KHS Bike Modification and Bike Technology

KHS Bike Modification and Bike Technology This page is contain Bike Modification and Bike Related Technology. Also we provide support for bike technical things.

10/05/2020

★মিনারেল নাকি সিনথেটিক: গাড়িতে কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল বেশি কার্যকরী?

গাড়ির প্রাণ হচ্ছে ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিনকে বাঁচিয়ে রাখে ইঞ্জিন অয়েল। ইঞ্জিন অয়েল আবার কয়েক রকম হতে পারে। যেমন মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল, সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল , সেমি সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল। কিন্তু কোন ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা গাড়ির জন্য ভাল এবং যুক্তিযুক্ত এই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন অয়েলের বিভিন্ন রকম সুবিধা অসুবিধা থাকে। সেসব ভালোমন্দ বিবেচনা করেই গাড়িতে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা উচিৎ। তার আগে এই বিভিন্ন রকম ইঞ্জিন অয়েল সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।

মিনারেল অয়েল

প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন অপরিশোধিত তেলকে পরিশোধনের পর যদি গাড়ির ইঞ্জিন চালনার জন্য ব্যবহার করা হয় তাহলে সেগুলোকে মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল বলা হয়। মিনারেল ইঞ্জিন অয়েলে কোনো ধরণের কেমিক্যাল যোগ করা হয় না। প্রাকৃতিক ভাবে যে তেল পাওয়া যায় সেটিই শুধু পরিশোধন করে ব্যবহার করা হয়। সাধারণত ক্রুড অয়েল থেকে মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল পাওয়া যায়।

সিনথেটিক অয়েল

গাড়ির ইঞ্জিনের সেরা এবং সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স নিশ্চিত করার জন্য যেসব তেল উচ্চমাত্রার পরিশোধিত এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক কেমিক্যাল যুক্ত করে তৈরি করা হয়ে থাকে সেগুলোকে সিনথেটিক অয়েল বলা হয়ে থাকে। সিনথেটিক ওয়েলে যেসব কেমিক্যাল যুক্ত করা হয় সেগুলো ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যুক্ত করা হয়ে থাকে।

সেমি সিনথেটিক অয়েল

সেমি সিনথেটিক বলতে সিনথেটিক এবং মিনারেল অয়েলের মিশ্রণকে বুঝানো হয়ে থাকে। অর্থাৎ যেসব ইঞ্জিন অয়েলে একই সাথে প্রাকৃতিক এবং সিনথেটিক ওয়েল দুটোই থাকে সেগুলোকে সেমি সিনথেটিক অয়েল বলা হয়ে থাকে। মূলত মিনারেল অয়েলের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য তার সাথে সিনথেটিক অয়েল যুক্ত করে সেমি সিনথেটিক অয়েল তৈরি করা হয়ে থাকে। তবে এই দুই ধরণের অয়েলের মিশ্রনের অনুপাতে সিনথেটিক অয়েলের পরিমান সর্বোচ্চ ৩০% । বাকি ৭০ ভাগ মিনারেল অয়েল।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে গাড়ির ইঞ্জিনের জন্য কোন ধনের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা বেশি ভাল এবং যুক্তিযুক্ত। দাম, ব্যবহার উপযোগিতা, কার্যকরণ বিভিন্ন কারণে একেকজন একেক ধরণের তেল ব্যবহার করে থাকেন। কোন ধরণের তেলের কী কী সুবিধা-অসুবিধা, ভালোমন্দ তা যাচাই করে; তবেই গাড়ির জন্য ইঞ্জিন অয়েল নির্বাচন করা উচিৎ।

মিনারেল ইঞ্জিন অয়েলের সুবিধা অসুবিধা

সুবিধা

দাম কম- মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল প্রাকৃতিক উপায়ে উত্তোলিত হয় বিধায় এই তেলের দাম কম।

সহজলভ্য- মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল সহজেই সবখানে পাওয়া যায়।

গাড়ির চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম- মিনারেল ইঞ্জিন অয়েলে কোন অতিরিক্ত কেমিক্যাল যুক্ত না করা হলেও, এই তেল দিয়ে গাড়ির বেসিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

অসুবিধা

মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল বারবার পরিবর্তন করতে হয়।

ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত কোন কেমিক্যাল যুক্ত থাকে না।

ইঞ্জিনের সেরা পারফর্মেন্স সবসময় পাওয়া যায় না।

ইঞ্জিনের নকিং মাঝে মাঝে বাড়তে পারে।

দ্রুতই ঘনত্ব হারিয়ে পাতলা হয়ে যায়।

কখনো কখনো গাড়ির পার্টসের ক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় মিনারেল অয়েল।

উচ্চতাপে বা খুব ঠান্ডা তাপমাত্রায় এই তেল খুব একটা কার্যকরী হয় না।

সিনথেটিক অয়েলের সুবিধা অসুবিধা

সিনথেটিক অয়েল এমন এক ধরণের জ্বালানি যা গাড়ির ইঞ্জিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছিল। ফলে গাড়িতে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার বেশ কিছু সুবিধা আছে। এইসকল সুবিধার জন্য অনেক গাড়ি চালকই সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার দিকে ঝুকছেন।

সুবিধা

সিনথেটিক অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার সাথে সাথেই কাজ করা শুরু করে। যেখানে মিনারেল অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার পর পুরোপুরি কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগে। এছাড়াও গাড়ির পার্টস ভাল রাখতে এবং ইঞ্জিনের নকিং বন্ধ করতে সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েলের সুনাম রয়েছে। নিচে সিনথেটিক অয়েলের আরো কিছু সুবিধা দেয়া হলো

অল্প বা ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় বেশ কার্যকরী

অধিক বা উচ্চ তাপমাত্রায়ও কাজ করে

ইঞ্জিনের ময়লা জমতে দেয়না এবং ইঞ্জিন ডাস্ট ক্লিন রাখে

ঘর্ষণ এবং নকিং কম হয় ফলে ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব বাড়ে।

সহজে পাতলা হয়ে যায়না বিধায়, বাষ্প হয়ে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করে।

সর্বোচ্চ পরিমাণে পরিশোধিত বিধায় ক্ষতিকারক কেমিক্যাল নেই বললেই চলে

কম সময়ে কাজ করতে শুরু করে।

তেলের মধ্যে আনবিক অনুপাত সবসময় সমান থাকে বিধায় কার্যকারিতাও সবসময় একই রকম থাকে।

অসুবিধা

সিনথেটিক অয়েলের যেমন সুবিধা আছে, তেমনি কিছু অসুবিধাও আছে।

সিনথেটিক অয়েল বেশ পিচ্ছিল। তাই নতুন গাড়িতে বা ইঞ্জিনে সিনথেটিক অয়েলে লুব্রিকেন্ট হিসেবে এই তেল সঠিক বেক-ইনের জন্য প্রথম প্রথম কার্যকরী হতে সময় লাগে। তাই নতুন গাড়িতে সিনথেটিক অয়েলের আগে কিছুদিন মিনারেল অয়েল ব্যবহার করে নেয়া ভাল।

ইঞ্জিনে মিনারেল অয়েলের চাইতে বেশি তাপ উৎপন্ন করে।

মিনারেল অয়েলের চাইতে সিনথেটিক অয়েলের দাম অনেক বেশি

অনেকেই সিনথেটিক অয়েল সম্পর্কে সঠিকভাবে সচেতন নন।

অনেক সময় হাতের কাছে চাইলেই সিনথেটিক অয়েল পাওয়া যায় না

অল্প সিসির গাড়িতে এই তেল ব্যবহার করা কিছুটা ব্যয়বহুল।

কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করবেন?

আপনার গাড়ির ব্যবহার এবং পরিবেশের উপর তেলের ব্যবহার অনেকখানি নির্ভর করে থাকে।

আপনার গাড়িটি যদি নিয়মিত ট্রিপ দিয়ে থাকে এবং অনেক সময় ধরে ব্যবহার হয়ে থাকে তাহলে গতানুগতিক তেল ইঞ্জিনের অতিরিক্ত ময়েশ্চার পুরোপুরিভাবে পুড়িয়ে ফেলতে পারে না। এক্ষেত্রে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করা ভাল।

আপনি যদি অধিক শীত বা ঠাণ্ডা অবস্থায় গাড়ি ব্যবহার করে থাকেন সেক্ষেত্রে মিনারেল অয়েলের চাইতে সিনথেটিক অয়েল বেশি কার্যকরী।

গাড়ির সর্বোচ্চ কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে চাইলে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

সিনথেটিক অয়েল যেহেতু ব্যয়বহুল তাই আপনার সামর্থ্যর কথা বিবেচনা করে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

যদিও সিনথেটিক অয়েল অধিক মাইলেজের জন্য ভাল, তাও মাঝে মাঝে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা উচিৎ।

পরিবেশের কথা চিন্তা করলেও সিনথেটিক অয়েল কিছুটা ভাল। কারণ এই তেল সম্পূর্ণ পরিশোধিত হয় বলে এতে ক্ষতিকারক কেমিক্যালের পরিমান কম থাকে।

যাদের সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার ইচ্ছা আছে কিন্তু দামের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই তেল কিনতে পারেন না। তারা সেমি সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে কম দামেও তেল ব্যবহার করে ইঞ্জিনের যত্ন নেয়া সম্ভব। সিনথেটিক অয়েল গাড়ির কার্যকারিতা বাড়ায় তাতে কোন সন্দেহ নেই।

বিঃদ্রঃ পোষ্টটি প্রহরী ডটকম হতে সংগৃহীত,,। ছবি ইন্টারনেট থেকে,,।

24/04/2020

🌱 লুব্রিকেন্ট/ইন্জিন অয়েল সম্পর্কে যা কিছু জানা প্রয়োজনঃ

লুব্রিকেন্ট হল ইঞ্জিনের কাছে রক্তের মত একটা বস্তু। মানুষ যেমন রক্ত ছাড়া বাচতে পারে না, তেমন ইঞ্জিনও ইন্জিন অয়েল ছাড়া অচল।

‌‌‌👀 সহজ ভাষায় লুব্রিকেন্ট/ ইঞ্জিন অয়েল কি?

যে কোন মুভিং পার্টসেই ঘর্ষণ হয়, আর ঘর্ষণ এর ফলে ক্ষয় তো হবেই যেটাকে বলা হয় (wear and tear)। এই wear and tear কমানোর জন্য আমরা যা ব্যবহার করি তাই হল লুব্রিকেন্ট। তার মানে হল ঘর্ষণ এর ফলে ক্ষয় কমানোর জন্য (বন্ধ করার জন্য না কিন্তু, এইটা সম্ভব না) আমরা যা ব্যবহার করি তাই লুব্রিকেন্ট।

👀 গাড়িতে তো আর মুভিং পার্টস এর অভাব নাই। ইঞ্জিন,চাকা সব কিছুতেই মুভিং পার্টস আছেই। ইঞ্জিনের জন্য ইঞ্জিন অয়েল, গিয়ারের জন্য গিয়ার অয়েল, চাকার জন্য চাকা বা হুইল অয়েল বলে কি কিছু আছে?

আছে, চাকা তে আমরা যে গ্রিজ ব্যবহার করি সেটা ও লুব্রিকেন্ট। গ্রিজ ও কিন্তু ঘর্ষণ কমানোর জন্য ই ব্যবহার করা হয়।

পদার্থের যেমন তিন অবস্থা তেমনি লুব্রিকেন্ট এর ও তিন অবস্থা শুধু গ্যাস এর বদলে সেমি-লিকুইড।
👌লিকুইড লুব্রিকেন্ট (ইঞ্জিন বা গিয়ার অয়েল)
👌 সেমি-লিকুইড লুব্রিকেন্ট ( গ্রিজ )
👌 আর সলিড লুব্রিকেন্ট (গ্রাফিন, গাড়িতে ব্যবহার হয় না)

ব্রেক অয়েল ও কিন্তু আছে, সেটা কিন্তু লুব্রিকেন্ট না কারন ওইটা পাওয়ার ট্রান্সমিশন করে, ঘর্ষণ এর ফলে ক্ষয় কমায় না।

👀 এখন কি কাজ করে এই লুব্রিকেন্ট?

১) ঘর্ষণ কমাই..
২) ঘর্ষণ কমলে স্মুথনেস বাড়ে..
৩) স্মুথনেস বাড়লে পাওয়ার লস কম হয়..
৪) পাওয়ার তো তাপ হিসাবে লস হয় তাই পাওয়ার লস যেহেতু কমায় তার মানে তাপ কম বের হয় মানে লুব্রিকেন্ট কুলিং এর কাজ ও করে..
৫) এত কিছু করলে গাড়ির খরচ পাঁতি ও কমে মানে মেইনটেনেন্স খরচ কমে যায়..

৪-৫ টা কাজ সে করে যেগুলা একটা অন্যটার সাথে কিভাবে রিলেটেড সেটা আমরা দেখলাম।

👀 এখন জানব একটা ভালো লুব্রিকেন্ট এর কি কি বৈশিষ্ট থাকা উচিৎ...👇👇

১) Viscosity Index:

Viscosity Index বেশি থাকতে হবে (বেশি আবার খুব বেশি না, যথাযথ ভাবে থাকতে হবে)। Viscosity হল ফ্লুয়িড প্রবাহিত হতে যে বাধা সেটা। যেমন পানির চেয়ে মধু আস্তে আস্তে প্রবাহিত হয়, মানে বাধা বেশি। মানে মধুর Viscosity বেশি। যার Viscosity বেশি সে অনেক চাপে ও সংকুচিত হয় না বা খুব কম সংকুচিত হয়। আবার এই Viscosity তাপমাত্রা বাড়লে কমে যায়। আর Viscosity Index হল তাপমাত্রার সাথে Viscosity এর পরিবর্তন।
২) Flash and Fire Points:

Flash and Fire Points অপারেটিং মানে লুব্রিকেন্ট টা যে অঞ্চলে অথবা যেখানে ব্যবহার করা হবে সেখানের বা সে অঞ্চলের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হতে হবে তা না হলে লুব্রিকেন্ট নিজেই জ্বলে উঠবে।

৩) Cloud and Pour points:

Cloud and Pour points অপারেটিং মানে লুব্রিকেন্ট টা যেখানে ব্যবহার করা হবে সেখানের তাপমাত্রার চেয়ে কম হতে হবে। লুব্রিকেন্ট টা যদি আস্তে আস্তে ঠাণ্ডা করা হয় তাহলে একটা সময় এটা ঠাণ্ডা হয়ে কুয়াসার মত হবে আরও ঠাণ্ডা করলে সেটা এক সময় আর প্রবাহিত হবে না। প্রথম অবস্থাকে Cloud Points আর পরের অবস্থাকে Pour Points বলে। এখন Cloud and Pour Points যদি অনেক কম না হয় তাহলে দেখা যাবে ঠাণ্ডার দেশে লুব্রিকেন্ট জমে বরফের মত হয়ে যাবে ।

৪) Oiliness:

এটার অনেক বেশি পিচ্ছল ভাব (oiliness) থাকতে হবে।

আরও কিছু আছে যেমন volatility কম হতে হবে না হলে লুব্রিকেন্ট উড়ে যাবে, detergent quality ভালো থাকতে হবে, Carbon deposit কম হতে হবে এই সব হল একটা আদর্শ লুব্রিকেন্ট এর বৈশিষ্ট্য আর কেন এই গুলা থাকা দরকার সেটাও কিছুটা বললাম।

👀 এতক্ষণ আমরা দেখলাম ভাল লুব্রিকেন্ট কি? এর বৈশিষ্টগুলো কি আর কেনই বা কোন লুব্রিকেন্টকে ভাল লুব্রিকেন্ট বলা হবে। এখন কথা হচ্ছে ভালোর তো শেষ নাই, বাজারে গেলেন আপনাকে একটা লুব্রিকেন্ট হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল ভাই এইটা ভাল তখন আপনি কি করে বুঝবেন?এইটা তো আর মিষ্টি না যে একটু খেয়ে দেখলাম ভাল হলে নিব না হলে বাদ! সেই সুযোগ লুব্রিকেন্ট এর ক্ষেত্রে নেই। তাহলে উপায়?

👉 👉 উপায় হল কিছু ইন্সিটিউট (API, SAE) আছে যারা লুব্রিকেন্ট এর ক্লাসিফিকেশন ও বৈশিষ্টের এর উপর ভিত্তি করে গ্রেডিং দিয়ে থাকে। আমরা সবাই যেন ভাল ভাবে বুঝতে পারি আমাদের কোন লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা দরকার। এই কাজটা এনারই করে দেন।

আসুন আমরা কমন কিছু ইঞ্জিন অয়েলের ক্লাসিফিকেশন এবং কিসের জন্য ব্যবহার করা হয় জেনে নিই।

API – American Petroleum Institute

SAE (Society of Automotive Engineers)

JASO – The Japanese Automotive Standards Organization

“S” grade stands for Petrol vehicles. (Sprak Ignition)

“C” grade stands for Diesel vehicles.(Compression)

“W” for Winter

Multi grade

Single grade

EP – Extra Pressure

MA – Grade for Wet Clutch type vehicles (HIGH FRICTION VEHICLES. Non Clutch Slipping Oil)

MA2- Next version of MA(HIGH FRICTION VEHICLES Non Clutch Slipping Oil)

MB – LOW FRICTION VEHICLES(NOT RECOMMENDED. Clutch Slipping Oil)

👀 এখন দেখি বাজারে কি রকম লুব্রিকেন্ট পাওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রায় ৫০ টার বেশি কোম্পানির লুব্রিকেন্ট পাওয়া যায় যেগুলা ৩ রকমের।

👌মিনারেল লুব্রিকেন্ট
👌সিনথেটিক লুব্রিকেন্ট
👌সেমি-সিনথেটিক লুব্রিকেন্ট

এখন এই গুলার পার্থক্য কোথায় ?
পার্থক্য হল BASE OIL.

এবার প্রশ্ন আসবে এইটা আবার কি?
সব কিছুর একটা মূল উপাদান থাকে, যেমন চাল দিয়ে ভাত রান্না করা হয়, কাচ্চি ও হয়, খেচুড়ি, পায়েস, জর্দা অনেক কিছু হয় এই সবগুলার মুলে থাকে চাল ওইটাই হল BASE। তেমনি লুব্রিকেন্ট এর জন্য মূল উপাদান কে বলা হয় Base Oil.এই Base Oil এর সাথে বিভিন্ন রকম উপাদান (Additives) যুক্ত করে সব কোম্পানি লুব্রিকেন্ট তৈরি করে ।

এই Base Oil আবার ৩ রকম-
১) SN-150
২) SN-500
এই দুইটা মিনারেল লুব্রিকেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৩) SBS-150
ব্যবহৃত হয় সিনথেটিক লুব্রিকেন্ট তৈরিতে।

সিনথেটিক লুব্রিকেন্ট এর কোয়ালিটি খুবই ভালো। অর্থাৎ একটা ভালো লুব্রিকেন্ট এর সব বৈশিষ্ট এতে মিনারেল লুব্রিকেন্ট এর তুলনায় বেশি।

কিছু কিছু কোম্পানি মিনারেল লুব্রিকেন্ট এর সাথে সিনথেটিক লুব্রিকেন্ট মিশিয়ে সেমি-সিনথেটিক লুব্রিকেন্ট তৈরি করে। আর এইটার কোয়ালিটি নির্ভর করে মিনারেল লুব্রিকেন্ট ও সিনথেটিক লুব্রিকেন্ট এর অনুপাতের উপর।

👀 এখন কিছু কোড ব্যবহৃত হয় লুব্রিকেন্ট এর পরিচয় হিসাবে। এইটা দিয়ে এর কিছু বৈশিষ্ট বোঝা যায়। লুব্রিকেন্ট এর বোতলে লেখা থাকতে পারে
SN/CI, SAE 10W30 or SAE 20W50

SN অথবা CI এই দুইটার ব্যাখ্যা প্রথমে দেই..

এখানে প্রথম ২ টা বর্ণ ২ টা ব্যাপার বোঝায়।
S হল পেট্রোল বা SI Engine এর জন্য আর
C হল CI বা Diesel Engine এর জন্য।

তাহলে যদি বাইকের জন্য লুব্রিকেন্ট কিনতে যায় তাহলে খেয়াল রাখব যেন S থাকে আর বাস ট্রাক এর জন্য হলে C থাকতে হবে।

এখন যায় পরের বর্ণ দু'টাতে,

দিনে দিনে প্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে, অনেক উন্নত মানের গাড়ি ও তৈরি হচ্ছে এবং অবশ্যই সেই গাড়ির জন্য ১০০ বছর আগে যে কোয়ালিটির লুব্রিকেন্ট তৈরি হয়েছিল সেটা ব্যবহৃত হবে না। তার মানে লুব্রিকেন্ট অয়েল ও দিনে দিনে আপগ্রেড হচ্ছে। Last Letter (বর্ণ) টা বোঝায় লুব্রিকেন্ট কতটা Upgraded।

প্রথম যখন পেট্রোল ইঞ্জিনের জন্য লুব্রিকেন্ট তৈরি হয় তখন তার নামকরণ ছিল, SA তারপর আসল SB তারপর SC তারপর SD এভাবে SL, SM এবং এখন সর্বশেষ ভার্সন SN, এর থেকে আপগ্রেডেড কোন লুব্রিকেন্ট অয়েল পেট্রোল ইঞ্জিনের জন্য নাই।

তেমনি ডিজেল ইঞ্জিনের জন্য প্রথমে ছিল CA পরে CB এখন CI পর্যন্ত পাওয়া যায়। মানে Last Letter টা যত পিছাবে তত Upgraded।

আশা করি বুঝা গেল SN মানে কি আর CI মানে কি!

👀 এতো গেল কোন ইঞ্জিনের জন্য কোন লুব্রিকেন্ট। এখন ইউরোপের দেশের যানবাহনের পেট্রোল ইঞ্জিন আর বাংলাদেশের যানবাহনের পেট্রোল ইঞ্জিনের জন্য কি একই অয়েল ব্যবহার করব?

👉👉 ঐখানে শীতকালে তাপমাত্রা -১০ এ চলে যায় আবার দুবাইতে গরমকালে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠে যায়। এখন আগেই বলা হয়েছে লুব্রিকেন্ট অয়েল এর একটা প্রধান বৈশিষ্ট হল Viscosity যেটা আবার "তাপমাত্রার" সাথে পরিবর্তিত হয়। তাহলে একই অয়েল যদি দুবাই এবং জার্মানি তে ব্যবহার করা হয় তাহলে তো পারফর্মেন্স অনেক উঠানামা করবে। তাইনা?

তাই তাপমাত্রার সাথে Viscosity এর পরিবর্তন উপর নির্ভর করে একটা নাম দেয়া হয়।

যেমন: SAE-5, SAE-10, SAE-30, SAE-60 etc.

SAE যত বেশি তার Viscosity ও তত বেশি ।

এখন শীতের দেশের জন্য আবার অন্য একটা গ্রেড আছে যেটা আমাদের দেশে ও available।
সেটা হল SAE এর পরে একটা W যোগ করা ।

যেমনঃ SAE 10W, SAE 20W, SAE 20W

SAE 10W মানে হল এর Viscosity -20 ডিগ্রি তে 3500 cP এবং ম্যাক্সিমাম -25 ডিগ্রি তে এটা কে SAE-10 এর মত স্পিডে Pump করা যাবে, এর নিচে গেলে আর পাম্প করা যাবে না।

বিভিন্ন কোয়ালিটি এবং বিভিন্ন গ্রেডের জন্য নিচের ইনফরমেশন থেকে জানা যায় ওই গ্রেড বা ওই ইঞ্জিন অয়েল উক্ত তাপমাত্রার নিচে কাজ করে না:

0° C(32° F) – 5W-20, 5W-30, 10W-30,10W-40,20W-50

-18° C (0° F) – 5W-20, 5W-30, 10W-30, 10W-40.

BELOW -18° C (0° F) – 5W-20, 5W-30.

এখন যদি একটা গাড়ি চালাতে চালাতে দুবাই থেকে জার্মানি তে চলে আসে তাহলে কি হবে? এই কথা চিন্তা করে একটা মাল্টি গ্রেডের লুব্রিকেন্ট তৈরি করা হয় এবং অধিকাংশ গাড়ির কোম্পানি এই মাল্টি গ্রেডের লুব্রিকেন্ট রিকমান্ড করে।

যেমন: SAE 10W40, মানে এটা SAE 10W থেকে SAE 40 পর্যন্ত গ্রেড সাপোর্ট করবে।

এর আগে যেটা ছিল ওটাকে মনো গ্রেড লুব্রিকেন্ট বলা হত যেটা সাধারনত মেরিন ইঞ্জিন বা পাওয়ার প্লান্টের ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়। মনো গ্রেডের দাম ও মাল্টি গ্রেডের থেকে কম হয়।

আপাতত বেসিক টেকনিক্যাল অংশ এইটুকু, অনেক কিছু বাদ দিতে হয়েছে কারন বেশি লিখলে অনেক কনফিউশন তৈরি হতে পারে কিন্তু আশা করি যতটুক লেখা হয়েছে এইটুক বুঝতে পারলেও অনেক।

মানুষ মাত্র ভুল হয়। এই লেখায় আমারও ভুল থাকতে পারে। কোথাও ঝামেলা মনে হলে দয়া করে বলবেন। আপনাদের প্রিয় যানটি দীর্ঘদিন ভাল পারফরমেন্স দিক। আপনাদের যাত্রা নিরাপদ হোক৷ এই দোয়া রইল। ধন্যবাদ সবাইকে।

TVS Apache 160 4v Engine Oil, Battery Problem and Mileage Issue Discussion.
27/03/2020

TVS Apache 160 4v Engine Oil, Battery Problem and Mileage Issue Discussion.

18/02/2020

#জেনে_নেইঃঃ
মটরসাইকেল ভাল করে চালানোর জন্য কিছু রুটিন সার্ভিসিং টিপস

মটরসাইকেল আমাদের অতি প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্র। যুবক বয়সে আর কাজের প্রয়োজনে যাদের মটরসাইকেল ব্যবহার করতে হয় তাদের জন্য এই পোষ্ট।
দুই চাকার এই যন্ত্রটি আপনাকে দেবে চলাচলের স্বাধীনতা তবে ঝামেলা হলে এটাই আপনার মৃত্যুর কারণ হতে পারে। আর রাস্তায় যদি কোন ঝামেলা হয় তবে আপনাকে পড়তে হতে পারে যথেষ্ট বিড়ম্বনার মাঝে। যারা মটরসাইকেল চালান সবারই মোটামুটি দু-একবার অভিজ্ঞতা আছে রাস্তার মাঝে হঠাত নষ্ট হয়ে যাওয়া বাইক ঠেলার। এইরকম অবস্থায় নিজেকে বড়ই অসহায় লাগে।

মটরসাইকেল ভাল করে চালানোর জন্য আমাদের কিছু কিছু রুটিন সার্ভিসিং জেনে রাখা দরকার। একটা মটরসাইকেলের প্রধান অংশ হল এর ইঞ্জিন (পেট্রল/অকটেন), স্টিয়ারিং সিস্টেম, পাওয়ার ট্রন্সমিশন সিস্টেম, চাকা ও ব্রেক । প্রতিদিন ও রুটিন মাফিক এই অংশগুলো পরীক্ষা করে দেখা দরকার তবে এই বিশাল তালিকা থেকে যতটা সম্ভব ছোট একটি তালিকা আমাদের অবশ্যই জানা উচিত।
তালিকা নিম্নরুপ:-
১. ব্যাটারী।
২. টায়ার।
৩. ইঞ্জিন ওয়েল (লুব্রিকেন্ট যা আমরা মবিল বলে থাকি)।
৪. ফুয়েল (পেট্রল/অকটেন) ।
৫. ব্রেক।
৬. চেন স্প্রকেট।
৭. বিভিন্ন নাট/বোল্ট ।
৮. ইঞ্জিন।
আসুন শুরু করা যাক ঃ-
দিনের শুরুতে আপনার বাইকটি সমান জায়গায় স্ট্যান্ড করে রেখে (ডাবল স্ট্যান্ড দিয়ে) এর বিভিন্ন নাট বোল্ট পরখ করে দেখুন। বিশেষ করে
১. দুই চাকার নাট বোল্ট
২. সাসপেন্শনের নাট বোল্ট
৩. স্টিয়ারিং এর নাট বোল্ট
এইবার ওয়েল ইন্ডিকেটর এর দিকে তাকিয়ে ওয়েল লেভেল দেখুন। ওয়েল আপার ও লোয়ার লেভেলের মাঝে থাকবে।
{ প্রতি ১০০০-১২০০ কি.মি. চলার পর ওয়েল পাল্টিয়ে ফেলবেন (বাইকের অপারেশন ম্যানুয়াল ও দেখতে পারেন)। বাইকের ম্যানুয়াল অনুযায়ী রিকোমেন্ডেড গ্রেড এর ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করুন। অবশ্যই বিস্বস্ত ও ভাল ডিলারের কাছ থেকে ওয়েল কিনতে হবে। মেয়াদ পার হয়ে গেলে দেরী না করে ওয়েল পাল্টাবেন।} যদি ওয়েল লেভেল সঠিক থাকে তবে পরবর্তী স্টেপ এ যাব আর ঠিক না থাকলে ওয়েল পাল্টানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সাময়িক ভাবে কিছু ওয়েল দিয়ে বাইক স্টার্ট করে মেরামত করার জন্য নেওয়া যাইতে পারে তবে তা অবশ্যই অল্প দুরত্বে হতে হবে।
এখন চাকা পরীক্ষা করুন। টায়ার এর হাওয়া কম/বেশী থাকলে নোট করুন (মাথায়) এবং পরবর্তীতে ঠিক করে নিন। কম/বেশী হাওয়া দিয়ে বাইক চালালে টায়ার বেশী ক্ষয় হবে আর সাথে পেট্রল। টায়ারের বিট ১ মি.মি এর কিছু উপরে থাকতেই টায়ার পরিবর্তন করুন। না করলে এনি টাইম চিতপটাং হতে পারেন রাস্তার উপর (১০০% গ্যারান্টি আছে)।
এইবার চাবী দিয়ে বাইকের ইলেক্ট্রিকেল অংশ চালু করে ইন্ডিকেটর গুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা পরীক্ষা করুন। লাইটের উজ্জ্বলতা বলে দেবে আপনার বাইকের ব্যাটারী কি অবস্থায় আছে আর হর্ন বাজিয়েও দেখতে পারেন (সকাল সকাল বাসার মধ্যে হর্ণ দিয়া পাবলিকের মাইর খাইলে আমি জানি না ) । দুর্বল হর্ণ ও ইন্ডিকেটরের দুর্বল আলো বলেদেবে ব্যাটারী ভাল না খারাপ। খারাপ হইলে দোকানে নিয়া যান।
ব্রেক এ চাপ দিয়া দেখুন ঠিক ভাবে গ্রীপ করে কিনা। গ্রীপ ঠিক ভাবে না করলে ব্রেক টাইট দিয়ে ঠিক করুন। হাইড্রলিক ব্রেকের ক্ষেত্রে ব্রেক ফ্লুইড লেভেল ঠিক আছে কিনা দেখুন। না থাকলে ঠিক করে নেন। হাইড্রলিক ওয়েল যদি বাইকের রং এ লাগে তাহলে কিন্তু সাধের বাইকের রং চলে যাবে তাই সতর্ক থাকবেন ।
ফুয়েল ইন্ডিকেটর থেকে ফুয়েলের পরিমান দেখে নিন। পর্যাপ্ত না থাকলে নিকটস্থ পাম্প থেকে রিফুয়েলিং করে নিবেন। ট্যাংক এর ফিল্টার মাঝে মাঝেই পরিস্কার করা উচিত (যদি থাকে)।
ইন্জিন ও সাইলেন্সারের মাঝে কোন বাড়তি পদার্থ (কাদা, খড়, কাপড় ইত্যাদি) থাকলে তা পরিস্কার করে নিতে হবে।
চেন স্প্রোকেট চেক করে দেখুন। বেশী লুজ বা টাইট থাকলে ১/৪ “ পরিমান সেগ (মাঝে) রেখে এডজাস্ট করে নিতে হবে। চেন এ বাড়তি কিছু থাকলে তাও পরিস্কার করতে হবে। চেন এ অতিরিক্ত তেল (লুব ওয়েল/গ্রীজ) না থাকাই উচিত।
এইবার বাইকটি কিক দিয়ে স্টার্ট দিন। দিনের শুরুতে সেলফ ব্যবহার করবেন না। স্টার্ট দেওয়ার সময় চোক লিভার টেনে রাখুন। বাইক স্টার্ট নেওয়ার পর এক্সিলেটর আইডলে রেখে কিছু সময় (১ মিনিট যথেস্ট) চলতে দিন আর এই সময় গিয়ার কই রাখবেন এইটা আপনার ব্যাপার। এরপর চোক লিভার ছেড়ে দিয়ে এক্সিলেটর ধীরে ধীরে বাড়ান এবং ইন্জিনের সাউন্ড শোনার চেস্টা করুন। একভাবে শব্দ হলে চলা শুরু করুন। উল্টাপাল্টা সাউন্ড পেলে স্টার্ট বন্ধ করে মেকার বরাবর মারেন ঠেলা ।
দাড়ান একবারে ভো করে চলে না গিয়ে আস্তে আস্তে এক্সেলেটর বাড়ান। একটু গিয়ে ব্রেক চেপে পরীক্ষা করে নিন পুনরায়। আরাম করে বসে চলতে শুরু করুন।
বিদ্র: হেলমেট অবশ্যই ব্যবহার করবেন এবং অযথা রাফ ড্রাইভ করবেন না।
সবাইকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।

Collected...

25/01/2011

WE HERE TO SERVE U

Address

Mohammedpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 20:00 - 21:00
Wednesday 20:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:45

Telephone

+8801676122454

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KHS Bike Modification and Bike Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to KHS Bike Modification and Bike Technology:

Share