Pick & Wear

Pick & Wear Wholesale And Retail Saller. It is developed with high-quality synthetic base oils and the latest additive technology.

G L**E Semi Synthetic, Full Synthetic Engine Oil API SM JASO MA2 10W30, 10W40, 20W40, 20W50 is an ultra-high performance Semi Synthetic multi-grade Engine Oil. G L**E Semi Synthetic Full Synthetic oil is enriched with long-life additives and protective agents to provide a prolonged defense against sludge. And continuously attacks potential and stubborn deposits to help the engine clean.

05/03/2022

প্রসংগঃ ইঞ্জিন অয়েল গ্রেড ও একটি মিথ।
------------------------------------------------
"গরমের দেশে কোনটা ব্যাবহার করব?"

-- "কেন? 5W-30"

"কিন্তু রেকোমেন্ডেড তো 0W-20"

-- "ওটাতো জাপানের জন্য।
আমাদের দেশ অনেক গরম। তাই ..."
-----------------------------------------------
আসুন দেখি ইঞ্জিনিয়াররা কি বলে।
-----------------------------------------------
(১) ভিস্কোসিটি কিঃ

ভিস্কোসিটি হলো একটা ফ্লুইড (লিকুইড) এর গড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা বা এটা কতটা গাড়/ঘন তা। বেশি ঘন ফ্লুইড এর ভিস্কোসিটি বেশি (গড়াবে কম – বেশি ভিস্কাস), কম ঘন বা পাতলা ফ্লুইড এর ভিস্কোসিটি কম (গড়াবে বেশি তাড়াতাড়ি – কম ভিস্কাস)।

ফ্লুইডের ভিস্কোসিটি তাপমাত্রার সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। বেশি তাপমাত্রায় ফ্লুইড পাতলা হয়ে যায় আর কম তাপমাত্রায় ঘন হয়। মানে হলো গিয়ে, বেশি তাপমাত্রায় ভিস্কোসিটি কমে যায়, আর কম তাপমাত্রায় ভিস্কোসিটি যায় বেড়ে।

(২) এস এ ই গ্রেডঃ

সোসাইটি অফ অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারস (SAE – Society of Automotive Engineers) ভিস্কোসিটি গ্রেডিং এর একটা মেথড বের করেছে। তাই প্রতিটি ফ্লুইডের ভিস্কোসিটি লেখার আগে বা গ্রেড লেখার আগে SAE লেখা থাকে। এটা শুরু হয় 0 তে, আর শেষ হয় 60 এ। যেমনঃ SAE 20, SAE 30, SAE 40 ইত্যাদি।

নম্বর বা গ্রেড যত বেশি তত বেশি ভিস্কাস (বেশি ঘন – গড়াবে কম, ইঞ্জিনের ভিতরের দুই পার্টসের মাঝের ফাকের ভিতর তেল ঢুকতে দেরি হবে), আর নম্বর যত কম তত কম ভিস্কাস (পাতলা – গড়াবে বেশি, ইঞ্জিনের ভিতরের দুই পার্টসের মাঝের ফাকের ভিতর তেল ডুকবে তাড়াতাড়ি)।

তাহলে তো কম গ্রেডই ভাল, না কি বলেন? তাড়াতাড়ি ঢুকবে তেল, পার্টস পাত্তি ভাল থাকবে। সব সময় ব্যাপারটা ওরকম না, আর ওটা অন্য আলোচনা। পরে আরেকদিন আলোচনা করা যাবে, শুধু জেনে রাখুন, পুরনো গাড়িতে একটু ঘনটা (বেশি গ্রেডের) ইউজ করি আমরা। আগের মডেল গুলোও তাইই করি। কারণ গ্যাপ থাকত পার্টসের মধ্যে বেশি। কিন্তু এখন টেকনলোজির ঠেলায় গ্যাপ গুলো হয়েছে অনেক কম, এফিসিয়েন্সি বেড়েছে, তাই পাতলাটাই বেশির ভাগ গাড়িতে রেকোমেন্ড করে ম্যানুফ্যাকচারাররা। আগেই বলেছি, ওটা অনেক কঠিন আলোচনা, আরেকদিন হবে।

(৩) মাল্টি গ্রেড অয়েল কিঃ

ফ্লুইডের ভিস্কোসিটি তাপমাত্রার সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়।
তাই ম্যানুফ্যাকচারাররা বিভিন্ন এডিটিভ মিশায় যাতে এরকম ইঞ্জিন ওয়েল ঠান্ডা এবং গরম সব তাপমাত্রাতেই একই রকম ভিস্কাস থাকে। এগুলোকেই বলে মাল্টিগ্রেড অয়েল।
এই ইঞ্জিন অয়েল গুলো ২ টা এস এ ই গ্রেড দিয়ে লেখা থাকে।
যেমন,SAE 0W-20, SAE 5W-20, SAE 5W-30, SAE 10W-40 ইত্যাদি।

কিন্তু যদি এডিটিভ মিশানো না হতো তাহলে এই ইঞ্জিন অয়েল এর গ্রেড হতো SAE 20, SAE 30, SAE 40 ইত্যাদি।

(৪) এই নাম্বারগুলো দিয়ে কি বুঝায়ঃ

শুরু করব শেষের নাম্বারটি দিয়ে।

(৪.১) SAE 0W-20 এর 20 দিয়ে বুঝায় যে ইঞ্জিনের অপারেটিং টেম্পারেচার এ (যা কিনা ১০০ ডিগ্রির কাছাকাছি) এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 20 গ্রেডের ভিস্কোসিটির মত আচরণ করবে বা SAE 20 এর ইঞ্জিন অয়েল যেরকম ভিস্কাস (পাতলা বা ঘন) সেরকম থাকবে। আর যদি লেখা থাকে SAE 15W-40 তার মানে হলো অপারেটিং (১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রা) টেম্পারেচারে এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 40 গ্রেডের মত ভিস্কাস (পাতলা বা ঘন) থাকবে।

তার মানে এই নম্বরটি একটা নির্দিষ্ট ইঞ্জিন অয়েলেরে অপারেটিং টেম্পারেচারে (১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রা) কতটুকু ভিস্কাস তা উল্লেখ করে। নম্বর যত বেশি, তত ঘন, যত কম, তত পাতলা।

এর সাথে কিন্তু ঢাকার গরমকালের তাপত্রার কোন সম্পর্ক নেই।

(৪.২) উইন্টার নাম্বার বা শীতকালিন/ঠান্ডা নাম্বারঃ

SAE 0W-20 এর W এর আগের নাম্বারটিই উইন্টার নাম্বার। এটা দিয়ে বুঝায় যে শেষের নাম্বারটি যে গ্রেড এর ভিস্কাস, ঠান্ডায় বা শীতকালেও এই অয়েলটা একই রকম আচরণ করবে। শীতকাল না বলে বলা উচিত ইঞ্জিন যখন ঠান্ডা থাকে সেই তাপমাত্রা। কানাডা বা নিউ ইয়র্কে শীতকালে সকালে বাসা থেকে বেরুনোর সময় দেখলেন তাপমাত্রা -৫০ ডিগ্রি। ঢাকায় এই কাঠফাটা গরমে দেখলে দুপুর বেলা গাড়ি বের করার সময় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি। ২ টাই কোল্ড বা উইন্টার টেম্পারেচার। কেন? কারণ কোনটাই অপারেটিং টেম্পারেচার ১০০ ডিগ্রি না।

তাহলে শুরু নম্বরটি বিভিন্ন রকম কেন হয়? কি বুঝায় এটা দিয়ে।
শুরু নম্বর এর কম বেশি বুঝায় যে সর্বনিম্ন কত তাপমাত্রা পর্যন্ত এই ইঞ্জিন অয়েল অপারেটিং ভিস্কোসিটি গ্রেড এর মত আচরণ করবে।

উদাহরণ দিচ্ছি।

SAE 0W-20 মানে -৩৫ ডিগ্রি পর্যন্ত এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 20 গ্রেডের মত ভিস্কাস থাকবে।
SAE 5W-20 মানে -৩০ ডিগ্রি পর্যন্ত এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 20 গ্রেডের মত ভিস্কাস থাকবে।
SAE 25W-50 মানে -১০ ডিগ্রি পর্যন্ত এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 50 গ্রেডের মত ভিস্কাস থাকবে।

(৫) সংক্ষেপে বলা যায়ঃ

(ক) SAE 0W-20
-৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত ব্যাবহার করা যাবে এবং ১০০ ডিগ্রি তে এটা (খ) এবং (গ) থেকে পাতলা।

(খ) SAE 0W-30
-৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত ব্যাবহার করা যাবে এবং ১০০ ডিগ্রি তে এটা (ক) থেকে ঘন।

(গ) SAE 5W-30
-৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত ব্যাবহার করা যাবে এবং ১০০ ডিগ্রি তে এটা (ক) থেকে ঘন।

গরমের দেশের সাথে এগুলার তার মানে কোনই সম্পর্ক নেই। ঢাকা, শ্রীলংকা, জাপান, কানাডা, নিউ ইয়র্ক – যেখানেই যান না কেন। যদি লেখা থাকে SAE 0W-20, তাহলে এটাই ব্যাবহার করতে হবে।

*উল্লেখ্য, এখানে আমি যে তাপমত্রার কথা উল্লেখ করেছি তা কোল্ড ক্র্যাংকিং ভিস্কোসিটি মেথডে নির্ণয় করা হয়েছে।

New Package and more upgrade product Coming Soon
20/12/2021

New Package and more upgrade product Coming Soon

20/09/2021

আমরা যখন ইন্জিন ওয়েল ক্রয় করি তখন বোতলের গায়ে API SN অথবা API SM অথবা API SL অথবা API SJ লেখা দেখতে পাই। যার বাইক বা গাড়ী যত নতুন মানে (সাল অনুযায়ী) তিনি তত উপরের দিকের API মানের ওয়েল ব্যবহার করবেন গ্রেড ঠিক রেখে। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানি ভেদে একই গ্রেডের ফুল সিনথেটিক ওয়েলের দামের পার্থক্য হওয়ার কারণ এই API SM,SN, SL, SJ ক্যাটাগরি। মানে এক্ষেত্র SM মানের তেলের দাম বেশি হবে এবং ক্রমানুসারে SJ মানের তেলের দাম কম হবে। এজন্য বাজারে কোন কোন এক লিটার ফুল সিনথেটিক ওয়েলের দাম ৮০০ টাকা, আর কোনটার দাম ১৫০০ টাকা বা তার বেশি। তাই সবাই নিজের বাইক বা গাড়ীর মেকিং সাল বা বছর খেয়াল করে ওয়েল গ্রেড ঠিক রেখে API এর মান নির্ধারণ করে ইঞ্জিন ওয়েল কিনুন।

আজ আমরা যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবো তা হচ্ছে কি কি কাজ করলে আমরা আমাদের প্রিয় মোটর সাইকেলটি লং টাইম সুন্দর করে ব্যাবহার ক...
13/09/2021

আজ আমরা যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবো তা হচ্ছে কি কি কাজ করলে আমরা আমাদের প্রিয় মোটর সাইকেলটি লং টাইম সুন্দর করে ব্যাবহার করতে পারবো!!!

মোটরসাইকেল নিয়মিত সার্ভিসিং করানো যেমন বাইকের আয়ু বাড়িয়ে দেয়, তেল সাশ্রয়ী করে এবং মোটরসাইকেলরক্ষনাবেক্ষন খরচ কমিয়ে দেয়।

নিয়মিত পরিচর্যা করলে কমদামি মোটরসাইকেলও প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটানোর জন্য যথেষ্ট। এক থেকে দুই মাস পরপরই মোটরসাইকেল সার্ভিসিং করানো ভালো।
আপনার মোটরসাইকেল যেখানেই সার্ভিসিং করান, খেয়াল করে নিম্নের মোটর সাইকেল মেরামত এর ২৩টা কাজ নিশ্চিত করুন।
মোটরসাইকেল চালানোর কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ,নূতনদের জন্য-মটর সাইকেল চালানোর নিয়ম
মোটরসাইকেল সার্ভিসিং এর ২৩ টি আবশ্যিক কাজ - মোটরসাইকেল রক্ষনাবেক্ষন

👉মোটরসাইকেল ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করুন। ভালোভাবে কম্প্রেসার বাতাস দিয়ে শুকিয়ে ফেলুন।
👉স্পার্ক প্লাগ, প্লাগের স্থান পরিষ্কার করুন , প্লাগ এর গ্যাপ (০.৮ - ০.৯ এমএম ) ঠিক করুন।
👉ভাল্ভ / টেপেট ক্লিয়ারেন্স ঠিক আছে কিনা দেখুন , না থাকলে ঠিক করুন। (পারফেক্ট চাইলে ফিলার গজ দিয়ে কাজটা করুন।)
👉 আইডল আরপিএম ঠিক করুন। ১২০০-১৫০০ আরপিএম মধ্যে রাখুন।
👉ফুয়েল লাইনের কোথাও লিক, ফাটা আছে কিনা চেক করুন।
👉এয়ার ফিল্টার নির্দেশিকা অনুসারে পরিস্কার করুন।
👉 ইঞ্জিন অয়েল, অয়েল ফিল্টার পরিবর্তন করুন।
👉সামনের এবং পিছনের ব্রেক চেক করুন।
👉ক্লাচ লিভার ফ্রি প্লে চেক করুন। (সাধারনত ১০-১৫ এমএম।)
👉চাকার হাল /অবস্থা দেখুন, কাচ, ছোট পিন, পেরেক কোথাও লুকায়ে আছে কিনা দেখুন। পরিষ্কার করুন।
মেয়াদ উত্তীর্ণ মার্কিং স্পর্শ করলে চাকা পরিবর্তন করুন।
👉 উভয় চাকার বিয়ারিং ঢিলা বা ক্ষতিগ্রস্ত কিনা চেক করুন।
👉 হ্যান্ডেল বার ডান দিকে বাম দিকে মসৃন ভাবে ঘুরতেছে, কোথাও টাইট ঢিলা অনুভুত হলে এডজাস্ট করুন।
👉সামনের চাকার ফর্ক (সাসপেন্সান ), পিছনের চাকার শক (সাসপেন্সান ) ঠিকভাবে কাজ করছে, তেল লিক
হচ্ছে কিনা চেক করুন।
👉 ড্রাইভ চেইন বেশি ঢিলা , বেশি টাইট থাকলে এডজাস্ট করুন , চাকার দুপাশের মার্কিং অনুযায়ী চেইন সমান্তরাল করুন। নির্দেশিত লুব্রিকেন্ট চেইন এ লাগান।
👉সকল নাট বোল্ট চেক করুন , ঢিলা হলে টাইট করুন।
👉সকল বাতি, ইলেকট্রিকেল সুইচ পরীক্ষা করুন।
👉চাকার হাওয়ার প্রেসার চেক করুন, প্রয়োজনে হাওয়া দিন।
👉আইডল আরপিএম এ নির্গত ধোয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড পরিমাপ করুন, সমন্বয় করুন। (আধুনিক সুবিধাযুক্ত সার্ভিসিং সেন্টার ছাড়া সম্ভব নয়।
👉সকল নড়াচড়া স্থান (মেটাল টু মেটাল) চেক করুন, লুব্রিক্যান্ট দিন। সাইড স্ট্যান্ড, সেন্টার স্ট্যান্ড , স্প্রিং এর দুই প্রান্ত।
👉 উভয় চাকার ব্রেক সুইচ চেক করুন।
👉ক্লাচ ক্যাবল, থ্রটল ক্যাবল চেক করুন, ব্রেক কেবলে লুব্রিক্যান্ট দিন।
👉সার্ভিসিং এর পর ফ্রন্ট ডিস্ক রটর পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন। তেল জাতিয় কিছু লেগে থাকলে ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিস্কার করে নিবেন।
👉 উপরের সব শেষ হলে একটা টেস্ট ড্রাইভ দিন।এরপর ক্লিন করে পলিশ করুন।

Join :
Race User Bd
Race User Bangladesh

07/09/2021

New Product & New Brand Coming Soon.

New Product Available
31/08/2021

New Product Available

16/08/2021

G L**e
Brand of German Oil
Imported oil From Dubai if any One want Wholesale or retail please call or txt.
01673605050

09/08/2021

G L**e

Address

Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pick & Wear posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Pick & Wear:

Share