Apon Motors Ctg

Apon Motors Ctg Tyre - tube, Battery, Lubricant All Vehicle parts supplier

নিচের ছবিগুলো আমার পরিচিত একজনের। মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির টায়ার ফেটে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। গা...
01/05/2023

নিচের ছবিগুলো আমার পরিচিত একজনের। মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির টায়ার ফেটে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। গাড়ির ছবি দেখার পরে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ নিশ্চয়ই বুঝতে পারছি।

সড়কপথে গাড়ীর টায়ার ফেটে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েছি বা শুনেছি এমন সংখ্যা নেহায়েৎ কম না। হয়তো আমাদের পরিচিত অনেকের জীবনেই এমনটা ঘটেছে। কেউ হয়তো ভাগ্যজোরে বেচে গেছেন, কাউকে কাউকে হয়তো চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।

ছবির গাড়ির যাত্রিরাও প্রাইভেট কারে যাচ্ছিল। সামনের বামদিকের টায়ার ফেটে গেলে ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বা-পাশে পার্ক করে রাখা এক লরীতে গিয়ে আঘাত করে। সাথে সাথেই ঝরে পড়ে একটি অমূল্য প্রাণ।

এই দূর্ঘটনার কারন কি? নিচে বলছি

১। টায়ার প্রেশার
ভারতে যখন নতুন এক্সপ্রেস হাইওয়ে তৈরী হল, ওখানেও একটার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটতে থাকল। অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারন একটাই- টায়ার ফেটে যাওয়া। নিন্দুকেরা চালকের দোষ দিল। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলল রাস্তা নির্মাণ নিয়ে। কিন্তু একজন ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি ভাবলেন, দেশের আধুনিকতম সড়কে বারবার এ-ধরণের দুর্ঘটনা ঘটছে কেন! এর অন্য কোন কারণ নেই তো? তিনি ব্যাপারটা নিয়ে গবেষণা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তিনি গাড়ী নিয়ে নেমে পড়লেন এক্সপ্রেস হাইওয়েতে। সবগুলো চাকার এয়ার প্রেশার নিলেন ২৫ পি এস আই। এটাই আন্তর্জাতিক মান। (প্রত্যেক টায়ারে স্ট্যান্ডার্ড প্রেশার লেখা থাকে।পৃথিবীর সব উন্নত দেশে চালকেরা এভাবেই প্রেশার মেইন্টেইন করে।তাছাড়া গুগলেও চেক করে নেয়া যায়) এরপর গাড়ী ছোটালেন ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার স্পীডে। গাড়ী চলল প্রায় দু-ঘন্টা। থামলেন। টায়ারের প্রেশার চেক করলেন।

সর্বনাশ! প্রেশার ৫২ পি এস আই! ঠান্ডা অবস্থায়, গাড়ী স্টার্ট নেয়ার আগে টায়ারের যে প্রেশার ছিল তাঁর দ্বিগুণেরও বেশী!! আর তাপমাত্রা? ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস! তাপমাত্রা আর মোটে ৭.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লেই বয়েলিং টেম্পারেচারে পৌছে যেত; অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, আর কিছুদূর ওই স্পীডে ছুটলেই হয়ত তাকেও দুর্ঘটনার শিকার হতে হত।

কেন এমন হল? এটা হলো পদার্থ বিজ্ঞানের তিনটি সূত্র অনুসরণ করে।
ক। পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র বলে friction generates heat, অর্থাৎ ঘর্ষণে তাপ উৎপন্ন হয়। ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার বেগে দু-ঘন্টা রাস্তায় ছুটতে গিয়ে গাড়ীর চাকাগুলোর সাথে রাস্তার কি পরিমাণ friction (ঘর্ষণ) হয়েছে তা আমরা কল্পনা করতে পারি। আর, এর মধ্যে যতবার আমরা ব্রেক চাপব, ততোবার হুইল ড্রামের সাথে ব্রেক প্যাডের ফ্রিকশন হবে। এই ফ্রিকশনের কারনে টায়ারের ভেতরে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যায়।
খ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র হল, Heat lost equals to heat gained, অর্থাৎ একজন যতটুকু তাপ হারায়, অন্যজন ঠিক ততোটুকু তাপ অর্জন করে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহে রাস্তাগুলো আগুনের মত গরম হয়ে থাকে। রাস্তা তার এই তাপ গাড়ীর চাকার সাথে শেয়ার করে। চলার পথে রাস্তা যতটা তাপ ছেড়ে দিয়েছে, গাড়ীর চাকা ঠিক ততোটুকু তাপ শুষে নিয়েছে।

এই এতো এতো সোর্স থেকে তাপ নিতে নিতে ওর ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসে।

গ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র- তাপে যে কোন জিনিষ আয়তনে বাড়ে। সেই অনুযায়ী টায়ারের তাপে, টায়ারের ভিতরের বাতাসের আয়তন বাড়ে। কিন্তু টায়ার কিম্বা টিউবের আয়তন সহজে বাড়েনা। কারণ, ওগুলো সলিড, ওদের ‘ইলাস্টিক লিমিট’ সীমিত। ঐ লিমিট ক্রস করলেই ওরা ফেটে যায়। ওদিকে ভেতরের বাতাসের আয়তন তো বেড়েই চলেছে। ফলে বাড়ছে টায়ারের ভেতরে বাতাসের চাপ। একসময় টায়ার আর এই চাপটা নিতে পারে না। তখনই- বুমমম।

এখন দেখা যাক আমরা কি করছি। বেশীরভাগ প্রাইভেটকার চালকরাই চাকার এয়ার প্রেশার ৩৫ থেকে ৪৫ এ রাখে। কারণ, চাকায় হাওয়া বেশী থাকলে তেল খরচ কম হয়। একবার ভাবুন, ভারতের ঐ ভদ্রলোকের গাড়ী দু-ঘন্টা চলার পর যদি এয়ার প্রেশার ২৫ থেকে বেড়ে ৫২ তে গিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আপনার ৪০ পি এস আই কত তে গিয়ে দাঁড়াবে? ৮০ বা ৮৪? ঐ পর্যন্ত প্রেশার নেয়ার ক্ষমতা পৃথিবীর কোনো টায়ারের নাই।
এখন সিদ্ধান্ত আমাদের, তেলের মূল্য বেশী, না আমার এবং প্রিয়জনদের জীবনের মূল্য বেশি?

২। টায়ারের মেয়াদ।
আমরা ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখব প্রতিটা টায়ারের গায়ে সেটার প্রস্তুতকাল লেখা থাকে। এটা একটা চার ডিজিটের নাম্বার। প্রথম দু-টো ডিজিট প্রস্তুতের সপ্তাহ এবং শেষ দু-টো ডিজিট সাল নির্দেশ করে। ধরা যাক ডিজিট চারটা যদি ১৮১৯ হয়, তাহলে টায়ারটি তৈরী করা হয়েছিল ২০১৯ সালের ১৮ তম সপ্তাহে, অর্থাৎ ২০১৯ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। সাধারণত একটা টায়ারের মেয়াদকাল সেটার প্রস্তুতকাল থেকে ৪ বছর (অথবা মতান্তরে ৫ বছর)। সে-ক্ষেত্রে এই টায়ারটির মেয়াদ ২০২৩ (অথবা বড়জোড় ২০২৪) সালের মে মাস পর্যন্ত। আজই চেক করে নেই টায়ারের মেয়াদ পার হয়ে গেছে কি না। মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে টায়ার বদলে নিন। নয়তো টায়ার ফেটে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থেকেই যাবে।

আমরা অধিকাংশ সময়েই টায়ার যতদিন যায় ব্যাবহার করি। তারপর তাকে রিসোল করে চালাই। আবার বদলানোর সময় সামান্য টাকা বাচাতে পুরাতন মেরামত টায়ার কিনে লাগাই। অনেক সময় ড্রাইভাররা চুরি করে রিসোল টায়ার লাগাই। কম দামে নিম্নমানের টায়ার লাগাই। আর ফলাফল?.....

৩। গাড়ির গতি।
গাড়ীর গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। জোরে চালানো নয়, নিরাপদের চালানোই একজন ভাল ড্রাইভারের বৈশিষ্ট্য। একটি জরিপে দেখা গেছে, নিরাপদে চালিয়ে একজন চালক যে সময়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পৌছাবে, বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে আমি তারচে বড়জোড় আধঘন্টা আগে পৌছাব। ঢাকা চট্টগ্রাম দূরত্ব ২৪৫ কিলোমিটার। অর্থাৎ প্রায় আড়াইশ কিলো চালিয়ে ত্রিশ মিনিট বাচাচ্ছি। আর যদি ১০০ কিলো হয়? ১৫ মিনিটও বাচে না।

সাবধান হই, সতর্ক হই।
১। টায়ার প্রেশার নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখি।
২। মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে টায়ার পাল্টে ফেলি।
৩। অধিক গতিতে গাড়ী চালাবেন না, গতি নিয়ন্ত্রণে রাখি।
৪। দূরপাল্লার ভ্রমনে অন্তত দু-ঘন্টা পর পর ড্রাইভারকে রেস্ট দেই, গাড়ীকে রেস্ট দেই, নিজেরা রেস্ট নেই।
সবাই নিরাপদে থাকি।
বন্ধুদের নিরাপত্তার স্বার্থে পোষ্টটি শেয়ার করি।

পুনশ্চঃ আর উপরের লেখাটি সংগৃহীত পোস্ট থেকে পরিমার্জন করা।

22/04/2023
🛟বিশ্বের বৃহত্তম টায়ার?🛞বিশ্বের বৃহত্তম টায়ারটি ৮০ ফুট লম্বা এবং প্রায় ১০,৮৮৬ কেজি ওজনের। এটি অ্যালেন পার্ক, মিশিগান,...
10/04/2023

🛟বিশ্বের বৃহত্তম টায়ার?

🛞বিশ্বের বৃহত্তম টায়ারটি ৮০ ফুট লম্বা এবং প্রায় ১০,৮৮৬ কেজি ওজনের। এটি অ্যালেন পার্ক, মিশিগান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত মিশিগানে এটি দেখার সুযোগ মিস করবেন না!

👉টাইয়ার সাইজ দ্বারা কি বুঝায় :
09/04/2023

👉টাইয়ার সাইজ দ্বারা কি বুঝায় :

29/03/2023

We R ready For Service

Address

H M Rahman Plaza 1154/857, D. T Rosd West Dhaninala Para
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apon Motors Ctg posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share