09/02/2021
Osmani International Airport, Sylhet
(New International Terminal & Infrastructure Development)
বাংলাদেশের সমস্ত বিমানবন্দরগুলো বর্তমানে বড়সড় উন্নয়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তুর্জাতিক বিমানবন্দর ও কক্সবাজার আন্তুর্জাতিক বিমানবন্দরের পর মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় উন্নত করা হচ্ছে সিলেট বিমানবন্দর। এই উন্নয়নের আওতায় প্রথম পর্যায়ে নির্মিত হচ্ছে -
> গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড আন্তুর্জাতিক টার্মিনাল বিল্ডিং
> এপ্রোন
> টেক্সিওয়ে (সীমিত পরিসরে)
> কন্ট্রোল টাওয়ার
> রানওয়ে স্ট্রিপ নির্মান
> এডভান্সড ল্যান্ডিং ইন্সট্রুমেন্ট সিস্টেম
> প্যাসেঞ্জার ফ্যাসিলিটি
এই প্রকল্পের নির্মান কাজের সময়সীমা ধরা হয়েছে ২০২২ সালে। তবে কাজের অবস্থা অনুযায়ী সময়সীমা বাড়বে।
সিলেট আন্তুর্জাতিক বিমানবন্দরের এই নতুন টার্মিনাল ও অন্যান্য ইনফ্রাস্ট্রাকচারের নকশা প্রনয়ন করেছে কোরিয়ান আর্কিটেকচারাল ফার্ম Heerim Architects & Planners. বিশ্বখ্যাত এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে নানা স্থাপনা ডিজাইনের সুনাম ও অভিজ্ঞতা। দক্ষিন কোরিয়ার Incheon International Airport , কাতারের ফিফা বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম Al Thumama, আজারবাইজানের বাকু অলিম্পিক স্টেডিয়াম ডিজাইন সহ প্রায় কয়েকশত প্রকল্প ডিজাইন করেছে এই প্রতিষ্ঠান। সিলেট এয়ারপোর্ট যে ওয়ার্ল্ড ক্লাস টার্মিনাল ভবন পেতে যাচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশে ঢাকার পর দ্বিতীয় এয়ারপোর্ট হিসেবে ওয়ার্ল্ড ক্লাস টার্মিনাল নির্মিত হবে এই সিলেট এয়ারপোর্টে। এক্ষেত্রে কক্সবাজার এয়ারপোর্টের ডিজাইন এখনো চলমান রয়েছে। এছাড়া Heerim Architecs & Planners সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আন্তুর্জাতিক ও ডোমেস্টিক টার্মিনাল ও বরিশাল বিমানবন্দর টার্মিনাল ডিজাইনে কাজ করছে। সেই সূত্রে সৈয়দপুর ও বরিশাল বিমানবন্দের চেহারাও বদলে যেতে চলেছে। বলতে গেলে বাংলাদেশের প্রায় সব বিমানবন্দরের উন্নয়ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের চলমান প্রায় হাজারখানেক মহাপ্রকল্পের মধ্যে এগিয়ে চলেছে এসব উন্নয়ন প্রকল্প। আগে যেখানে বড় প্রকল্প বলতে মেঘনা ও যমুনা সেতু নির্মান করতেই আমাদের ঘাম বেড়িয়ে যেতো, সেখানে আজ ২০২১ সালে এসে মেঘনা যমুনা সেতুর মতো শতখানেক প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। কদিন আগেই দ্বিতীয় মেঘনা, গোমতী ও কাঁচপুর সেতু একসাথে নির্মান শেষ হয়েছে। এভাবেই এগিয়ে যাক বাংলাদেশ। এইসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের চেহারাই বদলে যাবে।