Nahar Auto Rice Mill

Nahar Auto Rice Mill উন্নত মানের চাল প্রস্তুত কারক ও সরবরাহকারী

12/09/2024

১ নং দিনাজপুরের বিখ্যাত ২৯ সিদ্ধ
পাইকারী দরে পাবেন ০১৮৩৩৪৪০০৯৩

28/04/2024

কোথায় কোথায় নতুন ধান উঠছে???
ধান বিক্রি করার মত কেউ থাকলে রিং দিয়েন। ০১৮৩৩৪৪০০৯৩

08/03/2023

বি আর ২৮ আতপ ২১০০৳
কাঠারি ২৫৫০৳
পায়জাম ১৭০০৳
সমস্ত হিসাব বাংলা মনে।

09/02/2023

সর্ব প্রকারের আতপ চাল প্রস্তুত কারক ও সরবরাহকারী।
যোগাযোগ ঃ ০১৮৩৩৪৪০০৯৩/০১৭১৯১৬৪৯৩৯
পুলহাট, দিনাজপুর।

08/02/2023

সর্না ধান =২৩৮০৳ বস্তা
৭৬.৫ হিঃ
সর্না চাল= ১৭১৫৳ মন (আতপ)
৩৭.৩২৪

03/03/2020

(অবশ্যই জানতে হবে)

নভেল করোনা ভাইরাস আপডেট, ০২/০৩/২০২০।

ভাইরাসের নামঃ SARS-CoV-2
রোগের নামঃ COVID-19

হঠাৎ করে আমরা কেন যেন করোনা ভাইরাস নিয়ে একটু চুপচাপ হয়ে গেছি। এই ভাইরাস আমাদের উপর কখনও আক্রমন করবেনা, এমন একটি ধারনা হয়তো আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে অথবা আক্রমন করলেও এটিকে মোকাবিলা করতে আমাদের সক্ষমতা সীমিত জেনে হয়তো আমরা থম মেরে গেছি।

সত্য কথা বলতে কি, ভাইরাসটি ভয়াবহ ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। গত দশদিনে নতুন ৩৪ টি দেশ যোগ হয়ে আক্রান্ত দেশের সংখ্যা ৭০ তে দাঁড়িয়েছে। উৎপত্তিস্থল চীনের সার্বিক অবস্থার উন্নতি হলেও দক্ষিন কোরিয়া, ইরান ও ইটালীতে এই রোগটির অবস্থা সত্যিই ভয়াবহ। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইটালীর পরে জার্মানীতে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের স্থানের পরিবর্তন ও বিস্তৃত হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা ভীষনভাবে উদ্বিগ্ন। WHO ইতোমধ্যে সারাবিশ্বে প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান। নভেল করোনাভাইরাসের আক্রমন দেশটিতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃতের মিছিল। আজ অবধি আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০১ জন। উদ্বেগের বিষয় গত একদিনে ৫২৩ জন আক্রান্ত হয়েছে, অথচ চায়নাতে বেড়েছে ২০২ জন। আর এ পর্যন্ত মারা গেছে ৬৬ জন । যদিও বিবিসি সহ অন্যান্য বিশ্বস্ত সূত্র মতে এ সংখ্যা ২০০ এর ও বেশি। মৃতের হারও বেশী ইরানে, ৫.৬%। মৃতের হার কেন এত বেশী? প্রথমত বহু কেইস সনাক্ত হয়নি। চীনে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় রোগটির বিস্তৃতি ঘটায় রোগ সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে সহজে। কিন্তু ইরানে রোগীরা বিভিন্ন সোর্স থেকে ভাইরাসটি দ্বারা আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে। তাই শুধুমাত্র যারা সনাক্ত হয়েছে তাদের সংস্পর্শে আসা এবং মুমুর্ষূ রোগীদের সাথে যারা ছিল তাদেরই মুলত ডায়াগনোসিস হয়েছে। দ্বিতীয়ত, চীন যেভাবে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে রোগটি নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করেছে, আইসিইউর যথেষ্ট সাপোর্ট দিতে পেরেছে, ইরান তাতে ব্যর্থ হয়েছে। ইরানের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ছড়িয়ে পড়েছে। এসব দেশের আক্রান্ত রোগীর ইরান ভ্রমনের ইতিহাস আছে। বাংলাদেশের বহু লোক মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চাকুরীরত থাকায় তারা করোনা ঝুঁকিতে আছেন পূর্ণমাত্রায়।

নভেল করোনা ভাইরাস সম্বন্ধে অনেকেই বলছেন, যেসব দেশের তাপমাত্রা বেশী, সেসব দেশে এর সংক্রমন হবেনা। বাংলাদেশে যেহেতু গরম পড়ে গেছে, বাংলাদেশ ঝুঁকিমুক্ত। সারাবিশ্বের বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন পর্যন্ত ভাইরাসটির প্রকৃতি অজানা। সকলের অবগতির জন্যে বলছি। সিঙ্গাপুরে তাপমাত্রা ৩৩ ℃ এবং এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১০৬ জন।

সাধারণত কোন ভাইরাস দিয়ে সংক্রমন হলে, রোগী ওই রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রাপ্ত হন। অর্থাৎ একই ভাইরাস দ্বিতীয়বার আক্রমন করলেও তা প্রতিহত হয়। কিন্তু নভেল করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে ভিন্নরকম ঘটনা ঘটছে৷ চীনের ১৪% মানুষ দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হয়েছে। এটি প্রমান করে ভাইরাসটির মিউটেশনের হার অনেক বেশী। ফলে খুব দ্রুত এটি চেহারা পরিবর্তন করে নিজ এন্টিবডির কাছেই অজানা হয়ে যায়। ফলে নভেল করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ রোগীর রক্তরস পরিসঞ্চালনের মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীর যে চিকিৎসাপদ্ধতি চীন আবিষ্কার করে তা ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে অর্থহীন মনে হয়।

আমরা কি করছি?
রাস্তায় বের হলেই দেখি বহু লোক N95 বা সার্জিক্যাল মাস্ক পড়ে ঘুরে বেরাচ্ছে। N95 মাস্ক ৯৫% পর্যন্ত বায়ুবাহিত জীবানুকে ফিল্টার করতে পারে। খুব আঁটোসাঁটোভাবে মুখ ও নাককে ঢেকে রাখে বলে এটি একেবারেই আরামদায়ক নয়। তাছাড়া এটি পরার আগে ফিট টেস্ট করে নিতে হয়। মানুষদের দেখি সাইজের চেয়ে বড় মাস্ক পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা পরা আর না পরা একই কথা। আর এই মাস্ক ৮ ঘন্টার বেশী ব্যবহার করাও যায়না৷ নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে অনেকেই মাস্কের এত গুরুত্ব দেয়ায় দামও আকাশ চুম্বী হয়ে গেছে। মাস্কের যেহেতু জীবানু ধ্বংসে কোন ভূমিকা নেই, মুখ নাক থেকে নিঃসৃত ভাইরাস এর গায়ে আটকে থাকে ও সেখানে ভাইরাসটি কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারে। মোটকথা, মাস্ক নভেল করোনা ভাইরাসের বিস্তৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মাস্ক মূলত যাদের হাঁচি কাশি আছে তারা পরবেন অন্যকে বাঁচানোর জন্য

আরেকটা কথা, করোনা ভাইরাস respiratory droplet এর মাধ্যমে ছড়ায়, যার সাইজ ৫ মাইক্রনের বেশী হওয়ায় বাতাসে ভাসতে পারেনা। টেবিল, চেয়ার, দরজার হাতল, লিফটের ভেতরের হাতল, সিঁড়ির হাতল , ল্যাপটপ, মোবাইল, যে বস্তু আমরা প্রতিনিয়ত স্পর্শ করি তাতে এই ভাইরাস থাকার আশংকা রয়েছে।

তাই WHO মাস্ক পরার চেয়েও হাত ধোয়ার উপর গুরুত্ব দিয়েছে বেশী।

আসুন,
১. নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুই।
২.ব্যাগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখি।
৩. নিজেদের মধ্যে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখি ( respiratory droplet ৩ ফুটের ভেতরে ছড়ায়)
৪. করমর্দন বা কোলাকুলি পরিহার করি
৫. কাশি শিষ্ঠাচার নিজে মেনে চলি ও সন্তানকে শেখাই।
৬. আপনি যদি ডাক্তার হন, কিছু সার্জিকাল মাস্ক সাথে রাখুন। রোগীর কাশি থাকলে তাকে মাস্ক পড়তে বলুন।যেকোন রোগী দেখার পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।

সিঙ্গাপুরে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যে রোগী নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছেন, তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। আল্লাহ তাকে দ্রুত সুস্থ করে দিন।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন, আমীন

ডা. নুসরাত সুলতানা
সহকারী অধ্যাপক
ভাইরোলজি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
ডিএমসি, কে ৫১

27/02/2020
সরকার চালাতেই হিমশিম খেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয়ে মোট ঘাটতি ছিল ৭২ হাজার কোটি টা...
15/02/2020

সরকার চালাতেই হিমশিম খেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয়ে মোট ঘাটতি ছিল ৭২ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এই ঘাটতি দাঁড়ায় ৫৬ হাজার কোটি। তা সত্ত্বেও পরবর্তী বাজেটে অনুদান বাদেই ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকার ঘাটতি ধরে প্রায় সোয়া ৫ লাখ কোটি টাকার একটা সুবিশাল ব্যয় পরিকল্পনা করে বসে সরকার। এর মধ্যে উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা, বাকিটা সরকারের পরিচালন ব্যয়। আয় ও ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। এনবিআরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। প্রথম ছয় মাস বা জুলাই-ডিসেম্বরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ৩১ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। অথচ এনবিআরকে গতবারের নিট আদায়ের চেয়ে এবার ৪৫ শতাংশের বেশি রাজস্ব আদায় করতে বলা হয়েছিল। বাস্তবতা হচ্ছে, ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ যা গত বছরের রাজস্ব প্রবৃদ্ধির মতোই গতানুগতিক।

কিন্তু সবাইকে অবাক করে নতুন বছরে ব্যয় বাড়ানো হয়েছে প্রায় ১৮%। ফলে পরিচালনার খরচ বড্ড বেড়েছে। বাড়ানো হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা। বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ায় সুদ পরিশোধ ব্যয়সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আকার বাড়ছে উন্নয়ন ব্যয়ের। বাস্তবায়নে অতি দীর্ঘসূত্রতা থাকলেও বড় প্রকল্প তৈরিতে সরকারের রয়েছে বিপুল আগ্রহ। এদিকে অর্থবছরে ৭০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও প্রথম ৫ মাসে ছাড় হয়েছে মাত্র ১৬২ কোটি ডলার। সব মিলে সরকারের আয়ের উৎস একেবারেই সীমিত হয়ে গেছে।

ব্যয় বাড়ালেও আয় কমে যাওয়ায় সরকার এক দশকে সর্বোচ্চ ধার করেছে এ অর্থবছরেই। চলতি অর্থবছরের জন্য ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকার ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নেবে বলে ঠিক করেছিল। অথচ অর্থবছর শুরু অর্থাৎ ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে গত ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার ঋণ নিয়ে ফেলেছে ৪৯ হাজার ১০৯ কোটি টাকা। বিদায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১২ মাসে ঋণ নেওয়া হয়েছিল আরও অনেক কম: ৩০ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা। সরকারের ঋণ নেওয়ার এই ধারা অব্যাহত থাকলে অর্থবছর শেষে তা এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আয়ের তুলনায় ব্যয় যত বাড়ছে, সরকারও তত বেশি ঋণের ফাঁদে পড়ছে। গত অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকারের অর্থায়নের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১১ হাজার ৯০ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরেও তা ছিল সাড়ে ৮৭ হাজার কোটি টাকা। সরকারের নেওয়া মোট অভ্যন্তরীণ ঋণ এখন জিডিপির প্রায় ১৭ শতাংশ। গত ১০ বছরে সরকার সবচেয়ে বেশি বাড়িয়েছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার খাতে। এতে দুর্নীতি না কমলেও ব্যয় বেড়েছে বিপুল। মোট বাজেটের ২৮ শতাংশই খরচ হয় বেতন, ভাতা ও পেনশন খাতে। আরেকটি বড় খাত হচ্ছে ঋণের সুদ পরিশোধ, প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ।

এদিকে যারা ঋণ শোধ করতে না পারার ‘যৌক্তিক’ কারণ ব্যাখ্যা করতে পারবেন, তাদের মোট ঋণের ২ শতাংশ এককালীন নগদ পরিশোধ করলে বাকি টাকা ৭ শতাংশ সুদে ১২ বছরে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এরপরে দেখা গেছে, যারা ঋণখেলাপি ছিলেন না তারাও ইচ্ছাকৃতভাবে খেলাপি হয়েছে। বর্তমানে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লক্ষ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। কিন্তু আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ হিসাবের চেয়ে দ্বিগুণ, ২ লাখ ৪০ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা যা মোট ঋণের প্রায় ২৬ শতাংশ। এর সঙ্গে বাড়ছে অর্থ পাচার।

অর্থবছরের প্রথমার্ধে বৈদেশিক রপ্তানি ৫,২১% কমেছে, আমদানিও কমেছে ৫,২৬%। পুঁজিবাজারে আবারও বড় ধরনের ধস নেমেছে। সূচক সাড়ে চার বছরে সর্বনিম্নে এসে দাঁড়িয়েছে। গত এক দশকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি দ্রুত বাড়লেও কর্মসংস্থানে দেখা দিয়েছে নেতিবাচকতা। ২০১০ সালের পর কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে কমে নেমেছে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশে। অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা যখন এমন, তখন ৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) ‘ব্রাঞ্চ ম্যানেজারদের বার্ষিক কার্যক্রম প্রণয়ন সম্মেলন ২০২০’ এ প্রথমবারের মতো অর্থমন্ত্রী বৈশ্বিক মন্দাভাবের উল্লেখ করে মন্তব্য করে বসেন, 'দেশের অর্থনীতি এখন খারাপ অবস্থায় রয়েছে'। এই স্বীকৃত খারাপ সময়ে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক খুব দ্রুত একের পর এক সিদ্ধান্ত পাল্টাচ্ছে। টাকার মান অবনমন করার কথা বলেও পরে বাদ দেওয়া হয়েছে। সুদের হারে সীমা বসানো হচ্ছে (ঋণ ও আমানতের সুদহার যথাক্রমে ৯ ও ৬ শতাংশে নির্ধারিত)।

ঘোষণা ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা আনা-নেওয়ার পরিমাণ ৫ হাজার ডলার থেকে দ্বিগুণ করে দশ হাজার ডলার করা হয়েছে। ব্যাংক আমানত সুরক্ষা আইন করা হচ্ছে। ঋণ করে ঘি খাচ্ছে উন্নয়ন। সরকারি ঋণ আশঙ্কাজনক স্তরে উঠে যাচ্ছে। স্বশাসিত সংস্থাগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থ রাষ্ট্রের কোষাগারে নিতে আইন করা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের অনেকেই আশঙ্কা করছেন, টাকার খোঁজে দিশেহারা সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে সম্ভবত কিছু ভুল করে বসেছে।

ফাইজ তাইয়েব আহমেদ: নেদারল্যান্ডসের ভোডাফোনে কর্মরত প্রকৌশলী এবং টেকসই উন্নয়নবিষয়ক লেখক।

আরও পড়ুন:

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে বৈষম্য চলছে

বিশ্লেষণ: সরকার কেন এত ঋণ করছে

টাকার খোঁজে সরকার

আরও সংবাদ
বিষয়:
অর্থনীতি

টাকার খোঁজে দিশেহারা সরকার
টাকার খোঁজে দিশেহারা সরকার
অর্থ পাচার: সন্দেহজনক লেনদেনে আমরা কোথায়
অর্থ পাচার: সন্দেহজনক লেনদেনে আমরা কোথায়
বেগমপাড়ায় কি কঠিন দিন আসছে
বেগমপাড়ায় কি কঠিন দিন আসছে
করোনাভাইরাসের বিস্তার: মন্দার ঝুঁকির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি
করোনাভাইরাসের বিস্তার: মন্দার ঝুঁকির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি

মন্তব্য ( ২৪ )
মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
আমরা ফ্লাই ওভারের উন্নয়নের জোয়ারের গল্পঃ শুনতে শুনতে অস্থির হয়ে গেছি! আর অন্যদিকে লোকচক্ষুর অন্তরালে ব্যাংক ও অর্থনীতির অবস্থা বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। কে দেখবে এসব, মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবি আছে দালালী নিয়ে।


User Picture
Shahjahan Ali Musa
যে দেশে মিডিয়া ও সুশীল সমাজ সরকারের প্রতিটি কাজের প্রশংসা ও বন্ধনা করে সেখানে বুঝতে হবে এটা তার উল্টো চিত্র।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
Mega budget, mega projects, mega corruption...all these makes us strongest economy of the world, best FM.


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
The coronomy effect gonna worsen our situation further. Immediate action plan should be taken to fight the coronomy effect.


User Picture
বিপুল
নেদারল্যাণ্ডে বাস করা বিদেশি কোম্পানীতে চাকরি করা এক ইঞ্জিনিয়ারের কাছ থেকে দেশের অর্থনীতির অশনি সংকেতের খবর শোনার চেয়ে দেশে বাস করা অর্থনীতিবিদদের সত্যিকারের রিপোর্ট চাই। এ ধরনের রিপোর্ট আতংক ছড়ায় যা দেশের মানুষের জন্য মোটেই ভাল নয়, আমরা আসল সত্যিটা জানতে চাই।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
আপনি চোখে টিনের চশমা পড়ে ঘুমিয়ে থাকেন আসল সত্যিটা আপনার না জানলেও চলবে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
ভাই কি দেশে থাকেন ?
অতি মাত্রায় গ* সেবনের ফলে এমন কমেন্ট আসে।


User Picture
হরিপদ
ছেঁড়া কাপড় দিয়ে ইজ্জত ঢেকে রাখা যায় না, একদিক ঢাকলে অন্য দিক ফাঁস হয়ে যায়


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
জনাব বিপুল, প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করেছেন। তবে আপনাকে কয়েকটি বিষয় আমলে নিতে হবে।
১। কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ গভর্ণর কিংবা পরিকল্পনা কমিশনের পদ পাবার জন্য অপেক্ষমাণ, তাই উনাদের কাছ থেকে কোন ক্রিটিক্যাল বক্তব্য পাবেন না।
২। শিক্ষক অর্থনিতিবিদদের অনেকেই কথা বলছেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে স্যারদের অসম্মানের করার একটা চল আছে। অনেকেই আত্মসম্মানের জন্য ব্যাল্যান্স করেন। অনেক স্যার রিসার্সের সাথে জড়িত, অতীতে কথা বলার কারণে বেশ কিছু গবেষণা সংস্থার সাথে জড়িত শিক্ষকের ফান্ড আটকে গেছে।
৩। ড. জাহিদ হোসেন, আবু আহমেদ স্যার, এম এ তসলিম স্যার, রাশেদ আম মাহমুদ তিতুমীর স্যার লিখেছেন। সরকার স্যারদের কথা শুনছেন, এমটা দেখা যাচ্ছে না।
৪। এ. বি. মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম নিয়মিত সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছেন সরকার কান দিচ্ছেন না। ড হোসেন জিল্লুর রহমান কথা বলছেন, কিন্তু উনাদের কথা কোন প্রভাব সরকারের নীতি পর্যালোনায় নেই।

ইনারা সবাই সরকাকে যথাসময়ে সতর্ক করার চেষ্টা করছেন মাত্র, এটা আতংক নয়। মিথ্যা বলে আর্থিক বাবল তৈরির চেষ্টা কারো জন্যই সুফল বয়ে আনবে না, দেশ ধীরে ধীরে খারাপ আর্থিক অবস্থায় ঢুকে গেছে। এমতাবস্থায় দরকার-

ক। সরকারের বেপারোয়া খরচের লাগাম টানা
খ। বড় প্রকল্পে অর্থায়নে স্বচ্ছতা আনা, প্রকল্প ব্যয় বাড়ানোর দুর্বিত্তপনা থামানো
গ। প্রশাসনের লাগামহীন দুর্নীতি এবং অতি খরচ সরকারকে বিপদে ফেলতে যাচ্ছে, সরকারের উচিৎ এখনই কৃচ্ছতার কৌশল নেয়া।
ঘ। সরকারি বেসরকারি লোকেদের, ব্যবসায়ীদের লুট থামানো, পাচার থামানো, ঋণ খেলাপি থামানোর আন্তরিক উদ্যোগ নেয়।

আপনাকে ধন্যবাদ।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
কঠিন সময়ে ভালো অর্থনীতি, অভিজিৎ-দুফলো।
https://www.prothomalo.com/economy/article/1639002/ (অনুবাদ- পার্থ শঙ্কর সাহা)

‘অর্থনীতি এত জরুরি বিষয় যে তা শুধু অর্থনীতিবিদদের হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না।’

কঠিন সময়ে ভালো অর্থনীতি বইটির শেষ কথা হলো, ‘ভালো অর্থনীতি কেবল আমাদের রক্ষা করতে পারে না। তবে এটা ছাড়া আমরা পুরোনো ভুলগুলো আবার করতে থাকব। খারাপ ধারণার বিরুদ্ধে সজাগ থাকা, প্রশ্ন তোলা, ধৈর্যশীল থাকা এবং আমাদের জ্ঞাত বিষয়ে সৎ থাকা। এই সজাগ দৃষ্টিভঙ্গি যদি না থাকে, তবে বৃহত্তর সমস্যাগুলোর সমাধান খোঁজার চেষ্টা শুধু স্লোগানসর্বস্ব হয়ে থাকবে।’

অভিজিৎ-দুফলোর কথা, ‘আর এ কাজের আহ্বান শুধু যাঁরা অর্থনীতিবিদ, তাঁদের জন্যই নয়। এটা সবার জন্য, যাঁরা একটা উন্নততর, বিবেকবান, অধিক মানবিক সমাজ চান।’ ভালো অর্থনীতির সন্ধানদাতারা অবশ্য আবারও স্বীকার করেন, ‘অর্থনীতি এত জরুরি বিষয় যে তা শুধু অর্থনীতিবিদদের হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না।’


User Picture
Nurur Rahman
সরকার চালাতেই হিমশিম খেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি------ সরকারেরই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে আম জনতার কি হাল?


User Picture
Hridoy Hasan
বড় প্রজেক্ট সব এক সাথে ধরা লেগেছিলো কেন? পদ্মা সেতুতে যেহেতু বেশি টাকা খরচ হচ্ছে, এইটা আগে শেষ করলেই পারতো। মেট্রো রেল তো অনেক বড় প্রজেক্ট টাইমও লাগবে বেশ। যাই করুক সরকারের নীতিনির্ধারকদের প্রতি আবেদন দেশের অর্থনীতিটা পাকিস্তানের মত ডুবাবেন না প্লিজ, পরে যেন দেশে দেশে হাত পাততে না যাওয়া লাগে।


User Picture
হরিপদ
পাকিস্থানীরা বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ নিয়ে আসছে বাংলাদেশে, আগামী এপ্রিলে চূড়ান্ত চুক্তি, সকল আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
সত্য কথা, দেশের অর্থনীতি দ্রুতই বদলে যাচ্ছে। অর্থনীতি মজবুত না করে সাজসজ্জা বাড়ায়ে ফুটানি দেখানোর কিছু নাই। আমার অর্থনীতি কিছু মুষ্টিমেয় লোকের হাতে জিম্মী। ব্যবসায় করতে নামবেন কিন্তু রাজনৈতিক ছত্রছাঁয়া ছাড়া তেমন কিছুই করতে পারবেন না। ভিয়েতনাম এর মতো দেশে মাত্র কয় বছরে তাদের গার্মন্টেস ব্যবসায়ের প্রসারতা দেখেছেন ? একমাত্র ব্যবসা বান্ধব সরকারের কারনেই সম্ভব হয়েছে। আমরা এমন একটা জায়গাতে আছি, নিজেদের আগামী কাল কি হবে তা বুঝতে পারছিনা। আমাদের অনেক আক্ষেপ আছে, কিন্তু কিছু করার নেই। মাঠে নামতে বলবেন ? সবারই একদিন না একদিন দেয়ালে পিঠ ঠেকবে তখন না হয় বুঝে নেবেন।

লেখককে ধন্যবাদ তার লেখাটি শেয়ার করার জন্য।


User Picture
Biplab Roy
দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সবকিছু যদি Manufactured Divinity তত্ত্ব অনুসারী হয়ে ব্যক্তির পচ্ছন্দ-অভিলাষ-ইচ্ছা আর তাঁর তৃপ্তিমুখি হয়, তখন গ্রামীণ প্রবচনটাই বাস্তব রূপ নেয়……… ‘পাঁচসিকা কামাই করলাম দেড় টাকা খাইয়া’ । আইয়ুব খান করেছিল ।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
Unskilled minister & undemocratic government is the conflict for the circumstance. Economical Minister doesn't know-how to improve global Economy & increase employee or workplace for people. A budget is nothing & no consistency value for the public, Public is the only viewer. Unelected government is responsible to save his chair heartly but she doesn't think about people what they will do.
Hasina's Government is increment salary every year for govt. staff at the same time all companies are increasing the rate of daily goods but she doesn't seem how to maintain general or private people life.
Minister & govt employees of Every department has the right to make the extra money that called honour money in the mean by a bribe.
Some broker of Awamileague & her parties member or named of Freedom Fighting organization are support govt wrong activities instead of knowing fraud.


User Picture
Md
সরকারি কর্মচারীদের এতো বেতন ভাতা বৃদ্ধি কিন্তু সেবার মান দিন দিন নিচে নামছে কেন? নাকি এগুলোই এই সরকারের উন্নয়ন!


User Picture
হরিপদ
২০১৪ সাল থেকেই এই অবস্থা শুরু হয়েছে, চাপাবাজী দিয়ে আর কত ঢেকে রাখবে?


User Picture
Shahjahan Ali Musa
সরকার গলাবাজি তো কম করছে না। অর্থনীতি এগিয়ে গেছে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পুন্ন যদিও ভারত হতে খাদ্য শস্য না আসলে 200/-কেজি চাল খেতে হবে। দাম কমাতে বাংলার কৃষক আর ধান উৎপাদন করতে আগ্রহী নয়, অনেকে উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
সূচক দিয়ে কী হবে? দেশের অর্থনীতি সারা বিশ্বকে টেক্কা দিচ্ছে। শীর্ষ ৫ জিডিপির তালিকায় বাংলাদেশ অবস্থান করছে। গত বছর আমার আয় বেড়েছে পূর্বের বছরের তুলনায় ১০০ গুণ। গুণে দেখি গত বছরে আমি মালিক ছিলাম ৯০ হাজার টাকার। প্রবৃদ্ধির হিসাবে আমি বাংলাদেশের শীর্ষ দশ জনের মধ্যেই থাকবো।


User Picture
Md. Tuhin Jubayed
এগুলোই এই সরকারের উন্নয়ন!


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
চীন ভারতের অর্থনৈতিক মন্দা আমাদের ভোগাবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু এর থেকে বের হওয়ার জন্য চীন ভারতের উপর আমাদের অর্থনীতি নির্ভরতা কমাতে হবে। মধ্য এশিয়া,আফ্রিকা,পূর্ব ইউরোপ,দক্ষিণ,মধ্য আমেরিকার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের ব্যাবসায়িক,কূটনৈতিক সম্পর্ক বাড়াতে হবে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
পরস্পর আন্তঃ সম্পর্ক উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থায় এটা খুব কঠিন ও দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে ধীরে ধীরে চীন ও ভারত নির্ভরতা কাটানো গেলে খুব ভালো হবে, এটে দেশে কর্মসংস্থান বাড়াবে।

তবে তার আগে নিজস্ব ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাকে ব্যবসা বান্ধব করতে হবে। ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে লুটপাট আর ঋণ খালাপি প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। সাথে সাথে সরকারের বেপারোয়া খরচ, অপচয়ের লাগাম টান্তে হবে। দ্রুত ও সাশ্রয়ী প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। আগের একটি মন্তব্যে বলা হয়েছে- সরকারের নিন্মোক্ত কাজ গুলো করা দরকার-

ক। সরকারের বেপারোয়া খরচের লাগাম টানা
খ। বড় প্রকল্পে অর্থায়নে স্বচ্ছতা আনা, প্রকল্প ব্যয় বাড়ানোর দুর্বিত্তপনা থামানো
গ। প্রশাসনের লাগামহীন দুর্নীতি এবং অতি খরচ সরকারকে বিপদে ফেলতে যাচ্ছে, সরকারের উচিৎ এখনই কৃচ্ছতার কৌশল নেয়া।
ঘ। সরকারি বেসরকারি লোকেদের, ব্যবসায়ীদের লুট থামানো, পাচার থামানো, ঋণ খেলাপি থামানোর আন্তরিক উদ্যোগ নেয়।


User Picture
jesper
রাজনৈতিক প্রভাবশালী, ব্যাংক মালিক, পরিচালক ও ব্যবসায়ী—এই চার পক্ষ বোঝাপড়ায় চলছে লুটপাট ।লুটপাটের টাকা সেকেন্ড হোমে জমে পাহাড় হচ্ছে । ইনডেমনিটির মত লুটেরাদের সুরক্ষা আইন হয়েছে ।এখন বাকী রইল নন ব্যাংক খাত স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থের লুটপাটের আয়োজন ! ডাকাত এসেছিল ......শুধু লুটপাট করেই ক্ষান্ত হয়নি যাওয়ার আগে আগুন দিয়ে সব ছারখার করে দিয়ে গেছে !


সব মন্তব্য
দিল্লির ভোট: ভারতীয় গণতন্ত্রের অগ্নিপরীক্ষা
আগের সংবাদ
জানতে হবে কোথায় থামতে হবে
পরের সংবাদ

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে: প্রধানমন্ত্রী
সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম সিটিতে আ.লীগের প্রার্থী রেজাউল, পাঁচ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত
মেয়র নাছির বাদ, চট্টগ্রাম সিটিতে আ.লীগের প্রার্থী রেজাউল
বাংলাদেশ
কষ্টে পাওয়া জয়ে রিয়ালের সঙ্গে সমতায় বার্সা
কষ্টে পাওয়া জয়ে রিয়ালের সঙ্গে সমতায় বার্সা
খেলা
বিদেশ থেকে আসা ফোনকলের খরচ কমাল বিটিআরসি
বিদেশ থেকে আসা ফোনকলের খরচ কমাল বিটিআরসি
বাংলাদেশ২

‘অর্থনীতিবিদেরা প্রায়শই ভুল করেন, করতে পারেন। এই বইতে আমরা যেমনটা করেছি।’ এভাবেই নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথা জান...

Address

Dinajpur

Telephone

01719164939

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nahar Auto Rice Mill posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share