Chesta Car Solution

Chesta Car Solution গাড়ি = ক্রয়- বিক্রয়- সার্ভিসিং- রক্ষণাব?

08/02/2024

২০২৩ সালে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি কমেছে ২২ শতাংশ

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২০২৩ সালে আগের বছরের তুলনায় গাড়ি আমদানি কমে গেছে প্রায় ২২ শতাংশ। আর ৫ বছরের ব্যবধানে দেশের বৃহৎ এই সমুদ্র বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি কমেছে সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ হাজার গাড়ি রাখার শেড রয়েছে। এছাড়া মাল্টিপল শেডেও ৩০০-৪০০ গাড়ি রাখা যায়। সব মিলিয়ে গাড়ি আমদানিকারকদের জন্য সব সুবিধা রাখা আছে। করোনা মহামারির পর গাড়ি আমদানি স্বাভাবিক হয়ে এলেও পরবর্তীতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ডলার সংকটে পড়ে আমদানিকারকরা চাহিদা অনুযায়ী গাড়ি আমদানি করতে পারেনি।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২০২৩ সালে সব ধরনের কার আমদানি হয়েছে ২৪ হাজার ১৫০টি। ২০২২ সালে গাড়ি আমদানির পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৮৮০টি। অর্থাৎ ২০২৩ সালে ২০২২ সালের তুলনায় গাড়ি আমদানি কম হয়েছে ৬ হাজার ৭৩০টি বা ২১.৭৯ শতাংশ। ৫ বছর আগে ২০১৯ সালে সব ধরনের কার আমদানি হয়েছিল ৬১ হাজার ৪৬৭টি। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে কার আমদানি কমে ৬০.৭০ শতাংশ। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের তথ্যমতে, ২০২০ সালে ২৮ হাজার ৬৯৭টি গাড়ি আমদানি হয়। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে এলে ২০২১ সালে ২০২০ সালের তুলনায় ৪৭.৯৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে গাড়ি আমদানি হয় ৫৫ হাজার ১৫১ টি। পরবর্তীতে ২০২২ সালে আবার গাড়ির আমদানি কমে যায়। ওই বছর আমদানি হয় ৩০ হাজার ৮৮০টি গাড়ি। ২০২৩ সালে গাড়ি আমদানি আরও কমে যায়।

গাড়ি আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, ব্যাংকে শতভাগ এলসি মার্জিনে গাড়ি আমদানি সম্ভব হচ্ছে না। ব্যাংক এলসি দিতে পারছে না। এই সংকটের কারণে ছোট পরিসরে তারা এ ব্যবসা থেকে ছিটকে পড়ছেন।

- The Business Standard

04/02/2024

গাড়ির গিয়ার লিভারে P-R-D-N-S/L এগুলো আসলে কি বুঝায় ?

খুব বেসিক নলেজ আমরা সবাই জানি। তারপরেও অনেকে মাঝে মাঝে কনফিউজড হয়ে যান । তাদের জন্য তুলে ধরলাম।

P(Park)
🔸গিয়ার লক হয়ে যাবে।
🔸চাকা সামনে পেছনে কোন রোটেশন করবেনা।
🔸 গাড়ি পার্ক করা থাকলে, জ্যামে আটকে থাকলে এটা ব্যাবহার করা হয়।

R(Reverse)
🔸 চাকা পেছনের দিকে ঘুরবে।
🔸গাড়িকে পেছনের দিকে মুভ করতে ব্যাবহার করা হয়।

N(Neutral)
🔸 চাকা সামনে পেছনে যে কোন দিকে ঘুরতে পারবে ইভেন ইঞ্জিন অফ থাকলেও।
🔸 খুব অল্প সময়ের জন্য ট্রাফিকে থাকলে অথবা গাড়িকে কিছুক্ষণ ইঞ্জিন চালু অবস্থায় স্থির রাখতে হলে এটা ব্যাবহার করা হয়।

D(Drive)
🔸 গাড়ি চালানোর জন্য এটা ব্যাবহার করা হয়।

S(Sport or second gear)
🔸লো ট্রান্সমিশনে হাই টর্ক আউটপুট দেয়।
🔸নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে গাড়ি স্পোর্টলি চালাতে এটা ব্যাবহার করা হয়।

L(Low)
🔸 ট্রাকশন কন্ট্রোল বেড়ে যায়।
🔸 অল্প স্পীডে বেশী পাওয়ারের দরকার হলে এটা ব্যাবহার করা হয় যেমন কোন গর্ত থেকে গাড়িকে টেনে তুলতে।

গাড়ি সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে হলে, আমার পেইজে সাথেই থাকুন।

31/01/2024
দেশে গাড়ি বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে, কিন্তু কেন???
24/01/2024

দেশে গাড়ি বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে, কিন্তু কেন???

Types of Pliers
16/01/2024

Types of Pliers

16/01/2024
ইঞ্জিন ওভারহলিং (Engine Overhauling)-----Part-1 :একটি ইঞ্জিন 50 হাজার থেকে 1 লক্ষ কিলোমিটার চলার পর যখন এটার কার্যক্ষমতা...
16/01/2024

ইঞ্জিন ওভারহলিং (Engine Overhauling)-----Part-1 :

একটি ইঞ্জিন 50 হাজার থেকে 1 লক্ষ কিলোমিটার চলার পর যখন এটার কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে তখন এটার যন্ত্রাংশ খুলে পরিষ্কার,মেরামত ও পরিবর্তন করে পুন:সংক্ষেপ করাকে ইঞ্জিন ওভারহলিং বলে।

ইঞ্জিন ওভারহলিং করার পূর্বে পর্যবেক্ষণ অতি জরুরী‌ একটি বিষয়।

ইঞ্জিন পর্যবেক্ষণ সাধারণত দুই ভাবে করা যায়।যথা:

1. চোখে দেখে পর্যবেক্ষণ (Visual Inspection)
2. সূক্ষ্ম যন্ত্রাদি দ্বারা পর্যবেক্ষণ (Inspection By Precision Instruments)

চোখে দেখে পর্যবেক্ষণ(Visual Inspection):

সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে ধোঁয়া বেরুনো, ইঞ্জিন ওভারহিট, গতিবেগ ইত্যাদি চোখে দেখে পর্যবেক্ষণ করতে হয়।

সূক্ষ্ম যন্ত্রাদি দ্বারা পর্যবেক্ষণ(Inspection By Precision Instruments):

স্পিডোমিটার,জ্বালানি গেজ, ডায়াল গেজ,ফিলার গেজ, বায়ুশূন্যতা গেজ, নির্গমন গ্যাস পরীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদি সূক্ষ্ম পরীক্ষাণ যন্ত্র দ্বারা ইঞ্জিনের গতিবেগ, জ্বালানি খরচের এর মাত্রা,সিলিন্ডার এর ক্ষয়ের মাত্রা প্রভৃতি সূক্ষ্ম যন্ত্রাদি দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

ইঞ্জিন মেরামতের ধরন ও মাত্রার উপর এর প্রকারভেদ নির্ধারিত হয়। ইঞ্জিন ওভারহলিং সাধারণত তিন প্রকার:যথা

1. টপ ওভারহলিং (Top Overhauling)
2. মাইনর ওভারহলিং (Minor Overhauling)
3. মেজর ওভার হলিং (Major Overhauling)

1. টপ ওভারহোলিং (Top Overhauling): ইঞ্জিন কে মাউন্টিং-এর উপর রেখে এটার হেড বিয়োজন করে কার্বন পরিষ্কার,ভালভ ফেস ও সিট মেরামত প্রভৃতি কার্যাবলিকে টপ ওভারহলিং বলে। এই কাজের সময় ইঞ্জিনের হেড গ্যাসকেট পরিবর্তন করতে হয়।

2. মাইনর ওভারহলিং (Minor Overhauling): টপ ওভারহলিং এর কাজ সহ ইঞ্জিন কে চেসিসের উপর রেখে এটার বিয়ারিং পরিবর্তন, কানেকটিং রড মেরামত, পিস্টন রিং পরিবর্তন, টাইমিং গিয়ার অথবা চেইন পরিবর্তন, অয়েল সিল পরিবর্তন প্রভৃতি কার্যাবলিকে মাইনর ওভারহোলিং বলে।

3. মেজর ওভারহোলিং (Major Overhauling): ইঞ্জিনকে চেসিস থেকে নামিয়ে এটার বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খোলা,পরিষ্কার,পরিবর্তন,মেরামত,পরীক্ষা-নিরীক্ষা,পুন:সংযোজন ও কার্যকারিতা পরীক্ষা প্রভৃতি কার্যাবলিকে মেজর ওভারহলিং বলে।
কপি পোস্ট ধন্যবাদ সবাইকে 🙏

Address

Bhatara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chesta Car Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chesta Car Solution:

Share

Category