্ট্রিক গাড়ীর ব্যাটারী। এমন একটি ব্যাটারী, শুধু একটি ব্যাটারী তৈরী করতে বিভিন্ন মাইনিং কোম্পানীকে যা যা করতে হয়।
১২ টন পাথুরে মিনারেল, ৫ টন কোবাল্ট মিনারেল, ৩ টন নিকেল মিনারেল, ১২ টন কপার ঔর কে লিফটিং করে প্ল্যান্টে নিতে হয়।
এছাড়াও ২৫০ টন মাইনিং এর মাটি কে খনন করতে হয় ১১.৫ কেজি লিথিয়াম, ১৪ কেজি নিকেল, ২২ কেজি ম্যাংগানিজ, ৭ কেজি কোবাল্ট, ১০০ কেজি র্যাম, ১৮০ কেজি এলুমিনিয়াম, স্টিল, প্লাস্টিক কে আহরন করার জন্য। এই কাজ গুলো করার জন্য একটি ক্যাটারপিলার ৯৯৪এ কে প্রতিদিন ১০০০ লিটারের অধিক ডিজেল পুরতে হয়। কনভেয়ার বেল্ট, প্ল্যান্টের বিভিন্ন মেশিন, ক্লিনিং ও ফিল্টারিং যন্ত্রগুলোকে প্রতিদিন চালাতে হাজার হাজার লিটার ডিজেল পুড়তে হয়। মাইনিং এলাকায় প্ল্যান্ট যাওয়া আসা, শ্রমিক দের যাওয়া আসা, লিভিং, ও অন্যান্য কাজে এনার্জি খরচের কথা বাদই দিলাম। এভাবে হাজার হাজার লিটার দৈনিক জ্বালানী পুড়ে, কার্বন ডাই অক্সাইড, মনোক্সাইড দিয়ে বায়ুকে দুষিত করার পর আপনাকে বোকা বানানো হয় একটি জিরো এমিশন বা কার্বন ফ্রী গাড়ী সংজ্ঞায়িত করে।
এছাড়াও এই ব্যাটারী গুলো বাতিল হয়ে গেলে তা পৃথিবীর বুকে মিলিয়ন মিলিয়ন টন বিষাক্ত বর্জ তৈরী করে জমিয়ে রাখে যা অনেক ক্ষেত্রেই তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে ডাম্প করা হয়।
শুধু তাই নয়, চার্জিং পয়েন্টের ইলেক্ট্রিসিটিও তৈরী হয় সেই ডিজেল বা গ্যাস পুড়িয়েই। সরাসরি চার্জং পয়েন্ট এ জেনারেটর চলতেও দেখা যায় অনেক চার্জিং স্টেশনে।
এভাবেই গড়ে উঠেছে পৃথিবীর সর্বোচ্চ বড় লেভেলের প্রতারণার মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব গাড়ী।
ই ভেহিক্যাল একটা প্রতারনার ইনটেলেকচুয়াল ও ভদ্রবেশী ব্যবসার ফায়দা বা কৌশল মাত্র। কারন আপনি ভাবেন, আমি পৃথিবী রক্ষা করার নামে অনেক চড়া দামে জিরো এমিশন গাড়ী কিনতেই পারি। আসলেই কি আপনার চাকা ঘুড়াতে বিশ্বের বায়ুমন্ডলে কোন এমিশন হচ্ছে না? হচ্ছে এবং তার চেয়েও ভয়ানক সেই ভয়ানক ব্যাটারীর বিষাক্ত বর্জগুলো আরও পরিবেশ এর ক্ষতি করছে।
EV is a scam. Why to Pay far more than Gasoline Engine?