Suman Traders

Suman Traders ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে "ভালভোলিনের" একমাত্র অনুমোদিত ডিলার "সুমন ট্রেডার্স"।

10/04/2024
13/05/2022

আপনার মটর সাইকেল যদি তেল বেশি খায় আর তাতে যদি আপনি বিচলিত হন কোন লাভ নাই । কারণ ভূল কোন না কোনভাবে আপনিই করে যাচ্ছেন। যেমন:

১) আপনি ইচ্ছা মত লো গিয়ারে স্পিড তুলেন। গিয়ার আছে পাচটা আপনি চার নম্বরে হাই স্পিডে চালাচ্ছেন বেশি। এতে তেল বেশি খাবে। ইন্জিনের ক্ষতি হবে। Low RPM , high gear . ফর্মূলায় তেল কম খাবে। যেমন আপনি টপ গিয়ারে রেখে চালালে ৬০ / ৭০ এ তেল খাবে সর্বনিম্ন।

২) এয়ার ফিল্টার ময়লা থাকলে তেল বেশি খাবে। প্রতি দুই তিন হাজারে একবার পরিষ্কার করুন। ৫/৬ হাজারে নতুন টা ব্যবহার করুন।

৩) স্পার্ক প্লাগ পরিষ্কার রাখুন , প্লাগ গ্যাপ সঠিক রাখুন। টুথ ব্রাস দিয়ে পরিষ্কার করুন । তারের ব্রাশ, ব্লেড নয়। প্লাগ টা ৮/৯ হাজারের ভিতরে বদলে ফেলুন । অবশ্যই সঠিক গ্রেডের প্লাগ হতে হবে।

৪) ইনজিন ওয়েলের গুরুত্ব এখন অনেকেই বুঝেন। ঐটা সঠিক পরিমান এবং সঠিক গ্রেডের টা ভাল ব্রান্ডের টা ব্যবহার করুন। দোকানদ্বারের বুদ্ধিতে নতুন আজগুবি জিনিস ঢুকাবেন না।

৫) চেইন ক্লিন এবং লুব করে রাখুন ,প্রতি ১৫০/২০০ কিলোতে । বেশি লুজ বা বেশি টাইট রাখা যাবে না। বিশ হাজার কিলোর ভিতরে বদলে ফেলুন।

৬) টায়ার এবং টায়ার প্রেশার। এইটা মারাত্বক জিনিস। কোনভাবেই বিশ হাজারের বেশি এক টায়ার বাইকে রাখবেন না। দেখতে যতই ভাল মনে হোক। টায়ার হার্ড হয়ে গেলে চাকা স্লিপ করে। ইচ্ছামত হাওয়া দেওয়া আমাদের বদঅভ্যাস। চাকাৎ হাওয়া একটু কম থাকলে যতটুক ক্ষতি বেশি থাকলে তার চাইতে বেশি ক্ষতি।মোটরসাইকেল এর কোন চাকায় ৩৫-৪৫ হাওয়া দেওয়ার কথা বলে না কোন নির্মাতা। ১৪০ সাইজের চাকায় ৩৩ বলা হয়। সামনে ২৮ আপনার টার কত হাওয়া দিতে হবে তা চেইন কভার অথবা চেসিস এ পারমানেন্ট ভাবে লেখা আছে। দরকারি না হলে কি ওভাবে লিখত? টায়ার প্রেশার বেশি থাকলেও তেল একটু বেশি টানে।

৭) চাকা দুইটা ফ্রি আছে কিনা মাঝে মাঝে চেক করুন।

৮) সবচাইতে ভয়াবহ টা শেষে বলছি। কার্বুরেটর। হ্যা আপনার লোকল মেকানিক ঐটা কে স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে খুচিয়ে বাইকটার সর্বনাশের শুভ সুচনা করে। ঐটা ধরতে দিবেন না এদের। এয়ার ফিল্টার ক্লিন থাকলে কার্বুরেটর সহজে নষ্ট হয় না। আর আগের সাতটা পয়েন্ট ওকে থাকলে এমনেই তেল কম খাবে।

ও হ্যা , তেলের মান এবং পরিমাণই যদি ঠিক না থাকে তাহলে কিছু করার নাই।

(সংগৃহিত)

দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত "সুমন ট্রেডার্স" এর সকল গ্রাহক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদেরকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন...
02/05/2022

দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত "সুমন ট্রেডার্স" এর সকল গ্রাহক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদেরকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

🌙 ঈদ মুবারাক 🌙

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

4T Premium Brand Name : Valvoline Product Name : 4T Premium Grade : 20W50API : SNSize : 1 LiterType : Synthetic BlendPro...
22/01/2022

4T Premium
Brand Name : Valvoline
Product Name : 4T Premium
Grade : 20W50
API : SN
Size : 1 Liter
Type : Synthetic Blend

Product Details :
- Specially perpared & formualted to meet to Requirements for High CC Engine Bikes 150 CC and above.
- Year round Protection.
- Approvals and Performance.

-Valvoline 4T Premium is a multi-grade oil specially formulated to provide year-round protection for 4-Stroke motorcycle engines.
-The product is blended from selected base oils and additive chemistry to provide strong oil film for perfect protection and lubrication with reduced wear under a wide temperature range in air-cooled engines.
-Valvoline 4T Premium prevents clutch slippage and meets.

Brand Name : Valvoline Product Name : All Fleet Multi Grade : 20W50API : CF/SFQuality : 20 LiterPrice : 7,200/-Product D...
22/01/2022

Brand Name : Valvoline
Product Name : All Fleet Multi
Grade : 20W50
API : CF/SF
Quality : 20 Liter
Price : 7,200/-

Product Details :
-Valvoline All Fleet Multi is a superior engine oil for fleet. Formulated with Dual Shield Technology, the product provides extra engine protection, enhancing performance and engine life.

-New generation BSIV engines of trucks, buses and tippers. Ideal for both EGR and SCR diesel engines.

-Quickly reaches all engine parts, providing extra component protection and enhancing performance.

-Excellent anti-oxidation, anti-corrosion and anti-wear properties with premium additive technology.

-Improved detergency prevents piston deposits and keeps the engine clean

-Longer drain interval ensures consistent superior performance with least oil changes.

Brand Name : Valvoline Product Name : 4T Premium Grade : 10W30API : SNType: Synthetic BlendSize : 1 LiterPrice : 500/-4-...
22/01/2022

Brand Name : Valvoline
Product Name : 4T Premium
Grade : 10W30
API : SN
Type: Synthetic Blend
Size : 1 Liter
Price : 500/-
4-stroke motorcycle engines.

Product Details :

-Blended from selected base oils and additive chemistry.

-Valvoline synthetic blend multi-grade 4T oil specially formulated for 4-stroke motorcycle engines.

-Provides year-round engine protection.

-Creates strong oil film for perfect protection and lubrication.

-Reduces wear under a wide temperature range

-Meets the requirements of leading motorcycle manufacturers.

-Prevents clutch slippage and meets friction tests stipulated in JASO T903, Grade MA2.

05/06/2021

প্রসংগঃ ইঞ্জিন অয়েল গ্রেড ও একটি মিথ।
------------------------------------------------
"গরমের দেশে কোনটা ব্যাবহার করব?"
-- "কেন? 5W-30"
"কিন্তু রেকোমেন্ডেড তো 0W-20"
-- "ওটাতো জাপানের জন্য।
আমাদের দেশ অনেক গরম। তাই ..."
-----------------------------------------------
আসুন দেখি ইঞ্জিনিয়াররা কি বলে।
-----------------------------------------------
(১) ভিস্কোসিটি কিঃ
ভিস্কোসিটি হলো একটা ফ্লুইড (লিকুইড) এর গড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা বা এটা কতটা গাড়/ঘন তা। বেশি ঘন ফ্লুইড এর ভিস্কোসিটি বেশি (গড়াবে কম – বেশি ভিস্কাস), কম ঘন বা পাতলা ফ্লুইড এর ভিস্কোসিটি কম (গড়াবে বেশি তাড়াতাড়ি – কম ভিস্কাস)।
ফ্লুইডের ভিস্কোসিটি তাপমাত্রার সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। বেশি তাপমাত্রায় ফ্লুইড পাতলা হয়ে যায় আর কম তাপমাত্রায় ঘন হয়। মানে হলো গিয়ে, বেশি তাপমাত্রায় ভিস্কোসিটি কমে যায়, আর কম তাপমাত্রায় ভিস্কোসিটি যায় বেড়ে।
(২) এস এ ই গ্রেডঃ
সোসাইটি অফ অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারস (SAE – Society of Automotive Engineers) ভিস্কোসিটি গ্রেডিং এর একটা মেথড বের করেছে। তাই প্রতিটি ফ্লুইডের ভিস্কোসিটি লেখার আগে বা গ্রেড লেখার আগে SAE লেখা থাকে। এটা শুরু হয় 0 তে, আর শেষ হয় 60 এ। যেমনঃ SAE 20, SAE 30, SAE 40 ইত্যাদি।
নম্বর বা গ্রেড যত বেশি তত বেশি ভিস্কাস (বেশি ঘন – গড়াবে কম, ইঞ্জিনের ভিতরের দুই পার্টসের মাঝের ফাকের ভিতর তেল ঢুকতে দেরি হবে), আর নম্বর যত কম তত কম ভিস্কাস (পাতলা – গড়াবে বেশি, ইঞ্জিনের ভিতরের দুই পার্টসের মাঝের ফাকের ভিতর তেল ডুকবে তাড়াতাড়ি)।
তাহলে তো কম গ্রেডই ভাল, না কি বলেন? তাড়াতাড়ি ঢুকবে তেল, পার্টস পাত্তি ভাল থাকবে। সব সময় ব্যাপারটা ওরকম না, আর ওটা অন্য আলোচনা। পরে আরেকদিন আলোচনা করা যাবে, শুধু জেনে রাখুন, পুরনো গাড়িতে একটু ঘনটা (বেশি গ্রেডের) ইউজ করি আমরা। আগের মডেল গুলোও তাইই করি। কারণ গ্যাপ থাকত পার্টসের মধ্যে বেশি। কিন্তু এখন টেকনলোজির ঠেলায় গ্যাপ গুলো হয়েছে অনেক কম, এফিসিয়েন্সি বেড়েছে, তাই পাতলাটাই বেশির ভাগ গাড়িতে রেকোমেন্ড করে ম্যানুফ্যাকচারাররা। আগেই বলেছি, ওটা অনেক কঠিন আলোচনা, আরেকদিন হবে।
(৩) মাল্টি গ্রেড অয়েল কিঃ
ফ্লুইডের ভিস্কোসিটি তাপমাত্রার সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়।
তাই ম্যানুফ্যাকচারাররা বিভিন্ন এডিটিভ মিশায় যাতে এরকম ইঞ্জিন ওয়েল ঠান্ডা এবং গরম সব তাপমাত্রাতেই একই রকম ভিস্কাস থাকে। এগুলোকেই বলে মাল্টিগ্রেড অয়েল।
এই ইঞ্জিন অয়েল গুলো ২ টা এস এ ই গ্রেড দিয়ে লেখা থাকে।
যেমন,SAE 0W-20, SAE 5W-20, SAE 5W-30, SAE 10W-40 ইত্যাদি।
কিন্তু যদি এডিটিভ মিশানো না হতো তাহলে এই ইঞ্জিন অয়েল এর গ্রেড হতো SAE 20, SAE 30, SAE 40 ইত্যাদি।
(৪) এই নাম্বারগুলো দিয়ে কি বুঝায়ঃ
শুরু করব শেষের নাম্বারটি দিয়ে।
(৪.১) SAE 0W-20 এর 20 দিয়ে বুঝায় যে ইঞ্জিনের অপারেটিং টেম্পারেচার এ (যা কিনা ১০০ ডিগ্রির কাছাকাছি) এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 20 গ্রেডের ভিস্কোসিটির মত আচরণ করবে বা SAE 20 এর ইঞ্জিন অয়েল যেরকম ভিস্কাস (পাতলা বা ঘন) সেরকম থাকবে। আর যদি লেখা থাকে SAE 15W-40 তার মানে হলো অপারেটিং (১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রা) টেম্পারেচারে এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 40 গ্রেডের মত ভিস্কাস (পাতলা বা ঘন) থাকবে।
তার মানে এই নম্বরটি একটা নির্দিষ্ট ইঞ্জিন অয়েলেরে অপারেটিং টেম্পারেচারে (১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রা) কতটুকু ভিস্কাস তা উল্লেখ করে। নম্বর যত বেশি, তত ঘন, যত কম, তত পাতলা।
এর সাথে কিন্তু ঢাকার গরমকালের তাপত্রার কোন সম্পর্ক নেই।
(৪.২) উইন্টার নাম্বার বা শীতকালিন/ঠান্ডা নাম্বারঃ
SAE 0W-20 এর W এর আগের নাম্বারটিই উইন্টার নাম্বার। এটা দিয়ে বুঝায় যে শেষের নাম্বারটি যে গ্রেড এর ভিস্কাস, ঠান্ডায় বা শীতকালেও এই অয়েলটা একই রকম আচরণ করবে। শীতকাল না বলে বলা উচিত ইঞ্জিন যখন ঠান্ডা থাকে সেই তাপমাত্রা। কানাডা বা নিউ ইয়র্কে শীতকালে সকালে বাসা থেকে বেরুনোর সময় দেখলেন তাপমাত্রা -৫০ ডিগ্রি। ঢাকায় এই কাঠফাটা গরমে দেখলে দুপুর বেলা গাড়ি বের করার সময় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি। ২ টাই কোল্ড বা উইন্টার টেম্পারেচার। কেন? কারণ কোনটাই অপারেটিং টেম্পারেচার ১০০ ডিগ্রি না।
তাহলে শুরু নম্বরটি বিভিন্ন রকম কেন হয়? কি বুঝায় এটা দিয়ে।
শুরু নম্বর এর কম বেশি বুঝায় যে সর্বনিম্ন কত তাপমাত্রা পর্যন্ত এই ইঞ্জিন অয়েল অপারেটিং ভিস্কোসিটি গ্রেড এর মত আচরণ করবে।
উদাহরণ দিচ্ছি।
SAE 0W-20 মানে -৩৫ ডিগ্রি পর্যন্ত এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 20 গ্রেডের মত ভিস্কাস থাকবে।
SAE 5W-20 মানে -৩০ ডিগ্রি পর্যন্ত এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 20 গ্রেডের মত ভিস্কাস থাকবে।
SAE 25W-50 মানে -১০ ডিগ্রি পর্যন্ত এই ইঞ্জিন অয়েল SAE 50 গ্রেডের মত ভিস্কাস থাকবে।
(৫) সংক্ষেপে বলা যায়ঃ
(ক) SAE 0W-20
-৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত ব্যাবহার করা যাবে এবং ১০০ ডিগ্রি তে এটা (খ) এবং (গ) থেকে পাতলা।
(খ) SAE 0W-30
-৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত ব্যাবহার করা যাবে এবং ১০০ ডিগ্রি তে এটা (ক) থেকে ঘন।
(গ) SAE 5W-30
-৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত ব্যাবহার করা যাবে এবং ১০০ ডিগ্রি তে এটা (ক) থেকে ঘন।
গরমের দেশের সাথে এগুলার তার মানে কোনই সম্পর্ক নেই। ঢাকা, শ্রীলংকা, জাপান, কানাডা, নিউ ইয়র্ক – যেখানেই যান না কেন। যদি লেখা থাকে SAE 0W-20, তাহলে এটাই ব্যাবহার করতে হবে।
*উল্লেখ্য, এখানে আমি যে তাপমত্রার কথা উল্লেখ করেছি তা কোল্ড ক্র্যাংকিং ভিস্কোসিটি মেথডে নির্ণয় করা হয়েছে।
( সংগৃহিত)

22/02/2021


যখন দূর্ঘটনায় টায়ার বিস্ফোরণ ঘটে, তখন বলে ড্রাইভারের ভুল ছিল না, শুধু ভাগ্যের ব্যাপার ছিল ।
আমি গতকাল আমার প্রতিবেশী ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, '' কারখানা থেকে তৈরি হওয়ার পর টায়ার কত বছর নিরাপদ থাকে "?
তিনি মঙ্গল গ্রহ থেকে আগন্তুকের মত অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন, এবং ভয়ের অভিব্যক্তিতে জিজ্ঞাসা করলেন, '' একটি টায়ার কি কখনো অনিরাপদ "?

এখনও তিনি আট বছর ধরে পেশাদারভাবে গাড়ি চালাচ্ছেন । কিন্তু জানতাম না যে প্রতিটি টায়ারের মেয়াদ শেষের তারিখ আছে যার পর তাকে প্রতিস্থাপন করতে হবে । কারণ সে পরে টায়ার পতনের ভয় পায় । ভ্রমণের সময় যা ঘটে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে ।

* মনে রাখবেন, জমিনের ইতিহাস থেকে যেকোন টায়ারের চার বছরের নিরাপদ জীবন আছে । * এখন আপনি চিন্তা করবেন কিভাবে টায়ার উৎপাদনের তারিখ জানা যায়?

প্রতিটি টায়ারে চার ডিজিট হিসেবে লেখা আছে । প্রথম দুই সংখ্যার প্রস্তুতি সপ্তাহের প্রতিনিধিত্ব করে, আর শেষ দুই বলে প্রস্তুতির বছর । এই চারটি ডিজিট টায়ারে লেখা আছে, বর্ণমালা অন্তর্ভুক্ত নয় । হয়ে গেছে । মনে রাখবেন কিছু কোম্পানি চার সংখ্যার আগে ও পরে স্টার মার্ক (*) করে ।

* উদাহরণস্বরূপ * যদি এই চারটি সংখ্যা 4314 হয় তার মানে 2014 সালের 43 ম সপ্তাহে টায়ার তৈরি করা হয়েছিল অর্থাৎ (নভেম্বরের 2014 য় সপ্তাহ) । এটাই এই টায়ারের নিরাপদ মেয়াদ । 2018 এর 43 তম সপ্তাহে মেয়াদ শেষ । তাই তারিখ এর পর একটু টায়ার পরিবর্তন করতে হবে ।

কিছু কোম্পানির টায়ারে উৎপাদনের তারিখ নেই । এটা গুরুতর অপরাধ কিন্তু কিছু চীনা ব্র্যান্ডের সাধারণ । উৎপাদনের ইতিহাস না দেখে টায়ার কেনা মানে duration ব্যবহার করার মত সময়কাল না দেখে । কিন্তু আমি মনে করি সেটা আরও খারাপ । কারণ খারাপ medicines শুধুমাত্র আপনাকে আঘাত করতে পারে । যখন একটি টায়ার দুর্ঘটনায় যানবাহনের সকল যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নেয় ।

* নোট * । এখন যেহেতু আপনি এটা জেনেছেন, একটু কষ্ট করুন, আপনার গাড়িতে যান, এবং ঝুঁকে যান এবং আপনার টায়ার প্রস্তুতির তারিখ চেক করুন, এবং তারপর একটি 4 বছর সময়কাল মনে রাখবেন, যাতে আপনি এবং আপনার প্রিয়জনেরা আছেন প্রতিটি যাত্রায় নিরাপদ ।

সংগ্রহীত।

04/12/2020

বাইকের চেইন পরিষ্কার ও লুব করার নিয়ম

বাইকের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটা অংশ নির্বাচন করলে চেইন একটি। কেননা এই চেইনের উপরই বাইকের পারফরমেন্স, মাইলেজ এগুলো নির্ভর করে। আমরা অনেকেই মনে করি গুরুত্ব নিয়ে চেইন পরিষ্কার করার কোন প্রয়োজন নেই। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বাইকের যদি ভালো পারফরমেন্স পেতে চান তবে অবশ্যই চেইনের যত্ন নিতে হয়। তবে যত্ন নেওয়ার ব্যাপারটা জানলেও অনেকেই জানেন না কিভাবে বাইকের চেইন পরিষ্কার করতে হয়। আজ আমরা আলোচনা করবো বাইকের চেইন পরিষ্কার করার নিয়ম নিয়ে। কিন্তু তার আগে জেনে নেওয়া উচিত চেইন কি এবং এর কাজ সম্পর্কে।

বাইকের চেইন এবং চেইনের কাজ :
চেইন হলো বাইকের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যার মাধ্যমে বা যার সাহায্যে বাইক গিয়ার বক্সের শক্তি বাইকের পেছনের চাকায় সরবরাহ করে। আর এজন্যই এই চেইন বাইকের অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মোটর বাইক ইঞ্জিনিয়াররা বলেন প্রতি ৫০০ থেকে ১০০০ কিলো মিটার বাইক রাইডের মধ্যে কম করে হলেও একবার চেইন পরিষ্কার করা উচিত। আর যাদের চেইন কভার নেই তাদের বেলায় ৫০০ কিলো মিটার পর পরই চেইন পরিষ্কার করাতে হয়। এর কোন বিকল্প নেই। কিন্তু চেইন পরিষ্কার সব সময় সার্ভিসিং সেন্টারে গিয়ে করাতে হবে এমন কোন নিয়ম নেই। আপনি যদি সঠিক ভাবে বাইকের চেইন পরিষ্কার করতে পারেন তবে আপনার নিজেরই উচিত বাইকের চেইন পরিষ্কার করা।


তবে চলুন বাইকের চেইন পরিষ্কার করার নিয়ম জেনে নেওয়া যাক।

বাইকের চেইন পরিষ্কার করার নিয়ম :

প্রয়োজনীয় উপকরণ গুলো :
১. টুথব্রাশ, ২. কেরোসিন, ৩. নরম কাপড়, ৪. চেইন অয়েল কিংবা গিয়ার অয়েল কিন্তু অব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েল হলেও চলবে, ৫. লুব গান বা সিরিঞ্জ।

চেইন ওয়াশ বা পরিষ্কার করার জন্য বাজারে ক্লিনার পাওয়া যায় যেগুলো আপনার জন্য চেইক পরিষ্কারে সুবিধা জনক। এবং পরে ব্যবহারের জন্য লুব্রিকেন্ট পাওয়া যায়। আপনি চাইলে ব্যবহার করতে পারেন।

কাজ শুরুর আগে একটি সমতল স্থানে বাইকটিকে ডাবল স্ট্যান্ড করুন। বাইকে চেইন কভার থাকলে সেটি অবশ্যই খুলে ফেলতে হবে। আর যাদের বাইকে এই কভার নেই তাদেরকে এই কাজটা করতে হবে না। চেইন কভার খুলতে হবে খুবই সূক্ষ্ম ভাবে। না হলে বাইকে দাগ বা স্ক্রেচ পড়তে পারে। কাজের শুরুতেই টুথ ব্রাশ কেরোসিনে ডুবিয়ে চেইনে কেরোসিন লাগাতে থাকেন। এভাবে অনেকক্ষণ লাগাতে হবে। এক হাত দিয়ে কেরোসিন লাগান আর অন্য হাতে চাকা ঘুরাতে থাকেন। এই ভাবে পুরো চেইনটি কেরোসিন দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে। এবার কিছু সময় অপেক্ষা করার পালা।

এই কিছু সময়ে চেইনে লেগে থাকা ময়লা গুলো নরম হতে শুরু করবে। এবারের কাজ হলো নরম হয়ে যাওয়া ময়লা গুলোকে টুথ ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে বের করে নিয়ে আসা। তবে বাজারে আরেক ধরনের চেইন ব্রাশ পাওয়া যায় আর এটি হলে পরিষ্কারে আরো সুবিধা হয়। আপনার সুবিধার জন্য চাইলে ব্যবহার করতে পারেন।

পুরো চেইন ব্রাশ করা হয়ে গেলে আবার নতুন করে পুরো চেইন কেরোসিন দিয়ে ভিজিয়ে দিতে হবে। আবার কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। তবে ৫ মিনিটের মত অপেক্ষা করলেই হবে। এবার ঘষে ঘষে ব্রাশ করা শুরু করুন আগের মত। কিন্তু এখন যদি মনে হয় ময়লা গুলো খানিকটা শক্ত তবে নরম কাপড়ে কেরোসিন লাগিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। ঠিক একইভাবে পেছনের চাকা ঘুরিয়ে চেইনের কোথাও ময়লা লেগে আছে কি না পরীক্ষা করতে হবে। থাকলে সেখানের ব্রাশ দিয়ে ঘষে ময়লা তুলে তারপর নরম কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এই ভাবে বাইকের চেইনের পেছনের স্প্রোকেট টিও পরিষ্কার করুন।

এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার বলবো। বাইকের চেইনে কোন ভাবেই গ্রীজ জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা যাবে না। অনেকেই কাজ সহজ হওয়ার জন্য গ্রীজ ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এটা একদম ঠিক নয়। কারণ গ্রীজের ঘনত্ব অনেক বেশি। ফলে উল্টো আরো চেইনে ময়লা আটকে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া আরেকটি কারণ হলো শীতের দিনে গ্রীজ ও ময়লা জমে শক্ত হয়ে গিয়ে চেইনকে স্বাভাবিকভাবে ঘুরতে দেয় না। বাধার সৃষ্টি করে। তাই চেইনের জন্য ব্যবহৃত লুব্রিকেন্ট বা গিয়ার অয়েল কিংবা অব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা যায়।

সঠিকভাবে বাইকের চেইন পরিষ্কার করা শেষ? তবে এবার হলো লুব করার পালা। কিন্তু এর জন্যও কিছু নিয়ম আছে। আর নিয়ম মেনেই লুব করতে হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বাইকের চেইন লুব করার নিয়ম।

লুব করার নিয়ম :
আপনি চাইলে লুব্রিকেন্ট সুই বিহীন সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে পারেন। পেছনের চাকা ঘুরিয়ে পুরো চেইনে লুব্রিকেন্ট লাগাতে হবে। হাত দিয়ে চাকাটি ঘুরাতে হবে অনেক বার যেন লুব্রিকেন্ট পুরো চেইনে পৌঁছায়। এবার কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে দেখা যাবে অতিরিক্ত অয়েলটি ঝরে পরে যাচ্ছে। এবার বাইকে যদি চেইন কভার থাকে তবে সেটি লাগিয়ে নিতে পারেন। ব্যস কাজ শেষ। যদি রোডের কন্ডিশন ভালো হয় তবে মিনিমাম ৫০০ কিলো মিটারের জন্য আপনার চেইন নিয়ে আর কোন টেনশন থাকবে না। তারপর ও কারো কারো মতে ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। সহজ ভাষায় বললে এই ৫০০ কিলো মিটার কিংবা ১০০০ কিলো মিটার এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার চালানোর উপর। এবং একই সাথে আপনি কোন ধরনের রাস্তায় চালাচ্ছেন সেটাও একটি বড় ব্যাপার। রাস্তার কন্ডিশন খুব বেশি খারাপ আর আপনার চালানোর অবস্থাটাও সে ক্ষেত্রে এমন ও হতে পারে আপনাকে এক সপ্তাহ বা দশ দিন পরেই আবার পরিষ্কার করতে হবে। তবে যে ভাবেই চালানো হোক না কেন প্রতি মাসে কম করে হলেও দুই বার চেইন যদি পরিষ্কার করা হয় তবে চেইন নিয়ে আপনার আর কোন অভিযোগ থাকবে না নিশ্চিত।

বাইকের চেইন পরিষ্কার করাটা আমরা অনেক বড় কাজ মনে করি। কিন্তু যদি সঠিক নিয়ম জানা থাকে তবে অবশ্যই অত্যন্ত সহজ একটি কাজ। অনেকেই নিয়ম জানে না বলে এই কাজের জন্য ও সার্ভিস সেন্টারে ছুটে যায়। কিন্তু বাইক যেহেতু আপনার তাই আপনাকেও কিছু ব্যাপারে ধারণা রাখতে হয়। না হলে আপনারই বিপদ। সব কাজে টাকা দিলে সাথে করে এমন ছোট কাজেও টাকা খরচ করলে আপনার নিজেরই বাইকের প্রতি একটা অনিহা চলে আসবে। তাই উচিত সকল কাজ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা এবং নিয়ম জেনে রাখা।

Address

Brahmanbaria
3400

Telephone

+8801743933870

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suman Traders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Suman Traders:

Share