CtG CarzZ

CtG CarzZ Welcome to CtG CarzZ – Your Trusted Source for Quality Pre-Owned Vehicles!


📍 Based in Chattogram, we serve customers all over Bangladesh.

30/06/2025
🏎️ কেনো সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কেনা বুদ্ধিমানের কাজ?👉 নতুন গাড়ির দাম শুরুতেই ২০–৩০% কমে যায়, কিন্ত সেই একই গাড়ি ১–২ বছর পর...
30/06/2025

🏎️ কেনো সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কেনা বুদ্ধিমানের কাজ?

👉 নতুন গাড়ির দাম শুরুতেই ২০–৩০% কমে যায়, কিন্ত সেই একই গাড়ি ১–২ বছর পর অর্ধেক দামে পাওয়া যায় সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেটে!
👉 কম বাজেটে ভালো ব্র্যান্ডের গাড়ি কেনা যায় — সিডান, SUV বা ফ্যামিলি কার!
👉 কম রেজিস্ট্রেশন ফি, কম ইনস্যুরেন্স খরচ, সহজ রক্ষণাবেক্ষণ।
👉 EMI ছাড়াই গাড়ির মালিক হওয়া সম্ভব।

📌 ভালো কন্ডিশনের গাড়ি, ভেরিফাইড ডকুমেন্ট ও টেস্ট ড্রাইভের সুযোগ CtG CarzZ-এ।

📲 এখনই ইনবক্স করুন অথবা WhatsApp এ যোগাযোগ করুন।
🔧 নিজের পছন্দের গাড়ি আজই খুঁজে নিন — সময় আর টাকা দুটোই বাঁচান!

#গাড়িবিক্রি

রিলিজ হয়ে গেল নতুন জেনারেশনের 𝗧𝗼𝘆𝗼𝘁𝗮 𝗟𝗮𝗻𝗱 𝗖𝗿𝘂𝗶𝘀𝗲𝗿!!টয়োটা আজ মধ্য প্রাচ্যে একটি অনলাইন ইভেন্টে বিশ্বের কাছে নতুন ২০২২ ল...
11/06/2021

রিলিজ হয়ে গেল নতুন জেনারেশনের 𝗧𝗼𝘆𝗼𝘁𝗮 𝗟𝗮𝗻𝗱 𝗖𝗿𝘂𝗶𝘀𝗲𝗿!!

টয়োটা আজ মধ্য প্রাচ্যে একটি অনলাইন ইভেন্টে বিশ্বের কাছে নতুন ২০২২ ল্যান্ড ক্রুজার উন্মোচন করলো।

- ৩৫০০ সিসি V6 টুইন টার্বো পেট্রোল ইঞ্জিন (415PS/650Nm)
- ৩৩০০ সিসি V6 টুইন টার্বো ডিজেল ইঞ্জিন (309PS/700Nm)

• নতুন TNGA GA-F প্ল্যাটফর্মে তৈরি হয়েছে
• ল্যান্ড ক্রুজার লাইনআপে এইবার নতুন যোগ হল GR Sports
• আগের জেনারেশন থেকে ২০০ কেজি ওজন কমাতে সক্ষম হয়েছে টয়োটা
• বেসিক সাসপেনশন পারফরম্যান্স উন্নতি করা হয়ছে
• বিশ্বের প্রথম E-KDSS (Electronic Kinetic Dynamic Suspension) দেওয়া হয়েছে
• মাল্টি-টেরেইন মনিটর এর মাধ্যমে ড্রাইভারকে তাৎক্ষণিভাবে কোনো বাধা দেখতে সাহায্য করে
• থাকছে মাল্টি টেরেইন সিলেক্ট যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাস্তার কন্ডিশন বুঝে সেরা ড্রাইভিং মুড বেছে নেই
• সেফটি এর জন্যে টয়োটা সেফটি সেন্স এর লেটেস্ট ফিচার দেওয়া হয়েছে

টয়োটা খুব শীঘ্রই জাপানের এর পাশাপশি অন্যান্য দেশেও নতুন ল্যান্ড ক্রুজার "৩০০" সিরিজ বিক্রি শুরু করবে।

Credit: Auto revolution bd

Land Rover এবং Range Rover --> পার্থক্য কোথায়?অনেকেই ভাবেন যে রেঞ্জ রোভার হলো ল্যান্ড রোভার ব্র্যান্ডের একটি সাব-ব্র্যান...
05/06/2021

Land Rover এবং Range Rover --> পার্থক্য কোথায়?

অনেকেই ভাবেন যে রেঞ্জ রোভার হলো ল্যান্ড রোভার ব্র্যান্ডের একটি সাব-ব্র্যান্ড, যেমন টয়োটার সাব-ব্র্যান্ড লেক্সাস ও নিসানের সাব-ব্র্যান্ড ইনফিনিটি। কিন্তু না, এটা ভুল কথা। ল্যান্ড রোভারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে যা লেখা, তার সারমর্ম হলো :-

ল্যান্ড রোভার হচ্ছে একটি ব্র্যান্ড, যার লাইনআপে ৭টি মডেলের গাড়ি আছে। যেমন, ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার ও ডিসকভারি। এরকমই আরেকটি মডেল হলো ‘রেঞ্জ রোভার’। এখন, যেমন ল্যান্ড ক্রুজার গাড়িটির পুরো নাম হলো ‘টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার’, তেমনই এই মডেলটির নাম হলো ‘ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভার’।

এখন, রেঞ্জ রোভার শুধু একটি মডেলের পাশাপাশি ল্যান্ড রোভারের ৪টি মডেলের একটি সাব-ক্যাটাগোরি হয়ে গিয়েছে। ব্যাপারটা বুঝানোর সবচেয়ে ভালো উদাহারণ হলো, ল্যান্ড ক্রুজার হচ্ছে টয়োটার একটি মডেলের পাশাপাশি একটি সাব-ক্যাটাগোরি, যেই ক্যাটাগোরির মধ্যে আছে ৩টি গাড়ি --> ১) ল্যান্ড ক্রুজার জে-২০০, ২) ল্যান্ড ক্রুজার জে-৭০, এবং ৩) ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো। ঠিক তেমনইভাবে, রেঞ্জ রোভার সাব-ক্যাটাগোরিতে আছে ৪টি গাড়ি --> ১) রেঞ্জ রোভার; ২) রেঞ্জ রোভার স্পোর্ট; ৩) রেঞ্জ রোভার ইভোক; এবং ৪) রেঞ্জ রোভার ভেলার। এদের মধ্যে শুধু রেঞ্জ রোভার নামের যেই মডেলটি, সেটাকে অনেকেই রেঞ্জ রোভার ভোগ নামে চিনে। মানে, তাদের মতে রেঞ্জ রোভার নামের সাব-ব্র‍্যান্ডের একটা মডেলের নাম হচ্ছে ভোগ। কিন্তু ভোগ গাড়িটির নাম নয়, ভোগ হলো একটি ট্রিম। যেমন, এক্সিও/ফিল্ডারের একটি ট্রিম হলো W×B, তেমনই Vogue হলো রেঞ্জ রোভার মডেলের একটি ট্রিম।

তার মানে, যেমন প্রাডোর পুরো নাম হচ্ছে “টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো”, তেমনই এই ৪টির সবার নামের আগে আছে ‘ল্যান্ড রোভার’ নামটি। উদাহারণ :- ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভার ইভোক, অথবা ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভার স্পোর্ট, অথবা ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভার ভেলার।

এই বিষয়টি বেশিরভাগ মানুষ ভুল করে বলে ভাবলাম আমাদের এই পেজের সবাইকে সঠিক তথ্য প্রদান করি, আর এজন্যই এই পোস্টটি লেখা। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।

02/06/2021

The power of Land Rover ❤




Toyota Mark II (GX110)১৯৬৮ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিএমডব্লিউ ৫-সিরিজের সাথে প্রতিযোগীতায় নামার জন্য টয়োটা বিক্রি করতো...
29/05/2021

Toyota Mark II (GX110)

১৯৬৮ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিএমডব্লিউ ৫-সিরিজের সাথে প্রতিযোগীতায় নামার জন্য টয়োটা বিক্রি করতো একটি মিড-সাইজড রেয়ার-হুইল-ড্রাইভ সেডান, যার নাম হলো মার্ক টু। ৯টি জেনারেশনে চলার পর গাড়িটি জাপানে রিপ্লেস হয় টয়োটা মার্ক টেন (যেটাকে আপনারা অনেকেই মার্ক এক্স বলেন) দ্বারা, ও আমেরিকান মার্কেটে টয়োটা অ্যাভালন দ্বারা। আজকের পর্বে মার্ক টু-এর শেষ জেনারেশন নিয়ে কথা বলবো আমাদের একজন ফলোয়ারের ডিমান্ডে।

২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিক্রি হয় Mark II . যেখানে Mark II X90 ও X100 ছিলো স্পোর্টি ডিজাইনের, সেখানে এই জেনারেশনে টয়োটা একটু বেশি গুরুত্ব দেয় লাক্সারিয়াস ডিজাইন করতে। গাড়িটি দেখলেই মনে হয় একটা লাক্সারিয়াস মিড-সাইজড সেডান। বোল্ড ও রাউন্ড লুকিং হেডলাইট এবং ত্রিভুজ শেপের টেইললাইট, সাথে লং হুইলবেজ গাড়িটিকে তখনকার দিনে অনেক বড়লোক মানুষেরই পছন্দের সেডান ছিলো। বেইজ ও ব্ল্যাক ২ রঙেই ইন্টেরিওর অ্যাভাইলেবল ছিলো, ও ইন্টেরিওরে কাঠের ব্যাবহার এর ইন্টেরিওরকে লাক্সারি কার-লাভারদের কাছে অনন্য এক পছন্দ করে তুলেছিলো।

টয়োটা Mark II , X110 গাড়িটিতে ৪টি ইঞ্জিন অফার করতো টয়োটা। আমাদের বাংলাদেশের প্রায় সব মার্ক টু-তেই থাকে 1G-FE ২০০০ সিসি ইঞ্জিন, যার শক্তি ১৬০ হর্সপাওয়ার, ও G সিরিজের ইঞ্জিন থাকার কারণে এই চ্যাসিসের নাম GX । এরপর যেই ৩টি ইঞ্জিন, ৩টিই দুনিয়ার অন্যতম লেজেন্ডারি গাড়ি টয়োটা সুপ্রা-এর ইঞ্জিন ->1JZ-GE, 1JZ-GTE, 1JZ-FSE। যেই Mark II ইঞ্জিন থাকতো, সেগুলোর চ্যাসিসের নাম JZX। 1JZ-GTE থাকা মার্ক টু-এর শক্তি ছিলো ২৮০ হর্সপাওয়ার!!

আজকের এই পোস্টের ছবিতে যেই Mark II দেখছেন, এই গাড়িটিতে আছে ২০০০ সিসির ইঞ্জিন।
এই গাড়িটির পিছনে ৫ লাখ টাকা ঢেলে একটি 1JZ-GTE বা 2JZ-GTE ইঞ্জিন বসালেই এই গাড়িটি হয়ে যাবে একটি ফোর-ডোর সুপ্রা!! আর সেই ইঞ্জিনের পিছনে আরও কয়েক লাখ টাকা খরচ করলে এই গাড়িটি দিয়ে একটা স্টক Ferrari বা Lamborghini কেও রোল রেসে অনায়াসে হারিয়ে দেওয়া যাবে!

Mitsubishi PAJERO a legacy ❤একটা টাইম ছিলো, যখন পাজেরো গাড়িটি ছিলো এখনকার প্রাডোর মতো একটি স্ট্যাটাস সিম্বল। “সে পাজেরো ...
29/05/2021

Mitsubishi PAJERO a legacy ❤

একটা টাইম ছিলো, যখন পাজেরো গাড়িটি ছিলো এখনকার প্রাডোর মতো একটি স্ট্যাটাস সিম্বল। “সে পাজেরো জীপে চড়ে” কথাটি ছিলো বাংলাদেশে বড়লোক কাউকে চেনানোর একটি বড় মাধ্যম। কিভাবে এই স্ট্যাটাস তৈরি হলো? মিতসুবিশি পাজেরো-এর যাত্রা শুরু হয় অনেক আগে থেকে, সেই ১৯৫৩ সালে। তখন মিতসুবিশি কোম্পানি আমেরিকার উইলিস-এর সাথে একটি ডিল করে, যেই চুক্তির মাধ্যমে জাপানে উইলিস কোম্পানির জীপ মডেলের (যেটা আজকের জীপ র‍্যাংগ্লারের আদি-মডেল) প্রোডাকশন শুরু করে মিতসুবিশি। জীপ সিজে-৩ গাড়িটি জাপানে তখন বিক্রি হতো মিতসুবিশি জীপ নামে। পাকিস্তান আমলে জাপান থেকে এই গাড়িগুলো বাংলাদেশে আসা শুরু করে, ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা এই গাড়িটি ব্যাবহার শুরু করেন। গাড়িটির সামনে থাকতো মিতসুবিশির লোগো, এবং বনেটের সাইডে লেখা থাকতো ‘Jeep’। ব্যাস, বাংলাদেশিদের কাছে এসইউভি টার্মটাই বদলে হয়ে গেলো 'জীপগাড়ি'। তো এরপর ১৯৮১ সালে মিতসুবিশি জীপের প্রোডাকশন বন্ধ হয়ে যখন সেই জায়গায় মিতসুবিশি নিয়ে এলো পাজেরো গাড়িটিকে, এটাকেও বাংলাদেশিরা বলা শুরু করলো 'পাজেরো জীপ'। এই পাজেরো গাড়িটি তখনো প্রথমে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দেওয়া হতো, যার মাধ্যমে একটা স্ট্যাটাস তৈরি হয়ে যায় এই গাড়িটি নিয়ে। তাদেরকে ফলো করে তখনকার বিত্তশালী ব্যাক্তিবর্গও কেনা শুরু করলো পাজেরো। বাইরের দেশেও পাজেরোর একটা অন্যরকম ক্লাস আছে, কারণ এই গাড়িটি দুনিয়ার অন্যতম কঠিন র‍্যালি রেস “ডাকার র‍্যালি”-তে সর্বকালের সবচেয়ে বেশিবার বিজয়ী।

এবার আসুন আমরা জেনে নেই পাজেরোর শেষ জেনারেশনের কিছু বিস্তারিত। প্রথমে ল্যান্ড ক্রুজার ও নিসান প্যাট্রোলের সাথে ফাইট দেওয়ার জন্য বাজারে আসলেও পরে যেই হারে এলসি আর প্যাট্রোলের সাইজ বাড়তে থাকে, সেদিকে না গিয়ে ছোট সাইজের দিকে থেকে যায় পাজেরো, প্রতিপক্ষ হিসেবে বেছে নেয় এলসি প্রাডোকে। তো সাইজটা নাহয় প্রাডোর সাথেই তুলনা করে বলি। পাজেরোর হুইলবেজ (সামনের চাকাজোড়া আর পিছনের চাকাজোড়ার মধ্যে যতটুকু গ্যাপ) প্রাডোর চেয়ে ১০ মিমি কম, যার কারণে পাজেরোর টার্নিং রেডিয়াস কম ও ম্যানুভারেবিলিটি বেশি, অর্থাৎ প্রাডোর চেয়ে বেশি সহজে টার্ন নিতে পারে পাজেরো। কিন্তু এর মানে প্রাডোর চেয়ে পাজেরোতে লেগরুমও ১০ মিমি কম। কিন্তু এরপরও যা লেগরুম সেটা যথেষ্ট, কারণ এই গাড়িগুলো এমনিই অনেক বড়। প্রস্থেও প্রাডো ১০ মিমি চওড়া, যার কারণে চিপা জায়গা থেকে কেটে বেরোতে গেলে প্রাডোর চেয়ে পাজেরো সহজে বের হতে পারবে, কারন কিঞ্চিত হলেও পাজেরো চিকন। উচ্চতায় আবার সমানে সমান পাজেরো আর প্রাডো -> ১৮৯০ মিমি। ভিতরের স্পেসের ক্ষেত্রে পাজেরোর ভিতরে অনেক জায়গা থাকবে সেটা বলাই বাহুল্য, কারণ এটা একটি ফুল-সাইজড এসইউভি। পাজেরো গাড়িটির সবচেয়ে অসাধারণ দিক হচ্ছে এর চ্যাসিস ও বডিটি। প্রাডো, ল্যান্ড ক্রুজার, নিসান প্যাট্রোল এই গাড়িগুলোতে থাকে বডি-অন-ফ্রেম স্ট্রাকচার, যেটি হচ্ছে একটা ল্যাডার চ্যাসিসের উপর নাট-বল্টু দ্বারা সম্পূর্ণ বডি সেঁটে দেওয়া। এই জিনিসটি অফ-রোডের জন্য ভালো হলেও অন-রোডে বেশি কমফোর্টেবল না, কমফোর্টেবল করার জন্য অনেক জটিল সাস্পেনশন সিস্টেম এবং সাউন্ড ইনসুলেশন বা ক্যান্সেলেশন সিস্টেম দরকার। কিন্তু পাজেরো এখানে একটা দিক থেকে এগিয়ে আছে। লাস্ট জেনারেশন পাজেরোতে আছে ল্যাডার ফ্রেমের সাথে অ্যাটাচ করা একটি মনোকোক বডি। মানে জিনিসটা সাধারণ গাড়ি যেই কারণে বেশি কমফোর্টেবল হয়, সেই জিনিস তারা জুড়ে দিয়েছে অফ-রোডের জন্য ভালো ল্যাডার ফ্রেমের সাথে -> বেস্ট অফ বোথ ওয়ার্ল্ডস। এই কারণে পাজেরো গাড়িটির কমফোর্ট প্রাডোর চেয়ে বেশি। আরও যেই জিনিসটা ভালো লাগে, এই জেনারেশনটি বাজারে আসে সেই ২০০৬ সালে, এই ১৫ বছরে শুধুমাত্র ফগলাইটের কাছে একটা ডে-টাইম রানিং লাইট যোগ হয়েছে, এছাড়া আর কোনো চেঞ্জ আসেনি, তাই এই গাড়িটি এখনো ২০২১ মডেলের প্রাডোর পাশে রেখে ফ্লেক্স করা যাবে, এতোটাই টাইম-লেস ডিজাইন।

কিন্তু ইন্টেরিওর হচ্ছে এই গাড়িটির সবচেয়ে বড় দুর্বল দিক বা উইক-পয়েন্ট। সেই ২০০৬ সালে এই গাড়ির ইন্টেরিওর ছিলো সময়র চেয়ে এগিয়ে, কিন্তু ১৫ বছর পরে এখন অনেক ব্যাকডেটেড। বেইজ ইন্টেরিওর অ্যাভাইলেবল এটা একটা ভালো দিক, গাড়িতে ব্যাসিক কাজগুলো করা যায় এমন একটা ছোট ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম আছে, যেটির উপরে আছে একটি অন-বোর্ড কম্পিউটারের ডিসপ্লে। পুরো ড্যাশ প্যানেলটিতে কাঠ দিয়ে কাজ করা, কিন্তু ড্যাশবোর্ডটাও আবার ওদিকে কালো কালার। নিকেল গার্নিশ করা ২টি ডায়াল আছে এসির সবকিছু কন্ট্রোল করার জন্য। এখন, ওয়াও-ফ্যাক্টর হচ্ছে মিতসুবিশি বাংলাদেশের ডিলার থেকে সেট করা একটি অপশন। সেটা হচ্ছে, ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেমটি এখন যথেষ্ট বুড়ো হয়ে যাওয়ার কারণে র‍্যাংস থেকেই এখন টেসলার মতো ইয়া বিশাল লম্বা একটা ডিসপ্লে লাগিয়ে দেয়, যার মধ্যে টেসলার মতো এসি কন্ট্রোলসও সব ডিসপ্লেতেই দেওয়া। আপনি চাইলেই এক্সট্রা খরচে তারা এটি লাগিয়ে দিবে ও গাড়ির দাম একবারে নিবে এবং ওয়ারেন্টিও দিবে এটার জন্য! সেন্টার কনসোলে স্যাটিন সিলভার ফিনিশিং দেওয়া, এবং ২টা লেভার দেওয়া। এখন, জিনিসটি দেখতে বেশ দারুণ লাগে যে এভাবে আগেকার ম্যানুয়াল গিয়ারের পাজেরোর মতো ২টা লেভার, কিন্তু এখানে ২টিই গিয়ার লেভার না কারণ গাড়িটি অটো গিয়ারের। বড় যেটি, সেটি হচ্ছে গিয়ার লেভার, ছোটটি গিয়ার রেঞ্জের লেভার। অর্থাৎ, ছোট গিয়ারটি দিয়ে আপনি সিলেক্ট করতে পারবেন টু-হুইল-ড্রাইভ নাকি ফোর-হুইল-ড্রাইভে গাড়ি চালাবেন, এবং ফোর-হুইল-ড্রাইভে হলে অটো গিয়ারটি কি হাই নাকি লো গিয়ারের দিকে থাকবে। আবার এই লেভারের মাধ্যমে সেন্টার ডিফারেনশিয়াল লকও করা যাবে। এই গাড়িটিতে ম্যানুয়াল মোড থাকলেও প্যাডেল শিফটার নাই। মাঝের সারিতে অনেক অনেক জায়গা, কেউই সেখানে জায়গার অভাববোধ করবে না। একটা আলাদা এসি কন্ট্রোল প্যানেলও আছে এখানে। কিন্তু পিছনের সারি অর্থাৎ ৩য় সারিতে শুধু বাচ্চারা বসতে পারবে, এতো কম লেগরুম। যেই জিনিসটি প্রাডোর থেকে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রাখে পাজেরোকে, সেটা হচ্ছে সানরুফ। প্রাডোর সানরুফ উপভোগ করতে পারে শুধু ড্রাইভার আর তার পাশের যাত্রী, কিন্তু পাজেরোর সানরুফটা মাঝের সারি পর্যন্ত চলে এসেছে। আর স্পিকার কোয়ালিটি তো সবকিছুর উর্ধ্বে, এই গাড়িতে আছে রকফোর্ড ফোসগেট অ্যাকুইস্টিক সাউন্ড সিস্টেম যার মিউজিক কোয়ালিটি আপনার লোম দাঁড় করিয়ে দিবে।

পাজেরোতে আছে অকটেন-চালিত ৩ হাজার সিসির ভি-৬ ইঞ্জিন, যার শক্তি ১৮৫ হর্সপাওয়ার এবং ২৭০ নিউটন-মিটার টর্ক। প্রাডোর অকটেন-ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে নিঃসন্দেহে বেশি পাওয়ারফুল, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এই ইঞ্জিনটি ভি-৬ হওয়ার কারণে বেশি স্মুথ, ভাইব্রেশন অনেক কম এই ইঞ্জিনটিতে। কারণ, একায় তো ৬টি সিলিন্ডার তার উপর আবার ভি-শেপে সিলিন্ডারগুলো সাজানো বলে একসাইডের ভাইব্রেশন আরেকসাইড দিয়ে কমে যায়। পার্ফরম্যান্সের দিক থেকে অকটেন-চালিত প্রাডোকে অনায়াসে হারিয়ে দিবে এই পাজেরো। সাথে বেশি টর্কের জন্য অফ-রোডেও বেশি ক্যাপেবল পাজেরো। কিন্তু হ্যাঁ, প্রাডোর চেয়ে আবার পাজেরো বেশি তেল খায়। কিন্তু খুব যে বেশি তাও না, ১৯/২০ পার্থক্য।

সবশেষে প্রাইস! পাজেরো গাড়িটি Mitsubishi Motors Bangladesh Rangs Limited-এ অ্যাভাইলেবল, দাম ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্র‍্যান্ড নিউ। সম্ভবত এই বছরেই পাজেরো শেষ পাওয়া যাবে বাংলাদেশে। জাপানে তো অলরেডি ২০১৯ সালেই বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে, এখন আস্তে আস্তে সব মার্কেট থেকেই গুটিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

©DriVinci Bangladesh

Mercedes-Benz GLE 450❤মার্সিডিজ-বেঞ্জ জিএলই হচ্ছে মার্সিডিজ-বেঞ্জের মিড-ক্লাস অর্থাৎ ই-ক্লাসের এসইউভি ভ্যারিয়েন্ট। গাড়িট...
28/05/2021

Mercedes-Benz GLE 450❤

মার্সিডিজ-বেঞ্জ জিএলই হচ্ছে মার্সিডিজ-বেঞ্জের মিড-ক্লাস অর্থাৎ ই-ক্লাসের এসইউভি ভ্যারিয়েন্ট। গাড়িটি মিড-সাইজড এসইউভি, অর্থাৎ টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডোর একই সেগমেন্টের গাড়ি এটি। একই সেগমেন্টের মধ্যে প্রাডোর থেকে সাইজে জিএলই বড়। গাড়িটি দেখতে বেশ সুন্দর, হেডলাইটে ২টি ডে-টাইম লাইট আছে কারণ ই-ক্লাস চেনার উপায় হচ্ছে হেডলাইটের মধ্যে ২টি ডিআরএল। সামনে গ্রিলের উপর ২টি ক্রোম বার দিয়ে ডেকোরেশন করা, যার মাঝখানে বড় করে মার্সিডিজ-বেঞ্জের লোগো দেওয়া। গাড়িটি দেখতে একটি স্লিম, প্রাডোর মতো একদম ইয়া বিশাল না। বড় ২০ ইঞ্চি সাইজের চাকাগুলোতে ৫টি স্পোক, এবং হাইয়ার ট্রিমে ২১” রিমস আছে। সাইড প্রোফাইলের একমাত্র খুঁত হচ্ছে এ-পিলারে লাগানো লুকিং গ্লাস, যেখানে এরকম টাইপের গাড়িতে হাই-এন্ড অ্যাটেনশন টু ডিটেইল হিসেবে সামনের ২ দরজায় লাগানো লুকিং গ্লাস লাগানো উচিত ছিলো। পিছনে চিকন একজোড়া টেইললাইট আছে, যেগুলোর ডিজাইন বেশ সুন্দর। মার্সিডিজের আগের মিড-সাইজড এসইউভি এমএল-এর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে জিএলই আসার কারণে টেইললাইট দেখতে এমএল-ক্লাসের মতোই।

মার্সিডিজ-বেঞ্জ জিএলই-এর সাইজের ব্যাপারে তো আগেই বলেছি। এখন আসি সাস্পেনশনে। এই গাড়িটির হাই ট্রিমে আছে ই-অ্যাক্টিভ বডি কন্ট্রোল নামের একটি এয়ার-কন্ট্রোল্ড সাস্পেনশন সিস্টেম। এই সাস্পেনশনের কারণে প্রত্যেকটি চাকা স্বাধীনভাবে মুভ করতে পারে, আর এটা কাজ করে বিখ্যাত বোস সাস্পেনশনের মতো যেটাতে ভিতরে একটা ফোঁটাও ঝাঁকি গাড়ির ভিতরে অনুভূত হয় না। এটি দিয়ে গাড়ি যেমন নিচু করে সিটি ক্রুজ করে তেল বাঁচানো যায় অ্যারোডাইনামিক ড্র্যাগ কমিয়ে, আবার এক্সট্রিম অফ-রোডিংয়ের সময়ে গাড়ি অনেক উঁচু করে নেওয়া যাবে। এই গাড়িটির আরেকটি মজার দিক হচ্ছে, বালুতে আটকে গেলে এই গাড়িতে আছে ফ্রি ড্রাইভিং অ্যাসিস্ট মোড, যেটি দিলে গাড়ি বাউন্স করা শুরু করে এয়ার সাস্পেনশনের মাধ্যমে। লাফিয়ে লাফিয়ে গেলে গাড়ি সহজে কাঁদা বা বালু থেকে উঠে আসতে পারবে। আর এই এয়ার সাস্পেনশনের কারণে গাড়ি একদিকে বাঁক নিলে অন্যদিকের এয়ার সাস্পেনশন ফুলে গাড়ি সমান রাখে, একফোঁটাও বডিরোল থাকে না।

জিএলই ৪৫০ গাড়িটিতে আছে ৭টি আরামদায়ক সিট যেগুলো প্রিমিয়াম গ্রেডের নাপা লেদারে মোড়া। সামনের ২টি সারিতে লম্বা যাত্রীরা আরামসে বসতে পারবে, শেষের সারিতে একটু মোটামুটি লম্বা যাত্রীরা বসতে পারবে। সিটগুলো সব লেদারে মোড়া। ৪-জোন ক্লাইমেট কন্ট্রোল আছে ৪টি আলাদা তাপমাত্রা প্রথম ২ সারিতে ভোগ করার জন্য। ৪টা দরজাতেই সিট পজিশনের সিস্টেম আছে প্রথম ২ সারির সিট সামনে-পিছনে ও হেলানো-খাড়ানোর জন্য। আরেকটি মজার ফিচার হচ্ছে, একটা মাইক আছে সব সারিতে, যেন সবার কথা সবাই স্পষ্টভাবে শুনতে পায় গাড়ির মধ্যে। অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিং তো বলাই বাহুল্য যে আছে। বার্মেস্টার সাউন্ড সিস্টেম আছে অসাধারণ সাউন্ড কোয়ালিটির জন্য। প্যানোরামিক সানরুফও বলাই বাহুল্য যে আছে।

মার্সিডিজ-বেঞ্জ জিএলই ৪৫০-তে আছে একটি ৩০০০ সিসির টার্বোচার্জড ইনলাইন-৬ ইঞ্জিন ও সাথে ই.কিউ বুস্ট মাইল্ড হাইব্রিড সিস্টেম, যার শক্তি হচ্ছে ৩৬২ হর্সপাওয়ার ও ৫০০ নিউটন-মিটার টর্ক!!! ২০০০ থেকে ৩০০০ সিসির ট্যাক্স একই, কিন্তু মাইল্ড হাইব্রিড হওয়ার কারণে ট্যাক্সেশন হয়েছে অনেক কম, ১৫০০ সিসি নন-হাইব্রিড গাড়ির চেয়ে অল্প কয়েক পার্সেন্ট বেশি। এই কারণে এই গাড়িটির একটা জার্মান লাক্সারি মিড-সাইজড এসইউভি ও এতো পাওয়ারফুল হওয়ার পরেও গাড়িটির ব্র্যান্ড নিউ দাম একটা ব্র্যান্ড নিউ প্রাডোর চেয়েও কম -> ১.৬ কোটি টাকা। যাইহোক, এই শক্তি নিয়ে গাড়িটা এতো বড় এসইউভি হওয়ার পরেও মাত্র ৫.৭ সেকেন্ডে শূন্য থেকে ১০০ কিমি/ঘন্টা উঠাতে পারে, ও টপস্পিড উঠাতে পারে ২৫০ কিমি/ঘন্টা।

Credit goes to : DriVinci Bangladesh

The 2020 Supra MK-5 with Pandem Kit.🖤🇧🇩⭕credit goes to : BD CarZz
28/05/2021

The 2020 Supra MK-5 with Pandem Kit.🖤🇧🇩

⭕credit goes to : BD CarZz

Address

Halishahar
Chittagong
4224

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CtG CarzZ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category