10/05/2026
আমার টায়ার কেনার অভিজ্ঞতা:
এতদিন টায়ার নষ্ট হলে পুরোনো টায়ার কিনতাম। টায়ারের কন্ডিশন অনুযায়ী ২৫০০-৩৫০০ টাকা নিত। কিছুদিন আগে গ্যারেজে থাকা অবস্থায় গাড়ির একটা টায়ার বাস্ট হয়ে যায়। এরপর মনে হল, গাড়ি রানিং অবস্থায় যদি টায়ার বাস্ট হয়, সেক্ষেত্রে আমার মত নতুন ড্রাইভার তার নিয়ন্ত্রন রাখতে পারবে না। এই চিন্তা থেকেই নতুন টায়ার খোজা শুরু করলাম।
বাজার ঘুরে যা বুঝলাম (১৮৫/৬৫/R১৫)
১. বাজারে তিন ধরনের টায়ার পাওয়া যায়। সুতার টায়ার, তারের টায়ার এবং মিক্সড টায়ার। সুতার টায়ার মোড়ায় না, তবে ক্ষয় হয় দ্রুত। তারের টায়ার মোড়ায়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে, তবে ক্ষয় হয় কম। এক্ষেত্রে সুতা এবং তারের কম্বিনেশন টা ভাল
২. আমাদের দেশে মূলত চীন, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং জাপান থেকে টায়ার আসে। চাইনিজ টায়ারের দাম বেশ কম। চাইনিজ টায়ারের মধ্যে ম্যাক্সিস টা ভাল। দাম আট হাজার। ডানলপ (সম্ভবত থাইল্যান্ডের) টায়ারের দাম ৯৭০০। ডেলিয়াম (ইন্দোনেশিয়া) সুতার টায়ার এর দাম ১০৮০০ টাকা। ব্রিজস্টোন (ইন্দোনেশিয়া) মিক্সড এর দাম ১০৫০০।
৩. টায়ার কেনার সময় যেটা অবশ্যই দেখে নিবেন টায়ার এর তৈরীর সময় যেন ৭/৮ মাসের বেশী না হয়। যত নতুন টায়ার নিতে পারবেন টায়ার তত টেকসই হবে। অনেক সময় দোকানের পুরোনো টেম্পারলেস টায়ার কম দামে সেল করে, এগুলো কিনলে ধরা খাবেন।
৪. যেই টায়ার কম্পানী থেকে ৫০ হাজার কিলো চলবে বলে দেয়, সেটা বাংলাদেশের রাস্তায় ২৫ হাজার চলবে।
এইগুলোই আমার টায়ার কেনার অবজারভেশন ছিল। আমি ফাইনালি ২১ হাজার টাকা দিয়ে ২ টা ব্রিজস্টোন টায়ার কিনেছি। দোয়া করবেন আমার এবং আমার গাড়ির টায়ার এর জন্য।
(বি:দ্র: এক জোড়া নতুন টায়ার কিনলে সবসময় গাড়ির সামনে লাগাবেন)
©