Al Hejaz Cars Repairing Garage

Al Hejaz Cars Repairing Garage Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Hejaz Cars Repairing Garage, Motor Vehicle Company, Shaam Ras Al khaima, Ras al-Khaimah.

যে পাঁচটি লক্ষন দেখে বুঝবেন আপনার  গাড়ির ইঞ্জিন ভাল নেই :একটি গাড়ি চলতে সবথেকে বেশী গুরুত্বপূর্ণ হলো ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিনে ...
09/07/2023

যে পাঁচটি লক্ষন দেখে বুঝবেন আপনার গাড়ির ইঞ্জিন ভাল নেই :

একটি গাড়ি চলতে সবথেকে বেশী গুরুত্বপূর্ণ হলো ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিনে কোন গুরুতর সমস্যা থাকলে আপনি আগে থেকেই খেয়াল করতে পারবেন। আগে থেকেই জানুন খারাপ ইঞ্জিন ও এর সমস্যা । সমস্যা অল্প থাকতেই সেরে ফেলুন, তা নাহলে ঘটতে পারে সমূহ বিপদ । আজকে আমরা সে বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করব যে, ঠিক কোন ৫ টি বিষয় দেখে আপনি নিশ্চিত হবেন যে, আপনার গাড়ির ইঞ্জিন ভাল নেই।

👉 ধোঁয়াঃ
গাড়ি থেকে যখন ধোঁয়া বের হয় তখন কখনোই সেটা কোন ভালো লক্ষন হিসেবে ধরা হয় না। অনেক সময় লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন গাড়ির পেছন দিক থেকে এক্সহোস্ট পাইপ দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে । এসব ধোয়ার আবার নির্দিষ্ট রং থাকে । ধোয়ার রং দেখে আপনি বুঝতে পারবেন ঠিক কোন সমস্যা আপনার ইঞ্জিনের হচ্ছে ।

👉 নীল রংয়ের ধোঁয়াঃ
নীল রংয়ের ধোঁয়া বের হওয়ার অর্থ হচ্ছে ইঞ্জিনের ভেতর থেকে তেল অন্য কোন ভাবে বের হচ্ছে এবং জ্বালানির সাথে পুড়ছে। আর এই জ্বালানি পোড়ার ব্যপার বন্ধ করতে সব সময় আপনার ক্র্যান কেসে ইঞ্জিন অয়েল দিয়ে রাখতে হবে। তবে সবথেকে বেশী ভালো হয় যদি আপনি আপনার গাড়িটি কোন মেকানিকের কাছে নিয়ে যান আর গাড়ির নির্দিষ্ট লিকেজ সারিয়ে তোলেন।

👉 সাদা রংয়ের ধোঁয়াঃ
পানি ঘনীভূত বা জমাট বেঁধে ফুয়েলের সরবরাহের স্থানে সাথে মিশে যায়। কার কুলিং সিস্টেমে অ্যান্টি ফ্রিজ জাতীয় পদার্থ যোগ করলে পানি বা অন্য কোন তরল ঢালার আগ পর্যন্ত গাড়িকে গরম হওয়া থেকে রক্ষা করবে । কিন্তু তবুও সবথেকে ভাল বুদ্ধি হলো কোন ভালো সার্ভিস সেন্টার থেকে সমস্যা গুলো সারিয়ে নেয়া। আর যদি গাড়ির হুডের নিচ থেকে ধোঁয়া বের হয় তাহলে বুঝতে হবে আপনার গাড়ির ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে গিয়েছে । আর আপনি গাড়ির টেলপাইপ থেকে বের হওয়া সাদা বর্ণের ধোঁয়া আগে লক্ষ্যই করেন নি। গাড়ি অতিরিক্ত গরম হলে, সাধারণত টেইল পাইপ থেকে আগে ধোঁয়া বের হয় পরে গাড়ির হুডের নিচ থেকে ধোঁয়া বের হয় । ইঞ্জিনের এমন অতিরিক্ত গরম হওয়ার আরেকটি মুখ্য কারণ হচ্ছে , ইঞ্জিনে একেবারেই কোন কুল্যান্ট জাতীয় তরল না ঢালা বা ঢালতে ভুলে যাওয়া।

👉 খারাপ ইঞ্জিন ও বিচ্ছিরি গন্ধঃ
গাড়ি ঠিকভাবে চালাতে চাইলে কীভাবে গাড়ির পার্টসগুলো যত্নে রাখতে হয় সেটা জানতে হবে । গাড়ির পার্টসগুলো বিশেষ ভাবে যত্নে রাখলে গাড়ির ভেতরে বাজে গন্ধ থাকেনা । কিন্তু খারাপ ইঞ্জিন ও এর গন্ধ পুরাই অন্যরকম। গাড়ির ভেতরে বসে কিছু খেলে বাজে গন্ধের সৃষ্টি হতে পারে। সেটা এক জিনিস আর গাড়ির হুডের নিচে গ্যাসোলিন, পেট্রোল এবং অনেক ধরনের ধাতব পদার্থের গন্ধ সেটা অন্য জিনিস। এই ধরনের গন্ধ এক হতে পারে আপনার গাড়ির তেল অথবা কুল্যান্ট লিক করছে , আরেক হতে পারে এক্সহস্ট গ্যাস লিক হয়ে আপনার গাড়ির ইন্টেরিওরে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। গাড়ি এবং ট্রাকে অনেক ধরনের টক্সিক গ্যাস থাকে যেমন- কার্বন মনোক্সাইড । এসব গ্যাসও মারাত্মক দুরগন্ধের কারণ হতে পারে। আর আপনি যদি গাড়ি থেকে বের হয়েও এমন গন্ধ পেতে থাকেন তাহলে অবশ্যই গাড়ি দ্রুত সারানোর ব্যবস্থা করুন। হুডির নিচ থেকে অনেক সময় রাবার পোড়ার গন্ধ আসতে পারে । ড্রাইভ বেল্ট অথবা অন্যান্য পার্টসের বেল্ট যদি নষ্ট বা ছিঁড়ে যায় তখন এমন বাজে গন্ধ ছড়াতে পারে। রাবারের বেল্টের ভেতর যে তরল পদার্থ থাকে সেগুলো পুড়ে বা গরম হয়ে এমন গন্ধ হতে পারে।

👉 ঘড়ঘড় শব্দঃ
ছোটখাটো ক্লিক বা টিক শব্দ খুবই সাধারণ । কিন্তু যদি ইঞ্জিন মোটর স্টার্ট করার সাথে সাথে কোন অদ্ভুত শব্দ পান তাহলে নিশ্চই ব্যাপারটা যথেষ্ট বিরক্তিকর। আর এমন শব্দ নিয়ে গাড়ি চালাতে ভয়ও করার কথা। আর এমন শব্দ যদি আপনার গিয়ারের মধ্যবর্তী জায়গা থেকে সবসময় আসতে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার গাড়ির ট্রান্সমিশন পাল্টানো বা মেরামত করার প্রয়োজন। আর ব্যাপারটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। আর যদি আপনি ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশনে গাড়িটি চালান তাহলে তো দ্রুত পার্টস মেরামতের জন্য বিশেষজ্ঞের উপদেশ প্রয়োজন।

👉 অস্বাভাবিক নড়াচড়াঃ
গাড়িতে কোন রকম অস্বাভাবিক নড়াচড়া, হঠাৎ থেমে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষ্য করলে সাথে সাথে বুঝে নেবেন গাড়িতে খারাপ ইঞ্জিন জনিত সমস্যা রয়েছে । গাড়ি যদি থেমে থেমে পপিং এন্ড রকিং (একটি ডান্স মুভের নাম) মুডে থাকে তাহলে তো ব্যাপক সমস্যা । এ ধরনের সমস্যা হয় মূলত নষ্ট স্পার্ক প্লাগ , জ্বালানি পাইপে ময়লা অথবা গাড়ির প্রধান নিয়ন্ত্রণ পার্টসে কোন সমস্যা ইত্যাদি কারনে। আর এসব সমস্যায় সবশেষে আপনি যা করতে পারেন সেটা হলো গাড়ির এক্সেলেটরে চাপ দিয়ে গাড়িকে একটু সময় দিন যাতে গাড়ি নিজে এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারে। আর যদি অনেক প্রেশার দিয়ে গাড়ির এক্সেলেটর প্রয়োগ করার পরও গতি না বাড়ে তাহলে অবশ্যই কোন অভিজ্ঞ মেকানিকের শরনাপন্ন হোন।

👉 ওয়ার্নিং লাইট / লাল বাতিঃ
গাড়ি চালানো শেখার সময় আপনাকে গাড়ির লাইট নিয়ে মোটামোটি একটি পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করে নিতে হবে। গাড়ির কোন লাইট কি কাজে জ্বলে সেগুলো খুব ভালোভাবে জেনে নেবেন আর সবসময় লক্ষ্য রাখবেন গাড়ি থেকে নামার সময় কোন লাইট জ্বলে রয়েছে কিনা। গাড়ির স্টার্ট নেওয়ার সময় যদি অনেকবার লাইটগুলো জ্বলে আবার নিভে তাহলে বুঝে নিতে হবে গাড়ির কম্পিউটার চেক করে নিচ্ছে কোথাও কোন সমস্যা রয়েছে কিনা। একে একে যখন সব লাইট বন্ধ হয়ে যাবে তখন বুঝবেন এবার আপনার গাড়িটি সঠিকভাবে চলার জন্য তৈরি । আর যদি সবশেষে কোন একটা লাইট জ্বলে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার গাড়িতে খারাপ ইঞ্জিন সম্পর্কিত সমস্যা রয়েছে। এখন সমস্যা বড় না ছোট সেটা নির্ভর করে কোন লাইটটি জ্বলে রয়েছে তার উপর। লাইটগুলো সাধারণত সেন্সরের সাথে সংযুক্ত থাকে । সেন্সর হচ্ছে গাড়ির ব্রেইনের মত কাজ করে। কোন কারনে গাড়ির ইঞ্জিনে বা অন্য কোথাও সমস্যা থাকলে গাড়ির কম্পিউটার সেন্সরের মাধ্যমে লাইট জ্বালিয়ে আপনাকে সতর্ক বার্তা পাঠাবে।

👉 সাধারণত তিনটি সমস্যায় লাইটগুলো জ্বলবেঃ
তেলের পরিমান কমে গেলে
তেলের প্রেশার কম থাকলে
চেক ইঞ্জিন লাইট

লাইট বিভিন্ন অর্থ বোঝাতে পারে । আপনি যদি গ্যাস ক্যাপের স্ক্রু শক্ত করে সংযুক্ত না করেন, তাহলে জ্বলে থাকতে পারে চেক ইঞ্জিন লাইট। এখন এরকম কোন সমস্যা চেক করতে আপনি স্ক্যানার টুল ব্যবহার করতে পারেন । স্ক্যানার টুল দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের মত। স্ক্যানার টুল আপনি আপনার গাড়ির সংযোগ পোর্টে সংযুক্ত করে নেবেন। আর সংযুক্ত করার পর গাড়ির প্রধান নিয়ন্ত্রক পার্টসের মাধ্যমে এই স্ক্যানার টুল আপনাকে জানিয়ে দেবে ঠিক কি সমস্যার কারনে আপনার গাড়ির ওয়ার্নিং লাইট বা লালবাতি জ্বলে রয়েছে।

# collected

27/06/2023

আরাফার দিনের দোয়া

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত। হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আরাফা দিবসের শ্রেষ্ঠ দোয়া এবং আমি ও পূর্ববর্তী নবীরা যা বলেছিল তার সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া হলো, ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

আরাফার ময়দানে অবস্থান হজের অন্যতম আমল। আরাফার ময়দান মক্কা থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

এখানেই হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন। যা ইতিহাসে ‘বিদায় হজের ভাষণ’ হিসেবে পরিচিত।

এখানেই জিলহজ মাসের নবম দিনে ফজরের পর থেকে আরাফার দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব হচ্ছে, জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনে বেশি বেশি নেক আমল করা। বিশেষ করে আরাফার দিবস তথা জিলহজ মাসের নবম দিনে। কেননা দিনটি আল্লাহর নিকট অন্য দিনগুলোর তুলনায় অধিক প্রিয়। বছরের অন্য দিনের আমলের সওয়াবের চেয়ে এদিনের আমলের সওয়াব দ্বিগুণ। তেমনিভাবে এদিনের আমলের সওয়াব আল্লাহর রাস্তায় ব্যয়কারীদের (মুজাহিদ) থেকেও উত্তম। সুতরাং দিনটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে আমাদের করণীয় হলো-

ক. একনিষ্ঠভাবে তওবা করে আল্লাহ দিকে ধাবিত হওয়া।
খ. সৎ কাজের প্রতি মনে আগ্রহ সৃষ্টি করা। যে কাজ করলে আমল কবুল হয় না, সেসব কাজ থেকে দূরে থাকা। অতীতের খারাপ কাজের জন্য জন্য আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করা।

আরাফার দিবসের আমল

এক. রোজা পালন করা। এটা এদিনের সর্বোত্তম আমল। সহিহ মুসলিম শরিফের এক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘আরাফার দিবসের রোজা, পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। ’ তবে এ রোজা হাজিদের জন্য নয়, যারা হজে যায়নি- তাদের জন্য। হাজিদের জন্য আরাফার দিবসে রোজা রাখা মাকরুহ।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বিদায় হজের সময় আরাফার দিবসে রোজা রাখেননি। বরং সবার সম্মুখে তিনি দুধ পান করেছেন। -মুসলিম

ইকরামা থেকে এক বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রা.)-এর বাড়িতে প্রবেশ করে আরাফার দিবসে আরাফার ময়দানে থাকা অবস্থায় রোজা রাখার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আরাফার ময়দানে আরাফার দিবসের রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন। -মুসনাদে আহমদ: ২/৩০৪

দুই. তাকবিরে তাহরিমাসহ জামাতে নামাজ আদায় করা। বেশি বেশি সিজদা করা অর্থাৎ নফল নামাজ পড়া। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘বেশি বেশি সিজদা করা তোমার দায়িত্ব। কেননা, তুমি যদি আল্লাহর জন্য একটি সিজদা করো তাহলে আল্লাহ তোমার একটি মর্যাদা বাড়িয়ে দেবেন, আর একটি গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। ’ –সহিহ মুসলিম: ৭৮৮

তিন. পুরুষের উচ্চ আওয়াজে একাকি তাকবির পাঠ করা। নারীরা নিম্নস্বরে তাকবির বলবে।

চার. আরাফার দিনে বেশি বেশি দোয়া পাঠ করা। আরাফার দিনের উত্তম দোয়া হলো, যেগুলো রাসূলুল্লাহ (সা.) ও পূর্ববর্তী নবীরা পাঠ করেছেন। ওই সব দোয়ার অন্যতম হলো- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদির। ’

এ ছাড়া আরাফার দিনের দোয়াল আল্লাহর কাছে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার দোয়াও করা। আলেমরা ‘সুবহানাল্লাহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ বেশি বেশি পাঠ করার কথা বলেন।

পাঁচ. চোখ, কান ও জিহ্বাকে হারাম কাজ থেকে বিরত রাখা। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আরাফার দিবসে যে তার কান, চোখ, জিহ্বাকে সঠিক কাজে ব্যয় করবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। ’ -শোয়াবুল ঈমান: ৩৭৬৬

ছয়. কোরআনে কারিম তেলাওয়াত করা। কোরআনের অর্থ ও তাফসির পাঠ করা।

সাত. হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরূদ পাঠ করা।

আট. সৎ কাজের আদেশ করা ও অসৎ কাজ থেকে অন্যকে বিরত রাখা।
আল্লাহতায়ালা সবাইকে আরাফার দিবসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে বেশি বেশি নেক আমল সঠিকভাবে সম্পন্ন করার তওফিক দান করুন, আমিন।

27/06/2023
Al Shaam Ras Al Khaimah, Near Adnoc ☎️ 050 690 1854
30/04/2023

Al Shaam Ras Al Khaimah, Near Adnoc ☎️ 050 690 1854

28/04/2023

অর্থনীতি
ব্যবসায়ের সংজ্ঞা কী? ব্যবসায়ের ধরন কত প্রকার ও কী কী?

ব্যবসায়ের সংজ্ঞা
ইংরেজি শব্দ Business এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো ব্যবসায়। সাধারনভাবে, মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যেকোন পণ্যদ্রব্য ও সেবা উৎপাদন, বণ্টন কিংবা বাজারজাতকরণ ও এর সহায়ক সকল বৈধ কাজকেই ব্যবসায় বলা হয়।

মনিষীদের প্রমাণ্য সংজ্ঞা
নিম্নে ব্যবসায় সম্পর্কে বিভিন্ন মনিষীদের দেওয়া উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা গুলো প্রদত্ত হলো :

বি ও হুইলার– এর বলেন, “সমাজে পণ্য ও সেবা সামগ্রী সরবরাহ করে মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে সংগঠিত ও পরিচালিত প্রতিষ্ঠানকেই ব্যবসায় বলা হয়।”

অধ্যাপক নরম্যান রিচার্ড ওয়েনস– মতবাদ করেছেন যে,, “ব্যবসায় হলো এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা বাজারে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পণ্যদ্রব্য উৎপাদন ও বণ্টন কার্যে বা মূল্যের বিনিময়ে সেবাদান কাজে নিয়োজিত থাকে।”

বি.বি. ঘোষ— এর মতে, “পণ্য সামগ্রী উৎপাদন বা বিক্রয়ের মাধ্যমে ধন সম্পদ অর্জনে নিয়োজিত মানুষের সকল কর্মপ্রচেষ্টাকে ব্যবসায় বলা হয়।”

ব্যবসায়ের ধরন কত প্রকার ও কী কী
কাজের উপর ভিত্তি করে ব্যবসায়ের ধরন তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন-

ক্রয়-বিক্রয় জাতীয় ব্যবসা
সেবামূলক ব্যবসা এবং
উৎপাদনমূলক ব্যবসা।
নিম্নে ব্যবসায়ের ধরনগুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো :

১. ক্রয়-বিক্রয় জাতীয় ব্যবসা :
তৈরি পণ্য প্রস্তুতকারণ বা উৎপাদক, পাইকার অথবা অন্য কোনো মধ্যস্থ ব্যবসায়ির নিকট থেকে ক্রয় করে এনে ক্রেতা বা ভোক্তাদের কাছে বিক্রয় করার মতো সীমিত ব্যবসাকে ক্রয়-বিক্রয় জাতীয় ব্যবসা বালা হয়। এ জাতীয় ব্যবসা পাইকারি ও খুচরা ও উভয় ভিত্তিতে পরিচালিত হতে পারে। যেমন : কাপরের দোকান, মুদি দোকান, ঔষুধ ফার্মেসি, মনিহারি দোকান ইত্যাদি।

২. সেবামূলক ব্যবসা :
পণ্য দ্রব্যের গুণ পরিবর্তন করে কিংবা অন্য কোনো ধরনের সেবা প্রদান মূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আয় উপার্জনে নিয়োজিত ব্যবসাকে সেবামূলক ব্যবসা বলে। যেমন : পরিবহন, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ট্রাভেল এজেন্সি, কম্পিউটার কম্পোজ, ফটোকপির দোকান ইত্যাদি।

৩. উৎপাদনমূলক ব্যবসা :
যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির মাধ্যমে কাঁচামাল থেকে আকৃতি ও প্রকৃতিগত পরিবর্তন করে নতুন পণ্য তৈরির কাজে নিয়োজিত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে উৎপাদনমূলক ব্যবসা বলে। এ জাতীয় ব্যবসায়ে কাঁচামালকে উৎপাদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন রূপে পরিবর্তন করে নতুন পণ্য উৎপাদন করে বাজারে বিক্রয় করা হয়। যেমন : গম থেকে আটা, কাঠ থেকে আসবাবপত্র তৈরি, বলপেন তৈরি ইত্যাদি এ জাতীয় শিল্প।

For Sale........  Toyota Camry Model 1998.... Call 0506404036
20/05/2022

For Sale........ Toyota Camry Model 1998.... Call 0506404036

For SALE.............. FordModel 2006.....  RAK UAE.0506404036 Call Me....
20/05/2022

For SALE.............. Ford
Model 2006..... RAK UAE.
0506404036 Call Me....

Address

Shaam Ras Al Khaima
Ras Al-Khaimah

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Hejaz Cars Repairing Garage posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Hejaz Cars Repairing Garage:

Share