RK Logistics-আর,কে লজিস্টিকস

Website

RK Logistics-আর,কে লজিস্টিকস This is a Car & Vehicle Rental Service. We assure the best service for you. also all kinds of construction equipment we provide for rental service.

Any kinds of Privet car, Microbus (Hiace & others), Truck, Pickup, Cover Van, Ambulance you can hire from us. Contact with us 📞 01910966047

05/07/2025
05/07/2025

একজন স্মার্ট বাইকার হিসেবে যেসব ফিচার আপনার দরকার।

🔹 Anti-lock Braking System (ABS)
ব্রেক চাপলেই হুইল লক? পুরোনো যুগ। এখন চাই ABS!


🔹 Traction Control System (TCS)
বাইকের পা ফসকানোর দিন শেষ। স্কিড গুজবের মতো উড়ে যাক।


🔹 Slipper Clutch & Assist Clutch
ডাউনশিফট মানেই ঝাঁকুনি? Nope, এবার হবে স্মুথ এক্সপেরিয়েন্স।


🔹 Quick Shifter + Auto Blipper (Down Shifter)
গিয়ার বদলাবে লাইটিং স্পিডে, ক্লাচের দরকার নাই।


🔹 Variable Valve Actuation (VVA)
লো আর হাই রেঞ্জ—দুই রাজ্যে একই রাজার শাসন।


🔹 Fuel Injection (FI)
কার্বুরেটর বিদায়—এখন মাইলেজ আর এক্সিলারেশনের ভার ভারসাম্য।


🔹 Ride-by-Wire / Electronic Throttle
থ্রটল নাইলে পা! সেন্সর জানে আপনি কী চান।


🔹 Y-Connect / Ride App Support
বাইক আর মোবাইল—স্মার্ট কাপল, স্নার্ট লাইফ।


🔹 Tubeless Tyres
সাইলেন্ট পাংচারেও চিল।


🔹 Ram Air Intake System
স্পিডে এয়ার ঢুকবে, পারফরম্যান্স গর্জে উঠবে।


🔹 Fully Digital / TFT Meter
তথ্যের ঝলকানি এক চোখে ধরা রোমাঞ্চ।


🔹 Side Stand Engine Cut-Off
সেফটি ছোটখাটো না—জীবন বড়!


🔹 LED Headlamp & DRL
রাত হোক আলোয় মোড়া, দিনেও স্টাইল বজায়।


🔹 Cruise Control (Tourer Models)
লম্বা রাইডে গ্যাস না, শুধু গ্রেস।


🔹 Cornering ABS, IMU Based Control
ঘুরতেই থাকো, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ ছাড়ো না।


🔹 Launch Control
স্ট্যান্ডিং স্টার্টে জ্যাম ছিঁড়ে আগুনে যাত্রা।


🔹 Wheelie Control / Lift Control
পাওয়ার বেশি মানেই পেছনের চাকা লাফাবে? না, ECU তদারকি রাখবে।


🔹 Engine Brake Control (EBC)
ডাউনশিফটে পিছনের চাকা লক করবে না, রাইড থাকবে মাখনসুলভ।


🔹 Adjustable Suspension
নিজের পছন্দমতো সেটিং—নরম, মাঝারি, স্পোর্টস—আপনি চুজ করুন।


🔹 Multiple Ride Modes (Eco, Sport, Rain)
মুড যেমন, রাইড তেমন। এক বাইক বহু রূপে।


🔹 Tyre Pressure Monitoring System (TPMS)
চাকার ভেতরের রাজ্যের খবর আপনি আগে জানবেন।


🔹 Bluetooth Helmet Sync / Voice Command Support
হাত ছাড়াও বাইক চলে—হেলমেট দিয়েই নির্দেশ দিন।


আপনি কী এখনও পুরোনো দিনের ফিচার নিয়ে ঘোরাঘুরি করছেন? নাকি জেনজি বাইকার হতে চলেছেন? 😎

TVS RTR 310 RR ও NK হতে যাচ্ছে আমাদের দেশের সবচেয়ে ফিচার ওয়ালা বাইক। এতে প্রায় সকল ফিচার আপনি পেয়ে যাবেন সাথে আরো বহু ফিচার পাবেন যেমন, গরমে সিট ঠান্ডা হবে শীতকালে আবার গরম হবে। এর ইঞ্জিন কিন্তু BMW এর!!!

🏍️🔧⚡

05/07/2025

থ্রটল বডি বা কার্বোরেটর কখন ক্লিন করবেন জানুন।

থ্রটল বডি বা কার্বোরেটর ইঞ্জিনের জন্য ঠিক যেন মানুষের ফুসফুসের বাতাসের পথ—যেখানে ময়লা জমে গেলে গলা ধরে আসে। তাই এই অংশগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কবে বুঝবেন যে থ্রটল বডি বা কার্বোরেটর পরিষ্কার করার সময় হয়েছে?

প্রথমত, যদি বাইকের অ্যাক্সেল রেসপন্স ধীর হয়ে যায় বা থ্রটল ঘোরানোর সাথে সাথে ইঞ্জিন সাড়া না দেয়, (যেমন আমার ক্ষেত্রে হয়েছে গিয়ার চেঞ্জের সময় রেসপন্স ছেড়ে দিত) তাহলে এটা হতে পারে থ্রটল বডি বা কার্বোরেটরে জমে থাকা কার্বন বা ধুলোর কারণে। দ্বিতীয়ত, যদি আইডল স্পিড (বাইক স্টার্ট দিয়ে হাত না রাখলে RPM ওঠা-নামা করে) অনিয়মিত হয় বা মাঝে মাঝে বাইক বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে পরিষ্কারের প্রয়োজন হতে পারে। তৃতীয় লক্ষণ হলো মাইলেজ কমে যাওয়া। ইঞ্জিন পর্যাপ্ত পরিমাণে বাতাস পাচ্ছে না বলে জ্বালানি বেশি খরচ হতে পারে। আরেকটা লক্ষণ হলো বাইকের এক্সস্ট থেকে ধোঁয়ার রঙ বা গন্ধ অস্বাভাবিক লাগা—এতে বোঝা যায় জ্বালানি ঠিকমতো পোড়াচ্ছে না।

কার্বোরেটর ওয়ালা পুরনো বাইক হলে বছরে একবার, বিশেষ করে বর্ষার পরে পরিষ্কার করা ভালো। আর থ্রটল বডি ওয়ালা বাইক হলে, ইলেকট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন (EFI) সিস্টেম থাকায় ৮০০০-১০,০০০ কিলোমিটার পরপর বা যখন উপরের উপসর্গ দেখা যায়, তখন সার্ভিসিং করানো উচিত। ডাস্টি এরিয়ায় আরো আগেই লাগতে পারে, সেইক্ষেত্রে লক্ষণ দেখে ফিক্স করতে হবে।

পরিষ্কার না করলে শুধু পারফর্মেন্সই না, বরং ইঞ্জিনের আয়ুও কমে যেতে পারে। তাই যারা বলে, “বাইক তো চলছে ঠিকই,” তারা ভবিষ্যতের বিপদ ডেকে আনছে। ইঞ্জিনের নিঃশ্বাসের পথ পরিষ্কার থাকলে বাইকের প্রাণশক্তিও বজায় থাকে। একে অবহেলা নয়, বরং রুটিন হিসেবে নিন। ভালো পারফর্মেন্সের জন্য এটা বাইকের অক্সিজেন মাস্ক।

05/07/2025

🛠️ এই মেটালিক অয়েল ফিল্টার – কে কে ইউজ করছেন?

আমি নিজে ইন্সটল করেছি আর এখন পর্যন্ত একদম চমৎকার পারফরম্যান্স পাচ্ছি! 🔥
এই ফিল্টার দিয়ে ইঞ্জিন অয়েল খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ইঞ্জিনে, যার ফলে পারফর্মেন্স টপ ক্লাস 📈⚡

🎯 সবচেয়ে বড় সুবিধা — এটা ওয়াশেবল এবং রি-ইউজেবোল।
মানে একবার কিনলেই লাইফটাইম ইউজ করা যাবে! 💯
প্রতিবার ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জের সময় শুধু পেট্রোল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে, শুকিয়ে আবার সেট করে দিলেই হয়ে যাবে।

💸 বাজারে দাম পড়বে আনুমানিক ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে।

🧠 যারা এখনো ট্রাই করেননি, তারা চাইলে একটা সুযোগ নিতে পারেন। পারফর্মেন্স লাভ করবেন, আর লং-টার্মে খরচ কমবে নিশ্চিত! 🚀

🏍️🔧

05/07/2025

ক্লাচ প্লেট নষ্ট হয়েছে কিনা বুঝবেন যেভাবে:

বাইক চালাতে গিয়ে হঠাৎ যদি টান কমে যায়, অ্যাক্সেল দেওয়ার পরও গতি না বাড়ে, বা অদ্ভুত একটা গন্ধ আসে—তাহলে সাবধান হন! এগুলো হতে পারে ক্লাচ প্লেট নষ্ট হওয়ার স্পষ্ট লক্ষণ। কিন্তু কেবল অনুমান নয়, বুঝে-শুনে, লক্ষণ ধরে বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। নিচে ক্লাচ প্লেট নষ্ট হওয়ার কিছু বাস্তব লক্ষণ তুলে ধরা হলো:

প্রথমত, আপনি যদি লক্ষ্য করেন বাইক অ্যাক্সেল দিলেও ঠিকমতো গতি পাচ্ছে না—মানে ইনপুট অনুযায়ী আউটপুট মিলছে না—তাহলে ক্লাচ স্লিপ করছে। এটা ক্লাচ প্লেটের ফ্রিকশন কমে যাওয়ার কারণে হয়। যেমন, ৪র্থ বা ৫ম গিয়ারে আপনি হঠাৎ থ্রটল দিলে বাইকের আরপিএম (RPM) বাড়ে, কিন্তু গতি বাড়ে না—এই ‘স্লিপিং ফিলিং’ খুবই স্পষ্ট সংকেত।

দ্বিতীয়ত, বাইক চালানোর সময় যদি পোড়া কাচা তেলের মত এক ধরনের গন্ধ পান, সেটা অনেক সময় ক্লাচ ডিস্ক ও ফ্রিকশন প্লেট বার্ন হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এটা সাধারণত তখন হয় যখন আপনি প্রায়ই হাফ-ক্লাচে চালান বা ট্রাফিকে বারবার ক্লাচ চেপে থামান-চালান করেন।

তৃতীয়ত, গিয়ার পরিবর্তনের সময় যদি খটখট শব্দ হয় বা গিয়ার ঢুকতে সময় নেয়, তখন এটা ক্লাচ প্লেট, ক্লাচ কেবল, বা ক্লাচ স্প্রিং-এর সমস্যাও হতে পারে। তবে এর মাঝে ক্লাচ প্লেট ঘষা খেতে খেতে পাতলা হয়ে গেলে এই ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

আরেকটি লক্ষণ হলো—ক্লাচ অনেকটা হালকা হয়ে যায় বা অল্প চাপে পুরা ক্লাচ disengage হয়ে যায়। এতে বোঝা যায় ক্লাচ প্লেটের ঘর্ষণ কমে গেছে বা ক্লাচ স্প্রিং লুজ হয়ে গেছে, ফলে প্রেসার ঠিকমতো পড়ছে না।

তাছাড়া, বাইক অনেকটা "পাওয়ারলেস" ফিল দেয়, যেমন—হঠাৎ টর্ক কমে যায়, বিশেষ করে লো আরপিএমে। এর মানে বাইক টান হারাচ্ছে কারণ ক্লাচের মাধ্যমে যে পাওয়ার টায়ারে যাওয়ার কথা, তা মাঝপথেই নষ্ট হচ্ছে।

সবশেষে, যেকোনো সন্দেহ হলে বাইকের মেকানিকের কাছে গিয়ে ক্লাচ প্লেট খুলে দেখা বুদ্ধিমানের কাজ। অভিজ্ঞ মেকানিক চোখের দেখাতেই বলতে পারবেন ক্লাচে কতটা প্যাডিং বাকি আছে, বা এটি বদলানো দরকার কিনা।

ক্লাচ প্লেটের কাজ হলো ইঞ্জিনের শক্তিকে চাকা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া। সেটি যদি ঠিকভাবে কাজ না করে, পুরো বাইকের পারফরম্যান্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই আগেই লক্ষণ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একটু খরচ বাঁচাতে দেরি করলে পরবর্তীতে স্প্রোকেট, চেইন, গিয়ারবক্স—সব কিছুতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বাইক টান হারালে, গন্ধ পেলে, গিয়ার ঢুকতে সমস্যা হলে, RPM আর স্পিডে গ্যাপ দেখলে—সতর্ক হন। হতে পারে ক্লাচ প্লেট আপনাকে বিদায় জানানোর জন্য প্রস্তুত!

পোস্টটি যদি আপনার বাইকপ্রেমী বন্ধুদের উপকারে আসে, তাহলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

05/07/2025

টাইমিং চেইনের সমস্যা আছে কিনা কিভাবে বুঝবেন?

সমস্যা বোঝার আগে জানতে হবে টাইমিং চেইন জিনিসটা কি? এটা কি খায় না মাথায় দেয়😂

টাইমিং চেইন:

টাইমিং চেইন ইঞ্জিনের ক্র্যাঙ্কশ্যাফট (crankshaft) আর ক্যামশ্যাফট (camshaft)-এর মধ্যে সিঙ্ক্রোনাইজেশন বজায় রাখে। একে টাইমিং বেল্টের মতোই কাজ করতে হয়, তবে চেইনটা সাধারণত মেটালিক হয় এবং বেশি টেকসই — কিন্তু জিনিস যতই শক্ত হোক, ভুলে গেলে বা অবহেলা করলে খারাপ হতেই পারে।

টাইমিং চেইনের সমস্যা বোঝার ৫টি স্পষ্ট লক্ষণ:

১. ইঞ্জিন থেকে অদ্ভুত শব্দ (Rattling/Clanking Sound) (র‍্যাটেল সাপ🐍 লেজ দিয়ে যেমন শব্দ করে)

> ইঞ্জিন স্টার্ট করার সাথে সাথে যদি খচ খচ, ঝন ঝন বা র‍্যাটলিং টাইপ শব্দ হয়, বিশেষ করে ঠাণ্ডা অবস্থায়, তাহলে ধরুন চেইন লুজ হয়ে গেছে বা স্ট্রেচ হয়েছে।

২. ইঞ্জিন পারফরম্যান্স কমে যাওয়া

> অ্যাকসিলারেট করলেও সাড়া দিচ্ছে না ঠিকভাবে? এমনকি টর্ক কম, পিকআপ কাহিল? এটা টাইমিং চেইনের ডিসঅর্ডার হতে পারে কারণ ইনটেক ও এক্সহস্ট ভাল্ভ ঠিক সময়ে খুলছে না।

৩. চেক ইঞ্জিন লাইট অন

> নতুন মডেলের বাইক বা গাড়িতে ECM/ECU থাকলে, ভুল টাইমিং ধরতে পারে এবং ইঞ্জিন লাইট জ্বালিয়ে দিবে। OBD স্ক্যান করলে ক্যাম-ক্র্যাঙ্ক সিনক্রোনাইজেশন এরর কোড দেখাবে।

৪. মাইলেজ কমে যাওয়া

> ভাল্ভ টাইমিং যদি গণ্ডগোল করে, তখন ফুয়েল বার্ন ঠিকমতো হয় না। ফলাফল? পকেটে ছ্যাঁকা আর ট্যাংকে আগুন! অর্থাৎ, মাইলেজ যাবে কমে।

৫. ইঞ্জিন স্টার্ট না হওয়া বা খারাপভাবে স্টার্ট হওয়া

> যদি টাইমিং একেবারে অফ হয়ে যায়, তাহলে স্টার্ট ইঞ্জিন ঘোরে, কিন্তু ইগনিশন ঠিকমতো হয় না — ফলে স্টার্ট নিতে সময় নেয় বা একেবারেই নেয় না।

আর কী হতে পারে?

ব্যাকফায়ার বা "পট পট" শব্দ এক্সহস্ট থেকে

এক্সিলারেট করলে ইঞ্জিন মিসফায়ার করে

ইঞ্জিনে ভাইব্রেশন বেশি লাগে

ভেরিফাই করার উপায়?

1. মেকানিক দিয়ে টাইমিং মার্ক চেক করান — ক্র্যাঙ্ক ও ক্যাম গিয়ারে যে টাইমিং ডট থাকে সেটা সঠিক জায়গায় আছে কি না।

2. OBD স্ক্যানার থাকলে কোড পড়া — যদি আপনার বাইকে ECU থাকে (যেমন R15, MT, FZ V3), তখন কোড রিড করে বলা যায়।

যদি সমস্যা পান তাহলে করণীয়?

টাইমিং চেইন টেনশনার চেক করুন – এটা অনেক সময় ঠিক মতো চাপ দেয় না।

চেইন স্ট্রেচ হলে রিপ্লেস করুন – বিশেষ করে যদি ৪০,০০০-৫০,০০০ কিমি পার হয়ে যায়।

টেনশনার ও গাইড চেঞ্জ করে ফেলুন একই সাথে – একটার জন্য বাকি দুটো যেন পুরোনো থেকে গিয়ে আবার নতুন চেইন নষ্ট না করে।

ইঞ্জিন যখন “র‍্যাটলিং র‍্যাপ গান” গায়, আর গতি হয় “ধীরে বহে মেঘনা”, তখন বুঝবেন টাইমিং চেইন বাজাচ্ছে নিজের শেষ সুর।

05/07/2025

দেশ থেকে সিসি লিমিট তুলে ফেলা হোক আর যার যার বাইক নিজের ইচ্ছামত কাষ্টমাইজ করার সুযোগ দেয়া হোক। তবে অপরের কষ্ট হয় এমন কিছু যেমন লাউড এক্সহস্ট এর সাপোর্ট করি না। সেই ক্ষেত্রে হালকা বেইজ টাইপ ফ্রিফ্লো এক্সহোস্ট সাপোর্ট করি।

যার বউকে সে সোনার গহনা পরাবে না হীরার গহনা পরাবে সেটা একান্তই তার ব্যক্তির বিষয়। এখানে ফুলিশ নাক গলানোর কে?

বাইকার কমিউনিটি আওয়াজ তুলুন💪

05/07/2025

CBU ও CKD সকল বাইক বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের অনুমতি ব্যতীত শাখা অফিস থেকে রেজিস্ট্রেশন করা হবে না।

05/07/2025

ব্লাইন্ড স্পট – বাইকারদের জন্য একটি নীরব ঘাতক, মারাত্মক হুমকি। চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও যা দেখা যায় না, তাকেই 'ব্লাইন্ড স্পট' বলা হয়। বাইক চালানোর সময় সাইড বা রিয়ারভিউ মিরর সবদিক পুরোপুরি কভার করতে পারে না। বাইকের আশেপাশে কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চল থাকে যা আয়নায় ধরা পড়ে না। সেই অদৃশ্য জায়গায় যদি অন্য কোনো যান বা ব্যক্তি অবস্থান করে, তবে আপনি তা টের পাবেন না, যা ভয়ানক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

অন্য যানবাহনের ব্লাইন্ড স্পটও সমান বিপজ্জনক:

গাড়ি/ট্রাক/বাসের পেছনের কোণ: এগুলোর পেছনের দুই পাশে বিশাল অদৃশ্য অঞ্চল থাকে। আপনার বাইকটি যদি একটি বাসের ডান পাশের পেছনে থাকে, তবে বাস ড্রাইভার আপনাকে দেখতে পাবেন না।

এ-পিলার ব্লাইন্ড স্পট: গাড়ির সামনের পিলার (যেখানে উইন্ডশিল্ড ও সাইড গ্লাস মিলিত হয়) ড্রাইভারের সামনের দৃষ্টি আংশিকভাবে ঢেকে ফেলে। মোড় নেওয়ার সময় এই পিলারের আড়ালে পথচারী বা বাইক লুকিয়ে যেতে পারে।

রিয়ার ভিউ: গাড়ির পেছনের নিচু অংশে (বিশেষ করে সেডান বা এসইউভি) ছোট গাড়ি, বাইক বা শিশু থাকলে রিয়ারভিউ মিররেও তা নাও ধরা পড়তে পারে।

ভারী যানের "নো-জোন": ট্রাক বা বাসের চারপাশে ২০-৩০ ফুট এলাকা জুড়ে ব্লাইন্ড স্পট থাকে। এই জোনে প্রবেশ করলে তাদের ড্রাইভার আপনাকে দেখতে পাবেন না বললেই চলে।

ব্লাইন্ড স্পট কেন এত বিপজ্জনক? আপনি যখন আয়নায় কিছু না দেখে রাস্তা ফাঁকা ভেবে লেন পরিবর্তন বা মোড় নিতে যান, তখন আপনার বাইকের ব্লাইন্ড স্পটে থাকা অন্য কোনো যানবাহন বা পথচারীর সাথে হঠাৎ সংঘর্ষ ঘটতে পারে। একইভাবে, আপনি যদি অন্য যানের ব্লাইন্ড স্পটে অবস্থান করেন (যেমন: ট্রাকের ডান পাশে পেছনে), তবে সেই ড্রাইভার লেন পরিবর্তন করলে আপনি আক্রান্ত হবেন। এর ফলাফল মারাত্মক হতে পারে – পড়ে যাওয়া, গুরুতর আহত হওয়া বা যানবাহন ছিটকে যাওয়া।

বাঁচার উপায়:
১. নিজের বাইকের স্পট চিহ্নিত করুন: আপনার ঠিক পেছনে ও পাশের পিছনের কোণে কী আছে মাথা ঘুরিয়ে দেখুন (শোল্ডার চেক) লেন পরিবর্তনের আগে।
২. অন্য যানের ব্লাইন্ড স্পট এড়িয়ে চলুন: গাড়ি/ট্রাকের পেছনে বা পাশে কখনো দাঁড়াবেন না। তাদের চাকার অবস্থান দেখে বুঝুন ড্রাইভার আপনাকে দেখতে পাচ্ছেন কিনা।
৩. চোখে চোখ রাখুন: ভারী যানের পাশে থাকলে ড্রাইভারের সাইড মিররে আপনার প্রতিফলন দেখে নিন। যদি তার মুখ না দেখতে পান, তবে তিনিও আপনাকে দেখছেন না।
৪. প্রযুক্তি ব্যবহার করুন: ব্লাইন্ড স্পট ডিটেকশন সেন্সর বা রিয়ার ক্যামেরা লাগান। রাতে রিফ্লেক্টিভ গিয়ার পরুন।
৫. এ-পিলার সতর্কতা: গাড়ি চালানোর সময় বাঁক নেওয়ার সময় মাথা সামান্য নড়িয়ে "হিডেন জোন" চেক করুন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম:

"আপনি যদি অন্য ড্রাইভারকে সরাসরি দেখতে না পান, তবে তিনিও সম্ভবত আপনাকে দেখতে পাচ্ছেন না।"
বিশেষ করে ট্রাক/বাসের ড্রাইভারদের উচ্চ সিট ও সীমিত ভিউ এর কারণে তাদের ব্লাইন্ড স্পটে পড়লে আপনার অস্তিত্বই তাদের অজানা থাকবে।

ব্লাইন্ড স্পট শুধু বাইকারদের নয়, সব রোড ইউজারের জন্যই প্রাণঘাতী। সচেতনতা ও কৌশলই পারে এই অদৃশ্য ফাঁদ থেকে রক্ষা করতে। নিরাপদে চালান, বুদ্ধিমত্তার সাথে চালান – আপনার বাইক বা গাড়ি যাই হোক, আয়না ও সরাসরি দৃষ্টির সমন্বয় করুন। মনে রাখবেন, জীবন একটা মূল্যবান রাইড; হঠাৎ করেই তা রাস্তার ধারে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার সুযোগ দেবেন না।

#রাইডারদের_ব্লাইন্ড_স্পট

05/07/2025

বাইক চালাতে জানলেই শুধু হয় না। বাইক লালন পালন করতে হয়।

Address

Holding-992, Bloc-I, 1st Floor, Word No-8, Konabari Gazipur
Gazipur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RK Logistics-আর,কে লজিস্টিকস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category