26/11/2019
কারও পাইকারী চা পাতা লাগলে ফোন করুন। প্রতি কেজি ২৫০ - ৩৫০ টাকা। Sylhet চা বাগানের পাতা। মিনিমাম অর্ডার ১১0 কেজি। ( Per B***a 55 kgs)
BOP,GBOP,OF,PF,RD.
বাংলাদেশ চা বোর্ড গত ১৬.০৯.২০১৮ খ্রিঃ তারিখে অনলাইন টি লাইসেন্সিং সিস্টেম চালু করেছে। গ্রাহকগণ এখন ঘরে বসে অনলাইনে চা ব্যবসার সকল লাইসেন্স (খুচরা-পাইকারী, বিডার, ব্লেন্ডার ও ব্রোকার) আবেদন করতে পারছেন এবং অনলাইনে লাইসেন্স পাচ্ছেন। এমতাবস্থায়, যারা বাংলাদেশ চা বোর্ড থেকে ইতোঃপূর্বে লাইসেন্স বই গ্রহণ করেছেন, তাদেরকে চা বোর্ডের অনলাইন সিস্টেমে (tealicense.com.bd) ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে নবায়ন করার জন্য আবেদন করতে অনুরোধ করা হলো।
আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ জুড়ে রয়েছে চা। সকালের নাস্তা, বিকালের নাস্তা অথবা অতিথি আপ্যায়ন চা ছাড়া ভাবা যায় না। এছাড়া আড্ডা কি চা ছাড়া জমে?
যাদের পুজি নেই অথচ চাকরী না করে ব্যবসা করতে চান কিন্ত টাকার জন্য করতে পারছেন না, তাদের হতাশ হবার কোন কারন নেই । সামান্য পুজি নিয়েই ব্যবসা শুরু করা যায় এবং ভাল ইনকাম করা যায় । আমি চা পাতার ব্যবসার কথা বলছি । খুব অল্প টাকা ইনভেস্ট করে যে কউ শুরু করতে পারেন । আমাদের চারপাশে অসংখ্য চায়ের দোকান রয়েছে । প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চা খাচ্ছে এসব দোকান থেকে। আর যারা চা বিক্রি করছে, তারা প্রতিদিন ১ থেকে ২ কেজি পর্যন্ত চা পাতা ব্যবহার করছে । আপনি আপনার আশে পাশের মাত্র ৩০টি চায়ের দোকানকে টার্গেট করুন। ধরুন আপনি ৩০টি চায়ের দোকান ঠিক করেছেন যারা আপনার কাছ থেকে প্রতিদিন ১ কেজি চা কিনবে।( আর যদি তারা আধা কেজি চা পাতা করে কিনে তাহলে আপনি ৬০টি চা দোকান ঠিক করুন)। দোকানীরা ১ কেজি চা পাতা ৩৬০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে বিভিন্ন কোম্পানীর কাছ থেকে কিনে । আপনি তাদেরকে এর চেয়েও কম দামে সরবরাহ করবেন। আপনি ভাল মানসম্পন্ন চা ২৫০-৩৫০ টাকা দরে কিনতে পারবেন যা পরিবর্তনশীল । ধরুন আপনি ২৫০ টাকা দরে কিনে দোকানীকে ৩০০ টাকা দরে দিলেন। তাহলে দোকানী এখানেই ৫০ টাকা লাভ করতে পারবে। আর আপনারও লাভ হবে ৫০ টাকা প্রতি কেজিতে । তাহলে ৩০ কেজিতে আপনার লাভ হবে ১৫০০ টাকা প্রতিদিন । আপনি যে সব দোকানীকে চা পাতা দেবেন, তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা নেওয়ার চেষ্টা করবেন। এসব ছোট দোকানদাররা নগদ লেনদেন করে । যদি নগদ নিতে না পারেন, তাহলে পরের দিন অবশ্যই তারা দিয়ে দেবে।
তাই আপনাকে ১কেজি চাপাতা দোকানে দিয়ে পরের দিন টাকা নিতে হবে এবং আরেক কেজি চাপাতা তাদেরকে দিতে হবে । অথ্যাৎ এক কেজি পুজি আপনাকে মার্কেটে রাখতে হবে আর এক কেজির পুজি দিয়ে আপনার মাল কিনে রাখতে হবে। এখন প্রশ্ন হল আপনি কি প্রথম মাসেই ৩০/৬০টি দোকান ঠিক করতে পারবেন। না , এর জন্য আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে । আপনি হয়তো ১ম মাসে ১০টি দোকান ঠিক করতে পারবেন, পরের মাসে আরো ১০টি এবং এর পরের মাসে আরো ২০টি । এভাবে হয়তো ৩০/৬০টি দোকান ঠিক করতে আপনাকে ৩-৪ মাস সময় লাগতে পারে । তবে আমাদের চারপাশে যে হারে চায়ের দোকান বাড়ছে, তাতে আপনি যদি প্রতিদিন ৪-৫ ঘন্টা করে সময় দেন তাহলে এক মাসে অন্তত আপনি ২০ টি দোকান ঠিক করা কোন ব্যাপার হবে না । এজন্য দোকানদারকে বোঝাতে হবে , আপনার পণ্যটি ভাল হতে হবে, তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করতে হবে। আপনি যদি সময় বেশী দিয়ে ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে পারেন, তবে সফলতা আসবেই – এ ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নেই । দোকান বাড়লে আপনি ইনভেস্ট বাড়িয়ে লাভের পরিমানও বাড়াতে পারেন।
অনেক সময় লাখ টাকা বিনিয়োগ করার পরেও ব্যবসা নাও হতে পারে। তবে এতেও কোনো সমস্যা নেই। চা পাতা কোনো না কোনভাবে তো বিক্রি হয়েই যাবে। সেক্ষেত্রে আপনার টাকা লোকসান হওয়ার আশঙ্কা নেই। কারণ পণ্য তো আপনার কাছেই থাকবে।
এছাড়া আপনি চাইলে প্রথমদিন থেকেই লোক নিয়োগ দিয়ে চা পাতা বিক্রি করতে পারেন। অথবা ব্যবসার পরিধি যখন বৃদ্ধি পাবে তখন কয়েকজন বেকার লোকের চাকরি দিতে পারেন। মফস্বল শহরে নিশ্চয় কম টাকায় চাকরি দিয়ে অনেক কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। তবে অন্তত এসএসসি পাস এমন লোক নিলে ভালো হয়। যাতে টাকা-পয়সার হিসাবে কোনো সমস্যা না হয়। এছাড়া আপনার এলাকায় খোঁজ নিলে এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ কিছু লোক পেতে পারেন। তাদের কাজে লাগাতে পারলে ব্যবসা নিয়ে আপনাকে খুব বেশি চিন্তা করতে হবে না।
কারো এ বিষয়ে কোন কিছুর জানার থাকলে আমাকে কল দিতে পারেন।
Collection Tea House
New Market, Juri, Moulvibazar
collectionteahouse@gmail
মোবাইল:01744848354